ঢাকা ১২:১৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬, ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নারায়ণগঞ্জে ‘স্টার্টআপ, সায়েন্স প্রজেক্ট ও ইনোভেশন আইডিয়া শোকেসিং’-এর ফাইনাল ও পুরস্কার বিতরণ বরুড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ট্রান্সফরমার মেরামত সম্পন্ন, স্বাভাবিক হয়েছে সব স্বাস্থ্যসেবা জাদিমুড়া এলাকায় নাফ নদী সংলগ্ন সীমান্তবর্তী এলাকায় অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ গ্রেনেড, তাজা গোলা ও গাঁজা উদ্ধার আশ্বাসে কাটলো অচলাবস্থা: বেনাপোল বন্দরে শ্রমিকদের কর্মবিরতি স্থগিত দুদকের দায়ের করা মামলায় দুবাই ইন্টারপোল পুলিশের হাতে আটক সাবেক পুলিশ প্রধান বেনজির আহমেদ নারায়ণগঞ্জে আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা: চাঞ্চল্যকর মামলা, মাদক ও ছিনতাই দমনে কঠোর নির্দেশ বরুড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ট্রান্সফরমার বিকল: জেনারেটরের মাধ্যমে সীমিত পরিসরে চলছে স্বাস্থ্যসেবা পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য বাংলাদেশ গড়তে সরকার বদ্ধপরিকর: প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম নারায়ণগঞ্জ সরকারি জেনারেল হাসপাতালে নবনির্মিত আইসিইউ বেডের উদ্বোধন করলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী মৌলভীবাজারে আসছেন প্রধানমন্ত্রী – ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির উদ্বোধন উপলক্ষে শ্রীমঙ্গলের ভিক্টোরিয়া মাঠ পরিদর্শন

জাদিমুড়া এলাকায় নাফ নদী সংলগ্ন সীমান্তবর্তী এলাকায় অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ গ্রেনেড, তাজা গোলা ও গাঁজা উদ্ধার

মোহাম্মদ রাসেল মির্জা, টেকনাফ প্রতিনিধি: টেকনাফ উপজেলার জাদিমুড়া এলাকায় নাফ নদী সংলগ্ন সীমান্তবর্তী এলাকায় অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ গ্রেনেড, তাজা গোলা ও গাঁজা উদ্ধার করেছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড।

বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড সূত্রে জানা যায়, নাফ নদী ও বাংলাদেশ-মায়ানমার সমুদ্র সীমান্ত এলাকায় অবৈধ অনুপ্রবেশ, মাদক ও মানব পাচার, অস্ত্র চোরাচালান এবং সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর তৎপরতা রোধে বাহিনীটি সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

এরই ধারাবাহিকতায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায়, টেকনাফ থানাধীন জাদিমুড়া নাফ নদী সংলগ্ন এলাকায় একদল সশস্ত্র সন্ত্রাসী গোষ্ঠী বিপুল পরিমাণ গোলা ও গ্রেনেড মাটির নিচে লুকিয়ে রেখেছে। এমন তথ্যের ভিত্তিতে গত ১৩ জুন ২০২৬ শনিবার রাত ১০টার দিকে কোস্ট গার্ড স্টেশন টেকনাফ বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে।

অভিযান চলাকালে মাটির নিচে বিশেষভাবে লুকায়িত অবস্থায় মিয়ানমার সামরিক বাহিনীতে ব্যবহৃত ২টি 36M Mk-I হ্যান্ড গ্রেনেড, ৮টি 40 mm HEDP গ্রেনেড, ২৮ রাউন্ড ৭.৬২ মিলিমিটার তাজা গোলা এবং ২ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়।

কোস্ট গার্ড জানায়, অভিযানের সময় পাচারকারীরা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যাওয়ায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। তবে এ ঘটনায় জড়িত সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর সদস্যদের শনাক্ত ও আটকের লক্ষ্যে গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।

