ঢাকা ০৩:৪৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ইস্তাম্বুলে যাত্রাবিরতি শেষে নিউইয়র্কের পথে প্রধানমন্ত্রী বস্ত্রখাতের সমস্যা সমাধানে বাস্তবভিত্তিক সমন্বিত নীতি সহায়তার আহ্বান রাষ্ট্রপতির জনগণের শক্তির ওপর নির্ভর করেই বিএনপি রাজনীতি করে: রুহুল কবির রিজভী রূপগঞ্জে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চুরির অভিযোগে গ্রেফতার-২ টেকনাফে বাল্যবিয়ের আয়োজন, দুই রোহিঙ্গা যুবকের কারাদণ্ড বন্দিদের জন্য মাদকবিরোধী সভা ও গার্মেন্টস প্রশিক্ষণ: ৩ ঘোষণা দিলেন ডিসি মো:রায়হান কবির বরুড়ায় আবু তাহের ফাউন্ডেশনের আন্তঃউপজেলা ফুটবল টুর্নামেন্ট উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধিতে বেনাপোল থেকে দুরপাল্লার আমদানি-রপ্তানি পণ্যের ট্রাকপ্রতি ভাড়া বেড়েছে ৪-৫ হাজার নতুন কুঁড়িতে নিবন্ধনে দেশসেরা চট্টগ্রাম প্রাথমিক বৃত্তিপ্রাপ্ত কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দিলো সদর উপজেলা প্রশাসন

আজ বিশ্ব এইডস দিবস

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:২১:৫৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ৪১০ বার পড়া হয়েছে

আলোকিত কাগজ ডেস্ক: আজ বিশ্ব এইডস দিবস। এইচআউইভই সংক্রমণ রুখতে সচেতনতা প্রচারের লক্ষ্যে নানা অনুষ্ঠানে দিনটি পালিত হচ্ছে। ১৯৮৮ সালের পয়লা ডিসেম্বর দিনটি বিশ্ব এইডস দিবস হিসেবে ঘোষণা করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।

দিবসটি উপলক্ষ্যে ২০২৫ সালের মূল বার্তা হলো — ‘চ্যালেঞ্জ পেরিয়ে, নতুনভাবে এইডস প্রতিরোধ গড়ে তোলা’।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা’র সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, এইচআইভি মোকাবিলায় অগ্রগতি হলেও সামনে এখনও বড় চ্যালেঞ্জ আছে। ২০২৪ সালের শেষে বিশ্বজুড়ে প্রায় ৪ কোটি ৮ লাখ মানুষ এইচআইভি নিয়ে বেঁচে ছিলেন। একই বছরে ১৩ লাখ নতুন সংক্রমণ এবং প্রায় ৬ লাখ ৩০ হাজার মানুষের মৃত্যু ঘটে এই এইডস-সংক্রান্ত জটিলতায়।

এখনও এই প্রাণঘাতী ভাইরাসে আক্রান্ত প্রায় ৯২ লাখ মানুষ প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সুবিধা পাচ্ছে না। শিশু, কিশোর-কিশোরী, অন্তঃসত্ত্বা নারী ও সমাজের প্রান্তিক জনগোষ্ঠী সবচেয়ে বেশি এইচআইভি ঝুঁকিতে রয়েছে। আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো সতর্ক করে দিয়েছে বলেছে যে অর্থসংকট ও স্বাস্থ্য ব্যবস্থার ওপর অতিরিক্ত চাপ, অগ্রগতিকে আটকে দিতে পারে এবং বৈষম্য এখনও সবচেয়ে বড় বাধা।

নতুন গবেষণার ফলাফল আশার আলো দেখাচ্ছে। দীর্ঘমেয়দি ইনজেকশন ভিত্তিক অ্যান্টিরেট্রোভাইরাল ওষুধ এখন অনেকের জন্য সহজ ও টেকসই চিকিৎসার সুযোগ তৈরি করছে।

বিশ্ব এইডস দিবস আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয় যে এইডস মোকাবিলা শুধু চিকিৎসার বিষয় নয়— বরং এটি একটি মানবিক অধিকার এবং এটি ন্যায়, সমতা ও সম্মানের বিষয়।

