ঢাকা ১১:২০ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২৬, ২২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
প্রধানমন্ত্রীকে গ্লোবাল গেটওয়ে ফোরামে অংশ নেওয়ার আমন্ত্রণ শিক্ষার মানোন্নয়নে প্রতিটি ক্লাসরুমে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হবে: শিক্ষামন্ত্রী রপ্তানি ভর্তুকির আবেদন নিরীক্ষায় বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন নির্দেশনা এটাকেই শেষ বিশ্বকাপ বললেন রোনালদো তেহরানে খামেনির শেষযাত্রা শুরু, লাখো মানুষের ঢল বরুড়ায় কিশোরকে হত্যাচেষ্টা মামলায় এক আসামি গ্রেপ্তার, আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি সোনারগাঁওয়ে’One Student, One Tree’ কর্মসূচির উদ্বোধনে ১৯ হাজার ৩২০ শিক্ষার্থীকে ২৫ হাজার বৃক্ষের চারা বিতরণ প্রধানমন্ত্রীকে সৌদি আরব সফরের আমন্ত্রণ উন্নয়ন হতে হবে অন্তর্ভুক্তিমূলক, ন্যায়সঙ্গত ও পল্লীকেন্দ্রিক: মির্জা ফখরুল প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আইএপিবি’র প্রধান নির্বাহীর সাক্ষাৎ

ভারত সরকারের বিশেষ ট্রাভেল পারমিটের মাধ্যমে তারা দেশে ফিরলেন ৫০বাংলাদেশী

মনির হোসেন,যশোর প্রতিনিধি : ভারতে অবৈধভাবে অনুপ্রবেশের অভিযোগে বিভিন্ন মেয়াদে কারাভোগ শেষে বিশেষ ট্রাভেল পারমিটের মাধ্যমে ৫০ জন বাংলাদেশি নারী-পুরুষ দেশে ফিরেছেন।

রোববার (৫ জুলাই) রাত ৯টার দিকে ভারতের পেট্রাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশ তাদের বিএসএফের কাছে হস্তান্তর করে। পরে বিএসএফ তাদের বেনাপোল চেকপোস্টে বিজিবির কাছে এবং বিজিবি বেনাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে।

এ সময় দুই দেশের পুলিশ, সীমান্তরক্ষী বাহিনী এবং মানবাধিকার সংস্থার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

ফেরত আসাদের মধ্যে ৪৪ জন পুরুষ ও ছয়জন নারী রয়েছেন। তারা যশোর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, ঢাকা, মাদারীপুর, টাঙ্গাইল, সাতক্ষীরা, নড়াইল, ঝিনাইদহ ও চাঁদপুর জেলার বাসিন্দা।

ফেরত আসা ফিরোজ মাহমুদ জানান, ভালো কাজের আশায় দালালের মাধ্যমে সীমান্তের অবৈধ পথে তারা ভারতের তামিলনাড়ুতে যান। সেখানে বাসাবাড়ি, গার্মেন্টস ও ইটভাটায় কাজ করার সময় ভারতীয় পুলিশ তাদের আটক করে আদালতে পাঠায়। পরে অবৈধ অনুপ্রবেশের দায়ে আদালত তাদের দুই থেকে তিন বছরের কারাদণ্ড দেন।

তিনি আরও জানান, কারাভোগ শেষে ভারতের একটি বেসরকারি মানবাধিকার সংস্থা তাদের কারাগার থেকে মুক্ত করে নিজেদের শেল্টার হোমে রাখে। পরবর্তীতে দুই দেশের দূতাবাসের সহযোগিতা এবং ভারত সরকারের বিশেষ ট্রাভেল পারমিটের মাধ্যমে তারা দেশে ফেরার সুযোগ পান।

বেনাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুর রহমান বলেন, ইমিগ্রেশনের আনুষ্ঠানিকতা শেষে ৫০ জন বাংলাদেশিকে বেনাপোল পোর্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। সেখান থেকে জাস্টিস অ্যান্ড কেয়ার নামের একটি মানবাধিকার সংস্থা তাদের গ্রহণ করে পরিবারের কাছে পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করবে।

যশোরের জাস্টিস অ্যান্ড কেয়ার-এর ভলান্টিয়ার শফিকুল ইসলাম জানান, ফেরত আসাদের প্রথমে সংস্থার যশোর শেল্টার হোমে রাখা হবে। পরে প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শেষে তাদের নিজ নিজ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।#

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রধানমন্ত্রীকে গ্লোবাল গেটওয়ে ফোরামে অংশ নেওয়ার আমন্ত্রণ

ভারত সরকারের বিশেষ ট্রাভেল পারমিটের মাধ্যমে তারা দেশে ফিরলেন ৫০বাংলাদেশী

আপডেট সময় : ১২:৫৩:০৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ জুলাই ২০২৬

মনির হোসেন,যশোর প্রতিনিধি : ভারতে অবৈধভাবে অনুপ্রবেশের অভিযোগে বিভিন্ন মেয়াদে কারাভোগ শেষে বিশেষ ট্রাভেল পারমিটের মাধ্যমে ৫০ জন বাংলাদেশি নারী-পুরুষ দেশে ফিরেছেন।

রোববার (৫ জুলাই) রাত ৯টার দিকে ভারতের পেট্রাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশ তাদের বিএসএফের কাছে হস্তান্তর করে। পরে বিএসএফ তাদের বেনাপোল চেকপোস্টে বিজিবির কাছে এবং বিজিবি বেনাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে।

এ সময় দুই দেশের পুলিশ, সীমান্তরক্ষী বাহিনী এবং মানবাধিকার সংস্থার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

ফেরত আসাদের মধ্যে ৪৪ জন পুরুষ ও ছয়জন নারী রয়েছেন। তারা যশোর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, ঢাকা, মাদারীপুর, টাঙ্গাইল, সাতক্ষীরা, নড়াইল, ঝিনাইদহ ও চাঁদপুর জেলার বাসিন্দা।

ফেরত আসা ফিরোজ মাহমুদ জানান, ভালো কাজের আশায় দালালের মাধ্যমে সীমান্তের অবৈধ পথে তারা ভারতের তামিলনাড়ুতে যান। সেখানে বাসাবাড়ি, গার্মেন্টস ও ইটভাটায় কাজ করার সময় ভারতীয় পুলিশ তাদের আটক করে আদালতে পাঠায়। পরে অবৈধ অনুপ্রবেশের দায়ে আদালত তাদের দুই থেকে তিন বছরের কারাদণ্ড দেন।

তিনি আরও জানান, কারাভোগ শেষে ভারতের একটি বেসরকারি মানবাধিকার সংস্থা তাদের কারাগার থেকে মুক্ত করে নিজেদের শেল্টার হোমে রাখে। পরবর্তীতে দুই দেশের দূতাবাসের সহযোগিতা এবং ভারত সরকারের বিশেষ ট্রাভেল পারমিটের মাধ্যমে তারা দেশে ফেরার সুযোগ পান।

বেনাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুর রহমান বলেন, ইমিগ্রেশনের আনুষ্ঠানিকতা শেষে ৫০ জন বাংলাদেশিকে বেনাপোল পোর্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। সেখান থেকে জাস্টিস অ্যান্ড কেয়ার নামের একটি মানবাধিকার সংস্থা তাদের গ্রহণ করে পরিবারের কাছে পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করবে।

যশোরের জাস্টিস অ্যান্ড কেয়ার-এর ভলান্টিয়ার শফিকুল ইসলাম জানান, ফেরত আসাদের প্রথমে সংস্থার যশোর শেল্টার হোমে রাখা হবে। পরে প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শেষে তাদের নিজ নিজ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।#