ঢাকা ০৪:২৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ মার্চ ২০২৬, ৯ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কক্সবাজারে র‍্যাব-১৫ এর অভিযানে অস্ত্র-গুলিসহ কুখ্যাত পলাতক আসামি গ্রেফতার পটিয়া আমির ভান্ডারে সওমে আমির এর আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত গোবিন্দগঞ্জে ভিজিএফ চাল বিতরণ নিয়ে সংবাদ প্রকাশের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন টেকনাফে সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান জাফর আহমদের সঙ্গে ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় যশোরে র‌্যাবের হাতে মৃত‍্যুদণ্ড প্রাপ্ত আসামি গ্রেপ্তার বরুড়ায় উৎসবমুখর পরিবেশে ‘গ্রামবাংলা উন্নয়ন ফাউন্ডেশন’-এর ১ম বর্ষপূর্তি ও ঈদ পুনর্মিলনী সম্পন্ন! কুমিল্লায় বাস-ট্রেন সংঘর্ষে যশোরের স্বামী স্ত্রী দু’জন নিহত রামগড়ে ঈদ পরবর্তী শুভেচ্ছা বিনিময় ও উন্নয়ন ভাবনায় আলোচনা সভা কুতুবদিয়ায় অবৈধ ট্রলিং বোট জব্দ, আটক ৫ জেলে এসএসসি পরীক্ষার প্রবেশপত্র বিতরণের তারিখ ঘোষণা

প্রত্যেকে যেন সাংবিধানিক অধিকার ভোগ করতে পারে : অর্থমন্ত্রী

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:৪১:২৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ মার্চ ২০২৬
  • ১৪ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক: অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, আজকে আমার মনে হয়, আমাদের সবার জন্য ঈদের আনন্দ তো আছেই, একটি দেশের পরিবর্তিত পরিবেশে, গণতান্ত্রিক আবহে এবারের আনন্দটা কিছুটা ভিন্ন। আমরা সবাই আজ আমাদের যে মালিকানা ফিরে পাওয়ার কথা ছিল, মনে হয় নির্বাচনের পর তা অনেকাংশেই ফিরে পেয়েছি। তাই এই আনন্দের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে বাড়তি এক অনুভূতি।

শনিবার (২১ মার্চ) চট্টগ্রাম নগরের উত্তর কাট্টলী নাজির বাড়ি মসজিদে ঈদ-উল-ফিতরের নামাজ আদায় করেন তিনি।

এরপর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, আমরা চাই, দেশটা যেন এভাবেই থাকে — সবাই মুক্তভাবে থাকতে পারে, মুক্তভাবে কথা বলতে পারে ও স্বাধীনভাবে চলাফেরা করতে পারে।

তিনি আরও বলেন, প্রত্যেকে যেন তার সাংবিধানিক, রাজনৈতিক ও গণতান্ত্রিক অধিকার ভোগ করতে পারে। ঈদের সঙ্গে এই বিষয়গুলোরও একটি গভীর সম্পর্ক রয়েছে। কারণ মানুষ যদি মুক্ত না থাকে, তাহলে ঈদের প্রকৃত আনন্দ অনুভব করা যায় না।

অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী বলেন, আমরা সবাই আজ আমাদের যে মালিকানা ফিরে পাওয়ার কথা ছিল। মনে হয়, নির্বাচনের পর তার অনেকাংশেই ফিরে পেয়েছি। আর তাই এই আনন্দের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে বাড়তি এক অনুভূতি।

তিনি আরও বলেন, আমার মনে হয়, এবারের ঈদের আনন্দ সত্যিই ভিন্ন। তাই দেশবাসী সবাইকে জানাচ্ছি ঈদের শুভেচ্ছা। এই ভালোবাসা, ভ্রাতৃত্ব ও সম্প্রীতি যেন আমাদের মাঝে অব্যাহত থাকে— বাংলাদেশের জন্য, সকল মানুষের জন্য।

আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ‘জাতি-ধর্ম নির্বিশেষে সবার মধ্যে এই অবিরাম বন্ধন অটুট থাকুক।’

এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন তার ছেলে বিএনপি নেতা ইসরাফিল খসরুসহ পরিবারের সদস্য ও রাজনৈতিক কর্মীরা।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

কক্সবাজারে র‍্যাব-১৫ এর অভিযানে অস্ত্র-গুলিসহ কুখ্যাত পলাতক আসামি গ্রেফতার

প্রত্যেকে যেন সাংবিধানিক অধিকার ভোগ করতে পারে : অর্থমন্ত্রী

আপডেট সময় : ০৮:৪১:২৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ মার্চ ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক: অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, আজকে আমার মনে হয়, আমাদের সবার জন্য ঈদের আনন্দ তো আছেই, একটি দেশের পরিবর্তিত পরিবেশে, গণতান্ত্রিক আবহে এবারের আনন্দটা কিছুটা ভিন্ন। আমরা সবাই আজ আমাদের যে মালিকানা ফিরে পাওয়ার কথা ছিল, মনে হয় নির্বাচনের পর তা অনেকাংশেই ফিরে পেয়েছি। তাই এই আনন্দের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে বাড়তি এক অনুভূতি।

শনিবার (২১ মার্চ) চট্টগ্রাম নগরের উত্তর কাট্টলী নাজির বাড়ি মসজিদে ঈদ-উল-ফিতরের নামাজ আদায় করেন তিনি।

এরপর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, আমরা চাই, দেশটা যেন এভাবেই থাকে — সবাই মুক্তভাবে থাকতে পারে, মুক্তভাবে কথা বলতে পারে ও স্বাধীনভাবে চলাফেরা করতে পারে।

তিনি আরও বলেন, প্রত্যেকে যেন তার সাংবিধানিক, রাজনৈতিক ও গণতান্ত্রিক অধিকার ভোগ করতে পারে। ঈদের সঙ্গে এই বিষয়গুলোরও একটি গভীর সম্পর্ক রয়েছে। কারণ মানুষ যদি মুক্ত না থাকে, তাহলে ঈদের প্রকৃত আনন্দ অনুভব করা যায় না।

অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী বলেন, আমরা সবাই আজ আমাদের যে মালিকানা ফিরে পাওয়ার কথা ছিল। মনে হয়, নির্বাচনের পর তার অনেকাংশেই ফিরে পেয়েছি। আর তাই এই আনন্দের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে বাড়তি এক অনুভূতি।

তিনি আরও বলেন, আমার মনে হয়, এবারের ঈদের আনন্দ সত্যিই ভিন্ন। তাই দেশবাসী সবাইকে জানাচ্ছি ঈদের শুভেচ্ছা। এই ভালোবাসা, ভ্রাতৃত্ব ও সম্প্রীতি যেন আমাদের মাঝে অব্যাহত থাকে— বাংলাদেশের জন্য, সকল মানুষের জন্য।

আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ‘জাতি-ধর্ম নির্বিশেষে সবার মধ্যে এই অবিরাম বন্ধন অটুট থাকুক।’

এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন তার ছেলে বিএনপি নেতা ইসরাফিল খসরুসহ পরিবারের সদস্য ও রাজনৈতিক কর্মীরা।