সাড়ে ৮ লাখ টন — সরকার ৩৫ টাকা কেজি দরে ৩ লাখ মেট্রিক টন ধান কিনবে বলে জানিয়েছেন খাদ্যমন্ত্রী আফরোজা খানম রিতা। রবিবার (৮ নভেম্বর) খাদ্য পরিকল্পনা ও পরিধারণ কমিটির (এফপিএমসি) সভা শেষে তথ্য অধিদফতরের সম্মেলন কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ তথ্য জানান।
খাদ্যমন্ত্রী বলেন, নির্বাচনি ইশতেহার ২০২৬ এর প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী, বর্তমান সরকারের লক্ষ্য হলো বৈষম্যহীন আর্থ সামাজিক উন্নয়ন ও টেকসই রাষ্ট্রীয় সক্ষমতা অর্জনের উদ্দেশ্যে কৃষককেন্দ্রিক একটি আধুনিক কৃষি ব্যবস্থা গড়ে তোলা। এ লক্ষ্যে, ক্ষুধা ও দারিদ্র্য দূরীকরণ এবং খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিতকল্পে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। কৃষকদের উৎপাদিত ফসলের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিতকরণ এই সংগ্রহ অভিযানের মূল চালিকাশক্তি হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে।
এফপিএমসি'র সভায় গৃহীত সিদ্ধান্তের বিষয়ে মন্ত্রী জানান, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের মৌসুমে আমন ধান ৩ লক্ষ মেট্রিক টন, সিদ্ধ চাল ৫ লাখ মেট্রিক টন এবং আতপ চাল ৫০ হাজার মেট্রিক টন সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। আমন ধান কেজি ৩৫ টাকা, সিদ্ধ চালের কেজি ৪৯ টাকা এবং আতপ চালের ৪৮ টাকা কেজি দরে কেনা হবে।
মন্ত্রী আরও জানান, আমন ধান সংগ্রহ কার্যক্রম আগামী ১৪ নভেম্বর থেকে শুরু হয়ে ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চলবে। অন্যদিকে, আমন চাল সংগ্রহ কার্যক্রম আগামী ১ ডিসেম্বর থেকে শুরু হয়ে ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চলবে।
প্রেস ব্রিফিংয়ে খাদ্য প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী, খাদ্য সচিব আবু তাহের মো. মাসুদ রানা প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। তারা সরকারের খাদ্য সংগ্রহ কার্যক্রমের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেন এবং কৃষকদের জন্য সরকারের নীতিমালা সম্পর্কে অবহিত করেন।
এফপিএমসি'র সভায় খাদ্য নিরাপত্তা এবং কৃষকদের স্বার্থ রক্ষায় সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপের উপর গুরুত্বারোপ করা হয়। খাদ্যমন্ত্রী বলেন, কৃষকদের উৎপাদিত ফসলের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
সরকারের এই উদ্যোগ কৃষকদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে, যা কৃষি খাতের উন্নয়ন এবং দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সহায়ক হবে। কৃষকদের জন্য নির্ধারিত দাম এবং সংগ্রহের সময়সীমা তাদের উৎপাদন কার্যক্রমে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে আশা করা হচ্ছে।
প্রতিনিধির নাম 
























