ঢাকা ০৬:০৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
এসবিএসি ব্যাংক ইনভেস্টমেন্ট ইনভেস্টিট ব্রোকারেজ, ফান্ড ডিল স্বাক্ষর করেছে চাঁদাবাজির অভিযোগে নারায়ণগঞ্জ মহানগর কৃষকদলের সাধারন সম্পাদক ফয়সাল আট,পুলিশ সুপারকে সাধুবাদ জানিয়েছে ব্যবসায়ীরা টেকনাফে পৃথক অভিযানে রোহিঙ্গা গ্রেপ্তার, একজনের ৬ মাসের কারাদণ্ড কমলগঞ্জের ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থীকে ৫ দিন আটকে দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ: গ্রেপ্তার ৩ – পলাতক ১ পল্লী বিদ্যুতের খুঁটি বসানো নিয়ে বিরোধ রাজবাড়ীতে বাড়ীর প্রবেশপথে বাঁশের বেড়া হাটুপানি দিয়ে ৪টি পরিবারের চলাচল বেনাপোল কাস্টস, বন্দর ও ব্যবসায়ীরা আমদানি-রপ্তানি নিয়ে প্রতিমন্ত্রীর মতবিনিময় ইস্তাম্বুলে যাত্রাবিরতি শেষে নিউইয়র্কের পথে প্রধানমন্ত্রী বস্ত্রখাতের সমস্যা সমাধানে বাস্তবভিত্তিক সমন্বিত নীতি সহায়তার আহ্বান রাষ্ট্রপতির জনগণের শক্তির ওপর নির্ভর করেই বিএনপি রাজনীতি করে: রুহুল কবির রিজভী রূপগঞ্জে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চুরির অভিযোগে গ্রেফতার-২

শাপলা চত্বরে হত্যাযজ্ঞের ঘটনায় নিহত ৫৮ জনের পরিচয় শনাক্ত: চিফ প্রসিকিউটর

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:০৩:৩৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ মে ২০২৬
  • ১৭১ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক: ২০১৩ সালের ৫ মে রাজধানীর মতিঝিলের শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের সমাবেশ ঘিরে সারাদেশে ৫৮ জন নিহতের তথ্য পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম। তিনি বলেন, নিহতদের পরিচয়ও শনাক্ত করা হয়েছে।

আজ নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের তিনি এ তথ্য জানান।

চিফ প্রসিকিউটর বলেন, ২০১৩ সালের ৫ মে শাপলা চত্বরে বা ঢাকার মধ্যে ৩২ জনের নিহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এই ৩২ জনের পরিচয় শনাক্ত হয়েছে। এদের মধ্যে কয়েকজনের ময়নাতদন্ত হয়েছে। অনেকের হয়নি। এছাড়া পরদিন ৬ মে নারায়ণগঞ্জে ২০ জনের নিহত হওয়ার ঘটনা ঘটে। এই ২০ জনের পরিচয়ও শনাক্ত হয়েছে। একই দিন চট্টগ্রামে পাঁচজন নিহত হয়। আর কুমিল্লায় নিহত হয় একজন। সবমিলিয়ে এখন পর্যন্ত ৫৮ জনের নিহত হওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে। আর তাদের সবারই পরিচয় শনাক্ত হয়েছে।

চিফ প্রসিকিউটর আরও বলেন, তদন্তের স্বার্থে এই মামলার আসামিদের নাম প্রকাশ করা সম্ভব হচ্ছে না। আর আমাদের এ মামলাটির তদন্ত কাজ প্রায় ৯০ শতাংশ সম্পন্ন হয়েছে। এই মামলার ধার্য তারিখ আগামী ৭ জুনের মধ্যে তদন্ত শেষ হবে বলে আশা করছি।

মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, হেফাজতে ইসলামের সদস্যরা যারা খুনের শিকার হয়েছেন, প্রত্যেক নিহতের পরিবারের সঙ্গে আমরা কথা বলেছি। তাদের পরিবারের সদস্যদের বক্তব্যও আমরা নিয়েছি। সবমিলিয়ে পর্যাপ্ত সাক্ষ্য আমরা পেয়েছি।

চব্বিশের জুলাই-আগস্টে ছাত্র জনতার গণঅভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহীউদ্দীন খান আলমগীর, সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামসুল হক টুকু, মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসান, পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) এ কে এম শহীদুল হক, হাসান মাহমুদ খন্দকার, বেনজীর আহমেদ, পুলিশের সাবেক উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মোল্যা নজরুল ইসলাম, গণজাগরণ মঞ্চের মুখপাত্র ইমরান এইচ সরকার এই মামলার আসামি হয়েছেন।

 

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

এসবিএসি ব্যাংক ইনভেস্টমেন্ট ইনভেস্টিট ব্রোকারেজ, ফান্ড ডিল স্বাক্ষর করেছে

শাপলা চত্বরে হত্যাযজ্ঞের ঘটনায় নিহত ৫৮ জনের পরিচয় শনাক্ত: চিফ প্রসিকিউটর

আপডেট সময় : ০৮:০৩:৩৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ মে ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক: ২০১৩ সালের ৫ মে রাজধানীর মতিঝিলের শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের সমাবেশ ঘিরে সারাদেশে ৫৮ জন নিহতের তথ্য পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম। তিনি বলেন, নিহতদের পরিচয়ও শনাক্ত করা হয়েছে।

আজ নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের তিনি এ তথ্য জানান।

চিফ প্রসিকিউটর বলেন, ২০১৩ সালের ৫ মে শাপলা চত্বরে বা ঢাকার মধ্যে ৩২ জনের নিহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এই ৩২ জনের পরিচয় শনাক্ত হয়েছে। এদের মধ্যে কয়েকজনের ময়নাতদন্ত হয়েছে। অনেকের হয়নি। এছাড়া পরদিন ৬ মে নারায়ণগঞ্জে ২০ জনের নিহত হওয়ার ঘটনা ঘটে। এই ২০ জনের পরিচয়ও শনাক্ত হয়েছে। একই দিন চট্টগ্রামে পাঁচজন নিহত হয়। আর কুমিল্লায় নিহত হয় একজন। সবমিলিয়ে এখন পর্যন্ত ৫৮ জনের নিহত হওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে। আর তাদের সবারই পরিচয় শনাক্ত হয়েছে।

চিফ প্রসিকিউটর আরও বলেন, তদন্তের স্বার্থে এই মামলার আসামিদের নাম প্রকাশ করা সম্ভব হচ্ছে না। আর আমাদের এ মামলাটির তদন্ত কাজ প্রায় ৯০ শতাংশ সম্পন্ন হয়েছে। এই মামলার ধার্য তারিখ আগামী ৭ জুনের মধ্যে তদন্ত শেষ হবে বলে আশা করছি।

মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, হেফাজতে ইসলামের সদস্যরা যারা খুনের শিকার হয়েছেন, প্রত্যেক নিহতের পরিবারের সঙ্গে আমরা কথা বলেছি। তাদের পরিবারের সদস্যদের বক্তব্যও আমরা নিয়েছি। সবমিলিয়ে পর্যাপ্ত সাক্ষ্য আমরা পেয়েছি।

চব্বিশের জুলাই-আগস্টে ছাত্র জনতার গণঅভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহীউদ্দীন খান আলমগীর, সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামসুল হক টুকু, মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসান, পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) এ কে এম শহীদুল হক, হাসান মাহমুদ খন্দকার, বেনজীর আহমেদ, পুলিশের সাবেক উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মোল্যা নজরুল ইসলাম, গণজাগরণ মঞ্চের মুখপাত্র ইমরান এইচ সরকার এই মামলার আসামি হয়েছেন।