ঢাকা ০৬:০৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ১০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
রাষ্ট্রপতির সঙ্গে তিন বাহিনীর প্রধানগণের সৌজন্য সাক্ষাৎ দেশের সার্বিক সংস্কার প্রক্রিয়ায় সহযোগিতা করতে চায় ইউএনডিপি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী উপলক্ষে র‍্যাবের বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা শেখ হাসিনাসহ ৭ জনকে আত্মসমর্পণে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তির নির্দেশ নিত্যপণ্যের বাজার স্থিতিশীল রাখতে ৮ হাজার কোটি টাকার পণ্য কিনবে টিসিবি মতলব উত্তরে মাদ্রাসা-মসজিদ নির্মাণকাজ পরিদর্শনকালে নির্মাণকাজে গুণগত মানের বিষয়ে কোনো ধরনের আপস করা যাবে না: অ্যাডভোকেট একেএম সলিম উল্ল্যা সেলিম পটিয়া খলিলুর রহমান বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভা  যশোরে ২৫০ শয্যা হাসপাতালে মিলবে হৃদরোগের পূর্ণাঙ্গ চিকিৎসা সিসিইউ চালুতে ৩৩ পদ অনুমোদন পটিয়া সাতগাছিয়া দরবার শরীফে মহাসমারোহে জশনে জুলুসে ঈদে মিলাদুন্নবী (দ.) অনুষ্ঠিত সিদ্ধিরগঞ্জে শশ্বানে মাদক স্পটের বিরুদ্ধে মানববন্ধন

মাসুদা টাওয়ারে অভিযান চালিয়ে কোটি টাকা মূল্যের ৬টি বিলাসবহুল গাড়ি উদ্ধার

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:১১:৩৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ২০২ বার পড়া হয়েছে

মোঃ আমিনুল ইসলাম: রাজধানীর লালবাগ থানাধীন আজিমপুরে দায়রা শরীফ আবাসিক এলাকায় সাবেক সংসদ সদস্য হাজী সেলিমের মালিকানাধীন গুলশানারা মাসুদা টাওয়ারে অভিযান চালিয়ে কোটি টাকা মূল্যের ৬টি বিলাসবহুল গাড়ি উদ্ধার করেছে যৌথ বাহিনী।

রোববার (২৮ সেপ্টেম্বর) সকালে এ অভিযান পরিচালনা করে যৌথ বাহিনীর আজিমপুর ক্যাম্প-৪৬ ব্রিগেড (অজেয় চার), নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও লালবাগ থানা পুলিশ।

গুলশানারা মাসুদা টাওয়ারের আন্ডারগ্রাউন্ড পার্কিংয়ের একটি গোপন কক্ষ থেকে গাড়িগুলো উদ্ধার করা হয়।

জানা গেছে, ১২তলা বিশিষ্ট ভবনটির নিচতলায় বিশেষভাবে টিনশেড দিয়ে ঘেরা একটি আলাদা রুম তৈরি করা হয়েছিল। সেখানে কয়েক কোটি টাকা দামের গাড়িগুলো লুকিয়ে রাখা হয়।

উদ্ধার হওয়া গাড়িগুলোর তালিকা সূত্রে পাওয়া গেছে। এর মধ্যে রয়েছে— দুটি বিএমডব্লিউ, যার একটি সাদা ও অন্যটি লাল রঙের। এছাড়া একটি কালো রঙের নিশান পেট্রোল, একটি সাদা প্রোটন প্রাইভেটকার, একটি সাদা টয়োটা আইএসটি এবং একটি লাল রঙের টয়োটা রাস জিপ গাড়ি।

অভিযানের সময় গাড়িগুলোর কোনো বৈধ কাগজপত্র ভবনের দায়িত্বে থাকা ম্যানেজার দেখাতে পারেননি। এমনকি কেন আলাদা রুমে টিনশেড দিয়ে গাড়িগুলো লুকিয়ে রাখা হয়েছিল, সে বিষয়েও তিনি কোনো সঠিক ব্যাখ্যা দিতে ব্যর্থ হন।

