ঢাকা ১১:০৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সচিবের ভাই পরিচয়ে রামগড় ইউএনও,র কাছে এক লাখ টাকা দাবি, আটক প্রতারক এসবিএসি ব্যাংক ইনভেস্টমেন্ট ইনভেস্টিট ব্রোকারেজ, ফান্ড ডিল স্বাক্ষর করেছে চাঁদাবাজির অভিযোগে নারায়ণগঞ্জ মহানগর কৃষকদলের সাধারন সম্পাদক ফয়সাল আট,পুলিশ সুপারকে সাধুবাদ জানিয়েছে ব্যবসায়ীরা টেকনাফে পৃথক অভিযানে রোহিঙ্গা গ্রেপ্তার, একজনের ৬ মাসের কারাদণ্ড কমলগঞ্জের ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থীকে ৫ দিন আটকে দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ: গ্রেপ্তার ৩ – পলাতক ১ পল্লী বিদ্যুতের খুঁটি বসানো নিয়ে বিরোধ রাজবাড়ীতে বাড়ীর প্রবেশপথে বাঁশের বেড়া হাটুপানি দিয়ে ৪টি পরিবারের চলাচল বেনাপোল কাস্টস, বন্দর ও ব্যবসায়ীরা আমদানি-রপ্তানি নিয়ে প্রতিমন্ত্রীর মতবিনিময় ইস্তাম্বুলে যাত্রাবিরতি শেষে নিউইয়র্কের পথে প্রধানমন্ত্রী বস্ত্রখাতের সমস্যা সমাধানে বাস্তবভিত্তিক সমন্বিত নীতি সহায়তার আহ্বান রাষ্ট্রপতির জনগণের শক্তির ওপর নির্ভর করেই বিএনপি রাজনীতি করে: রুহুল কবির রিজভী

ঢাকার হারানো ঐতিহ্য ফেরাতে সংস্কার হচ্ছে ৪৪টি পুকুর-জলাশয়

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:১৭:৩৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ নভেম্বর ২০২৫
  • ২০৬ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক: জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট ফান্ডের অর্থায়নে ‘ঢাকা মহানগরী ও উপজেলা এলাকার ৪৪টি খাস পুকুর ও জলাশয় সংস্কার, উন্নয়ন ও পরিবেশ সংরক্ষণ প্রকল্প’ এর উদ্বোধন করেছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় এবং পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান।

শনিবার (১৫ নভেম্বর) ঢাকার কেরানীগঞ্জের দড়িপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন তিনি।

“জাতীয় সম্পদ হিসেবে খাস পুকুর ও জলাশয় রক্ষা করা আমাদের দায়িত্ব। ঢাকা মহানগরী ও জেলায় মোট ১১৩টি খাস পুকুর রয়েছে। প্রথম ধাপে ৪৪টি জলাশয় সংস্কারের কাজ শুরু করা হয়েছে।”

সংস্কার ও উন্নয়ন পরিকল্পনা
উদ্দেশ্যগুলোতে অন্তর্ভুক্ত থাকবে—

সীমানা নির্ধারণ ও সীমানা পিলার স্থাপন

অবৈধ দখল উচ্ছেদ

পুনঃখনন ও পাড়বাঁধাই

পানি প্রতিস্থাপন ও দূষণমুক্তকরণ

ঘাট নির্মাণ, ওয়াকওয়ে ও বেঞ্চ স্থাপন

বৃক্ষরোপণ

উপদেষ্টা জানান, এ প্রকল্প বাস্তবায়নের ফলে জলাবদ্ধতা নিরসন, বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ, মৎস্যচাষ সম্প্রসারণ, বাফার জোন সৃষ্টি এবং নগরবাসীর জন্য পরিবেশবান্ধব বিনোদনকেন্দ্র তৈরির সুযোগ সৃষ্টি হবে।

তিনি আরও বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবেলায় প্রাকৃতিক জলাধার সংরক্ষণ জরুরি। ঢাকার অধিকাংশ জলাশয় দখল, ভরাট ও দূষণের চাপের মুখে রয়েছে। জেলা প্রশাসনকে বাকি জলাশয়গুলোর তালিকা তৈরি করে ধাপে ধাপে পুনর্গঠনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মৎস্যজীবী ও স্থানীয় জনগণকেও প্রকল্প বাস্তবায়নে যুক্ত করা হবে।”

