ঢাকা ০৩:৩৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
উখিয়ায় বিজিবির পৃথক অভিযানে দেড় লাখ ইয়াবা উদ্ধার, গ্রেপ্তার ১ বরুড়া প্রেসক্লাবের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত যশোর কেশবপুরে পরীক্ষা দিতে যাওয়ার পথে এইচএসসি পরীক্ষার্থীর মৃত্যু পটিয়ায় ফুলকলির ইটিপির অগ্রগতিতে সন্তোষ, দ্রুত কাজ শেষের নির্দেশ এমপি এনামুল হক এনাম নরসিংদীতে হানি ট্র্যাপ চক্রের ৪ সদস্য ও কথিত কোর্ট কমিশনার সহ বিভিন্ন অপরাধে গ্রেফতার ৩৮ যশোরে যুবলীগ নেতা দাঁতাল বাবু ও রতন আটক বেনাপোলে সড়ক দুর্ঘটনায় মাদ্রাসার সহকারী নিহত, শিক্ষকসহ ২ জন আহত যশোর মণিরামপুরে অনলাইন জুয়া ও বেটিংয়ের অভিযোগে ৪ জন আটক নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা ও সরকারি কর্মচারী নেতা কামরুল ইসলাম কে জন্মদিনের শুভেচ্ছা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে গণিত অলিম্পিয়াডে পদকজয়ীদের সাক্ষাৎ

পটিয়ায় ফুলকলির ইটিপির অগ্রগতিতে সন্তোষ, দ্রুত কাজ শেষের নির্দেশ এমপি এনামুল হক এনাম

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১২:৫১:২৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬
  • ৪ বার পড়া হয়েছে

পটিয়া (চট্টগ্রাম) থেকে সেলিম চৌধুরী: চট্টগ্রামের পটিয়ায় পরিবেশ দূষণ নিয়ন্ত্রণ, নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন এবং ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণে দুইটি বৃহৎ ভোগ্যপণ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান ফুলকলি ও বনফুল কারখানায় যৌথ পরিদর্শন ও বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেছে পরিবেশ অধিদপ্তর, জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর এবং স্থানীয় সংসদ সদস্যের নেতৃত্বাধীন একটি বিশেষ টিম।বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) দুপুরে প্রথমে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের পাশে জঙ্গলখাইন ইউনিয়ন পরিষদের সামনে ফুলকলি কারখানা পরিদর্শন করেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। এ সময় কারখানাটির বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, উৎপাদন কার্যক্রম এবং পূর্বের নির্দেশনা অনুযায়ী নির্মাণাধীন ইটিপি (ঊভভষঁবহঃ ঞৎবধঃসবহঃ চষধহঃ) প্রকল্পের অগ্রগতি সরেজমিনে পর্যেবক্ষণ করা হয়।

পরিদর্শনকালে দেখা যায়, কারখানার ইটিপি স্থাপনের কাজ প্রায় ৯০ শতাংশ সম্পন্ন হয়েছে। এ অগ্রগতিতে পরিবেশ অধিদপ্তর, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর এবং স্থানীয় সংসদ সদস্য সন্তোষ প্রকাশ করলেও অবশিষ্ট কাজ দ্রুত শেষ করার জন্য কারখানা কর্তৃপক্ষকে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়।

পরিদর্শন শেষে স্থানীয় সংসদ সদস্য মোহাম্মদ এনামুল হক এনাম বলেন, নির্বাচনের আগে আমি জনগণের কাছে পরিবেশ রক্ষার অঙ্গীকার করেছিলাম। নির্বাচিত হওয়ার পরপরই এই কারখানায় এসে স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগের সত্যতা দেখতে পাই। বিশেষ করে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে জনমনে উদ্বেগ ছিল। তখনই কারখানা কর্তৃপক্ষকে দ্রুত ইটিপি স্থাপনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল। আজ আমরা আবার পরিদর্শনে এসে দেখলাম কাজের প্রায় ৯০ শতাংশ শেষ হয়েছে। এটি ইতিবাচক অগ্রগতি। তবে শতভাগ কাজ সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত তদারকি অব্যাহত থাকবে।তিনি আরও বলেন, শিল্পায়নের পাশাপাশি পরিবেশ সুরক্ষাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। কোনো শিল্প প্রতিষ্ঠান পরিবেশ বিধি লঙ্ঘন করে পরিচালিত হতে পারবে না। জনগণের স্বাস্থ্য ও পরিবেশের সঙ্গে কোনো আপস করা হবে না।পরবর্তীতে টিমটি পটিয়ার হাবিলাসদ্বীপ ইউনিয়নের পাচুরিয়া এলাকায় অবস্থিত বনফুল কারখানা পরিদর্শন করে। সেখানে উৎপাদন প্রক্রিয়া, প্যাকেটজাত পণ্যের ওজন পরিমাপ, পরিচ্ছন্নতা ব্যবস্থা, মান নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম এবং ইটিপির কার্যক্রম ঘুরে দেখা হয়।পরিদর্শন শেষে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা কারখানার পরিচ্ছন্ন পরিবেশ, মানসম্মত উৎপাদন ব্যবস্থা এবং ভোক্তা স্বার্থ সংরক্ষণে গৃহীত পদক্ষেপে সন্তোষ প্রকাশ করেন।

