ঢাকা ১২:৫৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার জন্য ইরানের প্রতিনিধি দল সুইজারল্যান্ডে পৌঁছেছে ডিএসইকে রিয়েল-টাইম সার্ভেইল্যান্স জোরদারের নির্দেশ বিএসইসির রুহুল কবির রিজভীর সঙ্গে এ্যাব নেতাদের সাক্ষাৎ বিকল্প শিক্ষাধারা ও শিশু, কিশোর-কিশোরী ও নারীর উন্নয়নে সচেতনতা বৃদ্ধিতে আড়াইহাজারে কমিউনিটি ডায়ালগ কক্সবাজার জেলা পুলিশের মাসিক কল্যাণ সভা ও অপরাধ পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত কেবল নিজের পরিবর্তন নয়; রাষ্ট্রকে কী দিতে পারলাম সেটাই মুখ্য বিষয় :ডিসি জাহিদ দায়িত্বে স্বচ্ছতা ও সমন্বয়ের তাগিদ: জেলা উন্নয়ন কমিটির সভায় ডিসি রায়হান কবির ৯৫% বর্জ্য পুড়িয়ে ৫০০ মেগাওয়াট উৎপাদন’সহ বছরে ১০০০ কোটি টাকা সাশ্রয়ের সম্ভাবনা : প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা রাজবাড়ীতে হ্যান্ডকাফসহ আসামি ছিনিয়ে নিল মাদককারবারিরা জাতীয় পার্টিকে শেষ করার ষড়যন্ত্র সফল হবে না : যশোরে কর্মীসভায় আসুদ

ঢাকার হারানো ঐতিহ্য ফেরাতে সংস্কার হচ্ছে ৪৪টি পুকুর-জলাশয়

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:১৭:৩৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ নভেম্বর ২০২৫
  • ১৪২ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক: জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট ফান্ডের অর্থায়নে ‘ঢাকা মহানগরী ও উপজেলা এলাকার ৪৪টি খাস পুকুর ও জলাশয় সংস্কার, উন্নয়ন ও পরিবেশ সংরক্ষণ প্রকল্প’ এর উদ্বোধন করেছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় এবং পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান।

শনিবার (১৫ নভেম্বর) ঢাকার কেরানীগঞ্জের দড়িপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন তিনি।

“জাতীয় সম্পদ হিসেবে খাস পুকুর ও জলাশয় রক্ষা করা আমাদের দায়িত্ব। ঢাকা মহানগরী ও জেলায় মোট ১১৩টি খাস পুকুর রয়েছে। প্রথম ধাপে ৪৪টি জলাশয় সংস্কারের কাজ শুরু করা হয়েছে।”

সংস্কার ও উন্নয়ন পরিকল্পনা
উদ্দেশ্যগুলোতে অন্তর্ভুক্ত থাকবে—

সীমানা নির্ধারণ ও সীমানা পিলার স্থাপন

অবৈধ দখল উচ্ছেদ

পুনঃখনন ও পাড়বাঁধাই

পানি প্রতিস্থাপন ও দূষণমুক্তকরণ

ঘাট নির্মাণ, ওয়াকওয়ে ও বেঞ্চ স্থাপন

বৃক্ষরোপণ

উপদেষ্টা জানান, এ প্রকল্প বাস্তবায়নের ফলে জলাবদ্ধতা নিরসন, বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ, মৎস্যচাষ সম্প্রসারণ, বাফার জোন সৃষ্টি এবং নগরবাসীর জন্য পরিবেশবান্ধব বিনোদনকেন্দ্র তৈরির সুযোগ সৃষ্টি হবে।

তিনি আরও বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবেলায় প্রাকৃতিক জলাধার সংরক্ষণ জরুরি। ঢাকার অধিকাংশ জলাশয় দখল, ভরাট ও দূষণের চাপের মুখে রয়েছে। জেলা প্রশাসনকে বাকি জলাশয়গুলোর তালিকা তৈরি করে ধাপে ধাপে পুনর্গঠনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মৎস্যজীবী ও স্থানীয় জনগণকেও প্রকল্প বাস্তবায়নে যুক্ত করা হবে।”

