মোঃ হারুন অর রশিদ, উখিয়া উপজেলা প্রতিনিধি:উখিয়া উপজেলার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক কেন্দ্র পালংখালী বাজারে নিত্যপণ্যের লাগামহীন দাম বৃদ্ধি এবং অসাধু ব্যবসায়ীদের সিন্ডিকেট ভাঙতে বাজার মনিটরিং জোরদারের দাবি উঠেছে। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল উখিয়া উপজেলা শাখার আহ্বায়ক জয়নাল আবেদীন জয় সহ নেতাকর্মী এবং স্থানীয় সাধারণ জনগণ যৌথভাবে প্রশাসনের কাছে এই দাবি জানিয়েছেন।
স্থানীয়দের মতে পালংখালী বাজারে বর্তমানে কোনো ধরনের কার্যকর তদারকি না থাকায় নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজার এখন সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে। বিশেষ করে ইচ্ছেমতো মূল্যবৃদ্ধি,কোনো কারণ ছাড়াই অনেক ব্যবসায়ী পণ্যের দাম বাড়িয়ে দিচ্ছেন।
অধিকাংশ দোকানে সরকার নির্ধারিত বা পাইকারি দরের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ মূল্য তালিকা ঝোলানো হচ্ছে না।
আসন্ন পবিত্র রমজান মাসকে কেন্দ্র করে অসাধু চক্র মজুতদারির মাধ্যমে কৃত্রিম সংকট তৈরির চেষ্টা করছে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
মানহীন পণ্য ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্যদ্রব্য বিক্রির ফলে জনস্বাস্থ্য ঝুঁকিতে পড়ছে।
ক্রেতারা জানান, নিয়মিত তদারকি না থাকায় মধ্যস্বত্বভোগী ও অসাধু ব্যবসায়ীরা সিন্ডিকেট করে সাধারণ মানুষের পকেট কাটছে। এতে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন নিম্ন ও মধ্যবিত্ত আয়ের মানুষ। তাদের মতে, প্রশাসনের নীরবতার সুযোগে একটি মহল বাজার ব্যবস্থাকে জিম্মি করে ফেলেছে।
উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক জয়নাল আবেদীন জয় এক বিবৃতিতে বলেন, জনস্বার্থ রক্ষা করাই তাদের মূল লক্ষ্য। তারা অবিলম্বে প্রশাসনের প্রতি তিনটি প্রধান দাবি জানান:
প্রতিদিন বাজার মনিটরিং নিশ্চিত করা।
ভেজালবিরোধী অভিযান ও জরিমানা পরিচালনার মাধ্যমে অসাধু ব্যবসায়ীদের রুখে দেওয়া।
প্রত্যেক দোকানে দৃশ্যমান স্থানে সঠিক মূল্য তালিকা টাঙানো বাধ্যতামূলক করা।
“বাজারের বর্তমান অস্থিরতা সাধারণ মানুষের জীবনকে অতিষ্ঠ করে তুলেছে। প্রশাসন যদি দ্রুত হস্তক্ষেপ না করে, তবে সাধারণ মানুষকে সাথে নিয়ে ছাত্রদল রাজপথে নামতে বাধ্য হবে।” —জয়নাল আবেদীন জয়।
স্থানীয় সচেতন মহল এবং ছাত্রদল নেতারা উখিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) এবং সহকারী কমিশনারের (ভূমি) দৃষ্টি আকর্ষণ করে জরুরি ভিত্তিতে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার জোর দাবি জানিয়েছেন। তারা মনে করেন, সময় থাকতে বাজার নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে আসন্ন রমজানে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ চরম আকার ধারণ করবে।
প্রতিনিধির নাম 



















