ঢাকা ০৪:৫৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
দায়িত্বে স্বচ্ছতা ও সমন্বয়ের তাগিদ: জেলা উন্নয়ন কমিটির সভায় ডিসি রায়হান কবির ৯৫% বর্জ্য পুড়িয়ে ৫০০ মেগাওয়াট উৎপাদন’সহ বছরে ১০০০ কোটি টাকা সাশ্রয়ের সম্ভাবনা : প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা রাজবাড়ীতে হ্যান্ডকাফসহ আসামি ছিনিয়ে নিল মাদককারবারিরা জাতীয় পার্টিকে শেষ করার ষড়যন্ত্র সফল হবে না : যশোরে কর্মীসভায় আসুদ পটিয়া প্রেসক্লাব নতুন কমিটিকে আলোর পথিক সামাজিক সংগঠন অভিনন্দন টেকনাফে ১,৪৪০ ক্যান বিয়ার জব্দ, পলাতক মিলনের বিরুদ্ধে মামলা জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার ভাইস প্রেসিডেন্ট হলেন অ্যাড. শাহানাজ জামান জিয়াউর রহমানের শাহাদত বার্ষিকী উপলক্ষে শার্শা উপজেলায় বাহাদুপুরে মাসব্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি শুরু শখের আঙ্গুর চাষ বাণিজ্যিক বাগানে পরিণত  বাংলাদেশ এর কর্মসংস্থানের সুযোগ ও সম্প্রসারণ বর্তমান বাস্তবতা, চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনা

১০ মার্চ ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০১:২১:৫৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ১২৫ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক: আগামী ১০ মার্চ ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

সোমবার প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

এক বার্তায় প্রেস উইং জানায়, প্রাথমিকভাবে ১৩টি জেলায় একটি করে ওয়ার্ডে এই কার্ড বিতরণ করা হবে।

সুষ্ঠু বাস্তবায়নের লক্ষ্যে উপজেলা থেকে ওয়ার্ড পর্যায় পর্যন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। প্রতিটি কমিটির নেতৃত্বে থাকবেন প্রথম শ্রেণির সরকারি কর্মকর্তা। শুরুতে দুটি উপজেলায় পাইলট প্রকল্প চালুর পরিকল্পনা থাকলেও পরে তা বাড়িয়ে ১৩টি উপজেলার ১৩টি ওয়ার্ডে বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক সভায় এ সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করা হয়।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে হতদরিদ্র ও দরিদ্র পরিবারকে সমন্বিত সামাজিক সহায়তা দেওয়া হবে। এ লক্ষ্যে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় যৌথভাবে কাজ করছে। উপকারভোগী নির্বাচন প্রাথমিকভাবে জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্যের ভিত্তিতে করা হবে; পরে সরেজমিন যাচাই করে চূড়ান্ত তালিকা প্রস্তুত করা হবে।

পরিবারগুলোকে হতদরিদ্র, দরিদ্র, মধ্যবিত্ত ও উচ্চবিত্ত—এই চার শ্রেণিতে ভাগ করার পরিকল্পনা রয়েছে। প্রতিটি কার্ডে পাঁচজন সদস্য অন্তর্ভুক্ত থাকবে; সদস্যসংখ্যা বেশি হলে অতিরিক্ত কার্ড দেওয়া হবে। একই ব্যক্তি একাধিক ভাতা পাবেন না, তবে পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা সুবিধা নিতে পারবেন।

প্রথম ধাপে বনানীর কড়াইল বস্তিসহ পাংশা, পতেঙ্গা, বাঞ্ছারামপুর, লামা, খালিশপুর, চরফ্যাশন, দিরাই, ভৈরব, বগুড়া সদর, লালপুর, ঠাকুরগাঁও ও নবাগঞ্জ এলাকায় ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করা হবে। পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে কমিটিগুলো উপকারভোগীর তালিকা চূড়ান্ত করবে এবং অনুদানের অর্থ ব্যাংক বা মোবাইল আর্থিক সেবার মাধ্যমে বিতরণ করা হবে। নারীদের পরিবারপ্রধান হিসেবে অগ্রাধিকার দিয়ে কার্ড প্রদান করা হবে।

 

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

দায়িত্বে স্বচ্ছতা ও সমন্বয়ের তাগিদ: জেলা উন্নয়ন কমিটির সভায় ডিসি রায়হান কবির

১০ মার্চ ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় : ০১:২১:৫৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক: আগামী ১০ মার্চ ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

সোমবার প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

এক বার্তায় প্রেস উইং জানায়, প্রাথমিকভাবে ১৩টি জেলায় একটি করে ওয়ার্ডে এই কার্ড বিতরণ করা হবে।

সুষ্ঠু বাস্তবায়নের লক্ষ্যে উপজেলা থেকে ওয়ার্ড পর্যায় পর্যন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। প্রতিটি কমিটির নেতৃত্বে থাকবেন প্রথম শ্রেণির সরকারি কর্মকর্তা। শুরুতে দুটি উপজেলায় পাইলট প্রকল্প চালুর পরিকল্পনা থাকলেও পরে তা বাড়িয়ে ১৩টি উপজেলার ১৩টি ওয়ার্ডে বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক সভায় এ সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করা হয়।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে হতদরিদ্র ও দরিদ্র পরিবারকে সমন্বিত সামাজিক সহায়তা দেওয়া হবে। এ লক্ষ্যে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় যৌথভাবে কাজ করছে। উপকারভোগী নির্বাচন প্রাথমিকভাবে জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্যের ভিত্তিতে করা হবে; পরে সরেজমিন যাচাই করে চূড়ান্ত তালিকা প্রস্তুত করা হবে।

পরিবারগুলোকে হতদরিদ্র, দরিদ্র, মধ্যবিত্ত ও উচ্চবিত্ত—এই চার শ্রেণিতে ভাগ করার পরিকল্পনা রয়েছে। প্রতিটি কার্ডে পাঁচজন সদস্য অন্তর্ভুক্ত থাকবে; সদস্যসংখ্যা বেশি হলে অতিরিক্ত কার্ড দেওয়া হবে। একই ব্যক্তি একাধিক ভাতা পাবেন না, তবে পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা সুবিধা নিতে পারবেন।

প্রথম ধাপে বনানীর কড়াইল বস্তিসহ পাংশা, পতেঙ্গা, বাঞ্ছারামপুর, লামা, খালিশপুর, চরফ্যাশন, দিরাই, ভৈরব, বগুড়া সদর, লালপুর, ঠাকুরগাঁও ও নবাগঞ্জ এলাকায় ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করা হবে। পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে কমিটিগুলো উপকারভোগীর তালিকা চূড়ান্ত করবে এবং অনুদানের অর্থ ব্যাংক বা মোবাইল আর্থিক সেবার মাধ্যমে বিতরণ করা হবে। নারীদের পরিবারপ্রধান হিসেবে অগ্রাধিকার দিয়ে কার্ড প্রদান করা হবে।