ঢাকা ০৫:৫৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
জনগণ পরিবর্তন চেয়েছে বলেই জুলাই আন্দোলন সফল হয়েছে : প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশে সৌদি বিনিয়োগ আরও বাড়ানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রী আগামীকাল জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর উদ্বোধন করবেন অসচ্ছল মাদ্রাসা ছাত্রের পাশে দাঁড়ালেন নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা প্রশাসন চট্টগ্রামের ৮ উপজেলায় হফফাজুল কুরআন ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ-এর সাংগঠনিক কার্যক্রম জোরদার পটিয়ায় ওয়াকফ সম্পত্তি নিয়ে ভাইয়ের বিরুদ্ধে ভাইয়ের মামলা কুমিল্লায় রাতে ১৭ বস্তা ফেনসিডিল, দুপুরে মিলল ৯০ বস্তা নষ্ট ও ক্রাশ করা মাদকের খালি বোতল যশোর শার্শায় পুলিশের অভিযানে গাঁজাসহ দুই মাদক কারবারি আটক প্রেসক্লাব যশোরে শহীদ সাংবাদিক শামছুর রহমান হলরুমের উদ্বোধন মতলব উত্তর সহকারি কমিশনার (ভূমি) রহমত উল্যাহ বদলী !

আড়াইহাজারে আন্দোলন সংগ্রামে সরব বিএনপির দুর্দিনের কান্ডারী মাসুম শিকারী

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:০৩:৪৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ অক্টোবর ২০২৫
  • ২৩৬ বার পড়া হয়েছে

আলোকিত কাগজ প্রতিবেদক: পরীক্ষিত বিএনপি নেতা বিএনপির দুর্দিনের কান্ডারী, আওয়ামী হামলা,মামলায় নির্যাতিত নেতা আড়াইহাজার উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও মাহমুদপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মাসুম শিকারী। আওয়ামী শাসনামলে বিএনপির মিটিং মিছিলে যার ভূমিকা ছিলো অগ্রগন্য। এছাড়াও হারানো ভোটাধিকার ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার, স্বৈরশাসন থেকে দেশ মুক্ত আন্দোলনে রাজপথে হামলা, মামলা নির্যাতনের শিকার হয়েছেন তিনি। রাজনৈতিক প্রতিহিংসামূলক বহু মামলার আসামি হয়ে মাসুম শিকারী একাধিকবার কারাবরণ করেন। তার হাত ধরেই আড়াইহাজার উপজেলা তথা মাহমুদপুর ইউনিয়ন বিএনপির সকল প্রকার দলীয় কর্মকান্ড, আন্দোলন সংগ্রামে রয়েছে সরব ও চলমান।

বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক (ঢাকা বিভাগ) নজরুল ইসলাম আজাদের পরীক্ষিত একজন দক্ষ, কর্মীবান্ধব ও নির্বীক সৈনিক হয়ে আড়াইহাজার উপজেলা ও মাহমুদপুর ইউনিয়ন বিএনপিকে আরও সুগংগঠিত করতে নিরলসভাবে আন্দোলন সংগ্রাম করে চলেছেন মাসুম শিকারী। তিনি কোন দিন অন্যায়ের কাছে মাথা নত করেননি। বিএনপি রাজনীতি ও শহীদ জিয়ার আদর্শ যার রক্তের প্রতিটি শিরায় বহমান।

জানাগেছে, বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক (ঢাকা বিভাগ) নজরুল ইসলাম আজাদের একজন বিশ্বস্থ কর্মী হিসেবে বিএনপির রাজনীতিতে ব্যাপক ভুমিকা রাখছেন মাসুম শিকারী।বর্তমানে যারা বিএনপির বিভিন্ন পদ প্রত্যাশি তারা ওয়ার্ড পর্যায়ের কর্মীও যখন ছিলেন না তখন মাসুম শিকারী জেলা পর্যায়ে মিটিং মিছিল করেছেন। দীর্ঘ দুই যুগের বেশি সময় ধরে বিএনপির রাজনীতির সাথে জড়িত তিনি। স্কুলে লেখাপড়ার সময়ে বিএনপির রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত হন।