বাহিনীটির মতে, উদ্ধারকৃত বিস্ফোরকগুলো অসাধু ব্যক্তিদের হাতে পড়লে জননিরাপত্তার জন্য বড় ধরনের হুমকি সৃষ্টি হতে পারত। কোস্ট গার্ডের এ অভিযানের মাধ্যমে সম্ভাব্য নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড প্রতিরোধ করা সম্ভব হয়েছে।

উদ্ধারকৃত গ্রেনেড, গোলা ও জব্দকৃত গাঁজার বিষয়ে পরবর্তী আইনানুগ কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড জানিয়েছে, দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখা এবং সীমান্ত এলাকায় সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর তৎপরতা রোধে ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

 

 

 

 

 

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

নারায়ণগঞ্জে ‘স্টার্টআপ, সায়েন্স প্রজেক্ট ও ইনোভেশন আইডিয়া শোকেসিং’-এর ফাইনাল ও পুরস্কার বিতরণ

জাদিমুড়া এলাকায় নাফ নদী সংলগ্ন সীমান্তবর্তী এলাকায় অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ গ্রেনেড, তাজা গোলা ও গাঁজা উদ্ধার

আপডেট সময় : ০৬:০৬:৩৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬

মোহাম্মদ রাসেল মির্জা, টেকনাফ প্রতিনিধি: টেকনাফ উপজেলার জাদিমুড়া এলাকায় নাফ নদী সংলগ্ন সীমান্তবর্তী এলাকায় অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ গ্রেনেড, তাজা গোলা ও গাঁজা উদ্ধার করেছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড।

বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড সূত্রে জানা যায়, নাফ নদী ও বাংলাদেশ-মায়ানমার সমুদ্র সীমান্ত এলাকায় অবৈধ অনুপ্রবেশ, মাদক ও মানব পাচার, অস্ত্র চোরাচালান এবং সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর তৎপরতা রোধে বাহিনীটি সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

এরই ধারাবাহিকতায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায়, টেকনাফ থানাধীন জাদিমুড়া নাফ নদী সংলগ্ন এলাকায় একদল সশস্ত্র সন্ত্রাসী গোষ্ঠী বিপুল পরিমাণ গোলা ও গ্রেনেড মাটির নিচে লুকিয়ে রেখেছে। এমন তথ্যের ভিত্তিতে গত ১৩ জুন ২০২৬ শনিবার রাত ১০টার দিকে কোস্ট গার্ড স্টেশন টেকনাফ বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে।

অভিযান চলাকালে মাটির নিচে বিশেষভাবে লুকায়িত অবস্থায় মিয়ানমার সামরিক বাহিনীতে ব্যবহৃত ২টি 36M Mk-I হ্যান্ড গ্রেনেড, ৮টি 40 mm HEDP গ্রেনেড, ২৮ রাউন্ড ৭.৬২ মিলিমিটার তাজা গোলা এবং ২ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়।

কোস্ট গার্ড জানায়, অভিযানের সময় পাচারকারীরা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যাওয়ায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। তবে এ ঘটনায় জড়িত সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর সদস্যদের শনাক্ত ও আটকের লক্ষ্যে গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।

বাহিনীটির মতে, উদ্ধারকৃত বিস্ফোরকগুলো অসাধু ব্যক্তিদের হাতে পড়লে জননিরাপত্তার জন্য বড় ধরনের হুমকি সৃষ্টি হতে পারত। কোস্ট গার্ডের এ অভিযানের মাধ্যমে সম্ভাব্য নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড প্রতিরোধ করা সম্ভব হয়েছে।

উদ্ধারকৃত গ্রেনেড, গোলা ও জব্দকৃত গাঁজার বিষয়ে পরবর্তী আইনানুগ কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড জানিয়েছে, দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখা এবং সীমান্ত এলাকায় সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর তৎপরতা রোধে ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।