পরিদর্শন শেষে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর চট্টগ্রাম জেলার সহকারী পরিচালক মো. আনিসুল ইসলাম বলেন, ভোক্তাদের কাছে যে পণ্য পৌঁছায় তা নির্ধারিত মান ও ওজনে সরবরাহ করা হচ্ছে কি না, তা আমরা নিয়মিত পর্যেবক্ষণ করছি। আজকের পরিদর্শনে বনফুল কারখানার বিভিন্ন কার্যক্রম সন্তোষজনক পাওয়া গেছে। তবে ভোক্তার অধিকার নিশ্চিত করতে আমাদের নজরদারি অব্যাহত থাকবে।

পরিবেশ অধিদপ্তর চট্টগ্রাম জেলার পরিদর্শক মঈনুদ্দীন ফয়সাল বলেন, শিল্প প্রতিষ্ঠানের পরিবেশগত অনুবর্তিতা নিশ্চিত করাই আমাদের মূল লক্ষ্য। ফুলকলি কারখানার ইটিপি স্থাপনের কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ সম্পন্ন করে পরিবেশবান্ধব উৎপাদন ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে। অন্যথায় পরিবেশ সংরক্ষণ আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।পটিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারহানুর রহমান বলেন, শিল্পায়নের ফলে কর্মসংস্থান সৃষ্টি হচ্ছে, যা ইতিবাচক। তবে পরিবেশ ও জনস্বার্থের বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে দেখতে হবে। সরকারি নির্দেশনা ও পরিবেশগত মানদণ্ড অনুসরণ নিশ্চিত করতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিয়মিত তদারকি অব্যাহত থাকবে।

এদিকে, স্থানীয়রা বলছেন দীর্ঘদিন ধরে শিল্প কারখানার বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও পরিবেশ দূষণ নিয়ে যে উদ্বেগ ছিল, যৌথ এ পরিদর্শন কার্যক্রম তার ইতিবাচক সমাধানের পথ তৈরি করবে। একই সঙ্গে শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলোকে পরিবেশবান্ধব উৎপাদন ব্যবস্থার আওতায় আনতে প্রশাসনের কঠোর অবস্থানেরও প্রতিফলন ঘটেছে।এসময় উপস্থিত ছিলেন পটিয়া উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব খোরশেদ আলম, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্য শফিকুল ইসলাম, পটিয়া উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সচিব মঈনুল আলম ছোটন, ফুলকলির জিএম জসিম উদ্দিন, বনফুলের জিএম শাহ কামাল মোস্তফা, ম্যানেজার এডমিন শহিদুল আলম, পটিয়া থানার উপপরিদর্শক মো. জুয়েল উদ্দিন, উপপরিদর্শক আখতার হোসেন, জঙ্গলখাইন ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান গাজী বখতিয়ার উদ্দিন বকুল, বিএনপি নেতা সেলিম উদ্দিন, মো. হাসান, পটিয়া প্রেস ক্লাবের সভাপতি নুর হোসেন, সাধারণ সম্পাদক সেলিম চৌধুরী।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

উখিয়ায় বিজিবির পৃথক অভিযানে দেড় লাখ ইয়াবা উদ্ধার, গ্রেপ্তার ১

পটিয়ায় ফুলকলির ইটিপির অগ্রগতিতে সন্তোষ, দ্রুত কাজ শেষের নির্দেশ এমপি এনামুল হক এনাম

আপডেট সময় : ১২:৫১:২৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬

পটিয়া (চট্টগ্রাম) থেকে সেলিম চৌধুরী: চট্টগ্রামের পটিয়ায় পরিবেশ দূষণ নিয়ন্ত্রণ, নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন এবং ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণে দুইটি বৃহৎ ভোগ্যপণ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান ফুলকলি ও বনফুল কারখানায় যৌথ পরিদর্শন ও বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেছে পরিবেশ অধিদপ্তর, জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর এবং স্থানীয় সংসদ সদস্যের নেতৃত্বাধীন একটি বিশেষ টিম।বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) দুপুরে প্রথমে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের পাশে জঙ্গলখাইন ইউনিয়ন পরিষদের সামনে ফুলকলি কারখানা পরিদর্শন করেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। এ সময় কারখানাটির বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, উৎপাদন কার্যক্রম এবং পূর্বের নির্দেশনা অনুযায়ী নির্মাণাধীন ইটিপি (ঊভভষঁবহঃ ঞৎবধঃসবহঃ চষধহঃ) প্রকল্পের অগ্রগতি সরেজমিনে পর্যেবক্ষণ করা হয়।

পরিদর্শনকালে দেখা যায়, কারখানার ইটিপি স্থাপনের কাজ প্রায় ৯০ শতাংশ সম্পন্ন হয়েছে। এ অগ্রগতিতে পরিবেশ অধিদপ্তর, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর এবং স্থানীয় সংসদ সদস্য সন্তোষ প্রকাশ করলেও অবশিষ্ট কাজ দ্রুত শেষ করার জন্য কারখানা কর্তৃপক্ষকে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়।