সম্পূর্ণ বিএনপি রাজনীতি পরিবারের সন্তান মাসুম শিকারী। তার বাবা মরহুম জয়নাল আবেদীন এবং চাচা’রা ছিলেন মাহমুদপুর ইউনিয়ন বিএনপির জনপ্রিয় অকুতোভয় সৈনিক। মূলত পরিবার থেকেই মূলধারার নেতৃত্ব অর্জন করেন মাসুম শিকারী। কোনো বাধাই তাকে পিছু হঠতে দেয়নি। সম্প্রতি ১৭ বছরেরর আওয়ামী স্বৈর শাসন হাসিনা সরকারের পতনের পর বিএনপি লেবাসধারী বিধংসী আওয়ামী নেতাদের অনৈতিক ও অপরাধ কর্মকান্ড প্রতিহত করতে গিয়ে নানা আলোচনা সমালোচনার শিকার হন মাসুম শিকারী। তবুও তিনি দমে যাননি। দলকে সুসংগঠত ও ঐক্যবদ্ধ রাখতে নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন মাসুম শিকারী।

আড়াইহাজার উপজেলা আওয়ামীলীগের ইতিহাস কারো অজানা নয়। দীর্ঘ ১৭ বছর বিএনপি’র নেতা কর্মীরা আওয়ামী সন্ত্রাস ও প্রশাসনের বিরুদ্ধে রাজপথে অনেক সংগ্রাম করে টিকে থাকতে হয়েছে। তবে জেলার সব থেকে আড়াইহাজারের পরিস্থিতি ছিল সবচেয়ে ভয়াবহ ও আলাদা। কারন, ফ্যাসিবাদী হাসিনার আশীর্বাদ পুষ্ট আলোচিত সাবেক এমপি ও হুইপ নজরুল ইসলাম বাবু এই উপজেলা নিয়ন্ত্রণ করতেন। অথচ এই পাহাড়সম রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক চাপ দক্ষতা ও বুদ্ধিমত্তার সাথে সামলে নিয়ে তিনি ধীরে ধীরে হয়ে উঠেছেন একজন দক্ষ সংগঠক, বিশেষ করে ফ্যাসিবাদী আমলের শেষ ৯ বছর আড়াইহাজার উপজেলা আওয়ামীলীগ ও নজরুল ইসলাম বাবু’র মাথা ব্যাথার কারন হয়ে দাড়িয়ে ছিলেন তিনি। যিনি দলের জন্য সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করে হয়েছেন একাধিকবার হামলার শিকার ও বহু মামলার আসামি। আওয়ামীলীগের নির্যাতনের শিকার হয়েছে তার পরিবার। এদিকে আওয়ামী শাসনের অবসানের পরও এখনো থেমে নেই নজরুল ইসলাম বাবু’র দোসররা। তারা ভোল পাল্টিয়ে বিএনপি’র ছায়াতলে ঠাই নিয়ে মাসুম শিকারীকে দমিয়ে রাখতে নানা ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে। যদিও মাসুম শিকারী বলছেন, কোনো যড়যন্ত্রই তাকে দমিয়ে রাখতে পারবেনা। শহীদ জিয়ার আদর্শকে বুকে ধারণ করে নজরুল ইসলাম আজাদের দিকনির্দেশনায় দলের স্বার্থে আন্দোলন সংগ্রাম চালিয়ে যাবেন। সকল অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাড়াবেন। ফ্যাসিস্ট হাসিনা বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে নজরুল ইসলাম আজাদের নির্দেশে শেষ অবধি শত শত কর্মী নিয়ে রাজপথে ছিলেন তিনি।

