ঢাকা ০৬:৫১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬, ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
পটিয়াবাসীকে ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা জানিয়েছেন দিদারুল আলম ডিসি জাহিদের উদ্যোগে উৎসবে নতুন সংস্কৃতি: ‘দাম কমেছে পণ্যের, উৎসব হবে সকলের’ বেনাপোল ছোট আঁচড়া গ্রামের ইউনুস হত্যায় এবার সোহেল রানা আটক নারায়ণগঞ্জে বিভিন্ন পশুর হাট পরিদর্শনে ডিসি মো. রায়হান কবির আসন্ন ঈদুল আজহায় কাঁচা চামড়া সংগ্রহ ও সংরক্ষণে সর্বাত্মক প্রস্তুতি: ডিসি মো:রায়হান কবির ইরানের সঙ্গে চুক্তিতে বড় বাধা মোজতবার যোগাযোগ ব্যবস্থা : যুক্তরাষ্ট্র হিলি স্থলবন্দর ঈদুল আযহায় ৭ দিন আমদানি রপ্তানি বন্ধ পাকিস্তানে বোমা হামলায় প্রাণহানির ঘটনায় প্রধানমন্ত্রীর শোক প্রকাশ রামিসা হত্যা মামলায় রাষ্ট্রীয় খরচে আইনজীবী নিয়োগ ফিলিস্তিনের প্রতি তথ্যমন্ত্রীর সংহতি প্রকাশ

নতুন যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবে রাজি হামাস

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:৫০:২৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৫
  • ১৪৪ বার পড়া হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ইসরায়েলের সঙ্গে ৬০ দিনের নতুন যুদ্ধবিরতির সর্বশেষ প্রস্তাব মেনে নিয়েছে গাজা উপত্যকার ক্ষমতাসীন ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী গোষ্ঠী হামাস। নতুন এই চুক্তিতে গাজায় হামাসের হাতে থাকা অর্ধেক জিম্মিকে ফেরত ও ইসরায়েলের পক্ষ থেকে কিছু ফিলিস্তিনি বন্দিকে মুক্তির শর্ত রয়েছে। সোমবার মিসরীয় সরকারি একটি সূত্রের বরাত দিয়ে হামাসের যুদ্ধবিরতি চুক্তি মেনে নেওয়ার এই তথ্য জানিয়েছে ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স।

সূত্রটি জানিয়েছে, কোনো সংশোধন ছাড়াই নতুন যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবে সম্মতি দিয়েছে হামাস ও এর সহযোগী গোষ্ঠীগুলো। এর মধ্যেই প্রস্তাবের জবাব মধ্যস্থতাকারীদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

প্রস্তাবনা অনুযায়ী, হামাস ৬০ দিনের একটি অস্থায়ী যুদ্ধবিরতির সময়কালে দুই ধাপে প্রায় ২০ জন জীবিত ইসরায়েলি বন্দীকে মুক্তি দেবে। একই সময়ে একটি স্থায়ী যুদ্ধবিরতি এবং গাজা থেকে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহারের বিষয়ে আলোচনা চলবে।

তবে এ বিষয়ে এখনো ইসরায়েলের পক্ষ থেকে কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

এর আগে কায়রোতে অবস্থানরত হামাসের আলোচকরা গাজায় যুদ্ধবিরতি নিয়ে একটি নতুন প্রস্তাব পেয়েছেন। এ প্রস্তাবে প্রাথমিকভাবে ৬০ দিনের জন্য যুদ্ধবিরতি এবং দুই ধাপে জিম্মি মুক্তির পরিকল্পনা রাখা হয়েছে।

গত সপ্তাহে হামাস জানায়, তাদের একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল কায়রোতে রয়েছে, যারা গাজায় যুদ্ধবিরতি নিশ্চিত করার প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে মিশরের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করছে। গাজা যুদ্ধ এখন ২৩তম মাসে প্রবেশ করেছে।

