ঢাকা ১২:২৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৭ অগাস্ট ২০২৬, ২২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
অবশেষে আর্সেনালের পথে ব্রাজিল তারকা জাতিসংঘে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস পালিত মিয়ানমারের সাবেক জান্তা প্রধানের প্রথম থাইল্যান্ড সফর বেনাপোলে গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে বিএনপির বর্ণাঢ্য আনন্দ র‍্যালি টেকনাফে কোস্ট গার্ডের দুই অভিযানে ৩৬ হাজার ইয়াবা জব্দ বেনাপোল আন্তর্জাতিক চেকপোস্ট দুইটি স্বর্ণেবারসহ পাসপোর্টধারী যাত্রী আটক পটিয়া বিএনপির বিজয় মিছিল সমাবেশ অনুষ্ঠিত প্রিপেইড মিটার বাতিল দাবিতে ১১ আগস্ট নারায়ণগঞ্জ শহরে গণমিছিল, আসতে পারে হরতালের ঘোষণা ড. লুৎফুল কবিরের ৪২তম মৃত্যুবার্ষিকীতে গভীর শ্রদ্ধাঞ্জলি ও ন্যায়বিচারের আকুতি জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে বন্দরে বিএম ইউনিয়ন স্কুল-অ্যান্ড-কলেজে দিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচি পালন

হাসিনার সঙ্গে যোগাযোগ ঠেকাতে বাংলাদেশে টেলিগ্রাম ও বোটিম অ্যাপ বন্ধের চিন্তা

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:২৫:১০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ২৭৪ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক: কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকা দল আওয়ামী লীগের নেতা–কর্মীরা দলের সভাপতি শেখ হাসিনার সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন এবং অনলাইন বৈঠকে অংশ নিচ্ছেন বলে সরকারি বৈঠকে জানানো হয়েছে। রাজধানীতে গত বুধবার আওয়ামী লীগের ঝটিকা মিছিল থেকে গ্রেপ্তার হওয়া ২৪৪ জনের মধ্যে দেড় শতাধিক ব্যক্তিকে টেলিগ্রাম ও বোটিম অ্যাপ ব্যবহার করতে দেখা গেছে।

রোববার (২৮ সেপ্টেম্বর) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকে আলোচনা হয়, আপাতত রাতে দুটি অ্যাপের ব্যবহার সীমিত করা যায় কি না। পাশাপাশি আগামী জাতীয় নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর বাংলাদেশে টেলিগ্রাম ও বোটিম পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়ার প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

বৈঠকে জানানো হয়, সারা দেশে ইন্টারনেটভিত্তিক এসব প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে আওয়ামী লীগের কর্মীদের সক্রিয় করা হচ্ছে। আশঙ্কা করা হচ্ছে, নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর তারা এসব যোগাযোগের মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করতে পারেন।

টেলিগ্রাম রুশ বংশোদ্ভূত পাভেল দুরভের প্রতিষ্ঠিত একটি জনপ্রিয় মেসেজিং অ্যাপ। অন্যদিকে বোটিম মূলত কল, ভিডিও কল ও অর্থ লেনদেনের জন্য ব্যবহৃত হয়। এর প্রধান কার্যালয় যুক্তরাষ্ট্রে।

বৈঠকে আরও জানানো হয়, শেখ হাসিনার সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ ও অনলাইন সভায় যোগ দেওয়ার প্রমাণ পাওয়া গেছে গ্রেপ্তার নেতাকর্মীদের মোবাইল বিশ্লেষণে। এ অবস্থায় তাদের জামিন প্রক্রিয়া নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন কর্মকর্তারা।

পুলিশ সদর দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৩ মাসে ‘ফ্যাসিবাদের সঙ্গে জড়িত’ অভিযোগে ৪৪ হাজার ৪৭২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৭৩ শতাংশ—অর্থাৎ ৩২ হাজার ৩৭১ জন ইতোমধ্যে জামিন পেয়েছেন।

বৈঠকে বলা হয়, স্থানীয় পর্যায়ে অনেক পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি), আইনজীবী সমিতি ও রাজনৈতিক নেতারা জামিন প্রক্রিয়ায় ভূমিকা রাখছেন। ফলে এখন থেকে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের জামিন আরও কঠোরভাবে দেখা হবে এবং জেলা প্রশাসকদের সতর্ক করা হবে।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

অবশেষে আর্সেনালের পথে ব্রাজিল তারকা

হাসিনার সঙ্গে যোগাযোগ ঠেকাতে বাংলাদেশে টেলিগ্রাম ও বোটিম অ্যাপ বন্ধের চিন্তা

আপডেট সময় : ০৩:২৫:১০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫

নিজস্ব প্রতিবেদক: কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকা দল আওয়ামী লীগের নেতা–কর্মীরা দলের সভাপতি শেখ হাসিনার সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন এবং অনলাইন বৈঠকে অংশ নিচ্ছেন বলে সরকারি বৈঠকে জানানো হয়েছে। রাজধানীতে গত বুধবার আওয়ামী লীগের ঝটিকা মিছিল থেকে গ্রেপ্তার হওয়া ২৪৪ জনের মধ্যে দেড় শতাধিক ব্যক্তিকে টেলিগ্রাম ও বোটিম অ্যাপ ব্যবহার করতে দেখা গেছে।

রোববার (২৮ সেপ্টেম্বর) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকে আলোচনা হয়, আপাতত রাতে দুটি অ্যাপের ব্যবহার সীমিত করা যায় কি না। পাশাপাশি আগামী জাতীয় নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর বাংলাদেশে টেলিগ্রাম ও বোটিম পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়ার প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

বৈঠকে জানানো হয়, সারা দেশে ইন্টারনেটভিত্তিক এসব প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে আওয়ামী লীগের কর্মীদের সক্রিয় করা হচ্ছে। আশঙ্কা করা হচ্ছে, নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর তারা এসব যোগাযোগের মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করতে পারেন।

টেলিগ্রাম রুশ বংশোদ্ভূত পাভেল দুরভের প্রতিষ্ঠিত একটি জনপ্রিয় মেসেজিং অ্যাপ। অন্যদিকে বোটিম মূলত কল, ভিডিও কল ও অর্থ লেনদেনের জন্য ব্যবহৃত হয়। এর প্রধান কার্যালয় যুক্তরাষ্ট্রে।

বৈঠকে আরও জানানো হয়, শেখ হাসিনার সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ ও অনলাইন সভায় যোগ দেওয়ার প্রমাণ পাওয়া গেছে গ্রেপ্তার নেতাকর্মীদের মোবাইল বিশ্লেষণে। এ অবস্থায় তাদের জামিন প্রক্রিয়া নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন কর্মকর্তারা।

পুলিশ সদর দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৩ মাসে ‘ফ্যাসিবাদের সঙ্গে জড়িত’ অভিযোগে ৪৪ হাজার ৪৭২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৭৩ শতাংশ—অর্থাৎ ৩২ হাজার ৩৭১ জন ইতোমধ্যে জামিন পেয়েছেন।

বৈঠকে বলা হয়, স্থানীয় পর্যায়ে অনেক পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি), আইনজীবী সমিতি ও রাজনৈতিক নেতারা জামিন প্রক্রিয়ায় ভূমিকা রাখছেন। ফলে এখন থেকে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের জামিন আরও কঠোরভাবে দেখা হবে এবং জেলা প্রশাসকদের সতর্ক করা হবে।