ঢাকা ০৭:২১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬, ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
চট্টগ্রামে পাঁচ বছরে দেড় কোটি বৃক্ষরোপণের লক্ষ্য: ডিসি জাহিদ শিক্ষার প্রকৃত উদ্দেশ্য শুধু সনদ নয়, মানবিক মূল্যবোধসম্পন্ন মানুষ হতে হবে : ডিসি জাহিদুল ইসলাম মিঞা নরসিংদীর শিবপুরে গাছের চারা রোপণ করেন মোছাঃ ফারজানা ইয়াসমিন সোনারগাঁয়ের পঞ্চমীঘাট উচ্চ বিদ্যালয়ে ‘বিশ্বেশ্বর পোদ্দার ভবন’ শুভ উদ্বোধনে শিক্ষা মন্ত্রী ‘৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ’ কর্মসূচির উদ্বোধন, নারায়ণগঞ্জ সদরে ইউনিয়ন-ওয়ার্ড পর্যায়ে বৃক্ষরোপণ সারা দেশের ন্যায় রামগড়ে বৃক্ষ রোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন আসন্ন ইউপি নির্বাচন: আশিয়া নির্বাচনী মাঠে আলোচনায় চেয়ারম্যান পদে ওলামা দল নেতা মাওলানা তৌহিদুল ইসলাম মৌলভীবাজারের উত্তর কলিমাবাদে ক্লুলেস সংঘবদ্ধ ধর্ষণ মামলার রহস্য উদঘাটন: দুই আসামি গ্রেপ্তার- স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি ক্সবাজারের ডুলাহাজারা থেকে নারায়ণগঞ্জে একযোগে ‘৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ’ কর্মসূচির উদ্বোধন পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা ও সবুজ বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন

বাংলাদেশের ৪১৩ রানের জবাব দিচ্ছে পাকিস্তান

ক্রীড়া ডেস্ক: দুই ম্যাচ সিরিজের প্রথম টেস্টের প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশের ৪১৩ রানের জবাব দিচ্ছে সফরকারী পাকিস্তান দল। দ্বিতীয় দিন শেষে ৪৬ ওভারে ১ উইকেটে ১৭৯ রান তুলেছে পাকিস্তান। এখনও ২৩৪ রানে পিছিয়ে রয়েছে সফরকারীরা।

মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত প্রথম টেস্টের প্রথম দিন ৮৫ ওভারে ৪ উইকেটে ৩০১ রান করেছিল বাংলাদেশ। প্রথম দিন অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত ১০১ ও মোমিনুল হক ৯১ রানে থামেন। দিন শেষে মুশফিকুর রহিম ৪৮ ও লিটন দাস ৮ রানে অপরাজিত ছিলেন।

দ্বিতীয় দিনের শুরুটা মারমুখী মেজাজে করেন লিটন। দ্বিতীয় ওভারে পাকিস্তানের পেসার শাহিন শাহ আফ্রিদির প্রথম তিন বলে তিনটি চার মারেন তিনি। চতুর্থ ওভারে টেস্ট ক্যারিয়ারের ২৯তম হাফ-সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন মুশফিক।

ইনিংস বড় করার আভাস দিয়ে ৩৩ রানে আউট হন লিটন। পাকিস্তানী পেসার মোহাম্মদ আব্বাসের শিকার হবার আগে ৬৭ বল খেলে ৫টি চার মারেন তিনি।

এরপর মেহেদি হাসান মিরাজ ১০ ও তাইজুল ইসলাম ১৭ রানে আব্বাসের শিকার হলেও এক প্রান্ত আগলে রেখেছিলেন মুশফিক। টেল এন্ডারদের নিয়ে দলের রান ৪’শ পার করার লক্ষ্য ছিল তারা। কিন্তু মধ্যাহ্ন বিরতির পর আফ্রিদির করা প্রথম ওভারের তৃতীয় বলে বোল্ড হন মুশফিক। ৮টি চারে ১৭৯ বল খেলে ৭১ রান করেন তিনি।

দলীয় ৩৮০ রানে মুশফিক ফেরার পর শূন্য হাতে সাজঘরে ফিরেন এবাদত হোসেনও। তাকে ফিরিয়ে ইনিংসে ৫ উইকেট পূর্ণ করেন আব্বাস। ২৮ ম্যাচের টেস্ট ক্যারিয়ারে ষষ্ঠবারের মত ইনিংসে ৫ উইকেট নিলেন ডান-হাতি আব্বাস।

৩৮৪ রানে নবম উইকেট পতনে বাংলাদেশের ৪’শ রান শঙ্কার মুখে পড়ে। কিন্তু দশম উইকেটে ৩৯ বলে ২৯ রানের জুটিতে টাইগারদের রান ৪’শ পার করেন তাসকিন আহমেদ ও নাহিদ রানা। ১১৮তম ওভাওে আফ্রিদি তাসকিনকে সাজঘওে ফেরত পাঠালে বাংলাদেশের ইনিংস ৪১৩ রানে শেষ হয়। ৩ চার ও ১ ছক্কায় ১৯ বলে ২৮ রান করেন তাসকিন। ৪ রানে অপরাজিত থাকেন রানা।

