ঢাকা ০৭:২৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সিদ্ধিরগঞ্জের ২নং ওয়ার্ডে মাদক-সন্ত্রাস-চাঁদাবাজ ও ভূমিদস্যুদের বিরুদ্ধে হুঁশিয়ারি দিলেন ইকবাল হোসেন (দলিল লেখক) সিদ্ধিরগঞ্জে পুলিশের চিরনি অভিযান, হেরোইনসহ ৭ আসামী গ্রেফতার জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় ২ বিলিয়ন ডলার সহায়তা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী সাংবাদিকদের মর্যাদা ও বেতন কাঠামো নিশ্চিত করতে কাজ করছে সরকার : তথ্যমন্ত্রী স্ত্রীকে নৃশংসভাবে হত্যা: স্বামী গ্রেফতার, রহস্য উদঘাটন পটিয়ায় রেলওয়ের কাঁচাবাজার দখলের অভিযোগ: ইউএনওর সরেজমিন পরিদর্শন, উভয় পক্ষের বক্তব্য গ্রহণ মতলব উত্তরে ঘনিয়ারপাড়ে জমজমাট বৈশাখী মেলা  অটোমেটেড ভূমি সেবা সিস্টেম মাধ্যমে সাধারণ মানুষ দ্রুত ও স্বচ্ছ সেবা পাবে:শরফ উদ্দিন আহমদ চৌধুরী টেকনাফের শাহপরীতে কোস্ট গার্ডের অভিযানে ২২ হাজার ইয়াবাসহ আটক ২ বেনাপোল-পেট্রাপোল স্থলবন্দরে আমদানি-রফতানি শুরু

মাদ্রাসায় পড়তে গিয়ে পরিচালক ভণ্ড কবিরাজ আনোয়ার কর্তৃক শিশু ধর্ষণের অভিযোগ

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:১৬:৪৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ নভেম্বর ২০২৫
  • ১৩৭ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক : মক্তবে পড়তে গিয়ে কুমিল্লা জেলা লালমাই থানাধীন রসুলপুর দারুসসুন্নাহ নূরানীয়া হাফেজিয়া মাদ্রাসা ও এতিম খানা প্রতিষ্ঠানের পরিচালক আনোয়ার (৪০) কর্তৃক ১৩ বছরের শিশু ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

গত ২৫ অক্টোবর ২০২৫ ইং তারিখ, সকাল ৭.৩০ মিনিটের সময় লালমাই থানার রসুলপুর, বাকুই উত্তর ইউনিয়নের সাদীয়া আক্তার নামের ৭তম শ্রেণিতে পড়ুয়া (১৩) বছর বয়সি এক শিশুকে ধর্ষণের করেছেন বলে জানা যায়। ছোট্ট শিশুটি স্কুলের পাশাপাশি ধর্মীয় জ্ঞান ও কোরআন শিক্ষার জন্য প্রতিদিন সকালে ঐ মাদ্রাসা ও এতিমখানার মক্তবের শিক্ষার্থীদের সাথে পড়তেন। গত ২৫ অক্টোবর সকাল বেলায় ঐ বাচ্চা মক্তবে পড়তে গেলে প্রথমে মক্তবের হুজুরকে পরিচালক আনোয়ার মেয়েটিতে তার অফিস কক্ষ পাঠাতে বলেন, পরে মেয়েটিকে পাঠালে মক্তবের শিক্ষকের সাথে বাচ্চা মেয়েটির খারাপ সম্পর্ক আছেন বলে মানুষিক ভাবে হেরেজমেন্ট করেন। পরে মক্তবে পাঠিয়ে ১৫ মিনিট পরে আবারও ডেকে নিয়ে কোরআনের পড়া নেবেন কথা বলে সূরা ইয়াসিন এর অর্ধেক পড়া নেওয়ার পর নানান ভাবে জ্বীন ভূতের কাল্পনিক গল্প শুনিয়ে ভয় দেখিয়ে শিশুটিকে ধর্ষণ করেন।

