ঢাকা ০২:৩৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬, ৩০ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
তরুণীর প্যাকেটের মধ্যে ছিলো মাদক ‘ক্রিস্টাল আইস’ তৈরির কাঁচামাল কোতোয়ালি থানার নতুন ওসি হিসেবে মাসুম খানের যোগদান মতলব উত্তর সশস্ত্র বাহিনী অবসরপ্রাপ্ত কল্যাণ সংস্থার উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল কলাকান্দা ইউপি: ইফতার মাহফিলে চেয়ারম্যান প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিলেন হাজী শফিকুল ইসলাম কালিগঞ্জ রিপোর্টার্স ক্লাবের ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত দুমকি উপজেলায়, নির্মাণাধীন ভবন থেকে পড়ে দুই শ্রমিক আহত উখিয়ায় জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার ইফতার ও দোয়া মাহফিল সম্পন্ন বেনাপোল বন্দরে আবারও ৬ কোটি টাকার ঘোষণা বহির্ভূত পণ্য আটক যশোরে জেলা জজের দায়িত্ব পেলেন নড়াইল নারী কোর্টের বিচারক মাহমুদা খাতুন উখিয়ায় বিজিবির অভিযানে ১১ কোটি ৪০ লাখ টাকার ইয়াবা উদ্ধার

তাইওয়ানের পর এবার ‌‘রাগাসা’ আঘাত হেনেছে চীনে

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:১৬:২৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ৯৩ বার পড়া হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: সুপার টাইফুন রাগাসা হারিকেনের শক্তি নিয়ে ও প্রবল বৃষ্টিসহ এবার চীনের দক্ষিণ উপকূলে আঘাত হেনেছে। ফলে উপকূল থেকে কয়েক লাখ মানুষকে নিরাপদে সরানো হয়েছে। একইসঙ্গে অন্তত ১০টি শহরে শিক্ষা ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

স্থানীয় সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, বুধবার চীনের দক্ষিণাঞ্চলীয় গুয়াংডন প্রদেশের হাইলিং দ্বীপের উপকূলে আছড়ে পড়ে টাইফুনটি। দ্বীপটি ইয়াংজিয়াং সিটিতে অবস্থিত।

চীনা রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম সিসিটিভি জানিয়েছে, আঘাত হানার সময় টাইফুনটির কেন্দ্রের বাতাসের গতিবেগ ছিল ১৪৪ কিলোমিটার।

গত সোমবার সর্বপ্রথম ফিলিপাইনে আঘাত হানে এ সামুদ্রিক ঝড়টি। ওই সময় ঝড়টি সুপার টাইফুনে পরিণত হয়। এরপর এটি তাইওয়ান ও চীনের দিকে এগোতে থাকে। এছাড়া হংকংয়েও রাগাসার প্রভাব পড়ে। চলতি বছরে সবচেয়ে শক্তিশালী টাইফুন ছিল রাগাসা।

হংকংয়ে টাইফুনের আঘাতে অন্তত ৬২জন আহত হয়েছেন। এছাড়া এটি অবকাঠামোর অনেক ক্ষয়ক্ষতি করেছে। টাইফুনের প্রভাবে হওয়া বৃষ্টিতে অনেক জায়গা প্লাবিত হয়েছে।

অপরদিকে তাইওয়ানে রাগাসা ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি করেছে। বিশেষ করে একটি লেকের বাঁধ ভেঙে অন্তত ১৭ জন প্রাণ হারিয়েছেন। এ সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এখনও নিখোঁজ রয়েছেন অন্তত ১৭ জন।

সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গুয়াংফু নামে শহরটির লেকের বাঁধ ভেঙে যাওয়ার পর লোকালয়ে বন্যার পানি ঢুকে পড়ে। এতে এসব প্রাণহানির ঘটনা ঘটে।

তাইওয়ানের প্রধানমন্ত্রী চো জাং-তাই লেকের বাঁধ ভাঙা ও বন্যার পানিতে মানুষের মৃত্যুর ঘটনায় তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, কেন সেখানকার মানুষকে সরানো হয়নি এর কারণ খুঁজে বের করা হবে।

