ঢাকা ০৩:১৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
দায়িত্বে স্বচ্ছতা ও সমন্বয়ের তাগিদ: জেলা উন্নয়ন কমিটির সভায় ডিসি রায়হান কবির ৯৫% বর্জ্য পুড়িয়ে ৫০০ মেগাওয়াট উৎপাদন’সহ বছরে ১০০০ কোটি টাকা সাশ্রয়ের সম্ভাবনা : প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা রাজবাড়ীতে হ্যান্ডকাফসহ আসামি ছিনিয়ে নিল মাদককারবারিরা জাতীয় পার্টিকে শেষ করার ষড়যন্ত্র সফল হবে না : যশোরে কর্মীসভায় আসুদ পটিয়া প্রেসক্লাব নতুন কমিটিকে আলোর পথিক সামাজিক সংগঠন অভিনন্দন টেকনাফে ১,৪৪০ ক্যান বিয়ার জব্দ, পলাতক মিলনের বিরুদ্ধে মামলা জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার ভাইস প্রেসিডেন্ট হলেন অ্যাড. শাহানাজ জামান জিয়াউর রহমানের শাহাদত বার্ষিকী উপলক্ষে শার্শা উপজেলায় বাহাদুপুরে মাসব্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি শুরু শখের আঙ্গুর চাষ বাণিজ্যিক বাগানে পরিণত  বাংলাদেশ এর কর্মসংস্থানের সুযোগ ও সম্প্রসারণ বর্তমান বাস্তবতা, চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনা

মাসুদা টাওয়ারে অভিযান চালিয়ে কোটি টাকা মূল্যের ৬টি বিলাসবহুল গাড়ি উদ্ধার

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:১১:৩৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ১৪৭ বার পড়া হয়েছে

মোঃ আমিনুল ইসলাম: রাজধানীর লালবাগ থানাধীন আজিমপুরে দায়রা শরীফ আবাসিক এলাকায় সাবেক সংসদ সদস্য হাজী সেলিমের মালিকানাধীন গুলশানারা মাসুদা টাওয়ারে অভিযান চালিয়ে কোটি টাকা মূল্যের ৬টি বিলাসবহুল গাড়ি উদ্ধার করেছে যৌথ বাহিনী।

রোববার (২৮ সেপ্টেম্বর) সকালে এ অভিযান পরিচালনা করে যৌথ বাহিনীর আজিমপুর ক্যাম্প-৪৬ ব্রিগেড (অজেয় চার), নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও লালবাগ থানা পুলিশ।

গুলশানারা মাসুদা টাওয়ারের আন্ডারগ্রাউন্ড পার্কিংয়ের একটি গোপন কক্ষ থেকে গাড়িগুলো উদ্ধার করা হয়।

জানা গেছে, ১২তলা বিশিষ্ট ভবনটির নিচতলায় বিশেষভাবে টিনশেড দিয়ে ঘেরা একটি আলাদা রুম তৈরি করা হয়েছিল। সেখানে কয়েক কোটি টাকা দামের গাড়িগুলো লুকিয়ে রাখা হয়।

উদ্ধার হওয়া গাড়িগুলোর তালিকা সূত্রে পাওয়া গেছে। এর মধ্যে রয়েছে— দুটি বিএমডব্লিউ, যার একটি সাদা ও অন্যটি লাল রঙের। এছাড়া একটি কালো রঙের নিশান পেট্রোল, একটি সাদা প্রোটন প্রাইভেটকার, একটি সাদা টয়োটা আইএসটি এবং একটি লাল রঙের টয়োটা রাস জিপ গাড়ি।

অভিযানের সময় গাড়িগুলোর কোনো বৈধ কাগজপত্র ভবনের দায়িত্বে থাকা ম্যানেজার দেখাতে পারেননি। এমনকি কেন আলাদা রুমে টিনশেড দিয়ে গাড়িগুলো লুকিয়ে রাখা হয়েছিল, সে বিষয়েও তিনি কোনো সঠিক ব্যাখ্যা দিতে ব্যর্থ হন।