৩৪ ওভারে ৯২ রানে ৫ উইকেট নিয়ে পাকিস্তানের সফল বোলার ছিলেন আব্বাস। এছাড়া আফ্রিদি ৩টি, হাসান ও নোমান ১টি করে উইকেট নেন।

দ্বিতীয় সেশনে নিজেদের প্রথম ইনিংস শুরু করে চা-বিরতি পর্যন্ত ১০ ওভার ব্যাট করার সুযোগ পায় পাকিস্তান। এসময় ৫০ রান তুলে অবিচ্ছিন্ন থাকেন পাকিস্তানের দুই ওপেনার আজান আওয়াইস ও ইমাম উল হক। তবে দলীয় ৩৬ রানে বাংলাদেশ পেসার এবাদতের বলে মাহমুদুল হাসান জয়ের হাতে ক্যাচ দিয়ে জীবন পান ইমাম। তখন ২৩ রানে ছিলেন তিনি।

চা-বিরতির পরও বাংলাদেশ বোলারদের উপর আধিপত্য বিস্তার করে খেলে ২১তম ওভারে দলের রান ১শতে নেন আজান ও ইমাম। এরমধ্যে অভিষেক টেস্টে হাফ-সেঞ্চুরি তুলে নেন আজান।

২২তম ওভারের শেষ বলে দলীয় ১০৬ রানে পাকিস্তানের উদ্বোধনী জুটিতে ভাঙেন বাংলাদেশ স্পিনার মেহেদি হাসান মিরাজ। ৬টি চারে ৪৫ রানে এলবিডব্লিউর ফাঁদে পড়েন ইমাম। এরপর ক্রিজে আজানের সঙ্গী হন আরেক অভিষিক্ত আব্দুল্লাহ ফজল। ১৪৫ বলে ৭৩ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটি গড়ে দিন শেষ করেন আজান ও ফজল।

অবশ্য দলীয় ১৬৬ রানে এই জুটি ভাঙার সুযোগ হাতছাড়া করে বাংলাদেশ। তাসকিনের বলে স্লিপে ফজলের ক্যাচ ফেলেন সাদমান ইসলাম। ২৮ রানে জীবন পেয়ে ৩৭ রানে অপরাজিত আছেন ফজল। ১২টি চারে ১৩৩ বলে ৮৫ রানে অপরাজিত আজান।

মিরাজ ১৬ ওভারে ৩৭ রানে ১ উইকেট শিকার করেছেন।

সংক্ষিপ্ত স্কোর :
বাংলাদেশ : ৪১৩/১০, ১১৭.১ ওভার (শান্ত ১০১, মোমিনুল ৯১, মুশফিক ৭১, আব্বাস ৫/৯২)।
পাকিস্তান : ১৭৯/১, ৪৬ ওভার (আজান ৮৫*, ইমাম ৪৫, মিরাজ ১/৩৭)।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

চট্টগ্রামে পাঁচ বছরে দেড় কোটি বৃক্ষরোপণের লক্ষ্য: ডিসি জাহিদ

বাংলাদেশের ৪১৩ রানের জবাব দিচ্ছে পাকিস্তান

আপডেট সময় : ০৮:০৮:১১ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ মে ২০২৬

ক্রীড়া ডেস্ক: দুই ম্যাচ সিরিজের প্রথম টেস্টের প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশের ৪১৩ রানের জবাব দিচ্ছে সফরকারী পাকিস্তান দল। দ্বিতীয় দিন শেষে ৪৬ ওভারে ১ উইকেটে ১৭৯ রান তুলেছে পাকিস্তান। এখনও ২৩৪ রানে পিছিয়ে রয়েছে সফরকারীরা।

মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত প্রথম টেস্টের প্রথম দিন ৮৫ ওভারে ৪ উইকেটে ৩০১ রান করেছিল বাংলাদেশ। প্রথম দিন অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত ১০১ ও মোমিনুল হক ৯১ রানে থামেন। দিন শেষে মুশফিকুর রহিম ৪৮ ও লিটন দাস ৮ রানে অপরাজিত ছিলেন।

দ্বিতীয় দিনের শুরুটা মারমুখী মেজাজে করেন লিটন। দ্বিতীয় ওভারে পাকিস্তানের পেসার শাহিন শাহ আফ্রিদির প্রথম তিন বলে তিনটি চার মারেন তিনি। চতুর্থ ওভারে টেস্ট ক্যারিয়ারের ২৯তম হাফ-সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন মুশফিক।

ইনিংস বড় করার আভাস দিয়ে ৩৩ রানে আউট হন লিটন। পাকিস্তানী পেসার মোহাম্মদ আব্বাসের শিকার হবার আগে ৬৭ বল খেলে ৫টি চার মারেন তিনি।

এরপর মেহেদি হাসান মিরাজ ১০ ও তাইজুল ইসলাম ১৭ রানে আব্বাসের শিকার হলেও এক প্রান্ত আগলে রেখেছিলেন মুশফিক। টেল এন্ডারদের নিয়ে দলের রান ৪’শ পার করার লক্ষ্য ছিল তারা। কিন্তু মধ্যাহ্ন বিরতির পর আফ্রিদির করা প্রথম ওভারের তৃতীয় বলে বোল্ড হন মুশফিক। ৮টি চারে ১৭৯ বল খেলে ৭১ রান করেন তিনি।

দলীয় ৩৮০ রানে মুশফিক ফেরার পর শূন্য হাতে সাজঘরে ফিরেন এবাদত হোসেনও। তাকে ফিরিয়ে ইনিংসে ৫ উইকেট পূর্ণ করেন আব্বাস। ২৮ ম্যাচের টেস্ট ক্যারিয়ারে ষষ্ঠবারের মত ইনিংসে ৫ উইকেট নিলেন ডান-হাতি আব্বাস।

৩৮৪ রানে নবম উইকেট পতনে বাংলাদেশের ৪’শ রান শঙ্কার মুখে পড়ে। কিন্তু দশম উইকেটে ৩৯ বলে ২৯ রানের জুটিতে টাইগারদের রান ৪’শ পার করেন তাসকিন আহমেদ ও নাহিদ রানা। ১১৮তম ওভাওে আফ্রিদি তাসকিনকে সাজঘওে ফেরত পাঠালে বাংলাদেশের ইনিংস ৪১৩ রানে শেষ হয়। ৩ চার ও ১ ছক্কায় ১৯ বলে ২৮ রান করেন তাসকিন। ৪ রানে অপরাজিত থাকেন রানা।

৩৪ ওভারে ৯২ রানে ৫ উইকেট নিয়ে পাকিস্তানের সফল বোলার ছিলেন আব্বাস। এছাড়া আফ্রিদি ৩টি, হাসান ও নোমান ১টি করে উইকেট নেন।

দ্বিতীয় সেশনে নিজেদের প্রথম ইনিংস শুরু করে চা-বিরতি পর্যন্ত ১০ ওভার ব্যাট করার সুযোগ পায় পাকিস্তান। এসময় ৫০ রান তুলে অবিচ্ছিন্ন থাকেন পাকিস্তানের দুই ওপেনার আজান আওয়াইস ও ইমাম উল হক। তবে দলীয় ৩৬ রানে বাংলাদেশ পেসার এবাদতের বলে মাহমুদুল হাসান জয়ের হাতে ক্যাচ দিয়ে জীবন পান ইমাম। তখন ২৩ রানে ছিলেন তিনি।

চা-বিরতির পরও বাংলাদেশ বোলারদের উপর আধিপত্য বিস্তার করে খেলে ২১তম ওভারে দলের রান ১শতে নেন আজান ও ইমাম। এরমধ্যে অভিষেক টেস্টে হাফ-সেঞ্চুরি তুলে নেন আজান।

২২তম ওভারের শেষ বলে দলীয় ১০৬ রানে পাকিস্তানের উদ্বোধনী জুটিতে ভাঙেন বাংলাদেশ স্পিনার মেহেদি হাসান মিরাজ। ৬টি চারে ৪৫ রানে এলবিডব্লিউর ফাঁদে পড়েন ইমাম। এরপর ক্রিজে আজানের সঙ্গী হন আরেক অভিষিক্ত আব্দুল্লাহ ফজল। ১৪৫ বলে ৭৩ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটি গড়ে দিন শেষ করেন আজান ও ফজল।

অবশ্য দলীয় ১৬৬ রানে এই জুটি ভাঙার সুযোগ হাতছাড়া করে বাংলাদেশ। তাসকিনের বলে স্লিপে ফজলের ক্যাচ ফেলেন সাদমান ইসলাম। ২৮ রানে জীবন পেয়ে ৩৭ রানে অপরাজিত আছেন ফজল। ১২টি চারে ১৩৩ বলে ৮৫ রানে অপরাজিত আজান।

মিরাজ ১৬ ওভারে ৩৭ রানে ১ উইকেট শিকার করেছেন।

সংক্ষিপ্ত স্কোর :
বাংলাদেশ : ৪১৩/১০, ১১৭.১ ওভার (শান্ত ১০১, মোমিনুল ৯১, মুশফিক ৭১, আব্বাস ৫/৯২)।
পাকিস্তান : ১৭৯/১, ৪৬ ওভার (আজান ৮৫*, ইমাম ৪৫, মিরাজ ১/৩৭)।