ঢাকা ০৯:৩৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬, ৩০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নারায়ণগঞ্জে বর্ণাঢ্য আয়োজনে বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবস পালন, ২০ জনকে হুইলচেয়ার বিতরণ অবৈধ অস্ত্র ও মাদক উদ্ধারে সাফল্যের স্বীকৃতি পেল কুষ্টিয়া জেলা পুলিশ সুপার জসীম উদ্দিন নারায়ণগঞ্জ প্রেসক্লাবের সহ সভাপতি’র সাথে শাহানাজ জামানের সৌজন্য সাক্ষাৎ অটিজমে আক্রান্তদের পূর্ণ মর্যাদার সঙ্গে বেঁচে থাকার অধিকার রয়েছে প্রতিবন্ধীবান্ধব সমাজ ও রাষ্ট্র গড়তে কাজ করার আহ্বান রাষ্ট্রপতির পটিয়ায় ক্লিন ইমেজ যুবদল নেতা পিবলু চৌধুরী বিরুদ্ধে অপপ্রচার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল উখিয়ায় ৪০ হাজার ইয়াবাসহ যুবক আটক চকরিয়ায় পুলিশের বিশেষ অভিযান: মদ-ইয়াবাসহ আটক ৮ হাম ও উপসর্গে আরও ৯ শিশুর মৃত্যু আসছে মুর্তজা পলাশের নতুন নাটক ‘বোকা মানুষ’

সংসদে ‘হাওর ও জলাভূমি সংরক্ষণ আইন-২০২৬’ পাস

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:৫৩:১০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল ২০২৬
  • ৮৪ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক: জেল-জরিমানার বিধান করে ‘হাওর ও জলাভূমি সংরক্ষণ আইন-২০২৬’ জাতীয় সংসদে পাশ হয়েছে। আজ (মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল) জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের দশম দিনে বিলটি উত্থাপন করেন পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের দশম দিনে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ সভাপতিত্ব করেন।

বিলের উদ্দেশ্য ও কারণ সংবলিত বিবৃতিতে মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে বিস্তৃত হাওর ও জলাভূমি অঞ্চলের জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের পাশাপাশি হাওরকে সমন্বিতভাবে ব্যবস্থাপনা; অবকাঠামোগত উন্নয়ন; সেচব্যবস্থা; বন্যা নিয়ন্ত্রণ; মৎস্য সম্পদ উন্নয়ন এবং কৃষি সম্প্রসারণের আওতায় আনার উদ্দেশ্যে ১৯৭৭ সালে ‘হাওর উন্নয়ন বোর্ড’ প্রতিষ্ঠা করা হয়।

পরবর্তীতে ২০১৬ সালের ২৪ জুলাই পানিসম্পদ মন্ত্রণালয় গেজেট প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে বাংলাদেশ হাওর ও জলাভূমি উন্নয়ন অধিদফতর প্রতিষ্ঠা করা হয়। এরপর হাওর অঞ্চলের অনিয়ন্ত্রিত উন্নয়ন; অপরিকল্পিত বাঁধ নির্মাণ; নদীপথে বাধা সৃষ্টি; বিষ ও কীটনাশকের অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার এবং পর্যটনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলার জন্য আইনি কাঠামোর অপ্রতুলতা অনুভূত হয়।

বিবৃতিতে তিনি আরও জনান, সংবিধানের ১৮ক অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রের জীববৈচিত্র্য, জলাভূমি ও প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। এছাড়া বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতির (বেলা) ২০২০ সালে দায়ের করা রিট পিটিশনের রায়ে হাইকোর্ট জলাভূমি সুরক্ষা, উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা আইন দ্রুত প্রণয়নের নির্দেশ প্রদান করেন।

এই প্রেক্ষাপটে সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা, মাহমান্য হাইকোর্টের নির্দেশনা এবং হাওর ও জলাভূমি এলাকার পরিবেশ, প্রতিবেশ, জীববৈচিত্র্য ও বাস্তুতন্ত্রের সংরক্ষণের জন্য ‘বাংলাদেশ হাওর ও জলাভূমি সংরক্ষণ আইন, ২০২৬’ বিলটি আইনে পরিণত করা প্রয়োজন।

আইনের বিধান লঙ্ঘনে দু’বছর কারাদণ্ড বা দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ড নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে উভয় দণ্ডের অতিরিক্ত দণ্ড হবে না।

পরে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বিলটি পাসের প্রস্তাব করলে সেটি কণ্ঠভোটে পাস হয়।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

নারায়ণগঞ্জে বর্ণাঢ্য আয়োজনে বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবস পালন, ২০ জনকে হুইলচেয়ার বিতরণ

সংসদে ‘হাওর ও জলাভূমি সংরক্ষণ আইন-২০২৬’ পাস

আপডেট সময় : ০৩:৫৩:১০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক: জেল-জরিমানার বিধান করে ‘হাওর ও জলাভূমি সংরক্ষণ আইন-২০২৬’ জাতীয় সংসদে পাশ হয়েছে। আজ (মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল) জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের দশম দিনে বিলটি উত্থাপন করেন পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের দশম দিনে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ সভাপতিত্ব করেন।

বিলের উদ্দেশ্য ও কারণ সংবলিত বিবৃতিতে মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে বিস্তৃত হাওর ও জলাভূমি অঞ্চলের জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের পাশাপাশি হাওরকে সমন্বিতভাবে ব্যবস্থাপনা; অবকাঠামোগত উন্নয়ন; সেচব্যবস্থা; বন্যা নিয়ন্ত্রণ; মৎস্য সম্পদ উন্নয়ন এবং কৃষি সম্প্রসারণের আওতায় আনার উদ্দেশ্যে ১৯৭৭ সালে ‘হাওর উন্নয়ন বোর্ড’ প্রতিষ্ঠা করা হয়।

পরবর্তীতে ২০১৬ সালের ২৪ জুলাই পানিসম্পদ মন্ত্রণালয় গেজেট প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে বাংলাদেশ হাওর ও জলাভূমি উন্নয়ন অধিদফতর প্রতিষ্ঠা করা হয়। এরপর হাওর অঞ্চলের অনিয়ন্ত্রিত উন্নয়ন; অপরিকল্পিত বাঁধ নির্মাণ; নদীপথে বাধা সৃষ্টি; বিষ ও কীটনাশকের অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার এবং পর্যটনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলার জন্য আইনি কাঠামোর অপ্রতুলতা অনুভূত হয়।

বিবৃতিতে তিনি আরও জনান, সংবিধানের ১৮ক অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রের জীববৈচিত্র্য, জলাভূমি ও প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। এছাড়া বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতির (বেলা) ২০২০ সালে দায়ের করা রিট পিটিশনের রায়ে হাইকোর্ট জলাভূমি সুরক্ষা, উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা আইন দ্রুত প্রণয়নের নির্দেশ প্রদান করেন।

এই প্রেক্ষাপটে সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা, মাহমান্য হাইকোর্টের নির্দেশনা এবং হাওর ও জলাভূমি এলাকার পরিবেশ, প্রতিবেশ, জীববৈচিত্র্য ও বাস্তুতন্ত্রের সংরক্ষণের জন্য ‘বাংলাদেশ হাওর ও জলাভূমি সংরক্ষণ আইন, ২০২৬’ বিলটি আইনে পরিণত করা প্রয়োজন।

আইনের বিধান লঙ্ঘনে দু’বছর কারাদণ্ড বা দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ড নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে উভয় দণ্ডের অতিরিক্ত দণ্ড হবে না।

পরে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বিলটি পাসের প্রস্তাব করলে সেটি কণ্ঠভোটে পাস হয়।