যৌথ বাহিনীর এক কর্মকর্তা জানান, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে তারা এ অভিযান চালান। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, উদ্ধার হওয়া এসব বিলাসবহুল গাড়ি সাবেক সংসদ সদস্য ও আওয়ামী লীগের নেতা হাজী সেলিম ব্যবহার করতেন। তবে গাড়িগুলোর প্রকৃত মালিকানা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

অভিযান শেষে গাড়িগুলো জব্দ করা হয় এবং ভবনের ম্যানেজারকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আজিমপুর আর্মি ক্যাম্পে নিয়ে যাওয়া হয়।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

দায়িত্বে স্বচ্ছতা ও সমন্বয়ের তাগিদ: জেলা উন্নয়ন কমিটির সভায় ডিসি রায়হান কবির

মাসুদা টাওয়ারে অভিযান চালিয়ে কোটি টাকা মূল্যের ৬টি বিলাসবহুল গাড়ি উদ্ধার

আপডেট সময় : ১১:১১:৩৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫

মোঃ আমিনুল ইসলাম: রাজধানীর লালবাগ থানাধীন আজিমপুরে দায়রা শরীফ আবাসিক এলাকায় সাবেক সংসদ সদস্য হাজী সেলিমের মালিকানাধীন গুলশানারা মাসুদা টাওয়ারে অভিযান চালিয়ে কোটি টাকা মূল্যের ৬টি বিলাসবহুল গাড়ি উদ্ধার করেছে যৌথ বাহিনী।

রোববার (২৮ সেপ্টেম্বর) সকালে এ অভিযান পরিচালনা করে যৌথ বাহিনীর আজিমপুর ক্যাম্প-৪৬ ব্রিগেড (অজেয় চার), নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও লালবাগ থানা পুলিশ।

গুলশানারা মাসুদা টাওয়ারের আন্ডারগ্রাউন্ড পার্কিংয়ের একটি গোপন কক্ষ থেকে গাড়িগুলো উদ্ধার করা হয়।

জানা গেছে, ১২তলা বিশিষ্ট ভবনটির নিচতলায় বিশেষভাবে টিনশেড দিয়ে ঘেরা একটি আলাদা রুম তৈরি করা হয়েছিল। সেখানে কয়েক কোটি টাকা দামের গাড়িগুলো লুকিয়ে রাখা হয়।

উদ্ধার হওয়া গাড়িগুলোর তালিকা সূত্রে পাওয়া গেছে। এর মধ্যে রয়েছে— দুটি বিএমডব্লিউ, যার একটি সাদা ও অন্যটি লাল রঙের। এছাড়া একটি কালো রঙের নিশান পেট্রোল, একটি সাদা প্রোটন প্রাইভেটকার, একটি সাদা টয়োটা আইএসটি এবং একটি লাল রঙের টয়োটা রাস জিপ গাড়ি।

অভিযানের সময় গাড়িগুলোর কোনো বৈধ কাগজপত্র ভবনের দায়িত্বে থাকা ম্যানেজার দেখাতে পারেননি। এমনকি কেন আলাদা রুমে টিনশেড দিয়ে গাড়িগুলো লুকিয়ে রাখা হয়েছিল, সে বিষয়েও তিনি কোনো সঠিক ব্যাখ্যা দিতে ব্যর্থ হন।

যৌথ বাহিনীর এক কর্মকর্তা জানান, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে তারা এ অভিযান চালান। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, উদ্ধার হওয়া এসব বিলাসবহুল গাড়ি সাবেক সংসদ সদস্য ও আওয়ামী লীগের নেতা হাজী সেলিম ব্যবহার করতেন। তবে গাড়িগুলোর প্রকৃত মালিকানা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

অভিযান শেষে গাড়িগুলো জব্দ করা হয় এবং ভবনের ম্যানেজারকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আজিমপুর আর্মি ক্যাম্পে নিয়ে যাওয়া হয়।