ঢাকা ০৪:৩৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
পটিয়ায় গ্রাম ডাক্তার কল্যাণ সমিতির সায়েন্টিফিক সেমিনার অনুষ্ঠিত আলীকদমে অবৈধ ইটভাটায় সাঁড়াশি অভিযান: ৩ ভাটায় ৬ লক্ষ টাকা জরিমানা যশোরের টিটন ঢাকার শীর্ষ সন্ত্রাসী গুলিতে নিহত কক্সবাজারের ইনানীতে ৫০ কেজি গাঁজাসহ আটক ১ বজ্রাঘাতে প্রাণ গেল বাবার, কোল থেকে ছিটকে প্রাণে বাঁচল শিশুসন্তান শিশুদের ক্রীড়া বিকাশে আড়াইহাজারে গোল্ডকাপ ফুটবল ফাইনাল অনুষ্ঠিত উখিয়ায় বিজিবির অভিযানে তিন কোটি টাকার ইয়াবা উদ্ধার উজ্জলের অক্লান্ত প্রচেষ্টায় খাল খননে স্বস্তি ফিরেছে ইসদাইরে, টানা বৃষ্টিতেও নেই জলাবদ্ধতার দুর্ভোগ বালিয়াকান্দিতে নবযোগদানকৃত জেলা প্রশাসকের সাথে পরিচিতি ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত বেনাপোলে ইউনুস আলী হত্যা রহস্য উদঘাটন, পিবিআই’র জালে দুইজন আটক

প্রতারক চক্রের খপ্পরে পড়ে সব হারিয়ে নিঃস্ব ব্যবসায়ীর পরিবার

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:৫৯:৩৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ নভেম্বর ২০২৫
  • ১৫৫ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক: ‎গাজীপুরে মোঃ আমান উল্লাহ আমান নামে এক ব্যবসায়ীর কাছ থেকে ১৭ লাখ ৪০ হাজার  টাকা হাতিয়ে নিয়েছে  প্রতারক আবদুল্লাহ আল মামুন ও স্থানীয় কিছু প্রতারক চক্র । প্রতারকদের খপ্পরে পড়ে ভুক্তভোগী মোঃ আমান উল্লাহ আমান ও তার পরিবার সব হারিয়ে পথে বসেছে।

‎মোঃ আমান উল্লাহ আমান নেত্রকোনা জেলার আটপাড়া উপজেলা হরিপুর গ্রামের পিতা মৃত এ, কে, ফজলুল হকের ছেলে এবং আবদুল্লাহ আল মামুন পিরোজপুর জেলার কাউখালী উপজেলার আশোয়া গ্রামের ফোরকান হোসেনের ছেলে।

‎উভয়েই ব্যবসা করার সুবাধে গাজীপুর জেলা বাসন থানা ১৮ নং ওয়ার্ড, বাসা নম্বর ৪৮৮ ও ৪৮৪ নীহারিকা আবাসিক এলাকা, বশির সড়ক, জয়দেবপুর রোড, গাজীপুরে বসবাস করেন।

‎অভিযোগ ও লিখিত বক্তব্যে জানা যায়, মোঃ আমান উল্লাহ আমান একজন গার্মেন্টসের তৈরী পোষাক ক্রেতা-বিক্রতা।মোঃ আমান উল্লাহ আমান এর ভাই মোঃ আশরাফুলের সাথে  ব্যবসায়িক সম্পর্কের ফলে, গত ০৯ জানুয়ারি ২০২৫ তারিখ মোঃ আমান উল্লাহ আমানের  নিকট হতে, পাঁচ লক্ষ  টাকা এবং ১৬ জানুয়ারি ২০২৫ তারিখে ১২ লক্ষ ৪০ হাজার  টাকার গার্মেন্টস মালামাল ক্রয়ের জন্য হাওলাদ নেয়। পরে উক্ত মালামাল ক্রয় করতঃ শুধুমাত্র ১৪/১৫ হাজার  পিস সোয়েটার  মোঃ আমান উল্লাহ আমানের গােডাউনে রাখে এবং তার গোডাউনে আর জায়গা না থাকায় সেই সুযােগে বাকী মাল মােঃ আব্দুল্লাহ আল মামুনের বাসার মালিকের ছেলে সজল মিয়ার গােডাউনে রাখে
‎এবং আমান তা সরল বিশ্বাসে রাখতে দেয়।

