ঢাকা ০৯:০৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬, ৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
যশোরে সরকারি মহিলা কলেজে শিক্ষক সংকট, অতিথি শিক্ষকে চলছে ব্যবসা শিক্ষা শাখা কক্সবাজারে ৫০ বোতল ফেনসিডিলসহ দুই মাদক কারবারি আটক বরুড়ার কৃতী চিকিৎসক এবার চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন, দায়িত্ব পেলেন ডা. সাজেদুর রহমান যশোর ২৫০ শয্যা হাসপাতালে অজ্ঞান পার্টি-চোর চক্রের ফাঁদে রোগী-স্বজন উখিয়ায় ৬ লাখ ৭২ হাজার ইয়াবা উদ্ধার, পালিয়ে গেল ৭-৮ চোরাকারবারি টেকনাফে হ্নীলার মগপাড়া থেকে ইয়াবার চালান উদ্ধার হলেও; প্রকৃত মালিক মাহাবু এখনো অধরা! ভালোবাসায় সিক্ত হয়ে বিদায়ী কুষ্টিয়ায় পুলিশ সুপার জসিম উদ্দিন ও পুনাক সভানেত্রী ভারতের ইছামতীর পানিতে প্লাবিত বেনাপোলে ১০০ পরিবার পেল বিজিবির ত্রাণ ভারতের ইছামতীর পানিতে প্লাবিত বেনাপোলে ১০০ পরিবার পেল বিজিবির ত্রাণ

যশোরে সরকারি মহিলা কলেজে শিক্ষক সংকট, অতিথি শিক্ষকে চলছে ব্যবসা শিক্ষা শাখা

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:১৬:৩৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬
  • ০ বার পড়া হয়েছে

মনির হোসেন, যশোর প্রতিনিধি : দীর্ঘদিন ধরে তীব্র শিক্ষক সংকটের মধ্য দিয়ে চলছে যশোর সরকারি মহিলা কলেজের শিক্ষা কার্যক্রম। কলেজে পর্যাপ্ত শিক্ষক না থাকায় ব্যাহত হচ্ছে পাঠদান। বিশেষ করে উচ্চ মাধ্যমিক (এইচএসসি) পর্যায়ের ব্যবসা শিক্ষা শাখায় এক যুগেরও বেশি সময় ধরে কোনো স্থায়ী শিক্ষক না থাকায় অতিথি শিক্ষক দিয়ে জোড়াতালি দিয়ে চালানো হচ্ছে শিক্ষা কার্যক্রম। কলেজ সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে এইচএসসি বিজ্ঞান, মানবিক ও ব্যবসা শিক্ষা শাখার পাশাপাশি অনার্স ও মাস্টার্স মিলে প্রায় ৮ হাজার ছাত্রী এখানে অধ্যয়নরত। অথচ বিপুল সংখ্যক এই শিক্ষার্থীদের পাঠদানের জন্য অধ্যক্ষ ও উপাধ্যক্ষ পদ ব্যতীত মাত্র ৭০টি মঞ্জুরীকৃত শিক্ষক পদ রয়েছে। দুঃখজনক হলেও সত্য, এর মধ্যে বর্তমানে কর্মরত আছেন মাত্র ৫৭ জন শিক্ষক এবং ১৩টি পদ সম্পূর্ণ শূন্য রয়েছে। বর্তমানে ইংরেজিতে ২টি, ভূগোলে ২টি, রসায়নে ২টি এবং বাংলা, ইসলামিক স্টাডিজ, অর্থনীতি, পদার্থবিজ্ঞান, উদ্ভিদবিজ্ঞান, প্রাণিবিজ্ঞান ও গণিতে ১টি করে পদ শূন্য রয়েছে। সামনে একাদশ শ্রেণির নতুন ভর্তি কার্যক্রম শেষ হলে ছাত্রীর সংখ্যা আরও বৃদ্ধি পাবে, যা বিদ্যমান শিক্ষক সংকটের কারণে শিক্ষার পরিবেশকে আরও নাজুক করে তুলবে। সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় হলো, ২০১২ সালে চালু হওয়া এইচএসসি ব্যবসা শিক্ষা শাখার চিত্র। চালুর পর থেকে গত ১২ বছরেও এই শাখার জন্য নতুন কোনো শিক্ষক পদ সৃষ্টি করা হয়নি। ফলে স্থায়ী শিক্ষক নিয়োগও সম্ভব হয়নি। বাধ্য হয়ে প্রতিষ্ঠার পর থেকেই অতিথি শিক্ষক এনে কার্যক্রম সচল রাখা হয়েছে। এ বিষয়ে কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর নাজমুল হাসান ফারুক জানান, শিক্ষক শূন্যতা নিরসন করা এখন সময়ের দাবি। শূন্য পদ পূরণ ও নতুন পদ সৃষ্টির জন্য ইতোমধ্যে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে লিখিত আবেদন জানানো হয়েছে। দ্রুত সরকারিভাবে স্থায়ী শিক্ষক পদায়ন করা না হলে মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করা কঠিন হয়ে পড়বে।#