পরবর্তী শিশুটি কারো কাছে কিছু বললে জ্বীন দিয়ে, পিতা, মাতা সহ শিশুটিকে জাদু টুনার মাধ্যমদ বাণ মেরে পাগল করে মেরে ফেলবেন বলাতে শিশুটি দু”দিন মানুষিক ভাবে অসুস্থ থাকেন। শনিবার শিশুটি ধর্ষণ হওয়ার পর আর মক্তব বা স্কুলে যাচ্ছিলেন না ও ধীরে ধীরে অসুস্থ হয়ে পরছিলেন, তখন শিশুটির মা জানতে চাইলে মেয়েটি সব বলেন। তখন শিশুটির পরিবার স্থানীয়ভাবে বিচার সালিশ করতে চাইলে উল্টো আনোয়ার ও আনোয়ারের পরিবার হুমকি দমক প্রদান করেন। পরে কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা করে গত ৩০ অক্টোবর বৃহস্পতিবার বাড়িতে নিলে, পুলিশ এসে মেয়েটিকে ধর্ষণের আলামত হিসেবে পরনের কাপড় সহ বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করেন। এ বিষয়ে জানতে লালমাই থানার ওসি শহীদুল ইসলাম বলেন, মেয়েটিকে পহেলা নভেম্বর তারিখ শনিবার সন্ধ্যায় থানায় দিয়ে আসলে রাতে থানায় রেখে সকালে হাসপাতালে ধর্ষণের মেডিক্যাল করানোর জন্য পাঠানো হবে বলে জানান।

রসুলপুর দারুসসুন্নাহ নূরানীয়া হাফেজিয়া মাদ্রাসা ও এতিম খানা উক্ত প্রতিষ্ঠানের পরিচালক আনোয়ার কাতার প্রবাসী বলে জানা যায়। আনোয়ার নাটকীয় জ্বীন চালান ও কবিরাজি করেন বলে মাদ্রাসার শিক্ষক সহ স্থানীয় এলাকাবাসীর অভিযোগ। ভণ্ড কবিরাজির আড়ালের চেহারাটি প্রকাশ হয়েছে স্থানীয় এলাকাবাসীর কাছে। শিশু ধর্ষণের মতন নেক্কার জনক কর্মকাণ্ড ঘটাতেও তার বিবেকে একটুও বাধা দেয়নি! ধর্ষক আনোয়ার কাতার প্রবাসী। ধর্ষক আনোয়াড় ৪০, পিতা- আব্দুল আজিজ, রসুলপুর, বাকুই উত্তর ইউনিয়ন, থানা- লালমাই। উক্ত বিষয় এলাকার স্থানীয়দের মাঝে উত্তেজনা ও ক্ষোভ বিরাজ করছে। এলাকাবাসী জানান, আনোয়ার কাতার প্রবাসী সে যে কোনো সময়ে কাতারে বলে যেতে পারেন। তাকে আটক করে আইনের আওতাধীন এনে শাস্তির দাবি জানান।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

সিদ্ধিরগঞ্জের ২নং ওয়ার্ডে মাদক-সন্ত্রাস-চাঁদাবাজ ও ভূমিদস্যুদের বিরুদ্ধে হুঁশিয়ারি দিলেন ইকবাল হোসেন (দলিল লেখক)

মাদ্রাসায় পড়তে গিয়ে পরিচালক ভণ্ড কবিরাজ আনোয়ার কর্তৃক শিশু ধর্ষণের অভিযোগ

আপডেট সময় : ১০:১৬:৪৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ নভেম্বর ২০২৫

নিজস্ব প্রতিবেদক : মক্তবে পড়তে গিয়ে কুমিল্লা জেলা লালমাই থানাধীন রসুলপুর দারুসসুন্নাহ নূরানীয়া হাফেজিয়া মাদ্রাসা ও এতিম খানা প্রতিষ্ঠানের পরিচালক আনোয়ার (৪০) কর্তৃক ১৩ বছরের শিশু ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

