ঢাকা ১১:০১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬, ৩০ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মতলব উত্তর সশস্ত্র বাহিনী অবসরপ্রাপ্ত কল্যাণ সংস্থার উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল কলাকান্দা ইউপি: ইফতার মাহফিলে চেয়ারম্যান প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিলেন হাজী শফিকুল ইসলাম কালিগঞ্জ রিপোর্টার্স ক্লাবের ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত দুমকি উপজেলায়, নির্মাণাধীন ভবন থেকে পড়ে দুই শ্রমিক আহত উখিয়ায় জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার ইফতার ও দোয়া মাহফিল সম্পন্ন বেনাপোল বন্দরে আবারও ৬ কোটি টাকার ঘোষণা বহির্ভূত পণ্য আটক যশোরে জেলা জজের দায়িত্ব পেলেন নড়াইল নারী কোর্টের বিচারক মাহমুদা খাতুন উখিয়ায় বিজিবির অভিযানে ১১ কোটি ৪০ লাখ টাকার ইয়াবা উদ্ধার রামগড়ে জ্বালানি তেলের সংকট, খুচরা দোকানে উপচে পড়া ভিড় ‎ফতুল্লার খালপাড়ে পরিত্যক্ত ব্যাগ থেকে বিদেশি রিভলবার উদ্ধার

রিজওয়ানা হাসানের মন্তব্য: নারীর স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত না করে তাদের ক্ষমতায়ন সম্পূর্ণ হয় না

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:৩৭:০৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৫
  • ১০১ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক: পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় এবং পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেছেন, নারীর স্বাস্থ্য ও ক্ষমতায়ন নিশ্চিতেই টেকসই উন্নয়ন সম্ভব। নারীর প্রতি যত্নশীল হওয়া যেমন সামাজিক দায়িত্ব, তেমনই জাতীয় উন্নয়নের অন্যতম পূর্বশর্ত। নারী স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত না করে নারীর ক্ষমতায়ন সম্পূর্ণ হয় না।

বৃহস্পতিবার (৩০ অক্টোবর) সন্ধ্যায় রাজধানীর ওয়েস্টিন হোটেলে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

রিজওয়ানা হাসান বলেন, বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় নারীরা লবণাক্ততা, বিশুদ্ধ পানির অভাব, ও প্রজননজনিত নানা জটিলতার মুখোমুখি হন। এসব অঞ্চলে নারীদের স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে উদ্ভাবনী উদ্যোগ যেমন মোবাইল ক্লিনিক বা নৌকা হাসপাতাল চালু করা জরুরি।

তিনি বলেন, রোহিঙ্গা ক্যাম্প বা উপকূলের প্রত্যন্ত এলাকায় যারা স্বাস্থ্যসেবা দিচ্ছেন, তারা আসলে মানবিকতার ফ্রন্টলাইনে কাজ করছেন।

নারীর প্রজনন স্বাস্থ্যকে সামাজিকভাবে ‘নিষিদ্ধ’ ভাবা ভুল বলে মন্তব্য করে পরিবেশ উপদেষ্টা বলেন, শিশুদের ছোটবেলা থেকেই স্বাস্থ্যবিধি, প্রজনন স্বাস্থ্য ও আত্মসচেতনতা সম্পর্কে শেখানো দরকার। নারীর স্বাস্থ্য নিয়ে নীরবতা নয়, সচেতন আলোচনা দরকার।

নিজের অভিজ্ঞতার আলোকে তিনি বলেন, বাংলাদেশে এখনো প্রজনন স্বাস্থ্য বা মাতৃত্বকালীন যত্ন অনেকের জন্য বিলাসিতা। নারীকে সুস্থ রাখতে হলে পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্র- সবাইকে আরও দায়িত্বশীল হতে হবে।

তিনি বলেন, আমাদের সমাজে নেগেটিভিটি ছড়ানো এখন এক ধরনের অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। অথচ উন্নয়ন ও অগ্রগতির জন্য প্রয়োজন বিশ্বাস, প্রত্যাশা ও ইতিবাচক চিন্তা। নারী স্বাস্থ্য ও শিক্ষা সেই ইতিবাচকতার শক্ত ভিত গড়ে দিতে পারে।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

মতলব উত্তর সশস্ত্র বাহিনী অবসরপ্রাপ্ত কল্যাণ সংস্থার উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল

রিজওয়ানা হাসানের মন্তব্য: নারীর স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত না করে তাদের ক্ষমতায়ন সম্পূর্ণ হয় না

আপডেট সময় : ০৮:৩৭:০৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৫

নিজস্ব প্রতিবেদক: পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় এবং পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেছেন, নারীর স্বাস্থ্য ও ক্ষমতায়ন নিশ্চিতেই টেকসই উন্নয়ন সম্ভব। নারীর প্রতি যত্নশীল হওয়া যেমন সামাজিক দায়িত্ব, তেমনই জাতীয় উন্নয়নের অন্যতম পূর্বশর্ত। নারী স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত না করে নারীর ক্ষমতায়ন সম্পূর্ণ হয় না।

বৃহস্পতিবার (৩০ অক্টোবর) সন্ধ্যায় রাজধানীর ওয়েস্টিন হোটেলে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

রিজওয়ানা হাসান বলেন, বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় নারীরা লবণাক্ততা, বিশুদ্ধ পানির অভাব, ও প্রজননজনিত নানা জটিলতার মুখোমুখি হন। এসব অঞ্চলে নারীদের স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে উদ্ভাবনী উদ্যোগ যেমন মোবাইল ক্লিনিক বা নৌকা হাসপাতাল চালু করা জরুরি।

তিনি বলেন, রোহিঙ্গা ক্যাম্প বা উপকূলের প্রত্যন্ত এলাকায় যারা স্বাস্থ্যসেবা দিচ্ছেন, তারা আসলে মানবিকতার ফ্রন্টলাইনে কাজ করছেন।

নারীর প্রজনন স্বাস্থ্যকে সামাজিকভাবে ‘নিষিদ্ধ’ ভাবা ভুল বলে মন্তব্য করে পরিবেশ উপদেষ্টা বলেন, শিশুদের ছোটবেলা থেকেই স্বাস্থ্যবিধি, প্রজনন স্বাস্থ্য ও আত্মসচেতনতা সম্পর্কে শেখানো দরকার। নারীর স্বাস্থ্য নিয়ে নীরবতা নয়, সচেতন আলোচনা দরকার।

নিজের অভিজ্ঞতার আলোকে তিনি বলেন, বাংলাদেশে এখনো প্রজনন স্বাস্থ্য বা মাতৃত্বকালীন যত্ন অনেকের জন্য বিলাসিতা। নারীকে সুস্থ রাখতে হলে পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্র- সবাইকে আরও দায়িত্বশীল হতে হবে।

তিনি বলেন, আমাদের সমাজে নেগেটিভিটি ছড়ানো এখন এক ধরনের অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। অথচ উন্নয়ন ও অগ্রগতির জন্য প্রয়োজন বিশ্বাস, প্রত্যাশা ও ইতিবাচক চিন্তা। নারী স্বাস্থ্য ও শিক্ষা সেই ইতিবাচকতার শক্ত ভিত গড়ে দিতে পারে।