ঢাকা ০৭:৫৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সিদ্ধিরগঞ্জের ২নং ওয়ার্ডে মাদক-সন্ত্রাস-চাঁদাবাজ ও ভূমিদস্যুদের বিরুদ্ধে হুঁশিয়ারি দিলেন ইকবাল হোসেন (দলিল লেখক) সিদ্ধিরগঞ্জে পুলিশের চিরনি অভিযান, হেরোইনসহ ৭ আসামী গ্রেফতার জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় ২ বিলিয়ন ডলার সহায়তা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী সাংবাদিকদের মর্যাদা ও বেতন কাঠামো নিশ্চিত করতে কাজ করছে সরকার : তথ্যমন্ত্রী স্ত্রীকে নৃশংসভাবে হত্যা: স্বামী গ্রেফতার, রহস্য উদঘাটন পটিয়ায় রেলওয়ের কাঁচাবাজার দখলের অভিযোগ: ইউএনওর সরেজমিন পরিদর্শন, উভয় পক্ষের বক্তব্য গ্রহণ মতলব উত্তরে ঘনিয়ারপাড়ে জমজমাট বৈশাখী মেলা  অটোমেটেড ভূমি সেবা সিস্টেম মাধ্যমে সাধারণ মানুষ দ্রুত ও স্বচ্ছ সেবা পাবে:শরফ উদ্দিন আহমদ চৌধুরী টেকনাফের শাহপরীতে কোস্ট গার্ডের অভিযানে ২২ হাজার ইয়াবাসহ আটক ২ বেনাপোল-পেট্রাপোল স্থলবন্দরে আমদানি-রফতানি শুরু

মাসুদা টাওয়ারে অভিযান চালিয়ে কোটি টাকা মূল্যের ৬টি বিলাসবহুল গাড়ি উদ্ধার

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:১১:৩৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ১০১ বার পড়া হয়েছে

মোঃ আমিনুল ইসলাম: রাজধানীর লালবাগ থানাধীন আজিমপুরে দায়রা শরীফ আবাসিক এলাকায় সাবেক সংসদ সদস্য হাজী সেলিমের মালিকানাধীন গুলশানারা মাসুদা টাওয়ারে অভিযান চালিয়ে কোটি টাকা মূল্যের ৬টি বিলাসবহুল গাড়ি উদ্ধার করেছে যৌথ বাহিনী।

রোববার (২৮ সেপ্টেম্বর) সকালে এ অভিযান পরিচালনা করে যৌথ বাহিনীর আজিমপুর ক্যাম্প-৪৬ ব্রিগেড (অজেয় চার), নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও লালবাগ থানা পুলিশ।

গুলশানারা মাসুদা টাওয়ারের আন্ডারগ্রাউন্ড পার্কিংয়ের একটি গোপন কক্ষ থেকে গাড়িগুলো উদ্ধার করা হয়।

জানা গেছে, ১২তলা বিশিষ্ট ভবনটির নিচতলায় বিশেষভাবে টিনশেড দিয়ে ঘেরা একটি আলাদা রুম তৈরি করা হয়েছিল। সেখানে কয়েক কোটি টাকা দামের গাড়িগুলো লুকিয়ে রাখা হয়।

উদ্ধার হওয়া গাড়িগুলোর তালিকা সূত্রে পাওয়া গেছে। এর মধ্যে রয়েছে— দুটি বিএমডব্লিউ, যার একটি সাদা ও অন্যটি লাল রঙের। এছাড়া একটি কালো রঙের নিশান পেট্রোল, একটি সাদা প্রোটন প্রাইভেটকার, একটি সাদা টয়োটা আইএসটি এবং একটি লাল রঙের টয়োটা রাস জিপ গাড়ি।

অভিযানের সময় গাড়িগুলোর কোনো বৈধ কাগজপত্র ভবনের দায়িত্বে থাকা ম্যানেজার দেখাতে পারেননি। এমনকি কেন আলাদা রুমে টিনশেড দিয়ে গাড়িগুলো লুকিয়ে রাখা হয়েছিল, সে বিষয়েও তিনি কোনো সঠিক ব্যাখ্যা দিতে ব্যর্থ হন।