গত ২৫ অক্টোবর ২০২৫ ইং তারিখ, সকাল ৭.৩০ মিনিটের সময় লালমাই থানার রসুলপুর, বাকুই উত্তর ইউনিয়নের সাদীয়া আক্তার নামের ৭তম শ্রেণিতে পড়ুয়া (১৩) বছর বয়সি এক শিশুকে ধর্ষণের করেছেন বলে জানা যায়। ছোট্ট শিশুটি স্কুলের পাশাপাশি ধর্মীয় জ্ঞান ও কোরআন শিক্ষার জন্য প্রতিদিন সকালে ঐ মাদ্রাসা ও এতিমখানার মক্তবের শিক্ষার্থীদের সাথে পড়তেন। গত ২৫ অক্টোবর সকাল বেলায় ঐ বাচ্চা মক্তবে পড়তে গেলে প্রথমে মক্তবের হুজুরকে পরিচালক আনোয়ার মেয়েটিতে তার অফিস কক্ষ পাঠাতে বলেন, পরে মেয়েটিকে পাঠালে মক্তবের শিক্ষকের সাথে বাচ্চা মেয়েটির খারাপ সম্পর্ক আছেন বলে মানুষিক ভাবে হেরেজমেন্ট করেন। পরে মক্তবে পাঠিয়ে ১৫ মিনিট পরে আবারও ডেকে নিয়ে কোরআনের পড়া নেবেন কথা বলে সূরা ইয়াসিন এর অর্ধেক পড়া নেওয়ার পর নানান ভাবে জ্বীন ভূতের কাল্পনিক গল্প শুনিয়ে ভয় দেখিয়ে শিশুটিকে ধর্ষণ করেন।

পরবর্তী শিশুটি কারো কাছে কিছু বললে জ্বীন দিয়ে, পিতা, মাতা সহ শিশুটিকে জাদু টুনার মাধ্যমদ বাণ মেরে পাগল করে মেরে ফেলবেন বলাতে শিশুটি দু”দিন মানুষিক ভাবে অসুস্থ থাকেন। শনিবার শিশুটি ধর্ষণ হওয়ার পর আর মক্তব বা স্কুলে যাচ্ছিলেন না ও ধীরে ধীরে অসুস্থ হয়ে পরছিলেন, তখন শিশুটির মা জানতে চাইলে মেয়েটি সব বলেন। তখন শিশুটির পরিবার স্থানীয়ভাবে বিচার সালিশ করতে চাইলে উল্টো আনোয়ার ও আনোয়ারের পরিবার হুমকি দমক প্রদান করেন। পরে কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা করে গত ৩০ অক্টোবর বৃহস্পতিবার বাড়িতে নিলে, পুলিশ এসে মেয়েটিকে ধর্ষণের আলামত হিসেবে পরনের কাপড় সহ বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করেন। এ বিষয়ে জানতে লালমাই থানার ওসি শহীদুল ইসলাম বলেন, মেয়েটিকে পহেলা নভেম্বর তারিখ শনিবার সন্ধ্যায় থানায় দিয়ে আসলে রাতে থানায় রেখে সকালে হাসপাতালে ধর্ষণের মেডিক্যাল করানোর জন্য পাঠানো হবে বলে জানান।

রসুলপুর দারুসসুন্নাহ নূরানীয়া হাফেজিয়া মাদ্রাসা ও এতিম খানা উক্ত প্রতিষ্ঠানের পরিচালক আনোয়ার কাতার প্রবাসী বলে জানা যায়। আনোয়ার নাটকীয় জ্বীন চালান ও কবিরাজি করেন বলে মাদ্রাসার শিক্ষক সহ স্থানীয় এলাকাবাসীর অভিযোগ। ভণ্ড কবিরাজির আড়ালের চেহারাটি প্রকাশ হয়েছে স্থানীয় এলাকাবাসীর কাছে। শিশু ধর্ষণের মতন নেক্কার জনক কর্মকাণ্ড ঘটাতেও তার বিবেকে একটুও বাধা দেয়নি! ধর্ষক আনোয়ার কাতার প্রবাসী। ধর্ষক আনোয়াড় ৪০, পিতা- আব্দুল আজিজ, রসুলপুর, বাকুই উত্তর ইউনিয়ন, থানা- লালমাই। উক্ত বিষয় এলাকার স্থানীয়দের মাঝে উত্তেজনা ও ক্ষোভ বিরাজ করছে। এলাকাবাসী জানান, আনোয়ার কাতার প্রবাসী সে যে কোনো সময়ে কাতারে বলে যেতে পারেন। তাকে আটক করে আইনের আওতাধীন এনে শাস্তির দাবি জানান।