ঢাকা ১২:১৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বরুড়া রেমিট্যান্স যোদ্ধা সংস্থার পক্ষ থেকে মাদ্রাসা ছাত্রদের নিয়ে মধুমাস জৈষ্ঠ্যর ফল উৎসব আয়োজন করা হয়েছে উখিয়ায় বিজিবির অভিযানে ১ লাখ ৯০ হাজার ইয়াবাসহ মাদক কারবারি আটক টেকনাফের হোয়াইক্যং লম্বাবিলে পায়রা সার্ভিস-সিএনজির মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ২ সেন্টমার্টিনে কোস্ট গার্ডের অভিযানে ৩২ কোটি টাকার অবৈধ কারেন্ট জাল জব্দ, আটক ৬ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচনে ভাইস প্রেসিডেন্ট পদে ইলিয়াস কোবরা নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার বিতর্ক প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম সিংড়ায় গোয়েন্দা তথ্যে অভিযান, ২০ লাখ টাকার অবৈধ চায়না দুয়ারি জাল ধ্বংস  সিংড়ায় পানির সঙ্কট দূর করতে যুবদল নেতার টিউবওয়েল স্থাপন সাবেক বিচারমন্ত্রীকে ২৫ বছরের কারাদণ্ড দিলো দক্ষিণ কোরিয়া ব্যবসা শুরুর প্রক্রিয়া ১৪ দিনে নামিয়ে আনার লক্ষ্য সরকারের

ক্যাসিনো সেলিমের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ হয়নি

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:০৩:১৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ১৭৩ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক: বৈদেশিক মুদ্রা আইনের মামলায় ক্যাসিনোকাণ্ডের অন্যতম হোতা সেলিম প্রধানের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ পিছিয়ে আগামী ৬ নভেম্বর দিন ধার্য করেছেন আদালত।

মঙ্গলবার (২৩ সেপ্টেম্বর) ঢাকার ৩য় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের ভারপ্রাপ্ত বিচারক আফরোজা শিউলি এ দিন ধার্য করেন। সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী গোলাম নবী এ তথ্য জানান।

এদিন এ মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য ধার্য ছিল। এজন্য কারাগারে আটক আসামি সেলিমকে আদালতে হাজির করা হয়। তবে আদালতে কোনো সাক্ষী হাজির না হওয়ায় আদালত সাক্ষ্যগ্রহণ পিছিয়ে আগামী ৬ নভেম্বর নতুন দিন ধার্য করেন।

এর আগে গত ৫ সেপ্টেম্বর রাতে গুলশান থেকে সেলিম প্রধানসহ ৯ জনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরদিন গুলশান থানার মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলায় তাদের কারাগারে পাঠানো হয়।

জানা গেছে, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ক্যাসিনোবিরোধী অভিযান চলাকালে ২০১৯ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর দুপুরে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে তাকে আটক করে র‌্যাব-১। এরপর তার গুলশান, বনানীর বাসা ও অফিসে অভিযান চালানো হয়। সেসময় নগদ ২৯ লাখ টাকা, বিপুল পরিমাণ বিদেশি মদ ও বিভিন্ন দেশের মুদ্রা জব্দ করা হয়। একইসঙ্গে উদ্ধার করা হয় হরিণের চামড়া। ওইদিনই বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ আইনে ছয় মাসের কারাদণ্ড দিয়ে সেলিম প্রধানকে কারাগারে পাঠান ভ্রাম্যমাণ আদালত। তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলাটি ঢাকার চতুর্থ যুগ্ম মহানগর দায়রা জজ আদালতে বিচারাধীন। গুলশান থানার মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের মামলাটিও তদন্তাধীন।

এ ছাড়া অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে ২০১৯ সালের ২৭ অক্টোবর সেলিমের বিরুদ্ধে মামলা করেন দুদকের উপ-পরিচালক গুলশান আনোয়ার প্রধান। এ মামলায় ২০২৩ সালের ৩০ এপ্রিল ঢাকার বিশেষ আদালত-৮ এর বিচারক মানিলন্ডারিং আইনে ৪ বছরের কারাদণ্ড ও ১০ লাখ টাকা জরিমানা এবং অনাদায়ে আরও ৬ মাসের কারাদণ্ড দেন। এ ছাড়া জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের দায়ে দুদক আইনে ৪ বছরের কারাদণ্ড ও ১ লাখ টাকা এবং অনাদায়ে আরও এক মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

বরুড়া রেমিট্যান্স যোদ্ধা সংস্থার পক্ষ থেকে মাদ্রাসা ছাত্রদের নিয়ে মধুমাস জৈষ্ঠ্যর ফল উৎসব আয়োজন করা হয়েছে

ক্যাসিনো সেলিমের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ হয়নি

আপডেট সময় : ০৬:০৩:১৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫

নিজস্ব প্রতিবেদক: বৈদেশিক মুদ্রা আইনের মামলায় ক্যাসিনোকাণ্ডের অন্যতম হোতা সেলিম প্রধানের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ পিছিয়ে আগামী ৬ নভেম্বর দিন ধার্য করেছেন আদালত।

মঙ্গলবার (২৩ সেপ্টেম্বর) ঢাকার ৩য় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের ভারপ্রাপ্ত বিচারক আফরোজা শিউলি এ দিন ধার্য করেন। সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী গোলাম নবী এ তথ্য জানান।

এদিন এ মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য ধার্য ছিল। এজন্য কারাগারে আটক আসামি সেলিমকে আদালতে হাজির করা হয়। তবে আদালতে কোনো সাক্ষী হাজির না হওয়ায় আদালত সাক্ষ্যগ্রহণ পিছিয়ে আগামী ৬ নভেম্বর নতুন দিন ধার্য করেন।

এর আগে গত ৫ সেপ্টেম্বর রাতে গুলশান থেকে সেলিম প্রধানসহ ৯ জনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরদিন গুলশান থানার মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলায় তাদের কারাগারে পাঠানো হয়।

জানা গেছে, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ক্যাসিনোবিরোধী অভিযান চলাকালে ২০১৯ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর দুপুরে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে তাকে আটক করে র‌্যাব-১। এরপর তার গুলশান, বনানীর বাসা ও অফিসে অভিযান চালানো হয়। সেসময় নগদ ২৯ লাখ টাকা, বিপুল পরিমাণ বিদেশি মদ ও বিভিন্ন দেশের মুদ্রা জব্দ করা হয়। একইসঙ্গে উদ্ধার করা হয় হরিণের চামড়া। ওইদিনই বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ আইনে ছয় মাসের কারাদণ্ড দিয়ে সেলিম প্রধানকে কারাগারে পাঠান ভ্রাম্যমাণ আদালত। তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলাটি ঢাকার চতুর্থ যুগ্ম মহানগর দায়রা জজ আদালতে বিচারাধীন। গুলশান থানার মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের মামলাটিও তদন্তাধীন।

এ ছাড়া অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে ২০১৯ সালের ২৭ অক্টোবর সেলিমের বিরুদ্ধে মামলা করেন দুদকের উপ-পরিচালক গুলশান আনোয়ার প্রধান। এ মামলায় ২০২৩ সালের ৩০ এপ্রিল ঢাকার বিশেষ আদালত-৮ এর বিচারক মানিলন্ডারিং আইনে ৪ বছরের কারাদণ্ড ও ১০ লাখ টাকা জরিমানা এবং অনাদায়ে আরও ৬ মাসের কারাদণ্ড দেন। এ ছাড়া জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের দায়ে দুদক আইনে ৪ বছরের কারাদণ্ড ও ১ লাখ টাকা এবং অনাদায়ে আরও এক মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।