স্বৈরাচার পতনের পর মাহমুদপুর ইউনিয়ন বিএনপির নেতাকর্মী ও জনতার উদ্দেশ্যে তার প্রথম ঘোষণা ছিলো- ”আসুন কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দেশ গড়ি। ভূমিদস্যু, চাঁদাবাজ, সন্ত্রাসী, মাদক ব্যবসায়ী যে দলের বা যে পরিচয়ের হোক না কেন তাদের সাথে কোন আপোষ নয়। এরা দেশ তথা সমাজের জন্য ক্ষতিকর ভাইরাস, তাদেরকে ধরে আইনের হাতে সোপর্দ করুন। নজরুল ইসলাম আজাদের নির্দেশে আড়াইহাজারের সাধারণ জনতাকে সাথে নিয়ে যে কোন অন্যায় অপশক্তি রুখে দিতে মাহমুদপুর ইউনিয়ন বিএনপি প্রস্তুত আছে ও ভবিষ্যতে থাকবে ইনশাআল্লাহ।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

জনগণ পরিবর্তন চেয়েছে বলেই জুলাই আন্দোলন সফল হয়েছে : প্রধানমন্ত্রী

আড়াইহাজারে আন্দোলন সংগ্রামে সরব বিএনপির দুর্দিনের কান্ডারী মাসুম শিকারী

আপডেট সময় : ০৬:০৩:৪৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ অক্টোবর ২০২৫

আলোকিত কাগজ প্রতিবেদক: পরীক্ষিত বিএনপি নেতা বিএনপির দুর্দিনের কান্ডারী, আওয়ামী হামলা,মামলায় নির্যাতিত নেতা আড়াইহাজার উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও মাহমুদপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মাসুম শিকারী। আওয়ামী শাসনামলে বিএনপির মিটিং মিছিলে যার ভূমিকা ছিলো অগ্রগন্য। এছাড়াও হারানো ভোটাধিকার ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার, স্বৈরশাসন থেকে দেশ মুক্ত আন্দোলনে রাজপথে হামলা, মামলা নির্যাতনের শিকার হয়েছেন তিনি। রাজনৈতিক প্রতিহিংসামূলক বহু মামলার আসামি হয়ে মাসুম শিকারী একাধিকবার কারাবরণ করেন। তার হাত ধরেই আড়াইহাজার উপজেলা তথা মাহমুদপুর ইউনিয়ন বিএনপির সকল প্রকার দলীয় কর্মকান্ড, আন্দোলন সংগ্রামে রয়েছে সরব ও চলমান।

বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক (ঢাকা বিভাগ) নজরুল ইসলাম আজাদের পরীক্ষিত একজন দক্ষ, কর্মীবান্ধব ও নির্বীক সৈনিক হয়ে আড়াইহাজার উপজেলা ও মাহমুদপুর ইউনিয়ন বিএনপিকে আরও সুগংগঠিত করতে নিরলসভাবে আন্দোলন সংগ্রাম করে চলেছেন মাসুম শিকারী। তিনি কোন দিন অন্যায়ের কাছে মাথা নত করেননি। বিএনপি রাজনীতি ও শহীদ জিয়ার আদর্শ যার রক্তের প্রতিটি শিরায় বহমান।

জানাগেছে, বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক (ঢাকা বিভাগ) নজরুল ইসলাম আজাদের একজন বিশ্বস্থ কর্মী হিসেবে বিএনপির রাজনীতিতে ব্যাপক ভুমিকা রাখছেন মাসুম শিকারী।বর্তমানে যারা বিএনপির বিভিন্ন পদ প্রত্যাশি তারা ওয়ার্ড পর্যায়ের কর্মীও যখন ছিলেন না তখন মাসুম শিকারী জেলা পর্যায়ে মিটিং মিছিল করেছেন। দীর্ঘ দুই যুগের বেশি সময় ধরে বিএনপির রাজনীতির সাথে জড়িত তিনি। স্কুলে লেখাপড়ার সময়ে বিএনপির রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত হন।

