ঢাকা ০৩:৪৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
দায়িত্বে স্বচ্ছতা ও সমন্বয়ের তাগিদ: জেলা উন্নয়ন কমিটির সভায় ডিসি রায়হান কবির ৯৫% বর্জ্য পুড়িয়ে ৫০০ মেগাওয়াট উৎপাদন’সহ বছরে ১০০০ কোটি টাকা সাশ্রয়ের সম্ভাবনা : প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা রাজবাড়ীতে হ্যান্ডকাফসহ আসামি ছিনিয়ে নিল মাদককারবারিরা জাতীয় পার্টিকে শেষ করার ষড়যন্ত্র সফল হবে না : যশোরে কর্মীসভায় আসুদ পটিয়া প্রেসক্লাব নতুন কমিটিকে আলোর পথিক সামাজিক সংগঠন অভিনন্দন টেকনাফে ১,৪৪০ ক্যান বিয়ার জব্দ, পলাতক মিলনের বিরুদ্ধে মামলা জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার ভাইস প্রেসিডেন্ট হলেন অ্যাড. শাহানাজ জামান জিয়াউর রহমানের শাহাদত বার্ষিকী উপলক্ষে শার্শা উপজেলায় বাহাদুপুরে মাসব্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি শুরু শখের আঙ্গুর চাষ বাণিজ্যিক বাগানে পরিণত  বাংলাদেশ এর কর্মসংস্থানের সুযোগ ও সম্প্রসারণ বর্তমান বাস্তবতা, চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনা

প্রধানমন্ত্রীকে চীন সফরের আমন্ত্রণ

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০১:১৮:৫২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ১২৬ বার পড়া হয়েছে

আলোকিত কাগজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন। এ সময় তাকে চীন সফরের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) বেলা সাড়ে ১২টায় সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর দফতরে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা (প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদা) হুমায়ুন কবির সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে এসব তথ্য জানান।

তিনি বলেন, তবে সফরসূচি নিয়ে আলাপ-আলোচনা হয়নি। বর্তমানে প্রধানমন্ত্রীর অনেক অভ্যন্তরীণ অগ্রাধিকারমূলক কাজ চলছে। যখন তিনি বিদেশ সফর শুরু করবেন তখন চীন সফরের বিষয়টি বিবেচনা করবেন।

পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা জানান, নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে যে বিশাল ম্যান্ডেট পেয়েছেন, সেজন্য চীন সরকার সেটিকে স্বীকৃতি দিয়েছে। বাংলাদেশের মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে গঠিত নতুন সরকারকে অভিনন্দন জানাতেই মূলত চীনের রাষ্ট্রদূত এই সাক্ষাৎ করতে আসেন।

‘বাংলাদেশ ও চীনের সম্পর্ক ঐতিহাসিক’ উল্লেখ করে হুমায়ুন কবির বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের সময় থেকেই এই সুদৃঢ় সম্পর্কের সূচনা হয়েছিল। ধারাবাহিকভাবে চীন বাংলাদেশের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং শক্তিশালী উন্নয়ন সহযোগী। বিগত বছরগুলোতে চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের যে উন্নয়নমূলক কাজ হয়েছে, বর্তমান সরকার সেটিকে আরও সামনে এগিয়ে নিতে চায়।

‘চীন বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের বন্ধু’ উল্লেখ করে তিনি বলেন, এটি মূলত একটি সৌজন্য সাক্ষাৎ ছিল। এতে কোনও নির্দিষ্ট বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা না হলেও দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে কীভাবে একটি নতুন মাত্রায় নিয়ে যাওয়া যায়, উভয় দেশের জনগণের স্বার্থ রক্ষা করে কীভাবে উন্নয়ন কর্মকাণ্ডকে আরও জোরদার করা যায়, এসব বিষয়ে সৌজন্যমূলক অঙ্গীকার করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীকে চীন সফরের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে কিনা? সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে উপদেষ্টা বলেন, চীন সরকারের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রীকে সেদেশে সফরের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। তবে সফরের সময়সূচি এখনও চূড়ান্ত হয়নি। প্রধানমন্ত্রীর বর্তমানে অনেকগুলো অভ্যন্তরীণ গুরুত্বপূর্ণ কাজ (ডোমেস্টিক প্রায়োরিটি) রয়েছে। দেশের কাজ গুছিয়ে নিয়ে যখন তিনি বিদেশ সফর শুরু করবেন, তখন চীনের এই আমন্ত্রণ অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করা হবে।

সূত্র: বাসস

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

দায়িত্বে স্বচ্ছতা ও সমন্বয়ের তাগিদ: জেলা উন্নয়ন কমিটির সভায় ডিসি রায়হান কবির

প্রধানমন্ত্রীকে চীন সফরের আমন্ত্রণ

আপডেট সময় : ০১:১৮:৫২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

আলোকিত কাগজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন। এ সময় তাকে চীন সফরের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) বেলা সাড়ে ১২টায় সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর দফতরে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা (প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদা) হুমায়ুন কবির সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে এসব তথ্য জানান।

তিনি বলেন, তবে সফরসূচি নিয়ে আলাপ-আলোচনা হয়নি। বর্তমানে প্রধানমন্ত্রীর অনেক অভ্যন্তরীণ অগ্রাধিকারমূলক কাজ চলছে। যখন তিনি বিদেশ সফর শুরু করবেন তখন চীন সফরের বিষয়টি বিবেচনা করবেন।

পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা জানান, নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে যে বিশাল ম্যান্ডেট পেয়েছেন, সেজন্য চীন সরকার সেটিকে স্বীকৃতি দিয়েছে। বাংলাদেশের মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে গঠিত নতুন সরকারকে অভিনন্দন জানাতেই মূলত চীনের রাষ্ট্রদূত এই সাক্ষাৎ করতে আসেন।

‘বাংলাদেশ ও চীনের সম্পর্ক ঐতিহাসিক’ উল্লেখ করে হুমায়ুন কবির বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের সময় থেকেই এই সুদৃঢ় সম্পর্কের সূচনা হয়েছিল। ধারাবাহিকভাবে চীন বাংলাদেশের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং শক্তিশালী উন্নয়ন সহযোগী। বিগত বছরগুলোতে চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের যে উন্নয়নমূলক কাজ হয়েছে, বর্তমান সরকার সেটিকে আরও সামনে এগিয়ে নিতে চায়।

‘চীন বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের বন্ধু’ উল্লেখ করে তিনি বলেন, এটি মূলত একটি সৌজন্য সাক্ষাৎ ছিল। এতে কোনও নির্দিষ্ট বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা না হলেও দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে কীভাবে একটি নতুন মাত্রায় নিয়ে যাওয়া যায়, উভয় দেশের জনগণের স্বার্থ রক্ষা করে কীভাবে উন্নয়ন কর্মকাণ্ডকে আরও জোরদার করা যায়, এসব বিষয়ে সৌজন্যমূলক অঙ্গীকার করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীকে চীন সফরের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে কিনা? সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে উপদেষ্টা বলেন, চীন সরকারের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রীকে সেদেশে সফরের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। তবে সফরের সময়সূচি এখনও চূড়ান্ত হয়নি। প্রধানমন্ত্রীর বর্তমানে অনেকগুলো অভ্যন্তরীণ গুরুত্বপূর্ণ কাজ (ডোমেস্টিক প্রায়োরিটি) রয়েছে। দেশের কাজ গুছিয়ে নিয়ে যখন তিনি বিদেশ সফর শুরু করবেন, তখন চীনের এই আমন্ত্রণ অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করা হবে।

সূত্র: বাসস