কাতার ও যুক্তরাষ্ট্রের পাশাপাশি মিশরও ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে মধ্যস্থতায় জড়িত। তবে এ বছরের শুরুর দিকে স্বল্পস্থায়ী যুদ্ধবিরতির পর থেকে পরববর্তী পদক্ষেপ নিয়ে এখনো কোনো অগ্রগতি হয়নি।

মিশরের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বদর আবদেলাত্তি সোমবার গাজার রাফাহ সীমান্ত পরিদর্শনে গিয়ে বলেন, আমরা যখন এখানে কথা বলছি, তখন ফিলিস্তিনি ও কাতারি প্রতিনিধিরা মিশরে অবস্থান করছেন এবং তারা পদ্ধতিগত হত্যাকাণ্ড ও অনাহার বন্ধে প্রচেষ্টা জোরদার করছেন।

 

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

পটিয়াবাসীকে ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা জানিয়েছেন দিদারুল আলম

নতুন যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবে রাজি হামাস

আপডেট সময় : ১১:৫০:২৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৫

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ইসরায়েলের সঙ্গে ৬০ দিনের নতুন যুদ্ধবিরতির সর্বশেষ প্রস্তাব মেনে নিয়েছে গাজা উপত্যকার ক্ষমতাসীন ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী গোষ্ঠী হামাস। নতুন এই চুক্তিতে গাজায় হামাসের হাতে থাকা অর্ধেক জিম্মিকে ফেরত ও ইসরায়েলের পক্ষ থেকে কিছু ফিলিস্তিনি বন্দিকে মুক্তির শর্ত রয়েছে। সোমবার মিসরীয় সরকারি একটি সূত্রের বরাত দিয়ে হামাসের যুদ্ধবিরতি চুক্তি মেনে নেওয়ার এই তথ্য জানিয়েছে ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স।

সূত্রটি জানিয়েছে, কোনো সংশোধন ছাড়াই নতুন যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবে সম্মতি দিয়েছে হামাস ও এর সহযোগী গোষ্ঠীগুলো। এর মধ্যেই প্রস্তাবের জবাব মধ্যস্থতাকারীদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

প্রস্তাবনা অনুযায়ী, হামাস ৬০ দিনের একটি অস্থায়ী যুদ্ধবিরতির সময়কালে দুই ধাপে প্রায় ২০ জন জীবিত ইসরায়েলি বন্দীকে মুক্তি দেবে। একই সময়ে একটি স্থায়ী যুদ্ধবিরতি এবং গাজা থেকে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহারের বিষয়ে আলোচনা চলবে।

তবে এ বিষয়ে এখনো ইসরায়েলের পক্ষ থেকে কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

এর আগে কায়রোতে অবস্থানরত হামাসের আলোচকরা গাজায় যুদ্ধবিরতি নিয়ে একটি নতুন প্রস্তাব পেয়েছেন। এ প্রস্তাবে প্রাথমিকভাবে ৬০ দিনের জন্য যুদ্ধবিরতি এবং দুই ধাপে জিম্মি মুক্তির পরিকল্পনা রাখা হয়েছে।

গত সপ্তাহে হামাস জানায়, তাদের একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল কায়রোতে রয়েছে, যারা গাজায় যুদ্ধবিরতি নিশ্চিত করার প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে মিশরের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করছে। গাজা যুদ্ধ এখন ২৩তম মাসে প্রবেশ করেছে।

কাতার ও যুক্তরাষ্ট্রের পাশাপাশি মিশরও ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে মধ্যস্থতায় জড়িত। তবে এ বছরের শুরুর দিকে স্বল্পস্থায়ী যুদ্ধবিরতির পর থেকে পরববর্তী পদক্ষেপ নিয়ে এখনো কোনো অগ্রগতি হয়নি।

মিশরের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বদর আবদেলাত্তি সোমবার গাজার রাফাহ সীমান্ত পরিদর্শনে গিয়ে বলেন, আমরা যখন এখানে কথা বলছি, তখন ফিলিস্তিনি ও কাতারি প্রতিনিধিরা মিশরে অবস্থান করছেন এবং তারা পদ্ধতিগত হত্যাকাণ্ড ও অনাহার বন্ধে প্রচেষ্টা জোরদার করছেন।