সম্পূর্ণ বিএনপি রাজনীতি পরিবারের সন্তান মাসুম শিকারী। তার বাবা মরহুম জয়নাল আবেদীন এবং চাচা’রা ছিলেন মাহমুদপুর ইউনিয়ন বিএনপির জনপ্রিয় অকুতোভয় সৈনিক। মূলত পরিবার থেকেই মূলধারার নেতৃত্ব অর্জন করেন মাসুম শিকারী। কোনো বাধাই তাকে পিছু হঠতে দেয়নি। সম্প্রতি ১৭ বছরেরর আওয়ামী স্বৈর শাসন হাসিনা সরকারের পতনের পর বিএনপি লেবাসধারী বিধংসী আওয়ামী নেতাদের অনৈতিক ও অপরাধ কর্মকান্ড প্রতিহত করতে গিয়ে নানা আলোচনা সমালোচনার শিকার হন মাসুম শিকারী। তবুও তিনি দমে যাননি। দলকে সুসংগঠত ও ঐক্যবদ্ধ রাখতে নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন মাসুম শিকারী।

আড়াইহাজার উপজেলা আওয়ামীলীগের ইতিহাস কারো অজানা নয়। দীর্ঘ ১৭ বছর বিএনপি’র নেতা কর্মীরা আওয়ামী সন্ত্রাস ও প্রশাসনের বিরুদ্ধে রাজপথে অনেক সংগ্রাম করে টিকে থাকতে হয়েছে। তবে জেলার সব থেকে আড়াইহাজারের পরিস্থিতি ছিল সবচেয়ে ভয়াবহ ও আলাদা। কারন, ফ্যাসিবাদী হাসিনার আশীর্বাদ পুষ্ট আলোচিত সাবেক এমপি ও হুইপ নজরুল ইসলাম বাবু এই উপজেলা নিয়ন্ত্রণ করতেন। অথচ এই পাহাড়সম রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক চাপ দক্ষতা ও বুদ্ধিমত্তার সাথে সামলে নিয়ে তিনি ধীরে ধীরে হয়ে উঠেছেন একজন দক্ষ সংগঠক, বিশেষ করে ফ্যাসিবাদী আমলের শেষ ৯ বছর আড়াইহাজার উপজেলা আওয়ামীলীগ ও নজরুল ইসলাম বাবু’র মাথা ব্যাথার কারন হয়ে দাড়িয়ে ছিলেন তিনি। যিনি দলের জন্য সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করে হয়েছেন একাধিকবার হামলার শিকার ও বহু মামলার আসামি। আওয়ামীলীগের নির্যাতনের শিকার হয়েছে তার পরিবার। এদিকে আওয়ামী শাসনের অবসানের পরও এখনো থেমে নেই নজরুল ইসলাম বাবু’র দোসররা। তারা ভোল পাল্টিয়ে বিএনপি’র ছায়াতলে ঠাই নিয়ে মাসুম শিকারীকে দমিয়ে রাখতে নানা ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে। যদিও মাসুম শিকারী বলছেন, কোনো যড়যন্ত্রই তাকে দমিয়ে রাখতে পারবেনা। শহীদ জিয়ার আদর্শকে বুকে ধারণ করে নজরুল ইসলাম আজাদের দিকনির্দেশনায় দলের স্বার্থে আন্দোলন সংগ্রাম চালিয়ে যাবেন। সকল অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাড়াবেন। ফ্যাসিস্ট হাসিনা বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে নজরুল ইসলাম আজাদের নির্দেশে শেষ অবধি শত শত কর্মী নিয়ে রাজপথে ছিলেন তিনি।

স্বৈরাচার পতনের পর মাহমুদপুর ইউনিয়ন বিএনপির নেতাকর্মী ও জনতার উদ্দেশ্যে তার প্রথম ঘোষণা ছিলো- ”আসুন কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দেশ গড়ি। ভূমিদস্যু, চাঁদাবাজ, সন্ত্রাসী, মাদক ব্যবসায়ী যে দলের বা যে পরিচয়ের হোক না কেন তাদের সাথে কোন আপোষ নয়। এরা দেশ তথা সমাজের জন্য ক্ষতিকর ভাইরাস, তাদেরকে ধরে আইনের হাতে সোপর্দ করুন। নজরুল ইসলাম আজাদের নির্দেশে আড়াইহাজারের সাধারণ জনতাকে সাথে নিয়ে যে কোন অন্যায় অপশক্তি রুখে দিতে মাহমুদপুর ইউনিয়ন বিএনপি প্রস্তুত আছে ও ভবিষ্যতে থাকবে ইনশাআল্লাহ।