পরিদর্শন শেষে স্থানীয় সংসদ সদস্য মোহাম্মদ এনামুল হক এনাম বলেন, নির্বাচনের আগে আমি জনগণের কাছে পরিবেশ রক্ষার অঙ্গীকার করেছিলাম। নির্বাচিত হওয়ার পরপরই এই কারখানায় এসে স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগের সত্যতা দেখতে পাই। বিশেষ করে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে জনমনে উদ্বেগ ছিল। তখনই কারখানা কর্তৃপক্ষকে দ্রুত ইটিপি স্থাপনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল। আজ আমরা আবার পরিদর্শনে এসে দেখলাম কাজের প্রায় ৯০ শতাংশ শেষ হয়েছে। এটি ইতিবাচক অগ্রগতি। তবে শতভাগ কাজ সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত তদারকি অব্যাহত থাকবে।তিনি আরও বলেন, শিল্পায়নের পাশাপাশি পরিবেশ সুরক্ষাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। কোনো শিল্প প্রতিষ্ঠান পরিবেশ বিধি লঙ্ঘন করে পরিচালিত হতে পারবে না। জনগণের স্বাস্থ্য ও পরিবেশের সঙ্গে কোনো আপস করা হবে না।পরবর্তীতে টিমটি পটিয়ার হাবিলাসদ্বীপ ইউনিয়নের পাচুরিয়া এলাকায় অবস্থিত বনফুল কারখানা পরিদর্শন করে। সেখানে উৎপাদন প্রক্রিয়া, প্যাকেটজাত পণ্যের ওজন পরিমাপ, পরিচ্ছন্নতা ব্যবস্থা, মান নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম এবং ইটিপির কার্যক্রম ঘুরে দেখা হয়।পরিদর্শন শেষে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা কারখানার পরিচ্ছন্ন পরিবেশ, মানসম্মত উৎপাদন ব্যবস্থা এবং ভোক্তা স্বার্থ সংরক্ষণে গৃহীত পদক্ষেপে সন্তোষ প্রকাশ করেন।

পরিদর্শন শেষে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর চট্টগ্রাম জেলার সহকারী পরিচালক মো. আনিসুল ইসলাম বলেন, ভোক্তাদের কাছে যে পণ্য পৌঁছায় তা নির্ধারিত মান ও ওজনে সরবরাহ করা হচ্ছে কি না, তা আমরা নিয়মিত পর্যেবক্ষণ করছি। আজকের পরিদর্শনে বনফুল কারখানার বিভিন্ন কার্যক্রম সন্তোষজনক পাওয়া গেছে। তবে ভোক্তার অধিকার নিশ্চিত করতে আমাদের নজরদারি অব্যাহত থাকবে।

পরিবেশ অধিদপ্তর চট্টগ্রাম জেলার পরিদর্শক মঈনুদ্দীন ফয়সাল বলেন, শিল্প প্রতিষ্ঠানের পরিবেশগত অনুবর্তিতা নিশ্চিত করাই আমাদের মূল লক্ষ্য। ফুলকলি কারখানার ইটিপি স্থাপনের কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ সম্পন্ন করে পরিবেশবান্ধব উৎপাদন ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে। অন্যথায় পরিবেশ সংরক্ষণ আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।পটিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারহানুর রহমান বলেন, শিল্পায়নের ফলে কর্মসংস্থান সৃষ্টি হচ্ছে, যা ইতিবাচক। তবে পরিবেশ ও জনস্বার্থের বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে দেখতে হবে। সরকারি নির্দেশনা ও পরিবেশগত মানদণ্ড অনুসরণ নিশ্চিত করতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিয়মিত তদারকি অব্যাহত থাকবে।

এদিকে, স্থানীয়রা বলছেন দীর্ঘদিন ধরে শিল্প কারখানার বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও পরিবেশ দূষণ নিয়ে যে উদ্বেগ ছিল, যৌথ এ পরিদর্শন কার্যক্রম তার ইতিবাচক সমাধানের পথ তৈরি করবে। একই সঙ্গে শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলোকে পরিবেশবান্ধব উৎপাদন ব্যবস্থার আওতায় আনতে প্রশাসনের কঠোর অবস্থানেরও প্রতিফলন ঘটেছে।এসময় উপস্থিত ছিলেন পটিয়া উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব খোরশেদ আলম, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্য শফিকুল ইসলাম, পটিয়া উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সচিব মঈনুল আলম ছোটন, ফুলকলির জিএম জসিম উদ্দিন, বনফুলের জিএম শাহ কামাল মোস্তফা, ম্যানেজার এডমিন শহিদুল আলম, পটিয়া থানার উপপরিদর্শক মো. জুয়েল উদ্দিন, উপপরিদর্শক আখতার হোসেন, জঙ্গলখাইন ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান গাজী বখতিয়ার উদ্দিন বকুল, বিএনপি নেতা সেলিম উদ্দিন, মো. হাসান, পটিয়া প্রেস ক্লাবের সভাপতি নুর হোসেন, সাধারণ সম্পাদক সেলিম চৌধুরী।