ঢাকা ০৪:০৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
স্কুলছাত্রীকে ফুসলিয়ে ধর্ষণের অভিযোগে যশোরে কোটে মামলা যশোরে শার্শায় দাদার বিরুদ্ধে নাতিকে ধর্ষণের অভিযোগ সাভারে মহিলা মাদ্রাসায় হামলা-লুটপাটের নিরপেক্ষ তদন্ত, বিচার ও ক্ষতিপূরণের দাবি হেফাজতের যশোরের শার্শা উপজেলায় গাঁজা ও মদসহ আটক কারবারির কারাদণ্ড সংবিধান মেনে নির্বাচন হলে সরকার হলেন কীভাবে, বিএনপিকে শফিকুর রহমান চার দিনের সরকারি সফরে আজ রাতে জাপান যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী টেক্সটাইল শিক্ষার মানোন্নয়ন ও গবেষণায় গুরুত্ব আরোপ রাষ্ট্রপতির বাংলাদেশে ফ্যাসিস্ট বা পলাতক অপরাধীকে কোন অপতৎপরতা চালানোর সুযোগ দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ঈদগড়-ঈদগাঁও সড়কের ডাকাতি মামলায় সন্দেহভাজন আসামি গ্রেপ্তার আমদানি-রপ্তানিসহ কাস্টমস বন্দরের কার্যক্রম শুরু : টানা ছুটি শেষে কর্মচাঞ্চল্য ফিরেছে বেনাপোল বন্দরে

উখিয়ায় পৃথক অভিযানে ২০ হাজার ইয়াবাসহ দুই কারবারি আটক

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১২:২০:৫৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬
  • ২০ বার পড়া হয়েছে

ফরহাদ রহমান,স্টাফ রিপোর্টার কক্সবাজার: কক্সবাজারের উখিয়ায় পৃথক দুটি অভিযানে ২০ হাজার ১২০ পিস ইয়াবা, দুটি দেশীয় দা ও একটি মোবাইল ফোনসহ দুই ব্যক্তিকে আটক করেছে ৬৪ বিজিবির পালংখালী বিওপির বিশেষ টহল দল।

শনিবার (২৪ অক্টোবর) ভোর ও সকালে পালংখালী সীমান্তবর্তী এলাকায় অভিযান দুটি পরিচালনা করা হয়।

আটকরা হলেন-উখিয়ার নলবুনিয়া গ্রামের নুরুল আমিনের ছেলে আব্দুল্লাহ (২৩) এবং পূর্ব ফাঁড়ির বিল গ্রামের মো. এমদাদুল হকের ছেলে মো. জসিম উদ্দিন (৩০)।

৬৪ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. জহিরুল ইসলাম জানান, ভোর আনুমানিক ৪টার দিকে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে পালংখালী বিওপির বিশেষ টহল দল নলবুনিয়া জামে মসজিদের দক্ষিণ পাশে অভিযান চালায়। এ সময় মিয়ানমার দিক থেকে ২-৩ জনকে একটি ব্যাগ নিয়ে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে প্রবেশ করতে দেখে তাদের চ্যালেঞ্জ করা হয়। তারা পালানোর চেষ্টা করলে আব্দুল্লাহকে আটক করা হয়। পরে তার ব্যাগ তল্লাশি করে ১২০ পিস ইয়াবা, দুটি দেশীয় দা ও একটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।

অন্যদিকে, সকাল আনুমানিক ৮টার দিকে ফারিরবিল নারিকেল বাগানের পাশে বেড়িবাঁধে অভিযান চালায় একই টহল দল। এ সময় মিয়ানমার দিক থেকে গামছায় মোড়ানো পোটলা হাতে এক ব্যক্তিকে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে প্রবেশ করতে দেখে তাকে চ্যালেঞ্জ করা হয়। পালানোর সময় ধাওয়া করে জসিম উদ্দিনকে আটক করা হয়। তার পোটলা তল্লাশি করে দুটি কার্টনে থাকা ২০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।

বিজিবির দাবি, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটকরা মিয়ানমার সীমান্ত থেকে ইয়াবা সংগ্রহ করে বেশি দামে বিক্রির উদ্দেশ্যে বহন করার কথা স্বীকার করেছেন।

৬৪ বিজিবির অধিনায়ক বলেন, মাদক সরবরাহকারী ও চোরাচালানের সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। সীমান্তে মাদক ও চোরাচালানবিরোধী অভিযান অব্যাহত থাকবে।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

স্কুলছাত্রীকে ফুসলিয়ে ধর্ষণের অভিযোগে যশোরে কোটে মামলা

উখিয়ায় পৃথক অভিযানে ২০ হাজার ইয়াবাসহ দুই কারবারি আটক

আপডেট সময় : ১২:২০:৫৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬

ফরহাদ রহমান,স্টাফ রিপোর্টার কক্সবাজার: কক্সবাজারের উখিয়ায় পৃথক দুটি অভিযানে ২০ হাজার ১২০ পিস ইয়াবা, দুটি দেশীয় দা ও একটি মোবাইল ফোনসহ দুই ব্যক্তিকে আটক করেছে ৬৪ বিজিবির পালংখালী বিওপির বিশেষ টহল দল।

শনিবার (২৪ অক্টোবর) ভোর ও সকালে পালংখালী সীমান্তবর্তী এলাকায় অভিযান দুটি পরিচালনা করা হয়।

আটকরা হলেন-উখিয়ার নলবুনিয়া গ্রামের নুরুল আমিনের ছেলে আব্দুল্লাহ (২৩) এবং পূর্ব ফাঁড়ির বিল গ্রামের মো. এমদাদুল হকের ছেলে মো. জসিম উদ্দিন (৩০)।

৬৪ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. জহিরুল ইসলাম জানান, ভোর আনুমানিক ৪টার দিকে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে পালংখালী বিওপির বিশেষ টহল দল নলবুনিয়া জামে মসজিদের দক্ষিণ পাশে অভিযান চালায়। এ সময় মিয়ানমার দিক থেকে ২-৩ জনকে একটি ব্যাগ নিয়ে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে প্রবেশ করতে দেখে তাদের চ্যালেঞ্জ করা হয়। তারা পালানোর চেষ্টা করলে আব্দুল্লাহকে আটক করা হয়। পরে তার ব্যাগ তল্লাশি করে ১২০ পিস ইয়াবা, দুটি দেশীয় দা ও একটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।

অন্যদিকে, সকাল আনুমানিক ৮টার দিকে ফারিরবিল নারিকেল বাগানের পাশে বেড়িবাঁধে অভিযান চালায় একই টহল দল। এ সময় মিয়ানমার দিক থেকে গামছায় মোড়ানো পোটলা হাতে এক ব্যক্তিকে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে প্রবেশ করতে দেখে তাকে চ্যালেঞ্জ করা হয়। পালানোর সময় ধাওয়া করে জসিম উদ্দিনকে আটক করা হয়। তার পোটলা তল্লাশি করে দুটি কার্টনে থাকা ২০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।

বিজিবির দাবি, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটকরা মিয়ানমার সীমান্ত থেকে ইয়াবা সংগ্রহ করে বেশি দামে বিক্রির উদ্দেশ্যে বহন করার কথা স্বীকার করেছেন।

৬৪ বিজিবির অধিনায়ক বলেন, মাদক সরবরাহকারী ও চোরাচালানের সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। সীমান্তে মাদক ও চোরাচালানবিরোধী অভিযান অব্যাহত থাকবে।