স্পোর্টস ডেস্ক: মেজর লিগ সকারে (এমএলএস) লিওনেল মেসির দাপট যেন থামছেই না। বয়স ৩৯ ছুঁইছুঁই, তবু মাঠের পারফরম্যান্সে প্রতিনিয়ত নিজেকে ছাড়িয়ে যাচ্ছেন আর্জেন্টাইন মহাতারকা। ২০২৬ মৌসুমে সর্বোচ্চ গোলদাতা হয়ে টানা দ্বিতীয়বার জিতেছেন গোল্ডেন বুট। সেই সঙ্গে একাধিক রেকর্ড গড়ে লিগের ইতিহাসের পাতায় নিজের নাম আরও শক্ত করেছেন মায়ামি অধিনায়ক।
এখানেই শেষ নয়। আরও কয়েকটি রেকর্ড গড়েছেন মেসি। লিগে আরও কয়েকটি আক্রমণের ক্যাটাগরিতে শীর্ষস্থানে আছেন তিনি—ম্যাচ প্রতি গোলে প্রথম (০.৮৭), গোল অবদানে প্রথম (৪৩), এক ম্যাচে একাধিক গোলে যৌথভাবে প্রথম (৬), প্রতি ৯০ মিনিটের গোলে দ্বিতীয় (০.৯১)।
চলতি মৌসুমে ২৬ গোলের মধ্যে মাত্র একটি এসেছে পেনাল্টি কিক থেকে। মানে ২৫টি গোল করেছেন পেনাল্টি ছাড়া। এমএলএস ইতিহাসে এক মৌসুমে যা দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। ২০২৫ সালে ২৮ গোল করে এই তালিকাতে শীর্ষে আছেন তিনি নিজেই।
২০২৫ সালে ২৯ বার গোল করেছিলেন মেসি। প্রতিযোগিতার ইতিহাসে কেবল দ্বিতীয় খেলোয়াড় হিসেবে টানা দুই মৌসুমে অন্তত ২৫ গোল করলেন তিনি।
শেষ তিন মৌসুম বিবেচনায় আনলে মেসি সব মিলিয়ে করেছেন ৭৫ গোল। লিগ ইতিহাসে তিন মৌসুম মিলে যা দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। টানা তিন মৌসুমে অন্তত ২০ গোল করে এমএলএস ইতিহাসে একমাত্র খেলোয়াড় হিসেবে তিনি এখন ২০২৩ সালের গোল্ডেন বুট জয়ী ডেনিস বোয়াঙ্গার (২০২৩-২৫) পাশে।
লিগের অন্যতম সেরা আক্রমণাত্মক খেলোয়াড় হিসেবেও নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করে চলেছেন মেসি। প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে টানা দুটি মৌসুমে অন্তত ৪০ গোলে অবদান রাখার রেকর্ড গড়লেন তিনি। ২০২৬ মৌসুমে তিনি ৪৩ গোলে অবদান রাখলেন। তাতে এক মৌসুমে সর্বোচ্চ গোলে অবদান রাখার তালিকায় তৃতীয় তিনি।
শেষ তিন মৌসুমজুড়ে মেসি মোট ১২৭ গোলে অবদান রেখেছেন, যা লিগ ইতিহাসে নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী এভান্ডারের (৯৮, ২০২৪-২৬) চেয়ে ২৯টি বেশি।
প্রতিনিধির নাম 
