১৯৮৮ সাল থেকে সারা বিশ্বে ১ ডিসেম্বর বিশ্ব এইডস দিবস পালন করা হয়। বাংলাদেশেও এ দিবস উপলক্ষ্যে নানা উদ্যোগ নেয়।

২০৩০ সালের মধ্যে এইডস নির্মূল করার জন্য টেকসই রাজনৈতিক নেতৃত্ব, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা ও মানবাধিকার-কেন্দ্রিক পদ্ধতির আহ্বান জানিয়েছে জাতিসংঘ।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

ইস্তাম্বুলে যাত্রাবিরতি শেষে নিউইয়র্কের পথে প্রধানমন্ত্রী

আজ বিশ্ব এইডস দিবস

আপডেট সময় : ০৪:২১:৫৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ ডিসেম্বর ২০২৫

আলোকিত কাগজ ডেস্ক: আজ বিশ্ব এইডস দিবস। এইচআউইভই সংক্রমণ রুখতে সচেতনতা প্রচারের লক্ষ্যে নানা অনুষ্ঠানে দিনটি পালিত হচ্ছে। ১৯৮৮ সালের পয়লা ডিসেম্বর দিনটি বিশ্ব এইডস দিবস হিসেবে ঘোষণা করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।

দিবসটি উপলক্ষ্যে ২০২৫ সালের মূল বার্তা হলো — ‘চ্যালেঞ্জ পেরিয়ে, নতুনভাবে এইডস প্রতিরোধ গড়ে তোলা’।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা’র সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, এইচআইভি মোকাবিলায় অগ্রগতি হলেও সামনে এখনও বড় চ্যালেঞ্জ আছে। ২০২৪ সালের শেষে বিশ্বজুড়ে প্রায় ৪ কোটি ৮ লাখ মানুষ এইচআইভি নিয়ে বেঁচে ছিলেন। একই বছরে ১৩ লাখ নতুন সংক্রমণ এবং প্রায় ৬ লাখ ৩০ হাজার মানুষের মৃত্যু ঘটে এই এইডস-সংক্রান্ত জটিলতায়।

এখনও এই প্রাণঘাতী ভাইরাসে আক্রান্ত প্রায় ৯২ লাখ মানুষ প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সুবিধা পাচ্ছে না। শিশু, কিশোর-কিশোরী, অন্তঃসত্ত্বা নারী ও সমাজের প্রান্তিক জনগোষ্ঠী সবচেয়ে বেশি এইচআইভি ঝুঁকিতে রয়েছে। আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো সতর্ক করে দিয়েছে বলেছে যে অর্থসংকট ও স্বাস্থ্য ব্যবস্থার ওপর অতিরিক্ত চাপ, অগ্রগতিকে আটকে দিতে পারে এবং বৈষম্য এখনও সবচেয়ে বড় বাধা।

নতুন গবেষণার ফলাফল আশার আলো দেখাচ্ছে। দীর্ঘমেয়দি ইনজেকশন ভিত্তিক অ্যান্টিরেট্রোভাইরাল ওষুধ এখন অনেকের জন্য সহজ ও টেকসই চিকিৎসার সুযোগ তৈরি করছে।

বিশ্ব এইডস দিবস আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয় যে এইডস মোকাবিলা শুধু চিকিৎসার বিষয় নয়— বরং এটি একটি মানবিক অধিকার এবং এটি ন্যায়, সমতা ও সম্মানের বিষয়।

১৯৮৮ সাল থেকে সারা বিশ্বে ১ ডিসেম্বর বিশ্ব এইডস দিবস পালন করা হয়। বাংলাদেশেও এ দিবস উপলক্ষ্যে নানা উদ্যোগ নেয়।

২০৩০ সালের মধ্যে এইডস নির্মূল করার জন্য টেকসই রাজনৈতিক নেতৃত্ব, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা ও মানবাধিকার-কেন্দ্রিক পদ্ধতির আহ্বান জানিয়েছে জাতিসংঘ।