ঢাকা ০২:০৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬, ১৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বছর করে কারাদণ্ড নরসিংদীর শিবপুর উপজেলা ভূমি অফিস পরিদর্শন করলেন অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার আজ মহান মে দিবস: শ্রমজীবী মানুষের অধিকার আদায়ের দিন নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস-২০২৬’ এর মাধ্যমে তৃণমূল থেকে প্রতিভাবান খেলোয়াড় তুলে আনতে চাই:ডিসি রায়হান কবির বন্দরে এসএসসি পরীক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শন করলেন জেলা প্রশাসক রায়হান কবির সিদ্ধিরগঞ্জে বিশেষ অভিযানে ইয়াবাসহ ৩ ও চুরির মামলায় ২ জন গ্রেফতার নিউইয়র্কে প্রবাসী মতলব সমিতির নতুন কার্যকরী পরিষদের অভিষেক ও বর্ষবরণ অনুষ্ঠিত উখিয়ায় বিজিবির অভিযানে ১২০ ক্যান বিয়ারসহ আটক ১ বকেয়া পরিশোধে ব্যর্থতা: বেনাপোল-খুলনা-মোংলা কমিউটার ট্রেনের ইজারা চুক্তি বাতিল ৩ দিন বন্ধের পর বেনাপোল বন্দরে আমদানি-রপ্তানি স্বাভাবিক হয়েছে, পারাপার হচ্ছেন পাসপোর্টযাত্রীরা

লালমাই আটিটি বাজার ভুয়া ডাক্তার ও প্রতারণামূলক ওষুধ ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্টের ৩০ হাজার টাকা জরিমানা

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:০৪:৩২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ অক্টোবর ২০২৫
  • ১১৮ বার পড়া হয়েছে

মোহাম্মদ আমিনুল,কুমিল্লা: কুমিল্লার লালমাই উপজেলা আটিটি বাজার ভুয়া ডাক্তার শামীম আহমেদ (সুমন) ও প্রতারণামূলক ওষুধ ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়েছে।

৫ অক্টোবর সন্ধ্যা আনুমানিক ৭টা ৩০ মিনিটে এই অভিযানটি পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হিমাদ্রি খীসা।

মোবাইল কোর্টে পরিচালনা ভুয়া ডাক্তার পদবি ব্যবহার করে চিকিৎসা কার্যক্রম পরিচালনা করার অপরাধে মেডিক্যাল ও ডেন্টাল কাউন্সিল আইন, ২০১০ অনুযায়ী ১ ব্যক্তিকে ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করে।

এছাড়া ভোক্তার সঙ্গে প্রতারণামূলক সেবা প্রদান করে ওষুধ ব্যবসা পরিচালনার অপরাধে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ অনুযায়ী অপর ১ ব্যবসায়ীকে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়।

অভিযানে সহযোগিতা করেন, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ফার্মাসিস্ট মোঃ রিয়াজুল ইসলাম এবং লালমাই থানা পুলিশের একটি টিম।

বাজারে ভুয়া ডাক্তার ও অনুমোদনহীন ফার্মেসির দৌরাত্ম্য চরমে পৌঁছেছে।মোবাইল কোর্টের অভিযান খবর পেয়ে দোকান বন্ধ করে পালিয়ে যায় মেডিক্যাল দোকানদারা ।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বাজারের অধিকাংশ ডাক্তারই কোনো স্বীকৃত ডিগ্রিধারী নন। তবুও তারা রোগী দেখছেন এবং ওষুধ প্রেসক্রাইব করছেন।

এছাড়া বাজারের বহু ফার্মেসিরই নেই বৈধ ট্রেড লাইসেন্স, ড্রাগ লাইসেন্স বা অন্যান্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র। অভিযোগ রয়েছে, এসব দোকানে অতিরিক্ত দামে ওষুধ বিক্রি ও প্রয়োজনের অতিরিক্ত ওষুধ সরবরাহ করা হচ্ছে।

স্থানীয় ব্যক্তি বলেন, “যখন মোবাইল কোর্টের অভিযান শুরু হয়, তখন খবর পেয়ে আটিটি বাজারের সব ওষুধ দোকানদার তড়িঘড়ি করে দোকান বন্ধ করে পালিয়ে যায়। যদি তারা বৈধভাবে ব্যবসা করতো, তাহলে পালাত না। আপনি যাচাই করলেই দেখবেন—কোনো দোকানেই সঠিক কাগজপত্র নেই।”

