ঢাকা ০১:৫১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৭ অগাস্ট ২০২৬, ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বেনাপোল স্থলবন্দরে ভারত থেকে এলো টিয়ার গ্যাস সেলের বড় চালান, গন্তব্য যশোর ক্যান্টনমেন্ট বিজিবির অভিযানে বেনাপোল সীমান্তে ৫ লাখ টাকার ভারতীয় চোরাচালানি পণ্য জব্দ বেনাপোলে ফেনসিডিল মামলায় পারভীনাকে ১০ বছরের কারাদণ্ড যশোরে প্রতারক চক্রের মালামাল সহ দুই সদস্য আটক গাছ লাগানোও রাজনীতি, যদি তা জনগণের কল্যাণে আসে: আতাউর রহমান ঢালী মিয়ানমারের ভেতরে মাইন বিস্ফোরণে বাংলাদেশি আহত আদালতে হঠাৎ অসুস্থ, হাসপাতালে প্রবীণ আইনজীবী রুহুল আমিনের মৃত্যু ইন্দুরিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষার মানোন্নয়ন ও সার্বিক উন্নয়ন নিয়ে মতবিনিময় অবশেষে আর্সেনালের পথে ব্রাজিল তারকা জাতিসংঘে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস পালিত

প্রযুক্তিনির্ভর বন নজরদারিতে যাচ্ছে বাংলাদেশ : রিজওয়ানা হাসান

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:২৮:১১ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ২২৯ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক: পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় এবং পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেছেন, বনের গাছ চুরি ও অন্যান্য সম্পদের পাচার প্রতিরোধে বনকে প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারির আওতায় আনা হচ্ছে। এ লক্ষ্যে অচিরেই স্যাটেলাইট ইমেজ, ড্রোন প্রযুক্তি ও আধুনিক তথ্য-উপাত্ত ব্যবহার করে দেশের বন পর্যবেক্ষণের কার্যক্রম শুরু করা হবে।

আজ সোমবার সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে রেমা-কালেঙ্গা সংরক্ষিত বনের অনলাইন মনিটরিং বিষয়ক সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা দীপংকর বরের সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

পরিবেশ উপদেষ্টা বলেন, রেমা-কালেঙ্গা, সাতছড়ি ও লাঠিটিলা সংরক্ষিত বনের ২০১৫, ২০২০ ও ২০২৫ সালের স্যাটেলাইট ইমেজ ব্যবহার করে পরিবর্তন শনাক্তকরণের জন্য বাংলাদেশ মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠানের (স্পারসো) সহায়তা নেওয়া হবে। পাশাপাশি ভূমি মন্ত্রণালয় থেকে হাই রেজুলেশন ইমেজ এবং সার্ভে অব বাংলাদেশ থেকে ড্রোন সহায়তা গ্রহণ করা হবে।

সভায় জানানো হয়, অচিরেই বন অধিদফতর রেমা-কালেঙ্গা সংরক্ষিত বনের মাতৃগাছ জরিপ ও নম্বর প্রদানের কাজ শুরু করবে। সুফল প্রকল্পে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কর্মচারীরা এ কাজে নিয়োজিত থাকবে।

উপদেষ্টা জানান, দেশের সব বনাঞ্চলে মাতৃগাছ শনাক্তকরণ কার্যক্রম দ্রুত শুরু হবে এবং এজন্য বিভাগীয় বন কর্মকর্তাদের সহযোগিতা নেওয়া হবে।

ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ে প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদায় দায়িত্বে নিয়োজিত প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব বলেন, দেশের বনকে প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারির আওতায় আনতে বন অধিদফতরের সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় সমাধান নেওয়া হবে। এ কাজে সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দফতরের সহায়তা এবং বিশেষজ্ঞদের নিয়োজিত করা হবে।

সভায় পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. ফারহিনা আহমেদ, যুগ্মসচিব (বন) শামিমা বেগম, প্রধান বন সংরক্ষক মো. আমীর হোসাইন চৌধুরী, উপপ্রধান বন সংরক্ষক মো. রকিবুল হাসান মুকুলসহ মন্ত্রণালয়, বন অধিদফতর ও তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

 

 

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

বেনাপোল স্থলবন্দরে ভারত থেকে এলো টিয়ার গ্যাস সেলের বড় চালান, গন্তব্য যশোর ক্যান্টনমেন্ট

প্রযুক্তিনির্ভর বন নজরদারিতে যাচ্ছে বাংলাদেশ : রিজওয়ানা হাসান

আপডেট সময় : ০৭:২৮:১১ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫

নিজস্ব প্রতিবেদক: পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় এবং পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেছেন, বনের গাছ চুরি ও অন্যান্য সম্পদের পাচার প্রতিরোধে বনকে প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারির আওতায় আনা হচ্ছে। এ লক্ষ্যে অচিরেই স্যাটেলাইট ইমেজ, ড্রোন প্রযুক্তি ও আধুনিক তথ্য-উপাত্ত ব্যবহার করে দেশের বন পর্যবেক্ষণের কার্যক্রম শুরু করা হবে।

আজ সোমবার সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে রেমা-কালেঙ্গা সংরক্ষিত বনের অনলাইন মনিটরিং বিষয়ক সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা দীপংকর বরের সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

পরিবেশ উপদেষ্টা বলেন, রেমা-কালেঙ্গা, সাতছড়ি ও লাঠিটিলা সংরক্ষিত বনের ২০১৫, ২০২০ ও ২০২৫ সালের স্যাটেলাইট ইমেজ ব্যবহার করে পরিবর্তন শনাক্তকরণের জন্য বাংলাদেশ মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠানের (স্পারসো) সহায়তা নেওয়া হবে। পাশাপাশি ভূমি মন্ত্রণালয় থেকে হাই রেজুলেশন ইমেজ এবং সার্ভে অব বাংলাদেশ থেকে ড্রোন সহায়তা গ্রহণ করা হবে।

সভায় জানানো হয়, অচিরেই বন অধিদফতর রেমা-কালেঙ্গা সংরক্ষিত বনের মাতৃগাছ জরিপ ও নম্বর প্রদানের কাজ শুরু করবে। সুফল প্রকল্পে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কর্মচারীরা এ কাজে নিয়োজিত থাকবে।

উপদেষ্টা জানান, দেশের সব বনাঞ্চলে মাতৃগাছ শনাক্তকরণ কার্যক্রম দ্রুত শুরু হবে এবং এজন্য বিভাগীয় বন কর্মকর্তাদের সহযোগিতা নেওয়া হবে।

ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ে প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদায় দায়িত্বে নিয়োজিত প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব বলেন, দেশের বনকে প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারির আওতায় আনতে বন অধিদফতরের সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় সমাধান নেওয়া হবে। এ কাজে সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দফতরের সহায়তা এবং বিশেষজ্ঞদের নিয়োজিত করা হবে।

সভায় পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. ফারহিনা আহমেদ, যুগ্মসচিব (বন) শামিমা বেগম, প্রধান বন সংরক্ষক মো. আমীর হোসাইন চৌধুরী, উপপ্রধান বন সংরক্ষক মো. রকিবুল হাসান মুকুলসহ মন্ত্রণালয়, বন অধিদফতর ও তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।