ঢাকা ০৯:১১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ১২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
স্বাস্থ্যসম্মত কর্মপরিবেশ ও পরিচ্ছন্ন নারায়ণগঞ্জ গড়ে তুলতে একযোগে পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও সচেতনতা র‍্যালি উখিয়ায় র‌্যাব-১৫ এর অভিযানে ৩ বছরের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেপ্তার রাজবাড়ীতে সংবাদ সংগ্রহকালে সাংবাদিকের উপর হামলা ১ দিনে ১৩৫ টন বর্জ্য সরিয়ে রেকর্ড গড়লেন ডিসি জাহিদ ক্যান্সারে আক্রান্ত শিক্ষিকা ইয়াসমিন আরার পাশে আনভীর বসুন্ধরা গ্রুপ ফাউন্ডেশন এসবিএসি ব্যাংকের অর্ধবার্ষিক ব্যবসা উন্নয়ন সম্মেলন অনুষ্ঠিত ১৬০ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ যশোরে দুই মাদক কারবারি আটক কুমিল্লার বরুড়ায় আন্তঃস্কুল ইংলিশ ডিবেট প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত রাজবাড়ী জেলা কারাগারে হাজতির মৃত্যু পরিচ্ছন্ন করি নগর-গ্রাম, গড়ি নান্দনিক চট্টগ্রাম কে সাৃমনে রেখে একযোগে ৩৩০০-এর বেশি সরকারি ভবন পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম শুরু

লালমাই আটিটি বাজার ভুয়া ডাক্তার ও প্রতারণামূলক ওষুধ ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্টের ৩০ হাজার টাকা জরিমানা

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:০৪:৩২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ অক্টোবর ২০২৫
  • ১৭৫ বার পড়া হয়েছে

মোহাম্মদ আমিনুল,কুমিল্লা: কুমিল্লার লালমাই উপজেলা আটিটি বাজার ভুয়া ডাক্তার শামীম আহমেদ (সুমন) ও প্রতারণামূলক ওষুধ ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়েছে।

৫ অক্টোবর সন্ধ্যা আনুমানিক ৭টা ৩০ মিনিটে এই অভিযানটি পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হিমাদ্রি খীসা।

মোবাইল কোর্টে পরিচালনা ভুয়া ডাক্তার পদবি ব্যবহার করে চিকিৎসা কার্যক্রম পরিচালনা করার অপরাধে মেডিক্যাল ও ডেন্টাল কাউন্সিল আইন, ২০১০ অনুযায়ী ১ ব্যক্তিকে ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করে।

এছাড়া ভোক্তার সঙ্গে প্রতারণামূলক সেবা প্রদান করে ওষুধ ব্যবসা পরিচালনার অপরাধে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ অনুযায়ী অপর ১ ব্যবসায়ীকে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়।

অভিযানে সহযোগিতা করেন, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ফার্মাসিস্ট মোঃ রিয়াজুল ইসলাম এবং লালমাই থানা পুলিশের একটি টিম।

বাজারে ভুয়া ডাক্তার ও অনুমোদনহীন ফার্মেসির দৌরাত্ম্য চরমে পৌঁছেছে।মোবাইল কোর্টের অভিযান খবর পেয়ে দোকান বন্ধ করে পালিয়ে যায় মেডিক্যাল দোকানদারা ।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বাজারের অধিকাংশ ডাক্তারই কোনো স্বীকৃত ডিগ্রিধারী নন। তবুও তারা রোগী দেখছেন এবং ওষুধ প্রেসক্রাইব করছেন।

এছাড়া বাজারের বহু ফার্মেসিরই নেই বৈধ ট্রেড লাইসেন্স, ড্রাগ লাইসেন্স বা অন্যান্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র। অভিযোগ রয়েছে, এসব দোকানে অতিরিক্ত দামে ওষুধ বিক্রি ও প্রয়োজনের অতিরিক্ত ওষুধ সরবরাহ করা হচ্ছে।

স্থানীয় ব্যক্তি বলেন, “যখন মোবাইল কোর্টের অভিযান শুরু হয়, তখন খবর পেয়ে আটিটি বাজারের সব ওষুধ দোকানদার তড়িঘড়ি করে দোকান বন্ধ করে পালিয়ে যায়। যদি তারা বৈধভাবে ব্যবসা করতো, তাহলে পালাত না। আপনি যাচাই করলেই দেখবেন—কোনো দোকানেই সঠিক কাগজপত্র নেই।”

