ঢাকা ০৫:৫৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ মার্চ ২০২৬, ৯ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কক্সবাজারে র‍্যাব-১৫ এর অভিযানে অস্ত্র-গুলিসহ কুখ্যাত পলাতক আসামি গ্রেফতার পটিয়া আমির ভান্ডারে সওমে আমির এর আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত গোবিন্দগঞ্জে ভিজিএফ চাল বিতরণ নিয়ে সংবাদ প্রকাশের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন টেকনাফে সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান জাফর আহমদের সঙ্গে ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় যশোরে র‌্যাবের হাতে মৃত‍্যুদণ্ড প্রাপ্ত আসামি গ্রেপ্তার বরুড়ায় উৎসবমুখর পরিবেশে ‘গ্রামবাংলা উন্নয়ন ফাউন্ডেশন’-এর ১ম বর্ষপূর্তি ও ঈদ পুনর্মিলনী সম্পন্ন! কুমিল্লায় বাস-ট্রেন সংঘর্ষে যশোরের স্বামী স্ত্রী দু’জন নিহত রামগড়ে ঈদ পরবর্তী শুভেচ্ছা বিনিময় ও উন্নয়ন ভাবনায় আলোচনা সভা কুতুবদিয়ায় অবৈধ ট্রলিং বোট জব্দ, আটক ৫ জেলে এসএসসি পরীক্ষার প্রবেশপত্র বিতরণের তারিখ ঘোষণা

স্ত্রীর চাকরি ও ইসলামের আলোকে দাম্পত্যের দায়বোধ

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১২:২৭:৫০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ১৮৬ বার পড়া হয়েছে

নারীকে ঘিরে সভ্যতার গল্পে কত রঙ, কত বৈপরীত্য! কোথাও তিনি নিছক গৃহের আবদ্ধ বন্দিনী, কোথাও বা সভ্যতার ইতিহাস রচয়িতা।

ইসলাম আবির্ভূত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই নারীরা পেল এক নতুন মর্যাদা—তারা আর অবহেলিত নন, বরং হয়েছেন সম্মানিত সহচর।

হযরত খদিজা (রা.)–এর ব্যবসায়িক সাফল্য কিংবা উহুদের প্রান্তরে নুসাইবা বিনতে কাব (রা.)–এর অমর সাহস স্মরণ করিয়ে দেয়, নারী কেবল পর্দার অন্তরালেই নন, বরং সমাজ ও ইতিহাসের সম্মুখভাগেও ছিলেন দীপ্ত।

তবু ইসলাম নারীর হাতে সব দায়িত্ব চাপিয়ে দেয়নি। কুরআনের আয়াত স্পষ্ট ঘোষণা দেয় “পুরুষেরা নারীদের দায়িত্বশীল… কারণ তারা তাদের ধন-সম্পদ ব্যয় করে থাকে।” (সূরা নিসা, ৩৪)

অর্থাৎ সংসারের ভরণপোষণ পুরুষের দায়িত্ব। স্ত্রী যদি কাজ করেন, তা হবে তার ইচ্ছায়; তার উপার্জন তার নিজের। সংসার চালানো তার কর্তব্য নয়, তার কাঁধে বোঝা চাপিয়ে দেওয়ার অধিকার কারও নেই।

কিন্তু বাস্তবতা কত ভিন্ন! বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর সাম্প্রতিক জরিপ জানায়, শ্রমশক্তির এক-তৃতীয়াংশ নারী। তারা স্কুল-কলেজ, ব্যাংক-বীমা, হাসপাতাল কিংবা শিল্প-কারখানায় সমানতালে অবদান রাখছেন।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

কক্সবাজারে র‍্যাব-১৫ এর অভিযানে অস্ত্র-গুলিসহ কুখ্যাত পলাতক আসামি গ্রেফতার

স্ত্রীর চাকরি ও ইসলামের আলোকে দাম্পত্যের দায়বোধ

আপডেট সময় : ১২:২৭:৫০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫

নারীকে ঘিরে সভ্যতার গল্পে কত রঙ, কত বৈপরীত্য! কোথাও তিনি নিছক গৃহের আবদ্ধ বন্দিনী, কোথাও বা সভ্যতার ইতিহাস রচয়িতা।

ইসলাম আবির্ভূত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই নারীরা পেল এক নতুন মর্যাদা—তারা আর অবহেলিত নন, বরং হয়েছেন সম্মানিত সহচর।

হযরত খদিজা (রা.)–এর ব্যবসায়িক সাফল্য কিংবা উহুদের প্রান্তরে নুসাইবা বিনতে কাব (রা.)–এর অমর সাহস স্মরণ করিয়ে দেয়, নারী কেবল পর্দার অন্তরালেই নন, বরং সমাজ ও ইতিহাসের সম্মুখভাগেও ছিলেন দীপ্ত।

তবু ইসলাম নারীর হাতে সব দায়িত্ব চাপিয়ে দেয়নি। কুরআনের আয়াত স্পষ্ট ঘোষণা দেয় “পুরুষেরা নারীদের দায়িত্বশীল… কারণ তারা তাদের ধন-সম্পদ ব্যয় করে থাকে।” (সূরা নিসা, ৩৪)

অর্থাৎ সংসারের ভরণপোষণ পুরুষের দায়িত্ব। স্ত্রী যদি কাজ করেন, তা হবে তার ইচ্ছায়; তার উপার্জন তার নিজের। সংসার চালানো তার কর্তব্য নয়, তার কাঁধে বোঝা চাপিয়ে দেওয়ার অধিকার কারও নেই।

কিন্তু বাস্তবতা কত ভিন্ন! বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর সাম্প্রতিক জরিপ জানায়, শ্রমশক্তির এক-তৃতীয়াংশ নারী। তারা স্কুল-কলেজ, ব্যাংক-বীমা, হাসপাতাল কিংবা শিল্প-কারখানায় সমানতালে অবদান রাখছেন।