উপদেষ্টা পলিথিন ব্যবহারের প্রতি সতর্কবার্তা দেন। তিনি বলেন, পলিথিন দূষণ পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের জন্য গুরুতর হুমকি। সরকারি নজরদারি ও জনসচেতনতার কারণে সুপারশপগুলো এখন পলিথিন ব্যাগ ব্যবহার কমিয়েছে। পরিবেশ রক্ষায় নাগরিক দায়িত্ববোধ অত্যন্ত জরুরি।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. ফারহিনা আহমেদ, ঢাকার বিভাগীয় কমিশনার শরফ উদ্দিন আহমদ চৌধুরী, জেলা প্রশাসক তানভীর আহমেদ, পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান এবং উপজেলা নির্বাহী অফিসার রিনাত ফৌজিয়া।

উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা আশা প্রকাশ করেন, প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে ঢাকার জলাধারগুলো স্বাভাবিক ধারণক্ষমতা ফিরে পাবে এবং শহরকে জলবায়ু সহনশীল নগর ব্যবস্থাপনায় সহায়তা করবে।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার জন্য ইরানের প্রতিনিধি দল সুইজারল্যান্ডে পৌঁছেছে

ঢাকার হারানো ঐতিহ্য ফেরাতে সংস্কার হচ্ছে ৪৪টি পুকুর-জলাশয়

আপডেট সময় : ০৫:১৭:৩৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ নভেম্বর ২০২৫

নিজস্ব প্রতিবেদক: জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট ফান্ডের অর্থায়নে ‘ঢাকা মহানগরী ও উপজেলা এলাকার ৪৪টি খাস পুকুর ও জলাশয় সংস্কার, উন্নয়ন ও পরিবেশ সংরক্ষণ প্রকল্প’ এর উদ্বোধন করেছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় এবং পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান।

শনিবার (১৫ নভেম্বর) ঢাকার কেরানীগঞ্জের দড়িপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন তিনি।

“জাতীয় সম্পদ হিসেবে খাস পুকুর ও জলাশয় রক্ষা করা আমাদের দায়িত্ব। ঢাকা মহানগরী ও জেলায় মোট ১১৩টি খাস পুকুর রয়েছে। প্রথম ধাপে ৪৪টি জলাশয় সংস্কারের কাজ শুরু করা হয়েছে।”

সংস্কার ও উন্নয়ন পরিকল্পনা
উদ্দেশ্যগুলোতে অন্তর্ভুক্ত থাকবে—

সীমানা নির্ধারণ ও সীমানা পিলার স্থাপন

অবৈধ দখল উচ্ছেদ

পুনঃখনন ও পাড়বাঁধাই

পানি প্রতিস্থাপন ও দূষণমুক্তকরণ

ঘাট নির্মাণ, ওয়াকওয়ে ও বেঞ্চ স্থাপন

বৃক্ষরোপণ

উপদেষ্টা জানান, এ প্রকল্প বাস্তবায়নের ফলে জলাবদ্ধতা নিরসন, বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ, মৎস্যচাষ সম্প্রসারণ, বাফার জোন সৃষ্টি এবং নগরবাসীর জন্য পরিবেশবান্ধব বিনোদনকেন্দ্র তৈরির সুযোগ সৃষ্টি হবে।

তিনি আরও বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবেলায় প্রাকৃতিক জলাধার সংরক্ষণ জরুরি। ঢাকার অধিকাংশ জলাশয় দখল, ভরাট ও দূষণের চাপের মুখে রয়েছে। জেলা প্রশাসনকে বাকি জলাশয়গুলোর তালিকা তৈরি করে ধাপে ধাপে পুনর্গঠনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মৎস্যজীবী ও স্থানীয় জনগণকেও প্রকল্প বাস্তবায়নে যুক্ত করা হবে।”

উপদেষ্টা পলিথিন ব্যবহারের প্রতি সতর্কবার্তা দেন। তিনি বলেন, পলিথিন দূষণ পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের জন্য গুরুতর হুমকি। সরকারি নজরদারি ও জনসচেতনতার কারণে সুপারশপগুলো এখন পলিথিন ব্যাগ ব্যবহার কমিয়েছে। পরিবেশ রক্ষায় নাগরিক দায়িত্ববোধ অত্যন্ত জরুরি।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. ফারহিনা আহমেদ, ঢাকার বিভাগীয় কমিশনার শরফ উদ্দিন আহমদ চৌধুরী, জেলা প্রশাসক তানভীর আহমেদ, পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান এবং উপজেলা নির্বাহী অফিসার রিনাত ফৌজিয়া।

উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা আশা প্রকাশ করেন, প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে ঢাকার জলাধারগুলো স্বাভাবিক ধারণক্ষমতা ফিরে পাবে এবং শহরকে জলবায়ু সহনশীল নগর ব্যবস্থাপনায় সহায়তা করবে।