ঢাকা ১২:২৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বরুড়ায় যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত পাঁচ বছর খেদমত করলেই মাদরাসার খরচে উমরাহ, প্রতিশ্রুতি পূরণে গেলেন পাঁচ উস্তাদ নরসিংদীর আইয়ূব পুর ইউনিয়ন পরিষদে মসজিদ উদ্বোধন করেন নির্বাহী অফিসার মোছাঃ ফারজানা ইয়াসমিন টেকনাফে চেকপোস্টে নোহা থামিয়ে অস্ত্রসহ ৪ জন গ্রেপ্তার মালিক হঠাও, বাগান বাঁচাও’ স্লোগানে উত্তাল চার চা বাগান, মজুরির দাবিতে কর্মবিরতি যশোরে জমি নিয়ে বিরোধে যুবককে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তার ১ যশোর অভয়নগরে শিক্ষকের বিরুদ্ধে চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ উখিয়ায় ১০ বছরের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেফতার নারায়ণগঞ্জে চুরি করতে গিয়ে মাধবপুর ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ৪ নারী আটক যশোরে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত সংখ্যা বাড়ছে

নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলায় হযরত মতিন শাহ র বাৎসরিক ওরস মাহফিল। বাউল গানের আয়োজন।

নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলায় হযরত মতিন শাহ র বাৎসরিক ওরস মাহফিল। বাউল গানের আয়োজনক করা হয়।
ছোয়ায় হারিয়ে যাওয়া বাউল গান করা হয় বন্দর উপজেলার কদমতলী এলাকায়। বাউল গান শুনতে পেরে খুশি সাংস্কৃতিক প্রেমিরা। এমন আয়োজনের মাধ্যমে সাম্প্রদায়িকতা বিনষ্ট হয়ে সকলের মাঝে সাম্য ফিরে আসবে এমনটি মনে করছেন তারা।
বাউল গান বাংলার ঐতিহ্যবাহী লোকায়ত সংগীতের একটি অনন্য ধারা। বাউল গান বাঙ্গালী ঐতিহ্যের ধারক ও বাহক। এদেশে যুগে যুগে জন্ম নিয়েছে অনেক নামকরা বাউল শিল্পী।এটি বাউল সম্প্রদায়ের নিজস্ব সাধনগীত যা বাংলার মানুষের আত্মার খোরাক। বাউল গানের আয়োজন হলে প্রাণের টানে ছুটে যেতেন ভক্তরা।
তবে প্রযুক্তি ও সময়ের পরিবর্তন আর আকাশ সংস্কৃতির দাপটে হারিয়ে যেতে বসেছে ঐতিহ্যবাহী বাউল গান। এ গানকে ধরে রাখতে বন্দর উপজেলায় আয়োজন করা হয় বাউল গানের আসর “শিকড়ের গান”।
সোম ও মঙ্গলবার(১৩-১৪ জানুয়ারি )রাতে হযরত মতিন শাহ র সুযোগ্য সন্তান খেলাফত প্রাপ্ত সেলিম চিশতী তার ভক্তদের নিয়ে তার নিজ বাসভবনে।
নারায়ণগঞ্জ জেলার বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠন
ও বাউল শিল্পী রুজিনা সরকার ও রাসেল প্রধান দেওয়ান এ আসরে গান পরিবেশন করেন। এ সময় গানে উপস্থিত ছিলেন এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ বাদ্যযন্ত্রে হারমনিতে ছিলেন বাংলাদেশের প্রখ্যাত বাউল শিল্পী তাজেল দেওয়ান, পেডমাস্টার রবিন, ঢোল বাদক বাবুল, মন্দিরা বাদক শিপন,ও বাশিতে ছিলেন আবদুল হান্নান।এ গানের মাধ্যমে আবহমান বাংলার প্রকৃতি, মাটি আর মানুষের জীবন জিজ্ঞাসা একাত্ম হয়ে ফুটে ওঠে। আর এমন আয়োজনে বাউল গান গাইতে পেরে খুশি শিল্পীরা।
এ বাউল গান শুনতে জেলার বন্দর উপজেলার কদমতলী হয়ে ওঠে পরিপূর্ণ।মন্ত্রমুগ্ধের মত বাউল গান শোনেন দর্শনার্থীরা।ইট-পাথরের শহুরে জীবনে কিছুটা হলে জীবন দর্শন পান। সম্প্রদায়িকতাকে দূরে ঠেলে সকলের মাঝে সাম্যতা রাখতে বারবার এমন আয়োজনের দাবী সাংস্কৃতিক প্রেমীদের।গান শুনতে আসা ওসমান গনি, কালাম, আবজাল, বলেন, বাউল গান বাংলাদেশের সংস্কৃতির সঙ্গে অকৃত্রিমভাবে জড়িয়ে আছে। এ দেশের কৃষ্টি কালচারের সাথে বাউল সংগীতের পদচারণা আমরা প্রতিটি এলাকায় দেখতে পাই । নারায়ণগঞ্জ ও তার ব্যতিক্রম নয়।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