স্থানীয় সূত্রে আরও জানা যায়, আটিটি বাজারে বর্তমানে মোট ১৪টি মেডিসিন দোকান রয়েছে। এর মধ্যে একটিও সম্পূর্ণ বৈধ নথিপত্র দেখাতে সক্ষম নয় বলে অভিযোগ উঠেছে।

এ বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসন ও স্বাস্থ্য বিভাগ জরুরি তদন্তের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
জনস্বার্থে উপজেলা প্রশাসন, লালমাই কর্তৃক এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানানো হয়েছে।

 

 

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

বছর করে কারাদণ্ড

লালমাই আটিটি বাজার ভুয়া ডাক্তার ও প্রতারণামূলক ওষুধ ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্টের ৩০ হাজার টাকা জরিমানা

আপডেট সময় : ০৪:০৪:৩২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ অক্টোবর ২০২৫

মোহাম্মদ আমিনুল,কুমিল্লা: কুমিল্লার লালমাই উপজেলা আটিটি বাজার ভুয়া ডাক্তার শামীম আহমেদ (সুমন) ও প্রতারণামূলক ওষুধ ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়েছে।

৫ অক্টোবর সন্ধ্যা আনুমানিক ৭টা ৩০ মিনিটে এই অভিযানটি পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হিমাদ্রি খীসা।

মোবাইল কোর্টে পরিচালনা ভুয়া ডাক্তার পদবি ব্যবহার করে চিকিৎসা কার্যক্রম পরিচালনা করার অপরাধে মেডিক্যাল ও ডেন্টাল কাউন্সিল আইন, ২০১০ অনুযায়ী ১ ব্যক্তিকে ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করে।

এছাড়া ভোক্তার সঙ্গে প্রতারণামূলক সেবা প্রদান করে ওষুধ ব্যবসা পরিচালনার অপরাধে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ অনুযায়ী অপর ১ ব্যবসায়ীকে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়।

অভিযানে সহযোগিতা করেন, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ফার্মাসিস্ট মোঃ রিয়াজুল ইসলাম এবং লালমাই থানা পুলিশের একটি টিম।

বাজারে ভুয়া ডাক্তার ও অনুমোদনহীন ফার্মেসির দৌরাত্ম্য চরমে পৌঁছেছে।মোবাইল কোর্টের অভিযান খবর পেয়ে দোকান বন্ধ করে পালিয়ে যায় মেডিক্যাল দোকানদারা ।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বাজারের অধিকাংশ ডাক্তারই কোনো স্বীকৃত ডিগ্রিধারী নন। তবুও তারা রোগী দেখছেন এবং ওষুধ প্রেসক্রাইব করছেন।

এছাড়া বাজারের বহু ফার্মেসিরই নেই বৈধ ট্রেড লাইসেন্স, ড্রাগ লাইসেন্স বা অন্যান্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র। অভিযোগ রয়েছে, এসব দোকানে অতিরিক্ত দামে ওষুধ বিক্রি ও প্রয়োজনের অতিরিক্ত ওষুধ সরবরাহ করা হচ্ছে।

স্থানীয় ব্যক্তি বলেন, “যখন মোবাইল কোর্টের অভিযান শুরু হয়, তখন খবর পেয়ে আটিটি বাজারের সব ওষুধ দোকানদার তড়িঘড়ি করে দোকান বন্ধ করে পালিয়ে যায়। যদি তারা বৈধভাবে ব্যবসা করতো, তাহলে পালাত না। আপনি যাচাই করলেই দেখবেন—কোনো দোকানেই সঠিক কাগজপত্র নেই।”

স্থানীয় সূত্রে আরও জানা যায়, আটিটি বাজারে বর্তমানে মোট ১৪টি মেডিসিন দোকান রয়েছে। এর মধ্যে একটিও সম্পূর্ণ বৈধ নথিপত্র দেখাতে সক্ষম নয় বলে অভিযোগ উঠেছে।

এ বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসন ও স্বাস্থ্য বিভাগ জরুরি তদন্তের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
জনস্বার্থে উপজেলা প্রশাসন, লালমাই কর্তৃক এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানানো হয়েছে।