ঢাকা ০২:০৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ইস্তাম্বুলে যাত্রাবিরতি শেষে নিউইয়র্কের পথে প্রধানমন্ত্রী বস্ত্রখাতের সমস্যা সমাধানে বাস্তবভিত্তিক সমন্বিত নীতি সহায়তার আহ্বান রাষ্ট্রপতির জনগণের শক্তির ওপর নির্ভর করেই বিএনপি রাজনীতি করে: রুহুল কবির রিজভী রূপগঞ্জে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চুরির অভিযোগে গ্রেফতার-২ টেকনাফে বাল্যবিয়ের আয়োজন, দুই রোহিঙ্গা যুবকের কারাদণ্ড বন্দিদের জন্য মাদকবিরোধী সভা ও গার্মেন্টস প্রশিক্ষণ: ৩ ঘোষণা দিলেন ডিসি মো:রায়হান কবির বরুড়ায় আবু তাহের ফাউন্ডেশনের আন্তঃউপজেলা ফুটবল টুর্নামেন্ট উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধিতে বেনাপোল থেকে দুরপাল্লার আমদানি-রপ্তানি পণ্যের ট্রাকপ্রতি ভাড়া বেড়েছে ৪-৫ হাজার নতুন কুঁড়িতে নিবন্ধনে দেশসেরা চট্টগ্রাম প্রাথমিক বৃত্তিপ্রাপ্ত কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দিলো সদর উপজেলা প্রশাসন

হাসিনার সঙ্গে যোগাযোগ ঠেকাতে বাংলাদেশে টেলিগ্রাম ও বোটিম অ্যাপ বন্ধের চিন্তা

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:২৫:১০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ৩০৮ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক: কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকা দল আওয়ামী লীগের নেতা–কর্মীরা দলের সভাপতি শেখ হাসিনার সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন এবং অনলাইন বৈঠকে অংশ নিচ্ছেন বলে সরকারি বৈঠকে জানানো হয়েছে। রাজধানীতে গত বুধবার আওয়ামী লীগের ঝটিকা মিছিল থেকে গ্রেপ্তার হওয়া ২৪৪ জনের মধ্যে দেড় শতাধিক ব্যক্তিকে টেলিগ্রাম ও বোটিম অ্যাপ ব্যবহার করতে দেখা গেছে।

রোববার (২৮ সেপ্টেম্বর) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকে আলোচনা হয়, আপাতত রাতে দুটি অ্যাপের ব্যবহার সীমিত করা যায় কি না। পাশাপাশি আগামী জাতীয় নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর বাংলাদেশে টেলিগ্রাম ও বোটিম পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়ার প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

বৈঠকে জানানো হয়, সারা দেশে ইন্টারনেটভিত্তিক এসব প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে আওয়ামী লীগের কর্মীদের সক্রিয় করা হচ্ছে। আশঙ্কা করা হচ্ছে, নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর তারা এসব যোগাযোগের মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করতে পারেন।

টেলিগ্রাম রুশ বংশোদ্ভূত পাভেল দুরভের প্রতিষ্ঠিত একটি জনপ্রিয় মেসেজিং অ্যাপ। অন্যদিকে বোটিম মূলত কল, ভিডিও কল ও অর্থ লেনদেনের জন্য ব্যবহৃত হয়। এর প্রধান কার্যালয় যুক্তরাষ্ট্রে।

বৈঠকে আরও জানানো হয়, শেখ হাসিনার সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ ও অনলাইন সভায় যোগ দেওয়ার প্রমাণ পাওয়া গেছে গ্রেপ্তার নেতাকর্মীদের মোবাইল বিশ্লেষণে। এ অবস্থায় তাদের জামিন প্রক্রিয়া নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন কর্মকর্তারা।

পুলিশ সদর দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৩ মাসে ‘ফ্যাসিবাদের সঙ্গে জড়িত’ অভিযোগে ৪৪ হাজার ৪৭২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৭৩ শতাংশ—অর্থাৎ ৩২ হাজার ৩৭১ জন ইতোমধ্যে জামিন পেয়েছেন।

বৈঠকে বলা হয়, স্থানীয় পর্যায়ে অনেক পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি), আইনজীবী সমিতি ও রাজনৈতিক নেতারা জামিন প্রক্রিয়ায় ভূমিকা রাখছেন। ফলে এখন থেকে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের জামিন আরও কঠোরভাবে দেখা হবে এবং জেলা প্রশাসকদের সতর্ক করা হবে।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

ইস্তাম্বুলে যাত্রাবিরতি শেষে নিউইয়র্কের পথে প্রধানমন্ত্রী

হাসিনার সঙ্গে যোগাযোগ ঠেকাতে বাংলাদেশে টেলিগ্রাম ও বোটিম অ্যাপ বন্ধের চিন্তা

আপডেট সময় : ০৩:২৫:১০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫

নিজস্ব প্রতিবেদক: কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকা দল আওয়ামী লীগের নেতা–কর্মীরা দলের সভাপতি শেখ হাসিনার সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন এবং অনলাইন বৈঠকে অংশ নিচ্ছেন বলে সরকারি বৈঠকে জানানো হয়েছে। রাজধানীতে গত বুধবার আওয়ামী লীগের ঝটিকা মিছিল থেকে গ্রেপ্তার হওয়া ২৪৪ জনের মধ্যে দেড় শতাধিক ব্যক্তিকে টেলিগ্রাম ও বোটিম অ্যাপ ব্যবহার করতে দেখা গেছে।

রোববার (২৮ সেপ্টেম্বর) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকে আলোচনা হয়, আপাতত রাতে দুটি অ্যাপের ব্যবহার সীমিত করা যায় কি না। পাশাপাশি আগামী জাতীয় নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর বাংলাদেশে টেলিগ্রাম ও বোটিম পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়ার প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

বৈঠকে জানানো হয়, সারা দেশে ইন্টারনেটভিত্তিক এসব প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে আওয়ামী লীগের কর্মীদের সক্রিয় করা হচ্ছে। আশঙ্কা করা হচ্ছে, নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর তারা এসব যোগাযোগের মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করতে পারেন।

টেলিগ্রাম রুশ বংশোদ্ভূত পাভেল দুরভের প্রতিষ্ঠিত একটি জনপ্রিয় মেসেজিং অ্যাপ। অন্যদিকে বোটিম মূলত কল, ভিডিও কল ও অর্থ লেনদেনের জন্য ব্যবহৃত হয়। এর প্রধান কার্যালয় যুক্তরাষ্ট্রে।

বৈঠকে আরও জানানো হয়, শেখ হাসিনার সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ ও অনলাইন সভায় যোগ দেওয়ার প্রমাণ পাওয়া গেছে গ্রেপ্তার নেতাকর্মীদের মোবাইল বিশ্লেষণে। এ অবস্থায় তাদের জামিন প্রক্রিয়া নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন কর্মকর্তারা।

পুলিশ সদর দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৩ মাসে ‘ফ্যাসিবাদের সঙ্গে জড়িত’ অভিযোগে ৪৪ হাজার ৪৭২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৭৩ শতাংশ—অর্থাৎ ৩২ হাজার ৩৭১ জন ইতোমধ্যে জামিন পেয়েছেন।

বৈঠকে বলা হয়, স্থানীয় পর্যায়ে অনেক পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি), আইনজীবী সমিতি ও রাজনৈতিক নেতারা জামিন প্রক্রিয়ায় ভূমিকা রাখছেন। ফলে এখন থেকে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের জামিন আরও কঠোরভাবে দেখা হবে এবং জেলা প্রশাসকদের সতর্ক করা হবে।