যৌথ বাহিনীর এক কর্মকর্তা জানান, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে তারা এ অভিযান চালান। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, উদ্ধার হওয়া এসব বিলাসবহুল গাড়ি সাবেক সংসদ সদস্য ও আওয়ামী লীগের নেতা হাজী সেলিম ব্যবহার করতেন। তবে গাড়িগুলোর প্রকৃত মালিকানা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

অভিযান শেষে গাড়িগুলো জব্দ করা হয় এবং ভবনের ম্যানেজারকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আজিমপুর আর্মি ক্যাম্পে নিয়ে যাওয়া হয়।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

রাষ্ট্রপতির সঙ্গে তিন বাহিনীর প্রধানগণের সৌজন্য সাক্ষাৎ

মাসুদা টাওয়ারে অভিযান চালিয়ে কোটি টাকা মূল্যের ৬টি বিলাসবহুল গাড়ি উদ্ধার

আপডেট সময় : ১১:১১:৩৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫

মোঃ আমিনুল ইসলাম: রাজধানীর লালবাগ থানাধীন আজিমপুরে দায়রা শরীফ আবাসিক এলাকায় সাবেক সংসদ সদস্য হাজী সেলিমের মালিকানাধীন গুলশানারা মাসুদা টাওয়ারে অভিযান চালিয়ে কোটি টাকা মূল্যের ৬টি বিলাসবহুল গাড়ি উদ্ধার করেছে যৌথ বাহিনী।

রোববার (২৮ সেপ্টেম্বর) সকালে এ অভিযান পরিচালনা করে যৌথ বাহিনীর আজিমপুর ক্যাম্প-৪৬ ব্রিগেড (অজেয় চার), নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও লালবাগ থানা পুলিশ।

গুলশানারা মাসুদা টাওয়ারের আন্ডারগ্রাউন্ড পার্কিংয়ের একটি গোপন কক্ষ থেকে গাড়িগুলো উদ্ধার করা হয়।

জানা গেছে, ১২তলা বিশিষ্ট ভবনটির নিচতলায় বিশেষভাবে টিনশেড দিয়ে ঘেরা একটি আলাদা রুম তৈরি করা হয়েছিল। সেখানে কয়েক কোটি টাকা দামের গাড়িগুলো লুকিয়ে রাখা হয়।

উদ্ধার হওয়া গাড়িগুলোর তালিকা সূত্রে পাওয়া গেছে। এর মধ্যে রয়েছে— দুটি বিএমডব্লিউ, যার একটি সাদা ও অন্যটি লাল রঙের। এছাড়া একটি কালো রঙের নিশান পেট্রোল, একটি সাদা প্রোটন প্রাইভেটকার, একটি সাদা টয়োটা আইএসটি এবং একটি লাল রঙের টয়োটা রাস জিপ গাড়ি।

অভিযানের সময় গাড়িগুলোর কোনো বৈধ কাগজপত্র ভবনের দায়িত্বে থাকা ম্যানেজার দেখাতে পারেননি। এমনকি কেন আলাদা রুমে টিনশেড দিয়ে গাড়িগুলো লুকিয়ে রাখা হয়েছিল, সে বিষয়েও তিনি কোনো সঠিক ব্যাখ্যা দিতে ব্যর্থ হন।

যৌথ বাহিনীর এক কর্মকর্তা জানান, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে তারা এ অভিযান চালান। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, উদ্ধার হওয়া এসব বিলাসবহুল গাড়ি সাবেক সংসদ সদস্য ও আওয়ামী লীগের নেতা হাজী সেলিম ব্যবহার করতেন। তবে গাড়িগুলোর প্রকৃত মালিকানা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

অভিযান শেষে গাড়িগুলো জব্দ করা হয় এবং ভবনের ম্যানেজারকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আজিমপুর আর্মি ক্যাম্পে নিয়ে যাওয়া হয়।