ঢাকা ০২:৩১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কক্সবাজারে টিআরসি নিয়োগ বাছাই কার্যক্রম শুরু—প্রথম দিনেই শারীরিক মাপ ও কাগজপত্র যাচাই সম্পন্ন ঈদগাঁওতে পৃথক অভিযানে ধর্ষণচেষ্টা ও চুরির ঘটনায় ২ আসামি গ্রেফতার, উদ্ধার আইফোন চাল আমদানির শেষ সময়ে বেনাপোল বন্দর দিয়ে ১২৫৯ মেট্রিক টন আমদানি টেকনাফে বিজিবির অভিযানে ২০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার একসঙ্গে জন্ম নেয়া তিন বোন এসএসসি পরিক্ষায় অংশ গ্রহণ সড়ক নিরাপত্তায় একসাথে কাজের অঙ্গীকার: কাঁচপুর হাইওয়ে ওসি হয়রানি মুক্ত সেবা নিশ্চিত করার ঘোষণা: আসন্ন ইউপি নির্বাচনে দক্ষিণ ভুর্ষি: চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করবেন আবুল কাসেম  এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুৃরু যশোর বোর্ডে যেসব সুবিধা পাচ্ছেন বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ১৫৪ পরীক্ষার্থী দক্ষিণ গোবিন্দারখীল স্কুলের  খেলোয়াড়দের জার্সি উপহার দিলেন সমাজ সেবক দিদারুল আলম। রামগড়ে গুণগত মানসম্পন্ন বীজ, চারা ও কলম উৎপাদন বিষয়ে দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত

জ্বালানি সংকটে মিতব্যয়ী হওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:৩৯:১০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬
  • ২২ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক: জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সবক্ষেত্রে মিত্যব্যয়ী হতে দেশবাসী প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

আজ বৃহস্পতিবার বিকালে ওসমানি স্মৃতি মিলনায়তনে স্বাধীনতা পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এই আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থির মধ্যেও আমরা সব কিছু স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা করছি। বিশ্বের সব দেশে তেল-ডিজেলের দাম বাড়ানো হলেও জনদুর্ভোগ বিবেচনায় বর্তমান সরকার দাম বাড়ায়নি। এই খাতে প্রতিদিন শত কোটি টাকা ভর্তুকি দিয়ে হলেও সরকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা করছে। জনগণের সুবিধা নিশ্চিত রাখতে সরকার সম্ভাব্য সব প্রকার প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে। কারণ, বর্তমান সরকার জনগণের সরকার। জনগণের কাছে দায়বদ্ধ সরকার।

তিনি আরও বলেন, আমি আস্বস্ত করতে চাই, জনগণের বিচলিত হওয়ার কারণ নেই। তবে রাষ্ট্রীয় আচার-অনুষ্ঠানে বাহুল্যের বর্জন, এমনকি পারিবারিক পর্যায়েও অমিতব্যয়িতা পরিহার করার জন্য আমি দেশবাসীর প্রতি অনুরোধ জানাই।

বাংলাদেশের স্বাধীনতার পক্ষে এবং জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের জন্য সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া (মরণোত্তর) সহ ১৫ জন এবং পাঁচপি প্রতিষ্ঠানকে দেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা ‘স্বাধীনতা পুরস্কার’ দেওয়া হয়। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পুরস্কারপ্রাপ্তদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন।

‘সরকারের অগ্রাধিকার’

১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনে জনগণের ভোটে দেশের দায়িত্বভার গ্রহণের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, দুর্নীতি দুঃশাসনে পর্যুদস্ত একটি ভঙ্গুর অর্থনীতি, দুর্বল শাসন কাঠামো আর অবনতিশীল আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে নতুন সরকার যাত্রা শুরু করেছে।

তিনি আরও বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং কঠোরভাবে দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে জনজীবনে শান্তি নিরাপত্তা ফিরিয়ে আনাই হচ্ছে আমাদের সরকারের অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার।

তারেক রহমান বলেন, দেশের বর্তমানে এক বিশাল সংখ্যক কর্মক্ষম জনগোষ্ঠী রয়েছে। কর্মক্ষম এই জনগোষ্ঠীর জন্য কর্মসংস্থান তৈরি করাই এই মুহূর্তের বড় চ্যালেঞ্জ। শুধু অর্থনীতিই নয়, ফ্যাসিবাদী শাসনামলে আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থায়ও বিপর্যয় নেমে এসেছিল।

