ঢাকা ০৮:৪৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ মে ২০২৬, ২৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
যশোরের শার্শায় যুবক হত্যার ঘটনায় পরকীয়া প্রেমিকাসহ চারজন আটক হিন্দুদের পাঠাবলির মেলায় মুসলমানদের অংশগ্রহণের শরয়ী বিধান পুলিশকে আধুনিক বাহিনী হিসেবে গড়তে যৌক্তিক দাবি পূরণ করা হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মানবতাবিরোধী অপরাধ : নানক ও তাপসসহ ২৮ জনের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ গঠন জনগণের আস্থা অর্জন করতে পুলিশ সদস্যদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান যাত্রী ও কোরবানির পশু পরিবহনে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকতে হবে: নৌ প্রতিমন্ত্রী সারাদেশে বজ্রসহ বৃষ্টির আভাস, কমবে রাতের তাপমাত্রা নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলায় জাতীয় সমাজকল্যাণ পরিষদের অনুদানের চেক বিতরণ পুলিশ সপ্তাহ-২০২৬ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পটিয়ার ডুবাই প্রবাসী’র বিকাশ নম্বরে টাকা পাঠানো নামে ৪ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ

যশোরের শার্শায় যুবক হত্যার ঘটনায় পরকীয়া প্রেমিকাসহ চারজন আটক

মনির হোসেন,যশোর জেলা প্রতিনিধি: শার্শায় নিহত ইকরামুল কবির হত্যা মামলায় পরকীয়া প্রেমিকা, তার স্বামী, বাবা ও এক নারী কর্মচারীকে আটক করেছে শার্শা থানা পুলিশ।

শনিবার (৯ মে) রাতেই প্রেমিকা ও তার স্বামীকে আটক করা হয়। রবিবার (১০ মে) সকালে আটক করা হয় দুই জনকে।

আটককৃতরা হলেন, শার্শার বসতপুর গ্রামের মুন্নি আক্তার, তার স্বামী আল ফরহাদ, মুন্নির বাবা ফজল ওরফে ফজু এবং মুন্নির পার্লারের কর্মচারী আমলাই গ্রামের কাকলী আক্তার। রোববার তাদের আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। এর আগে শনিবার দিনব্যাপী অভিযান চালিয়ে ফরহাদের বাড়ির গোয়ালঘর খুঁড়ে নিহত ইকরামুল কবিরের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, নিহত মো. ইকরামুল কবির গত ৮ এপ্রিল রাত ১১টার দিকে শার্শা উপজেলার সেতাই গ্রামে তার বোনের বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে পরিবারের সদস্যদের বিভিন্ন মোবাইল নম্বর থেকে মুক্তিপণ দাবি করা হয় এবং টাকা না দিলে তাকে হত্যা করা হবে বলে হুমকি দেওয়া হয়। এ ঘটনায় নিহতের বাবা মো. আব্দুর রশিদ আদালতে নালিশি দরখাস্ত দায়ের করলে আদালতের নির্দেশে শার্শা থানা পুলিশ নিয়মিত মামলা রুজু করে।

তদন্তকারী কর্মকর্তা এস আই চঞ্চল কুমার বিশ্বাস জানান, তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় প্রথমে কাকলী আক্তারকে বাগআঁচড়া বাজারের একটি বিউটি পার্লার থেকে গ্রেফতার করা হয়। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে মুন্নি আক্তার ও আল ফরহাদকে বসতপুর গ্রাম থেকে এবং ফজলু মোড়লকে সেতাই গ্রাম থেকে গ্রেফতার করা হয়।

পুলিশের দাবি, জিজ্ঞাসাবাদে আল ফরহাদ স্বীকার করেন যে, তার স্ত্রী মুন্নি আক্তারের সঙ্গে নিহত ইকরামুল কবিরের পরকীয়া সম্পর্ক ছিল। এ নিয়ে ক্ষোভ থেকে কৌশলে ইকরামুলকে বাড়িতে ডেকে এনে জুসের সঙ্গে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে অচেতন করা হয়। পরে গলায় রশি পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে তাকে হত্যা করা হয়। ফরহাদ রবিবার আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

যশোরের শার্শায় যুবক হত্যার ঘটনায় পরকীয়া প্রেমিকাসহ চারজন আটক

যশোরের শার্শায় যুবক হত্যার ঘটনায় পরকীয়া প্রেমিকাসহ চারজন আটক

আপডেট সময় : ০৬:৫৬:৫৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ মে ২০২৬

মনির হোসেন,যশোর জেলা প্রতিনিধি: শার্শায় নিহত ইকরামুল কবির হত্যা মামলায় পরকীয়া প্রেমিকা, তার স্বামী, বাবা ও এক নারী কর্মচারীকে আটক করেছে শার্শা থানা পুলিশ।

শনিবার (৯ মে) রাতেই প্রেমিকা ও তার স্বামীকে আটক করা হয়। রবিবার (১০ মে) সকালে আটক করা হয় দুই জনকে।

আটককৃতরা হলেন, শার্শার বসতপুর গ্রামের মুন্নি আক্তার, তার স্বামী আল ফরহাদ, মুন্নির বাবা ফজল ওরফে ফজু এবং মুন্নির পার্লারের কর্মচারী আমলাই গ্রামের কাকলী আক্তার। রোববার তাদের আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। এর আগে শনিবার দিনব্যাপী অভিযান চালিয়ে ফরহাদের বাড়ির গোয়ালঘর খুঁড়ে নিহত ইকরামুল কবিরের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, নিহত মো. ইকরামুল কবির গত ৮ এপ্রিল রাত ১১টার দিকে শার্শা উপজেলার সেতাই গ্রামে তার বোনের বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে পরিবারের সদস্যদের বিভিন্ন মোবাইল নম্বর থেকে মুক্তিপণ দাবি করা হয় এবং টাকা না দিলে তাকে হত্যা করা হবে বলে হুমকি দেওয়া হয়। এ ঘটনায় নিহতের বাবা মো. আব্দুর রশিদ আদালতে নালিশি দরখাস্ত দায়ের করলে আদালতের নির্দেশে শার্শা থানা পুলিশ নিয়মিত মামলা রুজু করে।

তদন্তকারী কর্মকর্তা এস আই চঞ্চল কুমার বিশ্বাস জানান, তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় প্রথমে কাকলী আক্তারকে বাগআঁচড়া বাজারের একটি বিউটি পার্লার থেকে গ্রেফতার করা হয়। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে মুন্নি আক্তার ও আল ফরহাদকে বসতপুর গ্রাম থেকে এবং ফজলু মোড়লকে সেতাই গ্রাম থেকে গ্রেফতার করা হয়।

পুলিশের দাবি, জিজ্ঞাসাবাদে আল ফরহাদ স্বীকার করেন যে, তার স্ত্রী মুন্নি আক্তারের সঙ্গে নিহত ইকরামুল কবিরের পরকীয়া সম্পর্ক ছিল। এ নিয়ে ক্ষোভ থেকে কৌশলে ইকরামুলকে বাড়িতে ডেকে এনে জুসের সঙ্গে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে অচেতন করা হয়। পরে গলায় রশি পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে তাকে হত্যা করা হয়। ফরহাদ রবিবার আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন।