ঢাকা ০৯:২০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৬ অগাস্ট ২০২৬, ২২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বেনাপোলে গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে বিএনপির বর্ণাঢ্য আনন্দ র‍্যালি টেকনাফে কোস্ট গার্ডের দুই অভিযানে ৩৬ হাজার ইয়াবা জব্দ বেনাপোল আন্তর্জাতিক চেকপোস্ট দুইটি স্বর্ণেবারসহ পাসপোর্টধারী যাত্রী আটক পটিয়া বিএনপির বিজয় মিছিল সমাবেশ অনুষ্ঠিত প্রিপেইড মিটার বাতিল দাবিতে ১১ আগস্ট নারায়ণগঞ্জ শহরে গণমিছিল, আসতে পারে হরতালের ঘোষণা ড. লুৎফুল কবিরের ৪২তম মৃত্যুবার্ষিকীতে গভীর শ্রদ্ধাঞ্জলি ও ন্যায়বিচারের আকুতি জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে বন্দরে বিএম ইউনিয়ন স্কুল-অ্যান্ড-কলেজে দিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচি পালন চাঁদপুরের ৩১ শহীদ পরিবারের আজও থামেনি কান্না মতলব সরকারি কলেজে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬ উপলক্ষে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত চাঁদপুরে ৬৪২ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নেই প্রধান শিক্ষক

তাইওয়ানের পর এবার ‌‘রাগাসা’ আঘাত হেনেছে চীনে

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:১৬:২৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ২০৫ বার পড়া হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: সুপার টাইফুন রাগাসা হারিকেনের শক্তি নিয়ে ও প্রবল বৃষ্টিসহ এবার চীনের দক্ষিণ উপকূলে আঘাত হেনেছে। ফলে উপকূল থেকে কয়েক লাখ মানুষকে নিরাপদে সরানো হয়েছে। একইসঙ্গে অন্তত ১০টি শহরে শিক্ষা ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

স্থানীয় সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, বুধবার চীনের দক্ষিণাঞ্চলীয় গুয়াংডন প্রদেশের হাইলিং দ্বীপের উপকূলে আছড়ে পড়ে টাইফুনটি। দ্বীপটি ইয়াংজিয়াং সিটিতে অবস্থিত।

চীনা রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম সিসিটিভি জানিয়েছে, আঘাত হানার সময় টাইফুনটির কেন্দ্রের বাতাসের গতিবেগ ছিল ১৪৪ কিলোমিটার।

গত সোমবার সর্বপ্রথম ফিলিপাইনে আঘাত হানে এ সামুদ্রিক ঝড়টি। ওই সময় ঝড়টি সুপার টাইফুনে পরিণত হয়। এরপর এটি তাইওয়ান ও চীনের দিকে এগোতে থাকে। এছাড়া হংকংয়েও রাগাসার প্রভাব পড়ে। চলতি বছরে সবচেয়ে শক্তিশালী টাইফুন ছিল রাগাসা।

হংকংয়ে টাইফুনের আঘাতে অন্তত ৬২জন আহত হয়েছেন। এছাড়া এটি অবকাঠামোর অনেক ক্ষয়ক্ষতি করেছে। টাইফুনের প্রভাবে হওয়া বৃষ্টিতে অনেক জায়গা প্লাবিত হয়েছে।

অপরদিকে তাইওয়ানে রাগাসা ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি করেছে। বিশেষ করে একটি লেকের বাঁধ ভেঙে অন্তত ১৭ জন প্রাণ হারিয়েছেন। এ সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এখনও নিখোঁজ রয়েছেন অন্তত ১৭ জন।

সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গুয়াংফু নামে শহরটির লেকের বাঁধ ভেঙে যাওয়ার পর লোকালয়ে বন্যার পানি ঢুকে পড়ে। এতে এসব প্রাণহানির ঘটনা ঘটে।

তাইওয়ানের প্রধানমন্ত্রী চো জাং-তাই লেকের বাঁধ ভাঙা ও বন্যার পানিতে মানুষের মৃত্যুর ঘটনায় তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, কেন সেখানকার মানুষকে সরানো হয়নি এর কারণ খুঁজে বের করা হবে।