ইন্টেরিম সরকারের সময়েও শিক্ষা ব্যবস্থায় দুঃখজনকভাবে শৃঙ্খলা ফেরেনি উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, বর্তমান প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে টিকে থাকতে হলে দেশে শিক্ষা ব্যবস্থাকে আধুনিক এবং কর্মমুখী করতেই হবে। শিক্ষা ব্যবস্থাকে বাস্তবমুখী করার কাজটিও আমরা ইতোমধ্যেই শুরু করে দিয়েছি। দেশে অর্ধেকের বেশি নারী। নারীদের জন্য নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে না পারলে আমাদের কোনো উদ্যোগই সহজে সফল হবে না। এভাবে প্রতি সেক্টরকে চিহ্নিত করে সরকার কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নের কাজ শুরু করেছে।

‘জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করবই’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, জনগণের রায়ে আমরা রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পাওয়ার আগেই বিস্তারিতভাবে দেশের জনগণের সামনে দলীয় ইশতেহার ঘোষণা করেছিলাম। রাষ্ট্র মেরামতের অঙ্গীকার নিয়ে আমরা প্রকাশ্যে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের জন্য স্বাক্ষর করেছিলাম। জনগণ আমাদের প্রতিটি অঙ্গীকারের পক্ষে সমর্থন জানিয়েছে।

তিনি আরও বলেন, এবার আমাদের অঙ্গীকার বাস্তবায়নের পালা। আমরা ইতোমধ্যেই জনগণের সামনে দেওয়া অঙ্গীকার বাস্তবায়নের কাজ শুরু করেছি। দলীয় ইশতেহার এবং স্বাক্ষরিত জুলাই সনদের প্রতিটি দফা প্রতি অঙ্গীকার অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়ন করবো। আমি ব্যক্তিগতভাবে বিশ্বাস করি, পুঁথিগত পরিবর্তনের চেয়ে মানসিকতার পরিবর্তন বেশি জরুরি। বিএনপি সরকার যতবার রাষ্ট্র পরিচালনা সুযোগ পেয়েছে বারবার এর প্রমাণ দিয়েছে। আমি বিশ্বাস করি, ঐতিহাসিক সত্য মেনে নিতে দ্বিধাচিত্ত থাকা হীনমন্যতার পরিচায়ক।

মন্ত্রি পরিষদ সচিব নাসিমুল গণির পরিচালনায় স্বাধীনতা পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সহধর্মিনী জুবাইদা রহমান, মেয়ে জাইমা রহমান, খালেদা জিয়ার বোন সেলিমা ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

এছাড়া স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান, মন্ত্রিসভার সদস্য, সংসদ সদস্য, বিচারপতি, তিন বাহিনী প্রধান ও ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে স্বাধীনতার পদকপ্রাপ্ত জোবেরা রহমান, অধ্যাপক ‍সুকোমল বড়ুয়া ও পল্লী কর্মসংস্থান ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান জাকির আহমেদ খান তাদের অনুভূতি ব্যক্ত করে বক্তব্য রাখেন।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

কক্সবাজারে টিআরসি নিয়োগ বাছাই কার্যক্রম শুরু—প্রথম দিনেই শারীরিক মাপ ও কাগজপত্র যাচাই সম্পন্ন

জ্বালানি সংকটে মিতব্যয়ী হওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

আপডেট সময় : ০৮:৩৯:১০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক: জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সবক্ষেত্রে মিত্যব্যয়ী হতে দেশবাসী প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

আজ বৃহস্পতিবার বিকালে ওসমানি স্মৃতি মিলনায়তনে স্বাধীনতা পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এই আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থির মধ্যেও আমরা সব কিছু স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা করছি। বিশ্বের সব দেশে তেল-ডিজেলের দাম বাড়ানো হলেও জনদুর্ভোগ বিবেচনায় বর্তমান সরকার দাম বাড়ায়নি। এই খাতে প্রতিদিন শত কোটি টাকা ভর্তুকি দিয়ে হলেও সরকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা করছে। জনগণের সুবিধা নিশ্চিত রাখতে সরকার সম্ভাব্য সব প্রকার প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে। কারণ, বর্তমান সরকার জনগণের সরকার। জনগণের কাছে দায়বদ্ধ সরকার।

তিনি আরও বলেন, আমি আস্বস্ত করতে চাই, জনগণের বিচলিত হওয়ার কারণ নেই। তবে রাষ্ট্রীয় আচার-অনুষ্ঠানে বাহুল্যের বর্জন, এমনকি পারিবারিক পর্যায়েও অমিতব্যয়িতা পরিহার করার জন্য আমি দেশবাসীর প্রতি অনুরোধ জানাই।

