ঢাকা ০৩:৪১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৬ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
পেটভর্তি ইয়াবাসহ শার্শার মাসুদ রানা আটক রমজানে বাজার নিয়ন্ত্রণে কেরানীহাটে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, ১০ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা প্রতিমন্ত্রী অমিতকে ঘিরে উৎসবের নগরী যশোর হ্নীলা–হোয়াইক্যং সীমান্তে দুই অভিযানে ৯ লাখ ৮০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার নারায়ণগঞ্জে শীতার্ত মানুষের মুখে হাসি ফুটাল বিশ্ব আশেকে হযরত ওয়ায়েছ করনী (রাঃ) ফাউন্ডেশন শীতবস্ত্র উপহার কম্বল অসহায় মানুষের মাঝে বিতরণে বিশ্ব আশেকে হযরত ওয়ায়েছ করনী (রাঃ) ফাউন্ডেশন নারায়ণগঞ্জে বুবলী যুব কল্যাণ সংস্থার উদ্যোগে পথ শিশুদের মাঝে খাবার বিতরণ ধোনির বায়োপিক বদলে দিয়েছে উসমান তারিকের জীবন! শ্রীলঙ্কায় সংসদ সদস্যদের পেনশন সুবিধা বাতিল আমতলীতে স্বপ্ন ছোঁয়া স্বেচ্ছাসেবী যুব সাংগঠনের পক্ষ থেকে গরিব ও দুঃস্থদের মাঝে ইফতার সামগ্রী বিতরণ

ক্যাসিনো সেলিমের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ হয়নি

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:০৩:১৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ৯২ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক: বৈদেশিক মুদ্রা আইনের মামলায় ক্যাসিনোকাণ্ডের অন্যতম হোতা সেলিম প্রধানের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ পিছিয়ে আগামী ৬ নভেম্বর দিন ধার্য করেছেন আদালত।

মঙ্গলবার (২৩ সেপ্টেম্বর) ঢাকার ৩য় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের ভারপ্রাপ্ত বিচারক আফরোজা শিউলি এ দিন ধার্য করেন। সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী গোলাম নবী এ তথ্য জানান।

এদিন এ মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য ধার্য ছিল। এজন্য কারাগারে আটক আসামি সেলিমকে আদালতে হাজির করা হয়। তবে আদালতে কোনো সাক্ষী হাজির না হওয়ায় আদালত সাক্ষ্যগ্রহণ পিছিয়ে আগামী ৬ নভেম্বর নতুন দিন ধার্য করেন।

এর আগে গত ৫ সেপ্টেম্বর রাতে গুলশান থেকে সেলিম প্রধানসহ ৯ জনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরদিন গুলশান থানার মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলায় তাদের কারাগারে পাঠানো হয়।

জানা গেছে, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ক্যাসিনোবিরোধী অভিযান চলাকালে ২০১৯ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর দুপুরে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে তাকে আটক করে র‌্যাব-১। এরপর তার গুলশান, বনানীর বাসা ও অফিসে অভিযান চালানো হয়। সেসময় নগদ ২৯ লাখ টাকা, বিপুল পরিমাণ বিদেশি মদ ও বিভিন্ন দেশের মুদ্রা জব্দ করা হয়। একইসঙ্গে উদ্ধার করা হয় হরিণের চামড়া। ওইদিনই বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ আইনে ছয় মাসের কারাদণ্ড দিয়ে সেলিম প্রধানকে কারাগারে পাঠান ভ্রাম্যমাণ আদালত। তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলাটি ঢাকার চতুর্থ যুগ্ম মহানগর দায়রা জজ আদালতে বিচারাধীন। গুলশান থানার মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের মামলাটিও তদন্তাধীন।

এ ছাড়া অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে ২০১৯ সালের ২৭ অক্টোবর সেলিমের বিরুদ্ধে মামলা করেন দুদকের উপ-পরিচালক গুলশান আনোয়ার প্রধান। এ মামলায় ২০২৩ সালের ৩০ এপ্রিল ঢাকার বিশেষ আদালত-৮ এর বিচারক মানিলন্ডারিং আইনে ৪ বছরের কারাদণ্ড ও ১০ লাখ টাকা জরিমানা এবং অনাদায়ে আরও ৬ মাসের কারাদণ্ড দেন। এ ছাড়া জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের দায়ে দুদক আইনে ৪ বছরের কারাদণ্ড ও ১ লাখ টাকা এবং অনাদায়ে আরও এক মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

পেটভর্তি ইয়াবাসহ শার্শার মাসুদ রানা আটক

ক্যাসিনো সেলিমের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ হয়নি

আপডেট সময় : ০৬:০৩:১৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫

নিজস্ব প্রতিবেদক: বৈদেশিক মুদ্রা আইনের মামলায় ক্যাসিনোকাণ্ডের অন্যতম হোতা সেলিম প্রধানের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ পিছিয়ে আগামী ৬ নভেম্বর দিন ধার্য করেছেন আদালত।

মঙ্গলবার (২৩ সেপ্টেম্বর) ঢাকার ৩য় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের ভারপ্রাপ্ত বিচারক আফরোজা শিউলি এ দিন ধার্য করেন। সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী গোলাম নবী এ তথ্য জানান।

এদিন এ মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য ধার্য ছিল। এজন্য কারাগারে আটক আসামি সেলিমকে আদালতে হাজির করা হয়। তবে আদালতে কোনো সাক্ষী হাজির না হওয়ায় আদালত সাক্ষ্যগ্রহণ পিছিয়ে আগামী ৬ নভেম্বর নতুন দিন ধার্য করেন।

এর আগে গত ৫ সেপ্টেম্বর রাতে গুলশান থেকে সেলিম প্রধানসহ ৯ জনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরদিন গুলশান থানার মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলায় তাদের কারাগারে পাঠানো হয়।

জানা গেছে, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ক্যাসিনোবিরোধী অভিযান চলাকালে ২০১৯ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর দুপুরে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে তাকে আটক করে র‌্যাব-১। এরপর তার গুলশান, বনানীর বাসা ও অফিসে অভিযান চালানো হয়। সেসময় নগদ ২৯ লাখ টাকা, বিপুল পরিমাণ বিদেশি মদ ও বিভিন্ন দেশের মুদ্রা জব্দ করা হয়। একইসঙ্গে উদ্ধার করা হয় হরিণের চামড়া। ওইদিনই বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ আইনে ছয় মাসের কারাদণ্ড দিয়ে সেলিম প্রধানকে কারাগারে পাঠান ভ্রাম্যমাণ আদালত। তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলাটি ঢাকার চতুর্থ যুগ্ম মহানগর দায়রা জজ আদালতে বিচারাধীন। গুলশান থানার মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের মামলাটিও তদন্তাধীন।

এ ছাড়া অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে ২০১৯ সালের ২৭ অক্টোবর সেলিমের বিরুদ্ধে মামলা করেন দুদকের উপ-পরিচালক গুলশান আনোয়ার প্রধান। এ মামলায় ২০২৩ সালের ৩০ এপ্রিল ঢাকার বিশেষ আদালত-৮ এর বিচারক মানিলন্ডারিং আইনে ৪ বছরের কারাদণ্ড ও ১০ লাখ টাকা জরিমানা এবং অনাদায়ে আরও ৬ মাসের কারাদণ্ড দেন। এ ছাড়া জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের দায়ে দুদক আইনে ৪ বছরের কারাদণ্ড ও ১ লাখ টাকা এবং অনাদায়ে আরও এক মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।