ঢাকা ০১:০৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
হাজীগঞ্জে জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন ও পুষ্পার্পণ করেছেন নারায়ণগঞ্জে জেলা প্রশাসন যশোর শার্শায় ৬ হাজার পিস ইয়াবাসহ নারী আটক পটিয়ায় খলিলুর রহমান বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার গুনগত মানোন্নয়নে লক্ষ্যে মতবিনিময় সভা বিকাশে একাধিক অ্যাকাউন্টে ভয়ানক প্রতারক চক্রের তিন সদস্য গ্রেপ্তার বেনাপোল আন্তর্জাতিক ইমিগ্রেশনে আওয়ামীলীগ নেতা আটক অপহরণ মামলার এজাহারভুক্ত আসামি র‌্যাবের হাতে গ্রেপ্তার মাদক ও কিশোর অপরাধের বিরুদ্ধে সম্মিলিত প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান ডিসির বেনাপোল দিয়ে সাড়ে ৮ মাস পর ভারত থেকে এল কাঁচামরিচ জনগণ পরিবর্তন চেয়েছে বলেই জুলাই আন্দোলন সফল হয়েছে : প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশে সৌদি বিনিয়োগ আরও বাড়ানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

মাদকদ্রব্য ও সাইকোট্রপিক উপাদানের অবৈধ পাচার রোধে বাংলাদেশ-পাকিস্তান সমঝোতা স্মারক সই

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:৫৪:৪০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৯ মে ২০২৬
  • ১১৪ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক: মাদকদ্রব্য ও সাইকোট্রপিক উপাদানের অপব্যবহার ও পাচার রোধে একজোট হয়েছে বাংলাদেশ ও পাকিস্তান।

শুক্রবার রাজধানী ঢাকার হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে দুই দেশের মধ্যে এ বিষয়ে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে।

বিএনপির মিডিয়া সেলের ফেসবুক পেইজে জানানো হয়, শুক্রবার ঢাকার হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ এবং পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সৈয়দ মহসিন রাজা নাকভি নিজ নিজ দেশের পক্ষে এ চুক্তিতে সই করেন।

সমঝোতা স্মারকের আওতায় মাদক পাচার ও মাদক-সংশ্লিষ্ট অর্থ পাচার রোধে উভয় দেশ প্রয়োজনীয় তথ্য আদান-প্রদান এবং কারিগরি সহায়তা দেবে। এছাড়া মাদক অপরাধে জড়িত সন্দেহভাজন ব্যক্তি, পাচারকারী চক্র এবং পাচারের নতুন কৌশল ও রুট সম্পর্কে নিয়মিত গোয়েন্দা তথ্য বিনিময় করবে।

চুক্তির আওতায় মাদক পাচারকারী ব্যক্তি ও সংগঠন (ডিটিওএস) এবং মাদক লুকানোর নতুন পদ্ধতি সম্পর্কেও নিয়মিত তথ্য বিনিময় করা হবে। মাদক পাচার প্রতিরোধে উভয় দেশের গোয়েন্দা সংস্থা পারস্পরিক অনুরোধের ভিত্তিতে গোয়েন্দা কার্যক্রম পরিচালনা করবে এবং ‘কন্ট্রোলড ডেলিভারি অপারেশন’-এর মতো সমন্বিত অভিযান চালাবে।

এছাড়া মাদক নিয়ন্ত্রণ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ, পুনঃপ্রশিক্ষণ ও বৈজ্ঞানিক গবেষণার ফলাফল বিনিময়ে উভয় পক্ষ সম্মত হয়েছে। লুকানো মাদক শনাক্তে প্রযুক্তিগত সরঞ্জাম ও স্নিফার ডগ ব্যবহারের অভিজ্ঞতাও বিনিময় করা হবে।

নিয়মিত ও অপারেশনাল তথ্য বিনিময়ের জন্য বাংলাদেশের পক্ষে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর এবং পাকিস্তানের পক্ষে এএনএফ ফোকাল পয়েন্ট হিসেবে কাজ করবে।