স্থানীয় সূত্রে আরও জানা যায়, আটিটি বাজারে বর্তমানে মোট ১৪টি মেডিসিন দোকান রয়েছে। এর মধ্যে একটিও সম্পূর্ণ বৈধ নথিপত্র দেখাতে সক্ষম নয় বলে অভিযোগ উঠেছে।

এ বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসন ও স্বাস্থ্য বিভাগ জরুরি তদন্তের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
জনস্বার্থে উপজেলা প্রশাসন, লালমাই কর্তৃক এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানানো হয়েছে।

 

 

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

স্বাস্থ্যসম্মত কর্মপরিবেশ ও পরিচ্ছন্ন নারায়ণগঞ্জ গড়ে তুলতে একযোগে পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও সচেতনতা র‍্যালি

লালমাই আটিটি বাজার ভুয়া ডাক্তার ও প্রতারণামূলক ওষুধ ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্টের ৩০ হাজার টাকা জরিমানা

আপডেট সময় : ০৪:০৪:৩২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ অক্টোবর ২০২৫

মোহাম্মদ আমিনুল,কুমিল্লা: কুমিল্লার লালমাই উপজেলা আটিটি বাজার ভুয়া ডাক্তার শামীম আহমেদ (সুমন) ও প্রতারণামূলক ওষুধ ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়েছে।

৫ অক্টোবর সন্ধ্যা আনুমানিক ৭টা ৩০ মিনিটে এই অভিযানটি পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হিমাদ্রি খীসা।

মোবাইল কোর্টে পরিচালনা ভুয়া ডাক্তার পদবি ব্যবহার করে চিকিৎসা কার্যক্রম পরিচালনা করার অপরাধে মেডিক্যাল ও ডেন্টাল কাউন্সিল আইন, ২০১০ অনুযায়ী ১ ব্যক্তিকে ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করে।

এছাড়া ভোক্তার সঙ্গে প্রতারণামূলক সেবা প্রদান করে ওষুধ ব্যবসা পরিচালনার অপরাধে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ অনুযায়ী অপর ১ ব্যবসায়ীকে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়।

অভিযানে সহযোগিতা করেন, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ফার্মাসিস্ট মোঃ রিয়াজুল ইসলাম এবং লালমাই থানা পুলিশের একটি টিম।

বাজারে ভুয়া ডাক্তার ও অনুমোদনহীন ফার্মেসির দৌরাত্ম্য চরমে পৌঁছেছে।মোবাইল কোর্টের অভিযান খবর পেয়ে দোকান বন্ধ করে পালিয়ে যায় মেডিক্যাল দোকানদারা ।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বাজারের অধিকাংশ ডাক্তারই কোনো স্বীকৃত ডিগ্রিধারী নন। তবুও তারা রোগী দেখছেন এবং ওষুধ প্রেসক্রাইব করছেন।

এছাড়া বাজারের বহু ফার্মেসিরই নেই বৈধ ট্রেড লাইসেন্স, ড্রাগ লাইসেন্স বা অন্যান্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র। অভিযোগ রয়েছে, এসব দোকানে অতিরিক্ত দামে ওষুধ বিক্রি ও প্রয়োজনের অতিরিক্ত ওষুধ সরবরাহ করা হচ্ছে।

স্থানীয় ব্যক্তি বলেন, “যখন মোবাইল কোর্টের অভিযান শুরু হয়, তখন খবর পেয়ে আটিটি বাজারের সব ওষুধ দোকানদার তড়িঘড়ি করে দোকান বন্ধ করে পালিয়ে যায়। যদি তারা বৈধভাবে ব্যবসা করতো, তাহলে পালাত না। আপনি যাচাই করলেই দেখবেন—কোনো দোকানেই সঠিক কাগজপত্র নেই।”

স্থানীয় সূত্রে আরও জানা যায়, আটিটি বাজারে বর্তমানে মোট ১৪টি মেডিসিন দোকান রয়েছে। এর মধ্যে একটিও সম্পূর্ণ বৈধ নথিপত্র দেখাতে সক্ষম নয় বলে অভিযোগ উঠেছে।

এ বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসন ও স্বাস্থ্য বিভাগ জরুরি তদন্তের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
জনস্বার্থে উপজেলা প্রশাসন, লালমাই কর্তৃক এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানানো হয়েছে।