শহরটিতে সরাসরি গিয়ে সেখানকার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেছেন প্রধানমন্ত্রী চো জাং-তাই। এছাড়া ভাইস প্রেসিডেন্ট হাসিয়াও বি-খিমও ঘটনাস্থলে গিয়েছিলেন।

বুধবার টাইফুনটি কিছুটা দুর্বল হয়। কিন্তু তা সত্ত্বেও এটির যে শক্তি ছিল তা জানমালের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির জন্য যথেষ্ট।

সূত্র: রয়টার্স

 

 

 

 

 

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

বেনাপোলে গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে বিএনপির বর্ণাঢ্য আনন্দ র‍্যালি

তাইওয়ানের পর এবার ‌‘রাগাসা’ আঘাত হেনেছে চীনে

আপডেট সময় : ০৭:১৬:২৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: সুপার টাইফুন রাগাসা হারিকেনের শক্তি নিয়ে ও প্রবল বৃষ্টিসহ এবার চীনের দক্ষিণ উপকূলে আঘাত হেনেছে। ফলে উপকূল থেকে কয়েক লাখ মানুষকে নিরাপদে সরানো হয়েছে। একইসঙ্গে অন্তত ১০টি শহরে শিক্ষা ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

স্থানীয় সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, বুধবার চীনের দক্ষিণাঞ্চলীয় গুয়াংডন প্রদেশের হাইলিং দ্বীপের উপকূলে আছড়ে পড়ে টাইফুনটি। দ্বীপটি ইয়াংজিয়াং সিটিতে অবস্থিত।

চীনা রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম সিসিটিভি জানিয়েছে, আঘাত হানার সময় টাইফুনটির কেন্দ্রের বাতাসের গতিবেগ ছিল ১৪৪ কিলোমিটার।

গত সোমবার সর্বপ্রথম ফিলিপাইনে আঘাত হানে এ সামুদ্রিক ঝড়টি। ওই সময় ঝড়টি সুপার টাইফুনে পরিণত হয়। এরপর এটি তাইওয়ান ও চীনের দিকে এগোতে থাকে। এছাড়া হংকংয়েও রাগাসার প্রভাব পড়ে। চলতি বছরে সবচেয়ে শক্তিশালী টাইফুন ছিল রাগাসা।

হংকংয়ে টাইফুনের আঘাতে অন্তত ৬২জন আহত হয়েছেন। এছাড়া এটি অবকাঠামোর অনেক ক্ষয়ক্ষতি করেছে। টাইফুনের প্রভাবে হওয়া বৃষ্টিতে অনেক জায়গা প্লাবিত হয়েছে।

অপরদিকে তাইওয়ানে রাগাসা ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি করেছে। বিশেষ করে একটি লেকের বাঁধ ভেঙে অন্তত ১৭ জন প্রাণ হারিয়েছেন। এ সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এখনও নিখোঁজ রয়েছেন অন্তত ১৭ জন।

সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গুয়াংফু নামে শহরটির লেকের বাঁধ ভেঙে যাওয়ার পর লোকালয়ে বন্যার পানি ঢুকে পড়ে। এতে এসব প্রাণহানির ঘটনা ঘটে।

তাইওয়ানের প্রধানমন্ত্রী চো জাং-তাই লেকের বাঁধ ভাঙা ও বন্যার পানিতে মানুষের মৃত্যুর ঘটনায় তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, কেন সেখানকার মানুষকে সরানো হয়নি এর কারণ খুঁজে বের করা হবে।

শহরটিতে সরাসরি গিয়ে সেখানকার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেছেন প্রধানমন্ত্রী চো জাং-তাই। এছাড়া ভাইস প্রেসিডেন্ট হাসিয়াও বি-খিমও ঘটনাস্থলে গিয়েছিলেন।

বুধবার টাইফুনটি কিছুটা দুর্বল হয়। কিন্তু তা সত্ত্বেও এটির যে শক্তি ছিল তা জানমালের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির জন্য যথেষ্ট।

সূত্র: রয়টার্স