শহরটিতে সরাসরি গিয়ে সেখানকার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেছেন প্রধানমন্ত্রী চো জাং-তাই। এছাড়া ভাইস প্রেসিডেন্ট হাসিয়াও বি-খিমও ঘটনাস্থলে গিয়েছিলেন।

বুধবার টাইফুনটি কিছুটা দুর্বল হয়। কিন্তু তা সত্ত্বেও এটির যে শক্তি ছিল তা জানমালের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির জন্য যথেষ্ট।

সূত্র: রয়টার্স

 

 

 

 

 

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

তরুণীর প্যাকেটের মধ্যে ছিলো মাদক ‘ক্রিস্টাল আইস’ তৈরির কাঁচামাল

তাইওয়ানের পর এবার ‌‘রাগাসা’ আঘাত হেনেছে চীনে

আপডেট সময় : ০৭:১৬:২৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: সুপার টাইফুন রাগাসা হারিকেনের শক্তি নিয়ে ও প্রবল বৃষ্টিসহ এবার চীনের দক্ষিণ উপকূলে আঘাত হেনেছে। ফলে উপকূল থেকে কয়েক লাখ মানুষকে নিরাপদে সরানো হয়েছে। একইসঙ্গে অন্তত ১০টি শহরে শিক্ষা ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

স্থানীয় সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, বুধবার চীনের দক্ষিণাঞ্চলীয় গুয়াংডন প্রদেশের হাইলিং দ্বীপের উপকূলে আছড়ে পড়ে টাইফুনটি। দ্বীপটি ইয়াংজিয়াং সিটিতে অবস্থিত।

চীনা রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম সিসিটিভি জানিয়েছে, আঘাত হানার সময় টাইফুনটির কেন্দ্রের বাতাসের গতিবেগ ছিল ১৪৪ কিলোমিটার।

গত সোমবার সর্বপ্রথম ফিলিপাইনে আঘাত হানে এ সামুদ্রিক ঝড়টি। ওই সময় ঝড়টি সুপার টাইফুনে পরিণত হয়। এরপর এটি তাইওয়ান ও চীনের দিকে এগোতে থাকে। এছাড়া হংকংয়েও রাগাসার প্রভাব পড়ে। চলতি বছরে সবচেয়ে শক্তিশালী টাইফুন ছিল রাগাসা।

হংকংয়ে টাইফুনের আঘাতে অন্তত ৬২জন আহত হয়েছেন। এছাড়া এটি অবকাঠামোর অনেক ক্ষয়ক্ষতি করেছে। টাইফুনের প্রভাবে হওয়া বৃষ্টিতে অনেক জায়গা প্লাবিত হয়েছে।

অপরদিকে তাইওয়ানে রাগাসা ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি করেছে। বিশেষ করে একটি লেকের বাঁধ ভেঙে অন্তত ১৭ জন প্রাণ হারিয়েছেন। এ সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এখনও নিখোঁজ রয়েছেন অন্তত ১৭ জন।

সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গুয়াংফু নামে শহরটির লেকের বাঁধ ভেঙে যাওয়ার পর লোকালয়ে বন্যার পানি ঢুকে পড়ে। এতে এসব প্রাণহানির ঘটনা ঘটে।

তাইওয়ানের প্রধানমন্ত্রী চো জাং-তাই লেকের বাঁধ ভাঙা ও বন্যার পানিতে মানুষের মৃত্যুর ঘটনায় তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, কেন সেখানকার মানুষকে সরানো হয়নি এর কারণ খুঁজে বের করা হবে।

শহরটিতে সরাসরি গিয়ে সেখানকার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেছেন প্রধানমন্ত্রী চো জাং-তাই। এছাড়া ভাইস প্রেসিডেন্ট হাসিয়াও বি-খিমও ঘটনাস্থলে গিয়েছিলেন।

বুধবার টাইফুনটি কিছুটা দুর্বল হয়। কিন্তু তা সত্ত্বেও এটির যে শক্তি ছিল তা জানমালের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির জন্য যথেষ্ট।

সূত্র: রয়টার্স