আদান-প্রদান করা সব তথ্য ও নথিপত্র কঠোর গোপনীয়তার সঙ্গে সংরক্ষণ করা হবে এবং তৃতীয় কোনো পক্ষের কাছে প্রকাশ করা হবে না।

চুক্তিটি সইয়ের দিন থেকে ১০ বছরের জন্য কার্যকর থাকবে। পারস্পরিক সম্মতির ভিত্তিতে পরে এর মেয়াদ বাড়ানো যাবে।

এই সহযোগিতার মাধ্যমে দুই দেশের নাগরিকদের জনস্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে বলে উভয় পক্ষ আশা প্রকাশ করেছে।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

হাজীগঞ্জে জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন ও পুষ্পার্পণ করেছেন নারায়ণগঞ্জে জেলা প্রশাসন

মাদকদ্রব্য ও সাইকোট্রপিক উপাদানের অবৈধ পাচার রোধে বাংলাদেশ-পাকিস্তান সমঝোতা স্মারক সই

আপডেট সময় : ১০:৫৪:৪০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৯ মে ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক: মাদকদ্রব্য ও সাইকোট্রপিক উপাদানের অপব্যবহার ও পাচার রোধে একজোট হয়েছে বাংলাদেশ ও পাকিস্তান।

শুক্রবার রাজধানী ঢাকার হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে দুই দেশের মধ্যে এ বিষয়ে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে।

বিএনপির মিডিয়া সেলের ফেসবুক পেইজে জানানো হয়, শুক্রবার ঢাকার হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ এবং পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সৈয়দ মহসিন রাজা নাকভি নিজ নিজ দেশের পক্ষে এ চুক্তিতে সই করেন।

সমঝোতা স্মারকের আওতায় মাদক পাচার ও মাদক-সংশ্লিষ্ট অর্থ পাচার রোধে উভয় দেশ প্রয়োজনীয় তথ্য আদান-প্রদান এবং কারিগরি সহায়তা দেবে। এছাড়া মাদক অপরাধে জড়িত সন্দেহভাজন ব্যক্তি, পাচারকারী চক্র এবং পাচারের নতুন কৌশল ও রুট সম্পর্কে নিয়মিত গোয়েন্দা তথ্য বিনিময় করবে।

চুক্তির আওতায় মাদক পাচারকারী ব্যক্তি ও সংগঠন (ডিটিওএস) এবং মাদক লুকানোর নতুন পদ্ধতি সম্পর্কেও নিয়মিত তথ্য বিনিময় করা হবে। মাদক পাচার প্রতিরোধে উভয় দেশের গোয়েন্দা সংস্থা পারস্পরিক অনুরোধের ভিত্তিতে গোয়েন্দা কার্যক্রম পরিচালনা করবে এবং ‘কন্ট্রোলড ডেলিভারি অপারেশন’-এর মতো সমন্বিত অভিযান চালাবে।

এছাড়া মাদক নিয়ন্ত্রণ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ, পুনঃপ্রশিক্ষণ ও বৈজ্ঞানিক গবেষণার ফলাফল বিনিময়ে উভয় পক্ষ সম্মত হয়েছে। লুকানো মাদক শনাক্তে প্রযুক্তিগত সরঞ্জাম ও স্নিফার ডগ ব্যবহারের অভিজ্ঞতাও বিনিময় করা হবে।

নিয়মিত ও অপারেশনাল তথ্য বিনিময়ের জন্য বাংলাদেশের পক্ষে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর এবং পাকিস্তানের পক্ষে এএনএফ ফোকাল পয়েন্ট হিসেবে কাজ করবে।

আদান-প্রদান করা সব তথ্য ও নথিপত্র কঠোর গোপনীয়তার সঙ্গে সংরক্ষণ করা হবে এবং তৃতীয় কোনো পক্ষের কাছে প্রকাশ করা হবে না।

চুক্তিটি সইয়ের দিন থেকে ১০ বছরের জন্য কার্যকর থাকবে। পারস্পরিক সম্মতির ভিত্তিতে পরে এর মেয়াদ বাড়ানো যাবে।

এই সহযোগিতার মাধ্যমে দুই দেশের নাগরিকদের জনস্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে বলে উভয় পক্ষ আশা প্রকাশ করেছে।