‎উত্ত মালের ক্যাশ মেমো/চালান পরিকল্পিতভাবে মামুন তার নামে  করে এবং তা ভুলক্রমে করা হয়েছে বলে জানায়। পরে মামুন তার  প্রতিষ্ঠানের একটি ক্যাশ মেমাে/চালান ২৫ জানুয়ারি ২০২৫ অরিখে মোঃ আমান উল্লাহ আমানকে  প্রদান করে।

‎ক্রয়কৃত মালামাল ৭ দিন পরও বিক্রি না হওয়ায় মামুনকে টাকার জন্য চাপ দেওয়া হলে, পরবর্তীত ১০ই ফেব্রুয়ারি  ২০২৫ তারিখে ৩০০/- টাকার স্ট্যাম্পে একটি অঙ্গীকারনামা করে এই বলে যে ২-৪ মাসের মধ্যে মালের লাভসহ সকল টাকা পরিশােধ করবে। এছাড়াও বিবাদী উক্ত টাকার বিপরীতে মোট ২টি চেক প্রদান করে (১টি মুল টাকার, ১টি প্রতিমালে ১০ টাকা লাভ ধরে এবং  নিজ স্বাক্ষরিত ব্যবসায়ের লাইসেন্সের ফটোকপি (যা যাচাই করে ভুয়া ধরা পরে), আইডি কার্ড এর কপি,ব্যাংক কার্ড ইত্যাদি প্রদান করে।

‎এক পর্যায়ে আব্দুল্লাহ আল মামুন, মাহমুদুল হাসান(ভাই), সজল মিয়া মিয়া (বাসার মালিকের ছেলে),  মিজানুর রহমান (ম্যানেজার/সহকারী),, আরও ৩/৪  জনের যোগসাজোসে উক্ত মালামাল চুরি করে অল্প অল্প করে সর্বশেষ ১৭,০০,০০০/- লাখ টাকার মালামাল বিক্রি করে দেয়।

‎ বিষয়টি  গােপন সুত্রে জানতে পেরে টাকা পরিশােধের জন্য বলিলে মামুন  বিষয়টি অস্বীকার করে এবং উক্ত চক্র আমান এর ভাই শাহীনুর আলমকে  এই বলে হুমকি দেয় যে, ০৫ আগস্ট ২০২৪ এর পর পুলিশের চাকুরি খেতে ১ মিনিটও লাগবে না এবং তার প্রাননাশের হুমকি দেয় যা জিডিতে উল্লেখ আছে ।
‎পরবর্তীতে  হটাৎ বিগত ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ইং তারিখে আমানের  ভাই আশরাফুল এর ৫ লক্ষ ৫০  হাজার টাকার মধ্যে ৪ লক্ষ টাকা প্রদান করে এবং বাকী  টাকা বাবদ তার ১টি মোবাইল ইচ্ছাকৃতভাবে জামানত রেখে যায় যা ২৩  সেপ্টেম্বর  ২০২৫ইং তারিখে বাসন থানায় দায়েরকৃত অভিযোগে উল্লেখ আছে। মামুন পরের দিন টাকা পরিশােধ না করে উক্ত চক্র হয়রানি/টাকা আত্মসাৎ করার জন্য উল্টো আমান উল্লাহ আমান ও তার  ভাইদের বিরুদ্ধ গত ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫ তারিখে বাসন থানায়  একটি অভিযাগ দায়ের করে।  টাকা পরিশোধ করে মোবাইল ও কাগজপত্র না নেওয়ায় তা বাসন থানায় জমা করা হয় যা থানার জিডি নম্বর-৬২৫ এ উল্লেখ আছে। উক্ত প্রতারক চক্র আমানকে তার অফিসে যেতে দেয়না ও মেরে লাশ গুম করে ফেলার হুমকি দেয়, এতে সে নিরাপস্তা হীনতায় ভূগছে। এই বিষয়ে আবদুল্লাহ আল মামুনকে জিঙ্গাসা করা হলে, তিনি বিষয়টি অস্বীকার করেন।

‎পরবর্তীতে সাংবাদিকসহ থানায় কাগজপত্র নিয়ে হাজির হলে উভয়ের কাগজপত্র পর্যালোচনা এবং সরেজমিনে তদন্ত করে নিম্লোক্ত বিষয়সমূহ অবগত হই; ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫ইং তারিখে ঘটনার কোন আলামত পাওয়া যায়নি, ১০/১২টি সিসিটিভি থাকা সত্বেও তার ফুটেজ দেখাতে বললে মােঃ আবদুল্লাহ আল মামুন কোন সিসিটিভি ফুটেজ দিতে রাজি হয়নি বরং ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫ইং তারিখে বাসা থেকে জোরপূর্বক মালামাল আনার কোন সিসিটিভি ফুটেজ দাখিল করেনি। মুলতঃ ২৩  সেপ্টেম্বর ২০২৫ইং তারিখে বিবাদী ৪ লক্ষ টাকা নিয়ে বাদীর গোডাউনে আসে এবং তা দিয়ে সুস্থভাবে বাদীর অফিস ত্যাগ করে (যার ভিডিও ক্লিপ দেখেই নিশ্চিত হওয়া যায়)। পরবর্তীতে বাদীর ভাই ও বাদীর টাকা পরিশােধ…