উপদেষ্টা পলিথিন ব্যবহারের প্রতি সতর্কবার্তা দেন। তিনি বলেন, পলিথিন দূষণ পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের জন্য গুরুতর হুমকি। সরকারি নজরদারি ও জনসচেতনতার কারণে সুপারশপগুলো এখন পলিথিন ব্যাগ ব্যবহার কমিয়েছে। পরিবেশ রক্ষায় নাগরিক দায়িত্ববোধ অত্যন্ত জরুরি।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. ফারহিনা আহমেদ, ঢাকার বিভাগীয় কমিশনার শরফ উদ্দিন আহমদ চৌধুরী, জেলা প্রশাসক তানভীর আহমেদ, পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান এবং উপজেলা নির্বাহী অফিসার রিনাত ফৌজিয়া।

উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা আশা প্রকাশ করেন, প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে ঢাকার জলাধারগুলো স্বাভাবিক ধারণক্ষমতা ফিরে পাবে এবং শহরকে জলবায়ু সহনশীল নগর ব্যবস্থাপনায় সহায়তা করবে।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবের ভাই পরিচয়ে রামগড় ইউএনও,র কাছে এক লাখ টাকা দাবি, আটক প্রতারক

ঢাকার হারানো ঐতিহ্য ফেরাতে সংস্কার হচ্ছে ৪৪টি পুকুর-জলাশয়

আপডেট সময় : ০৫:১৭:৩৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ নভেম্বর ২০২৫

নিজস্ব প্রতিবেদক: জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট ফান্ডের অর্থায়নে ‘ঢাকা মহানগরী ও উপজেলা এলাকার ৪৪টি খাস পুকুর ও জলাশয় সংস্কার, উন্নয়ন ও পরিবেশ সংরক্ষণ প্রকল্প’ এর উদ্বোধন করেছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় এবং পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান।

শনিবার (১৫ নভেম্বর) ঢাকার কেরানীগঞ্জের দড়িপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন তিনি।

“জাতীয় সম্পদ হিসেবে খাস পুকুর ও জলাশয় রক্ষা করা আমাদের দায়িত্ব। ঢাকা মহানগরী ও জেলায় মোট ১১৩টি খাস পুকুর রয়েছে। প্রথম ধাপে ৪৪টি জলাশয় সংস্কারের কাজ শুরু করা হয়েছে।”

সংস্কার ও উন্নয়ন পরিকল্পনা
উদ্দেশ্যগুলোতে অন্তর্ভুক্ত থাকবে—

সীমানা নির্ধারণ ও সীমানা পিলার স্থাপন

অবৈধ দখল উচ্ছেদ

পুনঃখনন ও পাড়বাঁধাই

পানি প্রতিস্থাপন ও দূষণমুক্তকরণ

ঘাট নির্মাণ, ওয়াকওয়ে ও বেঞ্চ স্থাপন

বৃক্ষরোপণ

উপদেষ্টা জানান, এ প্রকল্প বাস্তবায়নের ফলে জলাবদ্ধতা নিরসন, বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ, মৎস্যচাষ সম্প্রসারণ, বাফার জোন সৃষ্টি এবং নগরবাসীর জন্য পরিবেশবান্ধব বিনোদনকেন্দ্র তৈরির সুযোগ সৃষ্টি হবে।

তিনি আরও বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবেলায় প্রাকৃতিক জলাধার সংরক্ষণ জরুরি। ঢাকার অধিকাংশ জলাশয় দখল, ভরাট ও দূষণের চাপের মুখে রয়েছে। জেলা প্রশাসনকে বাকি জলাশয়গুলোর তালিকা তৈরি করে ধাপে ধাপে পুনর্গঠনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মৎস্যজীবী ও স্থানীয় জনগণকেও প্রকল্প বাস্তবায়নে যুক্ত করা হবে।”

উপদেষ্টা পলিথিন ব্যবহারের প্রতি সতর্কবার্তা দেন। তিনি বলেন, পলিথিন দূষণ পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের জন্য গুরুতর হুমকি। সরকারি নজরদারি ও জনসচেতনতার কারণে সুপারশপগুলো এখন পলিথিন ব্যাগ ব্যবহার কমিয়েছে। পরিবেশ রক্ষায় নাগরিক দায়িত্ববোধ অত্যন্ত জরুরি।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. ফারহিনা আহমেদ, ঢাকার বিভাগীয় কমিশনার শরফ উদ্দিন আহমদ চৌধুরী, জেলা প্রশাসক তানভীর আহমেদ, পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান এবং উপজেলা নির্বাহী অফিসার রিনাত ফৌজিয়া।

উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা আশা প্রকাশ করেন, প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে ঢাকার জলাধারগুলো স্বাভাবিক ধারণক্ষমতা ফিরে পাবে এবং শহরকে জলবায়ু সহনশীল নগর ব্যবস্থাপনায় সহায়তা করবে।