ঢাকা ০৯:০১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
১১ দিনেই ৭০০ কোটি, তামিল সিনেমায় শীর্ষে ‘জেলার ২’ ইরাকে এশিয়া কাপে দুই ফাইনালে বাংলাদেশ জাপানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইয়াসুও ফুকুদা মারা গেছেন উখিয়ায় ৬৪ বিজিবির দুই অভিযানে ১ লাখ ৮০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার যশোরের বেনাপোল-খড়িডাঙ্গা পাকা সড়কে সৃষ্টি হয়েছে স্থায়ী জলাবদ্ধতা, দুর্ভোগে ১০ গ্রামের মানুষ যশোরের শার্শায় চোর সন্দেহে আটক ৬ উচ্চশিক্ষার গুণগত মান নিশ্চিতে অ্যাক্রেডিটেশন কাউন্সিলকে আরও ভূমিকা রাখার আহ্বান রাষ্ট্রপতির বিদেশি ঋণ পরিশোধ বেড়েছে গিয়াস কামাল চৌধুরী ছিলেন সাহসী ও নিষ্ঠাবান সাংবাদিক: রুহুল কবির রিজভী ট্রাকচালক হোসেন হত্যা মামলা : শেখ হাসিনাসহ ৩৪ জনের বিচার শুরু

উখিয়ায় ৬৪ বিজিবির দুই অভিযানে ১ লাখ ৮০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:৪৮:০৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬
  • ১ বার পড়া হয়েছে

ফরহাদ রহমান,স্টাফ রিপোর্টার কক্সবাজার: কক্সবাজারের উখিয়ায় সীমান্ত এলাকায় পৃথক দুটি অভিযানে মালিকবিহীন ১ লাখ ৮০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করেছে ৬৪ বিজিবি। অভিযানের সময় ইয়াবার চালান ফেলে নাফ নদীতে ঝাঁপ দিয়ে মিয়ানমারে পালিয়ে যায় তিন চোরাকারবারি।

সোমবার (২৬ অক্টোবর) ভোর ও সকালে জীম্বংখালী ও পালংখালী বিওপির আওতাধীন এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে এসব ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।

বিজিবি সূত্র জানায়, ভোর আনুমানিক ৫টার দিকে জীম্বংখালী বিওপির বিশেষ টহল দল সীমান্তের দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় ৭ নম্বর বিজিবি পোস্টসংলগ্ন সেলিম আহমেদের মাছের ঘের এলাকায় অভিযান চালায়। এ সময় মিয়ানমার থেকে ব্যাগ হাতে দুই ব্যক্তিকে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে প্রবেশ করতে দেখে তাদের চ্যালেঞ্জ করা হয়। চোরাকারবারিরা ব্যাগ ফেলে নাফ নদীতে ঝাঁপ দিয়ে সাঁতরে মিয়ানমারে পালিয়ে যায়।

পরে ফেলে যাওয়া ব্যাগ তল্লাশি করে খাকি রঙের প্যাকেটে মোড়ানো নীল রঙের বায়ুরোধী ১০ কাটে ১ লাখ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।

অন্যদিকে সকাল আনুমানিক ৯টার দিকে পালংখালী বিওপির বিশেষ টহল দল গুইজ্জা খালের পশ্চিম পাশে মিয়ানমার থেকে এক ব্যক্তিকে পোটলা হাতে বাংলাদেশে প্রবেশ করতে দেখে। বিজিবি সদস্যরা তাকে চ্যালেঞ্জ করলে সে পোটলা ফেলে নাফ নদীতে ঝাঁপ দিয়ে মিয়ানমারের দিকে পালিয়ে যায়।

পরে ওই পোটলা তল্লাশি করে খাকি রঙের প্যাকেটে মোড়ানো নীল রঙের বায়ুরোধী ৮ কাটে ৮০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।

দুটি অভিযানের পর ঘটনাস্থল ও আশপাশের এলাকায় চিরুনি অভিযান চালানো হলেও পলাতক চোরাকারবারিদের কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।

উখিয়া ব্যাটালিয়ন ৬৪ বিজিবির অধিনায়ক জানান, মাদক সরবরাহকারী ও চোরাকারবারিদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। সীমান্তে মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

১১ দিনেই ৭০০ কোটি, তামিল সিনেমায় শীর্ষে ‘জেলার ২’

উখিয়ায় ৬৪ বিজিবির দুই অভিযানে ১ লাখ ৮০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার

আপডেট সময় : ০৭:৪৮:০৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬

ফরহাদ রহমান,স্টাফ রিপোর্টার কক্সবাজার: কক্সবাজারের উখিয়ায় সীমান্ত এলাকায় পৃথক দুটি অভিযানে মালিকবিহীন ১ লাখ ৮০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করেছে ৬৪ বিজিবি। অভিযানের সময় ইয়াবার চালান ফেলে নাফ নদীতে ঝাঁপ দিয়ে মিয়ানমারে পালিয়ে যায় তিন চোরাকারবারি।

সোমবার (২৬ অক্টোবর) ভোর ও সকালে জীম্বংখালী ও পালংখালী বিওপির আওতাধীন এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে এসব ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।

বিজিবি সূত্র জানায়, ভোর আনুমানিক ৫টার দিকে জীম্বংখালী বিওপির বিশেষ টহল দল সীমান্তের দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় ৭ নম্বর বিজিবি পোস্টসংলগ্ন সেলিম আহমেদের মাছের ঘের এলাকায় অভিযান চালায়। এ সময় মিয়ানমার থেকে ব্যাগ হাতে দুই ব্যক্তিকে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে প্রবেশ করতে দেখে তাদের চ্যালেঞ্জ করা হয়। চোরাকারবারিরা ব্যাগ ফেলে নাফ নদীতে ঝাঁপ দিয়ে সাঁতরে মিয়ানমারে পালিয়ে যায়।

পরে ফেলে যাওয়া ব্যাগ তল্লাশি করে খাকি রঙের প্যাকেটে মোড়ানো নীল রঙের বায়ুরোধী ১০ কাটে ১ লাখ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।

অন্যদিকে সকাল আনুমানিক ৯টার দিকে পালংখালী বিওপির বিশেষ টহল দল গুইজ্জা খালের পশ্চিম পাশে মিয়ানমার থেকে এক ব্যক্তিকে পোটলা হাতে বাংলাদেশে প্রবেশ করতে দেখে। বিজিবি সদস্যরা তাকে চ্যালেঞ্জ করলে সে পোটলা ফেলে নাফ নদীতে ঝাঁপ দিয়ে মিয়ানমারের দিকে পালিয়ে যায়।

পরে ওই পোটলা তল্লাশি করে খাকি রঙের প্যাকেটে মোড়ানো নীল রঙের বায়ুরোধী ৮ কাটে ৮০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।

দুটি অভিযানের পর ঘটনাস্থল ও আশপাশের এলাকায় চিরুনি অভিযান চালানো হলেও পলাতক চোরাকারবারিদের কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।

উখিয়া ব্যাটালিয়ন ৬৪ বিজিবির অধিনায়ক জানান, মাদক সরবরাহকারী ও চোরাকারবারিদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। সীমান্তে মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।