যৌথ বাহিনীর এক কর্মকর্তা জানান, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে তারা এ অভিযান চালান। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, উদ্ধার হওয়া এসব বিলাসবহুল গাড়ি সাবেক সংসদ সদস্য ও আওয়ামী লীগের নেতা হাজী সেলিম ব্যবহার করতেন। তবে গাড়িগুলোর প্রকৃত মালিকানা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

অভিযান শেষে গাড়িগুলো জব্দ করা হয় এবং ভবনের ম্যানেজারকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আজিমপুর আর্মি ক্যাম্পে নিয়ে যাওয়া হয়।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

সিদ্ধিরগঞ্জের ২নং ওয়ার্ডে মাদক-সন্ত্রাস-চাঁদাবাজ ও ভূমিদস্যুদের বিরুদ্ধে হুঁশিয়ারি দিলেন ইকবাল হোসেন (দলিল লেখক)

মাসুদা টাওয়ারে অভিযান চালিয়ে কোটি টাকা মূল্যের ৬টি বিলাসবহুল গাড়ি উদ্ধার

আপডেট সময় : ১১:১১:৩৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫

মোঃ আমিনুল ইসলাম: রাজধানীর লালবাগ থানাধীন আজিমপুরে দায়রা শরীফ আবাসিক এলাকায় সাবেক সংসদ সদস্য হাজী সেলিমের মালিকানাধীন গুলশানারা মাসুদা টাওয়ারে অভিযান চালিয়ে কোটি টাকা মূল্যের ৬টি বিলাসবহুল গাড়ি উদ্ধার করেছে যৌথ বাহিনী।

রোববার (২৮ সেপ্টেম্বর) সকালে এ অভিযান পরিচালনা করে যৌথ বাহিনীর আজিমপুর ক্যাম্প-৪৬ ব্রিগেড (অজেয় চার), নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও লালবাগ থানা পুলিশ।

গুলশানারা মাসুদা টাওয়ারের আন্ডারগ্রাউন্ড পার্কিংয়ের একটি গোপন কক্ষ থেকে গাড়িগুলো উদ্ধার করা হয়।

জানা গেছে, ১২তলা বিশিষ্ট ভবনটির নিচতলায় বিশেষভাবে টিনশেড দিয়ে ঘেরা একটি আলাদা রুম তৈরি করা হয়েছিল। সেখানে কয়েক কোটি টাকা দামের গাড়িগুলো লুকিয়ে রাখা হয়।

উদ্ধার হওয়া গাড়িগুলোর তালিকা সূত্রে পাওয়া গেছে। এর মধ্যে রয়েছে— দুটি বিএমডব্লিউ, যার একটি সাদা ও অন্যটি লাল রঙের। এছাড়া একটি কালো রঙের নিশান পেট্রোল, একটি সাদা প্রোটন প্রাইভেটকার, একটি সাদা টয়োটা আইএসটি এবং একটি লাল রঙের টয়োটা রাস জিপ গাড়ি।

অভিযানের সময় গাড়িগুলোর কোনো বৈধ কাগজপত্র ভবনের দায়িত্বে থাকা ম্যানেজার দেখাতে পারেননি। এমনকি কেন আলাদা রুমে টিনশেড দিয়ে গাড়িগুলো লুকিয়ে রাখা হয়েছিল, সে বিষয়েও তিনি কোনো সঠিক ব্যাখ্যা দিতে ব্যর্থ হন।

যৌথ বাহিনীর এক কর্মকর্তা জানান, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে তারা এ অভিযান চালান। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, উদ্ধার হওয়া এসব বিলাসবহুল গাড়ি সাবেক সংসদ সদস্য ও আওয়ামী লীগের নেতা হাজী সেলিম ব্যবহার করতেন। তবে গাড়িগুলোর প্রকৃত মালিকানা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

অভিযান শেষে গাড়িগুলো জব্দ করা হয় এবং ভবনের ম্যানেজারকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আজিমপুর আর্মি ক্যাম্পে নিয়ে যাওয়া হয়।