ঢাকা ১১:২২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সেন্টমার্টিনে কোস্ট গার্ডের অভিযানে ৩২ কোটি টাকার অবৈধ কারেন্ট জাল জব্দ, আটক ৬ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচনে ভাইস প্রেসিডেন্ট পদে ইলিয়াস কোবরা নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার বিতর্ক প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম সিংড়ায় গোয়েন্দা তথ্যে অভিযান, ২০ লাখ টাকার অবৈধ চায়না দুয়ারি জাল ধ্বংস  সিংড়ায় পানির সঙ্কট দূর করতে যুবদল নেতার টিউবওয়েল স্থাপন সাবেক বিচারমন্ত্রীকে ২৫ বছরের কারাদণ্ড দিলো দক্ষিণ কোরিয়া ব্যবসা শুরুর প্রক্রিয়া ১৪ দিনে নামিয়ে আনার লক্ষ্য সরকারের গুম-খুন ও গণহত্যার বিচারের দাবিতে দেশব্যাপী বিক্ষোভ করবে এনসিপি মেধা ও শৃঙ্খলাই পুলিশে নিয়োগের একমাত্র মানদণ্ড: প্রার্থীদের দালাল থেকে সতর্ক থাকার আহ্বান করেছেন এসপি মিজানুর রহমান মুন্সী আওয়ামী লীগের নাশকতা ঠেকাতে নারায়ণগঞ্জে মোঃ সিদ্দিকুর রহমান উজ্জলের নেতৃত্বে শান্তি মিছিল

বিচারপতি মামনুন রহমান ও নাইমা হায়দারের পদত্যাগপত্র গ্রহণ

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:৪২:২০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ১৭১ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক: বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি মামনুন রহমান ও বিচারপতি নাইমা হায়দারের পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছেন রাষ্ট্রপতি।

সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সচিব লিয়াকত আলী মোল্লা স্বাক্ষরিত আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগ থেকে পৃথক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি মামনুন রহমান ও বিচারপতি নাইমা হায়দার গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৯৬ অনুচ্ছেদের দফা (৮) মোতাবেক রাষ্ট্রপতিকে উদ্দেশ্য করে স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে স্বীয় পদত্যাগ করেছেন। রাষ্ট্রপতি তাদের পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছেন।

এর আগে, গত ২ ফেব্রুয়ারি এক বছর ধরে ছুটিতে থাকা সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি মামনুন রহমান পদত্যাগ করেন। ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে তিনি পদত্যাগ করেন। রাষ্ট্রপতি বরাবর পাঠানো পদত্যাগপত্রটি সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল ও আইন মন্ত্রণালয়ের ই-মেইলে পাঠানো হয়। কানাডা থেকে বিচারপতি মামনুন রহমান পদত্যাগপত্রটি পাঠান।

এদিকে, গত ৯ ফেব্রুয়ারি সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি নাইমা হায়দার পদত্যাগ করেন। তার পদত্যাগপত্রটি রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠানো হয়।

সেদিন সুপ্রিম কোর্টের গণসংযোগ কর্মকর্তা মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, বিচারপতি নাইমা হায়দার গত ৫ ফেব্রুয়ারি স্বহস্তে নিজ স্বাক্ষরযুক্ত পত্রের মাধ্যমে স্বীয় পদ থেকে পদত্যাগ করার ইচ্ছা পোষণ করে বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতির মাধ্যমে রাষ্ট্রপতির কাছে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন। এরইমধ্যে সুপ্রিম কোর্ট থেকে পদত্যাগপত্র রাষ্ট্রপতির কাছে প্রেরণ করা হয়েছে।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

সেন্টমার্টিনে কোস্ট গার্ডের অভিযানে ৩২ কোটি টাকার অবৈধ কারেন্ট জাল জব্দ, আটক ৬

বিচারপতি মামনুন রহমান ও নাইমা হায়দারের পদত্যাগপত্র গ্রহণ

আপডেট সময় : ১০:৪২:২০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক: বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি মামনুন রহমান ও বিচারপতি নাইমা হায়দারের পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছেন রাষ্ট্রপতি।

সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সচিব লিয়াকত আলী মোল্লা স্বাক্ষরিত আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগ থেকে পৃথক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি মামনুন রহমান ও বিচারপতি নাইমা হায়দার গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৯৬ অনুচ্ছেদের দফা (৮) মোতাবেক রাষ্ট্রপতিকে উদ্দেশ্য করে স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে স্বীয় পদত্যাগ করেছেন। রাষ্ট্রপতি তাদের পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছেন।

এর আগে, গত ২ ফেব্রুয়ারি এক বছর ধরে ছুটিতে থাকা সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি মামনুন রহমান পদত্যাগ করেন। ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে তিনি পদত্যাগ করেন। রাষ্ট্রপতি বরাবর পাঠানো পদত্যাগপত্রটি সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল ও আইন মন্ত্রণালয়ের ই-মেইলে পাঠানো হয়। কানাডা থেকে বিচারপতি মামনুন রহমান পদত্যাগপত্রটি পাঠান।

এদিকে, গত ৯ ফেব্রুয়ারি সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি নাইমা হায়দার পদত্যাগ করেন। তার পদত্যাগপত্রটি রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠানো হয়।

সেদিন সুপ্রিম কোর্টের গণসংযোগ কর্মকর্তা মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, বিচারপতি নাইমা হায়দার গত ৫ ফেব্রুয়ারি স্বহস্তে নিজ স্বাক্ষরযুক্ত পত্রের মাধ্যমে স্বীয় পদ থেকে পদত্যাগ করার ইচ্ছা পোষণ করে বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতির মাধ্যমে রাষ্ট্রপতির কাছে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন। এরইমধ্যে সুপ্রিম কোর্ট থেকে পদত্যাগপত্র রাষ্ট্রপতির কাছে প্রেরণ করা হয়েছে।