ঢাকা ০৪:০৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
স্কুলছাত্রীকে ফুসলিয়ে ধর্ষণের অভিযোগে যশোরে কোটে মামলা যশোরে শার্শায় দাদার বিরুদ্ধে নাতিকে ধর্ষণের অভিযোগ সাভারে মহিলা মাদ্রাসায় হামলা-লুটপাটের নিরপেক্ষ তদন্ত, বিচার ও ক্ষতিপূরণের দাবি হেফাজতের যশোরের শার্শা উপজেলায় গাঁজা ও মদসহ আটক কারবারির কারাদণ্ড সংবিধান মেনে নির্বাচন হলে সরকার হলেন কীভাবে, বিএনপিকে শফিকুর রহমান চার দিনের সরকারি সফরে আজ রাতে জাপান যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী টেক্সটাইল শিক্ষার মানোন্নয়ন ও গবেষণায় গুরুত্ব আরোপ রাষ্ট্রপতির বাংলাদেশে ফ্যাসিস্ট বা পলাতক অপরাধীকে কোন অপতৎপরতা চালানোর সুযোগ দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ঈদগড়-ঈদগাঁও সড়কের ডাকাতি মামলায় সন্দেহভাজন আসামি গ্রেপ্তার আমদানি-রপ্তানিসহ কাস্টমস বন্দরের কার্যক্রম শুরু : টানা ছুটি শেষে কর্মচাঞ্চল্য ফিরেছে বেনাপোল বন্দরে

যৌতুকের দাবিতে যশোরে গৃহবধূকে হত্যাচেষ্টা, আদালতে মামলার নির্দেশ

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১২:২৩:৪৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬
  • ১৫ বার পড়া হয়েছে

মনির হোসেন,যশোর প্রতিনিধি: যশোর অভয়নগর উপজেলায় ৭ লাখ টাকা যৌতুকের দাবিতে এক গৃহবধূকে মারধর ও গলা কেটে হত্যার চেষ্টার অভিযোগে স্বামী মহিদুজ্জামান মুকুলের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা রেকর্ডের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে নিজের ছয় বছরের কন্যাসন্তানকে ফিরে পেতে আলাদা আরেকটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

মামলার বাদী হয়েছেন মণিরামপুর উপজেলার বাকোশপোল গ্রামের হযরত আলীর মেয়ে মিনা ফেরদৌস এবং অভিযুক্ত স্বামী অভয়নগর উপজেলার বুইকারা এলাকার মোকালেসুর রহমানের ছেলে।

মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, মিনা ফেরদৌসের সঙ্গে মহিদুজ্জামান মুকুলের বিয়ের পর তাঁদের সংসারে মুনতাহা জামান ঝুমুর নামে ছয় বছর বয়সী একটি কন্যাসন্তান জন্ম নেয়। শুরুর দিকে স্বামীর আচরণ স্বাভাবিক থাকলেও পরবর্তীতে তা বদলাতে থাকে।

গত ১৬ আগস্ট রাত পৌনে ১১টার দিকে অভয়নগরের বুইকারা এলাকায় নিজ বাড়িতে মুকুল তাঁর স্ত্রীর কাছে ৭ লাখ টাকা এবং সাংসারিক বিভিন্ন মালামাল যৌতুক দাবি করেন। মিনা ফেরদৌস যৌতুক দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাঁকে এলোপাতাড়ি কিল-ঘুষি মেরে জখম করা হয়। নির্যাতনের একপর্যায়ে স্বামী হাতে থাকা ছুরি দিয়ে তাঁর গলায় আঘাত করে হত্যার চেষ্টা চালান, এতে তিনি রক্তাক্ত জখম হন।

খবর পেয়ে পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলে গিয়ে তাঁকে উদ্ধার করে চিকিৎসার ব্যবস্থা করে। পরে গত ১৯ আগস্ট তিনি লিগ্যাল এইড অফিসে অভিযোগ করেন। পরবর্তীতে ২১ সেপ্টেম্বর ও ১৪ অক্টোবর দুই দফায় বিরোধ নিষ্পত্তির উদ্যোগ নেওয়া হলেও কোনো সমঝোতা না হওয়ায় তিনি আদালতের শরণাপন্ন হন।

এরই পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৭ অক্টোবর আদালত আগামী ১০ দিনের মধ্যে অভয়নগর থানাকে নিয়মিত মামলা হিসেবে গ্রহণের এই নির্দেশ দেন।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

স্কুলছাত্রীকে ফুসলিয়ে ধর্ষণের অভিযোগে যশোরে কোটে মামলা

যৌতুকের দাবিতে যশোরে গৃহবধূকে হত্যাচেষ্টা, আদালতে মামলার নির্দেশ

আপডেট সময় : ১২:২৩:৪৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬

মনির হোসেন,যশোর প্রতিনিধি: যশোর অভয়নগর উপজেলায় ৭ লাখ টাকা যৌতুকের দাবিতে এক গৃহবধূকে মারধর ও গলা কেটে হত্যার চেষ্টার অভিযোগে স্বামী মহিদুজ্জামান মুকুলের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা রেকর্ডের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে নিজের ছয় বছরের কন্যাসন্তানকে ফিরে পেতে আলাদা আরেকটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

মামলার বাদী হয়েছেন মণিরামপুর উপজেলার বাকোশপোল গ্রামের হযরত আলীর মেয়ে মিনা ফেরদৌস এবং অভিযুক্ত স্বামী অভয়নগর উপজেলার বুইকারা এলাকার মোকালেসুর রহমানের ছেলে।

মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, মিনা ফেরদৌসের সঙ্গে মহিদুজ্জামান মুকুলের বিয়ের পর তাঁদের সংসারে মুনতাহা জামান ঝুমুর নামে ছয় বছর বয়সী একটি কন্যাসন্তান জন্ম নেয়। শুরুর দিকে স্বামীর আচরণ স্বাভাবিক থাকলেও পরবর্তীতে তা বদলাতে থাকে।

গত ১৬ আগস্ট রাত পৌনে ১১টার দিকে অভয়নগরের বুইকারা এলাকায় নিজ বাড়িতে মুকুল তাঁর স্ত্রীর কাছে ৭ লাখ টাকা এবং সাংসারিক বিভিন্ন মালামাল যৌতুক দাবি করেন। মিনা ফেরদৌস যৌতুক দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাঁকে এলোপাতাড়ি কিল-ঘুষি মেরে জখম করা হয়। নির্যাতনের একপর্যায়ে স্বামী হাতে থাকা ছুরি দিয়ে তাঁর গলায় আঘাত করে হত্যার চেষ্টা চালান, এতে তিনি রক্তাক্ত জখম হন।

খবর পেয়ে পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলে গিয়ে তাঁকে উদ্ধার করে চিকিৎসার ব্যবস্থা করে। পরে গত ১৯ আগস্ট তিনি লিগ্যাল এইড অফিসে অভিযোগ করেন। পরবর্তীতে ২১ সেপ্টেম্বর ও ১৪ অক্টোবর দুই দফায় বিরোধ নিষ্পত্তির উদ্যোগ নেওয়া হলেও কোনো সমঝোতা না হওয়ায় তিনি আদালতের শরণাপন্ন হন।

এরই পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৭ অক্টোবর আদালত আগামী ১০ দিনের মধ্যে অভয়নগর থানাকে নিয়মিত মামলা হিসেবে গ্রহণের এই নির্দেশ দেন।