বরুড়ায় যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলায় হযরত মতিন শাহ র বাৎসরিক ওরস মাহফিল। বাউল গানের আয়োজন।

আপডেট সময় : ১১:৪২:২৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৫

নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলায় হযরত মতিন শাহ র বাৎসরিক ওরস মাহফিল। বাউল গানের আয়োজনক করা হয়।
ছোয়ায় হারিয়ে যাওয়া বাউল গান করা হয় বন্দর উপজেলার কদমতলী এলাকায়। বাউল গান শুনতে পেরে খুশি সাংস্কৃতিক প্রেমিরা। এমন আয়োজনের মাধ্যমে সাম্প্রদায়িকতা বিনষ্ট হয়ে সকলের মাঝে সাম্য ফিরে আসবে এমনটি মনে করছেন তারা।
বাউল গান বাংলার ঐতিহ্যবাহী লোকায়ত সংগীতের একটি অনন্য ধারা। বাউল গান বাঙ্গালী ঐতিহ্যের ধারক ও বাহক। এদেশে যুগে যুগে জন্ম নিয়েছে অনেক নামকরা বাউল শিল্পী।এটি বাউল সম্প্রদায়ের নিজস্ব সাধনগীত যা বাংলার মানুষের আত্মার খোরাক। বাউল গানের আয়োজন হলে প্রাণের টানে ছুটে যেতেন ভক্তরা।
তবে প্রযুক্তি ও সময়ের পরিবর্তন আর আকাশ সংস্কৃতির দাপটে হারিয়ে যেতে বসেছে ঐতিহ্যবাহী বাউল গান। এ গানকে ধরে রাখতে বন্দর উপজেলায় আয়োজন করা হয় বাউল গানের আসর “শিকড়ের গান”।
সোম ও মঙ্গলবার(১৩-১৪ জানুয়ারি )রাতে হযরত মতিন শাহ র সুযোগ্য সন্তান খেলাফত প্রাপ্ত সেলিম চিশতী তার ভক্তদের নিয়ে তার নিজ বাসভবনে।
নারায়ণগঞ্জ জেলার বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠন
ও বাউল শিল্পী রুজিনা সরকার ও রাসেল প্রধান দেওয়ান এ আসরে গান পরিবেশন করেন। এ সময় গানে উপস্থিত ছিলেন এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ বাদ্যযন্ত্রে হারমনিতে ছিলেন বাংলাদেশের প্রখ্যাত বাউল শিল্পী তাজেল দেওয়ান, পেডমাস্টার রবিন, ঢোল বাদক বাবুল, মন্দিরা বাদক শিপন,ও বাশিতে ছিলেন আবদুল হান্নান।এ গানের মাধ্যমে আবহমান বাংলার প্রকৃতি, মাটি আর মানুষের জীবন জিজ্ঞাসা একাত্ম হয়ে ফুটে ওঠে। আর এমন আয়োজনে বাউল গান গাইতে পেরে খুশি শিল্পীরা।
এ বাউল গান শুনতে জেলার বন্দর উপজেলার কদমতলী হয়ে ওঠে পরিপূর্ণ।মন্ত্রমুগ্ধের মত বাউল গান শোনেন দর্শনার্থীরা।ইট-পাথরের শহুরে জীবনে কিছুটা হলে জীবন দর্শন পান। সম্প্রদায়িকতাকে দূরে ঠেলে সকলের মাঝে সাম্যতা রাখতে বারবার এমন আয়োজনের দাবী সাংস্কৃতিক প্রেমীদের।গান শুনতে আসা ওসমান গনি, কালাম, আবজাল, বলেন, বাউল গান বাংলাদেশের সংস্কৃতির সঙ্গে অকৃত্রিমভাবে জড়িয়ে আছে। এ দেশের কৃষ্টি কালচারের সাথে বাউল সংগীতের পদচারণা আমরা প্রতিটি এলাকায় দেখতে পাই । নারায়ণগঞ্জ ও তার ব্যতিক্রম নয়।