 

 

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

যশোরে সরকারি মহিলা কলেজে শিক্ষক সংকট, অতিথি শিক্ষকে চলছে ব্যবসা শিক্ষা শাখা

যশোরে সরকারি মহিলা কলেজে শিক্ষক সংকট, অতিথি শিক্ষকে চলছে ব্যবসা শিক্ষা শাখা

আপডেট সময় : ০৭:১৬:৩৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬

মনির হোসেন, যশোর প্রতিনিধি : দীর্ঘদিন ধরে তীব্র শিক্ষক সংকটের মধ্য দিয়ে চলছে যশোর সরকারি মহিলা কলেজের শিক্ষা কার্যক্রম। কলেজে পর্যাপ্ত শিক্ষক না থাকায় ব্যাহত হচ্ছে পাঠদান। বিশেষ করে উচ্চ মাধ্যমিক (এইচএসসি) পর্যায়ের ব্যবসা শিক্ষা শাখায় এক যুগেরও বেশি সময় ধরে কোনো স্থায়ী শিক্ষক না থাকায় অতিথি শিক্ষক দিয়ে জোড়াতালি দিয়ে চালানো হচ্ছে শিক্ষা কার্যক্রম। কলেজ সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে এইচএসসি বিজ্ঞান, মানবিক ও ব্যবসা শিক্ষা শাখার পাশাপাশি অনার্স ও মাস্টার্স মিলে প্রায় ৮ হাজার ছাত্রী এখানে অধ্যয়নরত। অথচ বিপুল সংখ্যক এই শিক্ষার্থীদের পাঠদানের জন্য অধ্যক্ষ ও উপাধ্যক্ষ পদ ব্যতীত মাত্র ৭০টি মঞ্জুরীকৃত শিক্ষক পদ রয়েছে। দুঃখজনক হলেও সত্য, এর মধ্যে বর্তমানে কর্মরত আছেন মাত্র ৫৭ জন শিক্ষক এবং ১৩টি পদ সম্পূর্ণ শূন্য রয়েছে। বর্তমানে ইংরেজিতে ২টি, ভূগোলে ২টি, রসায়নে ২টি এবং বাংলা, ইসলামিক স্টাডিজ, অর্থনীতি, পদার্থবিজ্ঞান, উদ্ভিদবিজ্ঞান, প্রাণিবিজ্ঞান ও গণিতে ১টি করে পদ শূন্য রয়েছে। সামনে একাদশ শ্রেণির নতুন ভর্তি কার্যক্রম শেষ হলে ছাত্রীর সংখ্যা আরও বৃদ্ধি পাবে, যা বিদ্যমান শিক্ষক সংকটের কারণে শিক্ষার পরিবেশকে আরও নাজুক করে তুলবে। সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় হলো, ২০১২ সালে চালু হওয়া এইচএসসি ব্যবসা শিক্ষা শাখার চিত্র। চালুর পর থেকে গত ১২ বছরেও এই শাখার জন্য নতুন কোনো শিক্ষক পদ সৃষ্টি করা হয়নি। ফলে স্থায়ী শিক্ষক নিয়োগও সম্ভব হয়নি। বাধ্য হয়ে প্রতিষ্ঠার পর থেকেই অতিথি শিক্ষক এনে কার্যক্রম সচল রাখা হয়েছে। এ বিষয়ে কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর নাজমুল হাসান ফারুক জানান, শিক্ষক শূন্যতা নিরসন করা এখন সময়ের দাবি। শূন্য পদ পূরণ ও নতুন পদ সৃষ্টির জন্য ইতোমধ্যে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে লিখিত আবেদন জানানো হয়েছে। দ্রুত সরকারিভাবে স্থায়ী শিক্ষক পদায়ন করা না হলে মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করা কঠিন হয়ে পড়বে।#