ঢাকা ০৫:২৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
এসবিএসি ব্যাংক ইনভেস্টমেন্ট ইনভেস্টিট ব্রোকারেজ, ফান্ড ডিল স্বাক্ষর করেছে চাঁদাবাজির অভিযোগে নারায়ণগঞ্জ মহানগর কৃষকদলের সাধারন সম্পাদক ফয়সাল আট,পুলিশ সুপারকে সাধুবাদ জানিয়েছে ব্যবসায়ীরা টেকনাফে পৃথক অভিযানে রোহিঙ্গা গ্রেপ্তার, একজনের ৬ মাসের কারাদণ্ড কমলগঞ্জের ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থীকে ৫ দিন আটকে দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ: গ্রেপ্তার ৩ – পলাতক ১ পল্লী বিদ্যুতের খুঁটি বসানো নিয়ে বিরোধ রাজবাড়ীতে বাড়ীর প্রবেশপথে বাঁশের বেড়া হাটুপানি দিয়ে ৪টি পরিবারের চলাচল বেনাপোল কাস্টস, বন্দর ও ব্যবসায়ীরা আমদানি-রপ্তানি নিয়ে প্রতিমন্ত্রীর মতবিনিময় ইস্তাম্বুলে যাত্রাবিরতি শেষে নিউইয়র্কের পথে প্রধানমন্ত্রী বস্ত্রখাতের সমস্যা সমাধানে বাস্তবভিত্তিক সমন্বিত নীতি সহায়তার আহ্বান রাষ্ট্রপতির জনগণের শক্তির ওপর নির্ভর করেই বিএনপি রাজনীতি করে: রুহুল কবির রিজভী রূপগঞ্জে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চুরির অভিযোগে গ্রেফতার-২

গুম আইনের সঙ্গে সমন্বয় করে মানবাধিকার কমিশন গড়ার পরিকল্পনা

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:৫৮:৫৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল ২০২৬
  • ১৯৬ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক: সংসদে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারীদের সুরক্ষায় গতকাল ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান (সুরক্ষা ও দায় নির্ধারণ) বিল-২০২৬’ উত্থাপনকালে তিনি এ কথা বলেন। কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহর বক্তব্যের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, বিদ্যমান আইনি কাঠামোর সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে কার্যকর বিচার নিশ্চিত করাই এ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমদ সংসদে বিলটি উত্থাপন করেন এবং পরে তা কণ্ঠভোটে পাস হয়।

সংসদে মন্ত্রী বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারীদের সাংবিধানিক ও আইনি সুরক্ষা নিশ্চিত করা এখন একটি জাতীয় দাবি। এই প্রেক্ষাপটে একটি অধ্যাদেশ প্রণয়ন করা হয়েছিল, যা সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের মতামতের ভিত্তিতে করা হয়েছে।

তিনি উল্লেখ করেন, অতীতে আন্দোলনে অংশগ্রহণকারীদের ওপর দমন-পীড়ন, নিপীড়ন এবং সহিংসতা চালানো হয়েছে। ফলে তাদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। এ কারণে আইনি কাঠামোর মাধ্যমে তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

মানবাধিকার কমিশন প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, গুম কমিশন, আইসিটি আইন এবং মানবাধিকার কমিশনের মধ্যে কিছু ক্ষেত্রে কার্যক্রমের মিল রয়েছে। তাই আলাদা ও দুর্বল কাঠামো তৈরি না করে একটি সমন্বিত ও শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা প্রয়োজন।

তিনি আরও বলেন, বর্তমানে গুম সংক্রান্ত মামলাগুলোর বিচার আইসিটি আইনের অধীনে করা হচ্ছে, যেখানে তদন্ত সংস্থা, প্রসিকিউশন টিম এবং নির্দিষ্ট বিচারিক প্রক্রিয়া রয়েছে। এই শক্তিশালী কাঠামোর সঙ্গে সামঞ্জস্য না রেখে আলাদা করে দুর্বল ক্ষমতার কোনো সংস্থা গঠন করলে বিচার প্রক্রিয়া বিলম্বিত হতে পারে।

মন্ত্রী বলেন, ‌‘আমরা এমন একটি মানবাধিকার কমিশন চাই, যা আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন হবে, তবে দেশের সামাজিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ থাকবে।’ এ লক্ষ্যে স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে আলোচনা করে একটি পূর্ণাঙ্গ আইন আনার প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।

তিনি আরও জানান, বিদ্যমান মানবাধিকার কমিশনকে যেসব ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে, তা পর্যাপ্ত আলোচনা ছাড়াই নির্ধারণ করা হয়েছে। ভবিষ্যতে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের মতামত নিয়ে একটি কার্যকর ও শক্তিশালী কমিশন গঠন করা হবে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বিভিন্ন সমসাময়িক বিষয় উল্লেখ করে বলেন, সরকার আইনের শাসন ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

এসবিএসি ব্যাংক ইনভেস্টমেন্ট ইনভেস্টিট ব্রোকারেজ, ফান্ড ডিল স্বাক্ষর করেছে

গুম আইনের সঙ্গে সমন্বয় করে মানবাধিকার কমিশন গড়ার পরিকল্পনা

আপডেট সময় : ১১:৫৮:৫৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক: সংসদে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারীদের সুরক্ষায় গতকাল ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান (সুরক্ষা ও দায় নির্ধারণ) বিল-২০২৬’ উত্থাপনকালে তিনি এ কথা বলেন। কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহর বক্তব্যের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, বিদ্যমান আইনি কাঠামোর সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে কার্যকর বিচার নিশ্চিত করাই এ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমদ সংসদে বিলটি উত্থাপন করেন এবং পরে তা কণ্ঠভোটে পাস হয়।

সংসদে মন্ত্রী বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারীদের সাংবিধানিক ও আইনি সুরক্ষা নিশ্চিত করা এখন একটি জাতীয় দাবি। এই প্রেক্ষাপটে একটি অধ্যাদেশ প্রণয়ন করা হয়েছিল, যা সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের মতামতের ভিত্তিতে করা হয়েছে।

তিনি উল্লেখ করেন, অতীতে আন্দোলনে অংশগ্রহণকারীদের ওপর দমন-পীড়ন, নিপীড়ন এবং সহিংসতা চালানো হয়েছে। ফলে তাদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। এ কারণে আইনি কাঠামোর মাধ্যমে তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

মানবাধিকার কমিশন প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, গুম কমিশন, আইসিটি আইন এবং মানবাধিকার কমিশনের মধ্যে কিছু ক্ষেত্রে কার্যক্রমের মিল রয়েছে। তাই আলাদা ও দুর্বল কাঠামো তৈরি না করে একটি সমন্বিত ও শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা প্রয়োজন।

তিনি আরও বলেন, বর্তমানে গুম সংক্রান্ত মামলাগুলোর বিচার আইসিটি আইনের অধীনে করা হচ্ছে, যেখানে তদন্ত সংস্থা, প্রসিকিউশন টিম এবং নির্দিষ্ট বিচারিক প্রক্রিয়া রয়েছে। এই শক্তিশালী কাঠামোর সঙ্গে সামঞ্জস্য না রেখে আলাদা করে দুর্বল ক্ষমতার কোনো সংস্থা গঠন করলে বিচার প্রক্রিয়া বিলম্বিত হতে পারে।

মন্ত্রী বলেন, ‌‘আমরা এমন একটি মানবাধিকার কমিশন চাই, যা আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন হবে, তবে দেশের সামাজিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ থাকবে।’ এ লক্ষ্যে স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে আলোচনা করে একটি পূর্ণাঙ্গ আইন আনার প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।

তিনি আরও জানান, বিদ্যমান মানবাধিকার কমিশনকে যেসব ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে, তা পর্যাপ্ত আলোচনা ছাড়াই নির্ধারণ করা হয়েছে। ভবিষ্যতে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের মতামত নিয়ে একটি কার্যকর ও শক্তিশালী কমিশন গঠন করা হবে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বিভিন্ন সমসাময়িক বিষয় উল্লেখ করে বলেন, সরকার আইনের শাসন ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।