ঢাকা ০৩:৪৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ইস্তাম্বুলে যাত্রাবিরতি শেষে নিউইয়র্কের পথে প্রধানমন্ত্রী বস্ত্রখাতের সমস্যা সমাধানে বাস্তবভিত্তিক সমন্বিত নীতি সহায়তার আহ্বান রাষ্ট্রপতির জনগণের শক্তির ওপর নির্ভর করেই বিএনপি রাজনীতি করে: রুহুল কবির রিজভী রূপগঞ্জে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চুরির অভিযোগে গ্রেফতার-২ টেকনাফে বাল্যবিয়ের আয়োজন, দুই রোহিঙ্গা যুবকের কারাদণ্ড বন্দিদের জন্য মাদকবিরোধী সভা ও গার্মেন্টস প্রশিক্ষণ: ৩ ঘোষণা দিলেন ডিসি মো:রায়হান কবির বরুড়ায় আবু তাহের ফাউন্ডেশনের আন্তঃউপজেলা ফুটবল টুর্নামেন্ট উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধিতে বেনাপোল থেকে দুরপাল্লার আমদানি-রপ্তানি পণ্যের ট্রাকপ্রতি ভাড়া বেড়েছে ৪-৫ হাজার নতুন কুঁড়িতে নিবন্ধনে দেশসেরা চট্টগ্রাম প্রাথমিক বৃত্তিপ্রাপ্ত কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দিলো সদর উপজেলা প্রশাসন

রিজওয়ানা হাসানের মন্তব্য: নারীর স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত না করে তাদের ক্ষমতায়ন সম্পূর্ণ হয় না

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:৩৭:০৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৫
  • ২৩৪ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক: পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় এবং পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেছেন, নারীর স্বাস্থ্য ও ক্ষমতায়ন নিশ্চিতেই টেকসই উন্নয়ন সম্ভব। নারীর প্রতি যত্নশীল হওয়া যেমন সামাজিক দায়িত্ব, তেমনই জাতীয় উন্নয়নের অন্যতম পূর্বশর্ত। নারী স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত না করে নারীর ক্ষমতায়ন সম্পূর্ণ হয় না।

বৃহস্পতিবার (৩০ অক্টোবর) সন্ধ্যায় রাজধানীর ওয়েস্টিন হোটেলে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

রিজওয়ানা হাসান বলেন, বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় নারীরা লবণাক্ততা, বিশুদ্ধ পানির অভাব, ও প্রজননজনিত নানা জটিলতার মুখোমুখি হন। এসব অঞ্চলে নারীদের স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে উদ্ভাবনী উদ্যোগ যেমন মোবাইল ক্লিনিক বা নৌকা হাসপাতাল চালু করা জরুরি।

তিনি বলেন, রোহিঙ্গা ক্যাম্প বা উপকূলের প্রত্যন্ত এলাকায় যারা স্বাস্থ্যসেবা দিচ্ছেন, তারা আসলে মানবিকতার ফ্রন্টলাইনে কাজ করছেন।

নারীর প্রজনন স্বাস্থ্যকে সামাজিকভাবে ‘নিষিদ্ধ’ ভাবা ভুল বলে মন্তব্য করে পরিবেশ উপদেষ্টা বলেন, শিশুদের ছোটবেলা থেকেই স্বাস্থ্যবিধি, প্রজনন স্বাস্থ্য ও আত্মসচেতনতা সম্পর্কে শেখানো দরকার। নারীর স্বাস্থ্য নিয়ে নীরবতা নয়, সচেতন আলোচনা দরকার।

নিজের অভিজ্ঞতার আলোকে তিনি বলেন, বাংলাদেশে এখনো প্রজনন স্বাস্থ্য বা মাতৃত্বকালীন যত্ন অনেকের জন্য বিলাসিতা। নারীকে সুস্থ রাখতে হলে পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্র- সবাইকে আরও দায়িত্বশীল হতে হবে।

তিনি বলেন, আমাদের সমাজে নেগেটিভিটি ছড়ানো এখন এক ধরনের অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। অথচ উন্নয়ন ও অগ্রগতির জন্য প্রয়োজন বিশ্বাস, প্রত্যাশা ও ইতিবাচক চিন্তা। নারী স্বাস্থ্য ও শিক্ষা সেই ইতিবাচকতার শক্ত ভিত গড়ে দিতে পারে।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

ইস্তাম্বুলে যাত্রাবিরতি শেষে নিউইয়র্কের পথে প্রধানমন্ত্রী

রিজওয়ানা হাসানের মন্তব্য: নারীর স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত না করে তাদের ক্ষমতায়ন সম্পূর্ণ হয় না

আপডেট সময় : ০৮:৩৭:০৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৫

নিজস্ব প্রতিবেদক: পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় এবং পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেছেন, নারীর স্বাস্থ্য ও ক্ষমতায়ন নিশ্চিতেই টেকসই উন্নয়ন সম্ভব। নারীর প্রতি যত্নশীল হওয়া যেমন সামাজিক দায়িত্ব, তেমনই জাতীয় উন্নয়নের অন্যতম পূর্বশর্ত। নারী স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত না করে নারীর ক্ষমতায়ন সম্পূর্ণ হয় না।

বৃহস্পতিবার (৩০ অক্টোবর) সন্ধ্যায় রাজধানীর ওয়েস্টিন হোটেলে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

রিজওয়ানা হাসান বলেন, বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় নারীরা লবণাক্ততা, বিশুদ্ধ পানির অভাব, ও প্রজননজনিত নানা জটিলতার মুখোমুখি হন। এসব অঞ্চলে নারীদের স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে উদ্ভাবনী উদ্যোগ যেমন মোবাইল ক্লিনিক বা নৌকা হাসপাতাল চালু করা জরুরি।

তিনি বলেন, রোহিঙ্গা ক্যাম্প বা উপকূলের প্রত্যন্ত এলাকায় যারা স্বাস্থ্যসেবা দিচ্ছেন, তারা আসলে মানবিকতার ফ্রন্টলাইনে কাজ করছেন।

নারীর প্রজনন স্বাস্থ্যকে সামাজিকভাবে ‘নিষিদ্ধ’ ভাবা ভুল বলে মন্তব্য করে পরিবেশ উপদেষ্টা বলেন, শিশুদের ছোটবেলা থেকেই স্বাস্থ্যবিধি, প্রজনন স্বাস্থ্য ও আত্মসচেতনতা সম্পর্কে শেখানো দরকার। নারীর স্বাস্থ্য নিয়ে নীরবতা নয়, সচেতন আলোচনা দরকার।

নিজের অভিজ্ঞতার আলোকে তিনি বলেন, বাংলাদেশে এখনো প্রজনন স্বাস্থ্য বা মাতৃত্বকালীন যত্ন অনেকের জন্য বিলাসিতা। নারীকে সুস্থ রাখতে হলে পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্র- সবাইকে আরও দায়িত্বশীল হতে হবে।

তিনি বলেন, আমাদের সমাজে নেগেটিভিটি ছড়ানো এখন এক ধরনের অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। অথচ উন্নয়ন ও অগ্রগতির জন্য প্রয়োজন বিশ্বাস, প্রত্যাশা ও ইতিবাচক চিন্তা। নারী স্বাস্থ্য ও শিক্ষা সেই ইতিবাচকতার শক্ত ভিত গড়ে দিতে পারে।