ঢাকা ০১:৩৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সিদ্ধিরগঞ্জের ২নং ওয়ার্ডে মাদক-সন্ত্রাস-চাঁদাবাজ ও ভূমিদস্যুদের বিরুদ্ধে হুঁশিয়ারি দিলেন ইকবাল হোসেন (দলিল লেখক) সিদ্ধিরগঞ্জে পুলিশের চিরনি অভিযান, হেরোইনসহ ৭ আসামী গ্রেফতার জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় ২ বিলিয়ন ডলার সহায়তা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী সাংবাদিকদের মর্যাদা ও বেতন কাঠামো নিশ্চিত করতে কাজ করছে সরকার : তথ্যমন্ত্রী স্ত্রীকে নৃশংসভাবে হত্যা: স্বামী গ্রেফতার, রহস্য উদঘাটন পটিয়ায় রেলওয়ের কাঁচাবাজার দখলের অভিযোগ: ইউএনওর সরেজমিন পরিদর্শন, উভয় পক্ষের বক্তব্য গ্রহণ মতলব উত্তরে ঘনিয়ারপাড়ে জমজমাট বৈশাখী মেলা  অটোমেটেড ভূমি সেবা সিস্টেম মাধ্যমে সাধারণ মানুষ দ্রুত ও স্বচ্ছ সেবা পাবে:শরফ উদ্দিন আহমদ চৌধুরী টেকনাফের শাহপরীতে কোস্ট গার্ডের অভিযানে ২২ হাজার ইয়াবাসহ আটক ২ বেনাপোল-পেট্রাপোল স্থলবন্দরে আমদানি-রফতানি শুরু

মরক্কোতে জোড়া ভবন ধসে ১৯ জনের প্রাণহানি

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:৩০:৪৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ১৩৭ বার পড়া হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: মরক্কোর প্রাচীন নগরী ফেজে জোড়া ভবন ধসে অন্তত ১৯ জন নিহত ও ১৬ জন আহত হয়েছেন। বুধবার (১০ ডিসেম্বর) ভোরের দিকে ভবন ধসে হতাহতের এই ঘটনা ঘটেছে বলে দেশটির রাষ্ট্রায়ত্ত সংবাদমাধ্যমের খবরে জানানো হয়েছে।

ফেজ নগরীর স্থানীয় কর্তৃপক্ষ বলেছে, পাশাপাশি থাকা চারতলা দুটি ভবন রাতের কোনও এক সময়ে ধসে পড়েছে। রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা বলেছে, ভবন দুটি দীর্ঘদিন ধরে অযত্নে পড়ে ছিল।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভবন দুটি ফেজের আল-মুস্তাকবাল এলাকায় অবস্থিত। দুই ভবনে আটটি পরিবার বসবাস করতো। ভবন ধসের খবর পাওয়ার পরপরই স্থানীয় প্রশাসন, নিরাপত্তা সংস্থা এবং বেসামরিক সুরক্ষা শাখার সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে তল্লাশি ও উদ্ধার অভিযান শুরু করে।

অষ্টম শতক থেকে গড়ে ওঠা এবং দেশটির তৃতীয় বৃহত্তম জনবহুল নগরী ফেজে দুই মাস আগে জীবনযাত্রার অবনতি ও অপ্রতুল জনসেবার প্রতিবাদে সরকারের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ শুরু হয়েছিল।

রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম এসএনআরটি বলেছে, ‌‌‘‘ঘটনাস্থলের দৃশ্য দেখে ধসে পড়া ভবন দুটিতে বহুদিন ধরে ফাটলের চিহ্ন দেখা যাচ্ছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে। ভবন ধসের ঝুঁকি থাকা সত্ত্বেও স্থানীয় প্রশাসন প্রতিরোধমূলক কার্যকর কোনও ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি।’’

তবে ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স ভবন ধসের ঘটনায় ক্ষয়ক্ষতির তথ্য স্বতন্ত্রভাবে যাচাই করতে পারেনি বলে জানিয়েছে। এছাড়া দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয় ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে মন্তব্যের অনুরোধে তাৎক্ষণিকভাবে সাড়া দেয়নি।

মরক্কোর জনসংখ্যা, অর্থনৈতিক ও শিল্পকেন্দ্র এবং গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোর বেশিরভাগ অংশই দেশটির উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে অবস্থিত। দেশটির বাকি অংশ কৃষি, মৎস্য ও পর্যটনের ওপর নির্ভরশীল।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

সিদ্ধিরগঞ্জের ২নং ওয়ার্ডে মাদক-সন্ত্রাস-চাঁদাবাজ ও ভূমিদস্যুদের বিরুদ্ধে হুঁশিয়ারি দিলেন ইকবাল হোসেন (দলিল লেখক)

মরক্কোতে জোড়া ভবন ধসে ১৯ জনের প্রাণহানি

আপডেট সময় : ০৯:৩০:৪৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ ডিসেম্বর ২০২৫

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: মরক্কোর প্রাচীন নগরী ফেজে জোড়া ভবন ধসে অন্তত ১৯ জন নিহত ও ১৬ জন আহত হয়েছেন। বুধবার (১০ ডিসেম্বর) ভোরের দিকে ভবন ধসে হতাহতের এই ঘটনা ঘটেছে বলে দেশটির রাষ্ট্রায়ত্ত সংবাদমাধ্যমের খবরে জানানো হয়েছে।

ফেজ নগরীর স্থানীয় কর্তৃপক্ষ বলেছে, পাশাপাশি থাকা চারতলা দুটি ভবন রাতের কোনও এক সময়ে ধসে পড়েছে। রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা বলেছে, ভবন দুটি দীর্ঘদিন ধরে অযত্নে পড়ে ছিল।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভবন দুটি ফেজের আল-মুস্তাকবাল এলাকায় অবস্থিত। দুই ভবনে আটটি পরিবার বসবাস করতো। ভবন ধসের খবর পাওয়ার পরপরই স্থানীয় প্রশাসন, নিরাপত্তা সংস্থা এবং বেসামরিক সুরক্ষা শাখার সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে তল্লাশি ও উদ্ধার অভিযান শুরু করে।

অষ্টম শতক থেকে গড়ে ওঠা এবং দেশটির তৃতীয় বৃহত্তম জনবহুল নগরী ফেজে দুই মাস আগে জীবনযাত্রার অবনতি ও অপ্রতুল জনসেবার প্রতিবাদে সরকারের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ শুরু হয়েছিল।

রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম এসএনআরটি বলেছে, ‌‌‘‘ঘটনাস্থলের দৃশ্য দেখে ধসে পড়া ভবন দুটিতে বহুদিন ধরে ফাটলের চিহ্ন দেখা যাচ্ছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে। ভবন ধসের ঝুঁকি থাকা সত্ত্বেও স্থানীয় প্রশাসন প্রতিরোধমূলক কার্যকর কোনও ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি।’’

তবে ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স ভবন ধসের ঘটনায় ক্ষয়ক্ষতির তথ্য স্বতন্ত্রভাবে যাচাই করতে পারেনি বলে জানিয়েছে। এছাড়া দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয় ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে মন্তব্যের অনুরোধে তাৎক্ষণিকভাবে সাড়া দেয়নি।

মরক্কোর জনসংখ্যা, অর্থনৈতিক ও শিল্পকেন্দ্র এবং গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোর বেশিরভাগ অংশই দেশটির উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে অবস্থিত। দেশটির বাকি অংশ কৃষি, মৎস্য ও পর্যটনের ওপর নির্ভরশীল।