 

 

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

পটিয়ায় গ্রাম ডাক্তার কল্যাণ সমিতির সায়েন্টিফিক সেমিনার অনুষ্ঠিত

প্রতারক চক্রের খপ্পরে পড়ে সব হারিয়ে নিঃস্ব ব্যবসায়ীর পরিবার

আপডেট সময় : ০৮:৫৯:৩৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ নভেম্বর ২০২৫

নিজস্ব প্রতিবেদক: ‎গাজীপুরে মোঃ আমান উল্লাহ আমান নামে এক ব্যবসায়ীর কাছ থেকে ১৭ লাখ ৪০ হাজার  টাকা হাতিয়ে নিয়েছে  প্রতারক আবদুল্লাহ আল মামুন ও স্থানীয় কিছু প্রতারক চক্র । প্রতারকদের খপ্পরে পড়ে ভুক্তভোগী মোঃ আমান উল্লাহ আমান ও তার পরিবার সব হারিয়ে পথে বসেছে।

‎মোঃ আমান উল্লাহ আমান নেত্রকোনা জেলার আটপাড়া উপজেলা হরিপুর গ্রামের পিতা মৃত এ, কে, ফজলুল হকের ছেলে এবং আবদুল্লাহ আল মামুন পিরোজপুর জেলার কাউখালী উপজেলার আশোয়া গ্রামের ফোরকান হোসেনের ছেলে।

‎উভয়েই ব্যবসা করার সুবাধে গাজীপুর জেলা বাসন থানা ১৮ নং ওয়ার্ড, বাসা নম্বর ৪৮৮ ও ৪৮৪ নীহারিকা আবাসিক এলাকা, বশির সড়ক, জয়দেবপুর রোড, গাজীপুরে বসবাস করেন।

‎অভিযোগ ও লিখিত বক্তব্যে জানা যায়, মোঃ আমান উল্লাহ আমান একজন গার্মেন্টসের তৈরী পোষাক ক্রেতা-বিক্রতা।মোঃ আমান উল্লাহ আমান এর ভাই মোঃ আশরাফুলের সাথে  ব্যবসায়িক সম্পর্কের ফলে, গত ০৯ জানুয়ারি ২০২৫ তারিখ মোঃ আমান উল্লাহ আমানের  নিকট হতে, পাঁচ লক্ষ  টাকা এবং ১৬ জানুয়ারি ২০২৫ তারিখে ১২ লক্ষ ৪০ হাজার  টাকার গার্মেন্টস মালামাল ক্রয়ের জন্য হাওলাদ নেয়। পরে উক্ত মালামাল ক্রয় করতঃ শুধুমাত্র ১৪/১৫ হাজার  পিস সোয়েটার  মোঃ আমান উল্লাহ আমানের গােডাউনে রাখে এবং তার গোডাউনে আর জায়গা না থাকায় সেই সুযােগে বাকী মাল মােঃ আব্দুল্লাহ আল মামুনের বাসার মালিকের ছেলে সজল মিয়ার গােডাউনে রাখে
‎এবং আমান তা সরল বিশ্বাসে রাখতে দেয়।

‎উত্ত মালের ক্যাশ মেমো/চালান পরিকল্পিতভাবে মামুন তার নামে  করে এবং তা ভুলক্রমে করা হয়েছে বলে জানায়। পরে মামুন তার  প্রতিষ্ঠানের একটি ক্যাশ মেমাে/চালান ২৫ জানুয়ারি ২০২৫ অরিখে মোঃ আমান উল্লাহ আমানকে  প্রদান করে।