বাংলাদেশের স্বাধীনতার পক্ষে এবং জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের জন্য সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া (মরণোত্তর) সহ ১৫ জন এবং পাঁচপি প্রতিষ্ঠানকে দেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা ‘স্বাধীনতা পুরস্কার’ দেওয়া হয়। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পুরস্কারপ্রাপ্তদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন।

‘সরকারের অগ্রাধিকার’

১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনে জনগণের ভোটে দেশের দায়িত্বভার গ্রহণের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, দুর্নীতি দুঃশাসনে পর্যুদস্ত একটি ভঙ্গুর অর্থনীতি, দুর্বল শাসন কাঠামো আর অবনতিশীল আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে নতুন সরকার যাত্রা শুরু করেছে।

তিনি আরও বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং কঠোরভাবে দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে জনজীবনে শান্তি নিরাপত্তা ফিরিয়ে আনাই হচ্ছে আমাদের সরকারের অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার।

তারেক রহমান বলেন, দেশের বর্তমানে এক বিশাল সংখ্যক কর্মক্ষম জনগোষ্ঠী রয়েছে। কর্মক্ষম এই জনগোষ্ঠীর জন্য কর্মসংস্থান তৈরি করাই এই মুহূর্তের বড় চ্যালেঞ্জ। শুধু অর্থনীতিই নয়, ফ্যাসিবাদী শাসনামলে আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থায়ও বিপর্যয় নেমে এসেছিল।

ইন্টেরিম সরকারের সময়েও শিক্ষা ব্যবস্থায় দুঃখজনকভাবে শৃঙ্খলা ফেরেনি উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, বর্তমান প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে টিকে থাকতে হলে দেশে শিক্ষা ব্যবস্থাকে আধুনিক এবং কর্মমুখী করতেই হবে। শিক্ষা ব্যবস্থাকে বাস্তবমুখী করার কাজটিও আমরা ইতোমধ্যেই শুরু করে দিয়েছি। দেশে অর্ধেকের বেশি নারী। নারীদের জন্য নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে না পারলে আমাদের কোনো উদ্যোগই সহজে সফল হবে না। এভাবে প্রতি সেক্টরকে চিহ্নিত করে সরকার কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নের কাজ শুরু করেছে।

‘জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করবই’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, জনগণের রায়ে আমরা রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পাওয়ার আগেই বিস্তারিতভাবে দেশের জনগণের সামনে দলীয় ইশতেহার ঘোষণা করেছিলাম। রাষ্ট্র মেরামতের অঙ্গীকার নিয়ে আমরা প্রকাশ্যে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের জন্য স্বাক্ষর করেছিলাম। জনগণ আমাদের প্রতিটি অঙ্গীকারের পক্ষে সমর্থন জানিয়েছে।

তিনি আরও বলেন, এবার আমাদের অঙ্গীকার বাস্তবায়নের পালা। আমরা ইতোমধ্যেই জনগণের সামনে দেওয়া অঙ্গীকার বাস্তবায়নের কাজ শুরু করেছি। দলীয় ইশতেহার এবং স্বাক্ষরিত জুলাই সনদের প্রতিটি দফা প্রতি অঙ্গীকার অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়ন করবো। আমি ব্যক্তিগতভাবে বিশ্বাস করি, পুঁথিগত পরিবর্তনের চেয়ে মানসিকতার পরিবর্তন বেশি জরুরি। বিএনপি সরকার যতবার রাষ্ট্র পরিচালনা সুযোগ পেয়েছে বারবার এর প্রমাণ দিয়েছে। আমি বিশ্বাস করি, ঐতিহাসিক সত্য মেনে নিতে দ্বিধাচিত্ত থাকা হীনমন্যতার পরিচায়ক।

মন্ত্রি পরিষদ সচিব নাসিমুল গণির পরিচালনায় স্বাধীনতা পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সহধর্মিনী জুবাইদা রহমান, মেয়ে জাইমা রহমান, খালেদা জিয়ার বোন সেলিমা ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

এছাড়া স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান, মন্ত্রিসভার সদস্য, সংসদ সদস্য, বিচারপতি, তিন বাহিনী প্রধান ও ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে স্বাধীনতার পদকপ্রাপ্ত জোবেরা রহমান, অধ্যাপক ‍সুকোমল বড়ুয়া ও পল্লী কর্মসংস্থান ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান জাকির আহমেদ খান তাদের অনুভূতি ব্যক্ত করে বক্তব্য রাখেন।