‎ক্রয়কৃত মালামাল ৭ দিন পরও বিক্রি না হওয়ায় মামুনকে টাকার জন্য চাপ দেওয়া হলে, পরবর্তীত ১০ই ফেব্রুয়ারি  ২০২৫ তারিখে ৩০০/- টাকার স্ট্যাম্পে একটি অঙ্গীকারনামা করে এই বলে যে ২-৪ মাসের মধ্যে মালের লাভসহ সকল টাকা পরিশােধ করবে। এছাড়াও বিবাদী উক্ত টাকার বিপরীতে মোট ২টি চেক প্রদান করে (১টি মুল টাকার, ১টি প্রতিমালে ১০ টাকা লাভ ধরে এবং  নিজ স্বাক্ষরিত ব্যবসায়ের লাইসেন্সের ফটোকপি (যা যাচাই করে ভুয়া ধরা পরে), আইডি কার্ড এর কপি,ব্যাংক কার্ড ইত্যাদি প্রদান করে।

‎এক পর্যায়ে আব্দুল্লাহ আল মামুন, মাহমুদুল হাসান(ভাই), সজল মিয়া মিয়া (বাসার মালিকের ছেলে),  মিজানুর রহমান (ম্যানেজার/সহকারী),, আরও ৩/৪  জনের যোগসাজোসে উক্ত মালামাল চুরি করে অল্প অল্প করে সর্বশেষ ১৭,০০,০০০/- লাখ টাকার মালামাল বিক্রি করে দেয়।

‎ বিষয়টি  গােপন সুত্রে জানতে পেরে টাকা পরিশােধের জন্য বলিলে মামুন  বিষয়টি অস্বীকার করে এবং উক্ত চক্র আমান এর ভাই শাহীনুর আলমকে  এই বলে হুমকি দেয় যে, ০৫ আগস্ট ২০২৪ এর পর পুলিশের চাকুরি খেতে ১ মিনিটও লাগবে না এবং তার প্রাননাশের হুমকি দেয় যা জিডিতে উল্লেখ আছে ।
‎পরবর্তীতে  হটাৎ বিগত ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ইং তারিখে আমানের  ভাই আশরাফুল এর ৫ লক্ষ ৫০  হাজার টাকার মধ্যে ৪ লক্ষ টাকা প্রদান করে এবং বাকী  টাকা বাবদ তার ১টি মোবাইল ইচ্ছাকৃতভাবে জামানত রেখে যায় যা ২৩  সেপ্টেম্বর  ২০২৫ইং তারিখে বাসন থানায় দায়েরকৃত অভিযোগে উল্লেখ আছে। মামুন পরের দিন টাকা পরিশােধ না করে উক্ত চক্র হয়রানি/টাকা আত্মসাৎ করার জন্য উল্টো আমান উল্লাহ আমান ও তার  ভাইদের বিরুদ্ধ গত ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫ তারিখে বাসন থানায়  একটি অভিযাগ দায়ের করে।  টাকা পরিশোধ করে মোবাইল ও কাগজপত্র না নেওয়ায় তা বাসন থানায় জমা করা হয় যা থানার জিডি নম্বর-৬২৫ এ উল্লেখ আছে। উক্ত প্রতারক চক্র আমানকে তার অফিসে যেতে দেয়না ও মেরে লাশ গুম করে ফেলার হুমকি দেয়, এতে সে নিরাপস্তা হীনতায় ভূগছে। এই বিষয়ে আবদুল্লাহ আল মামুনকে জিঙ্গাসা করা হলে, তিনি বিষয়টি অস্বীকার করেন।

‎পরবর্তীতে সাংবাদিকসহ থানায় কাগজপত্র নিয়ে হাজির হলে উভয়ের কাগজপত্র পর্যালোচনা এবং সরেজমিনে তদন্ত করে নিম্লোক্ত বিষয়সমূহ অবগত হই; ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫ইং তারিখে ঘটনার কোন আলামত পাওয়া যায়নি, ১০/১২টি সিসিটিভি থাকা সত্বেও তার ফুটেজ দেখাতে বললে মােঃ আবদুল্লাহ আল মামুন কোন সিসিটিভি ফুটেজ দিতে রাজি হয়নি বরং ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫ইং তারিখে বাসা থেকে জোরপূর্বক মালামাল আনার কোন সিসিটিভি ফুটেজ দাখিল করেনি। মুলতঃ ২৩  সেপ্টেম্বর ২০২৫ইং তারিখে বিবাদী ৪ লক্ষ টাকা নিয়ে বাদীর গোডাউনে আসে এবং তা দিয়ে সুস্থভাবে বাদীর অফিস ত্যাগ করে (যার ভিডিও ক্লিপ দেখেই নিশ্চিত হওয়া যায়)। পরবর্তীতে বাদীর ভাই ও বাদীর টাকা পরিশােধ…