ঢাকা ০৮:১৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বঙ্গভবনের সিংহ পুকুরে মাছের পোনা অবমুক্ত করলেন রাষ্ট্রপতি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য আরও নিরাপদ ও টেকসই বিশ্ব গড়ে তোলার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ডা. জুবাইদা রহমানও ফ্যামিলি কার্ড পাবেন : মীর শাহে আলম নিজের নামে টুর্নামেন্ট আয়োজন নিয়ে যা বললেন মেসি ড্রোন হামলার জবাবে আফগানিস্তানের ১০ জায়গায় বিমান অভিযান পাকিস্তানের টেকনাফ সীমান্তে ১ লাখ ৪৯ হাজার ৮০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার নারায়ণগঞ্জ থেকে বৈশ্বিক মঞ্চে সাংবাদিক এস এম জহিরুল ইসলাম বিদ্যুৎ, প্রতিনিয়ত ছাপিয়ে যাচ্ছেন নিজেকে নেশার টাকার জন্য বাবা-মাকে মারধর, ছেলের বিরুদ্ধে মামলা সচিবের ভাই পরিচয়ে রামগড় ইউএনও,র কাছে এক লাখ টাকা দাবি, আটক প্রতারক এসবিএসি ব্যাংক ইনভেস্টমেন্ট ইনভেস্টিট ব্রোকারেজ, ফান্ড ডিল স্বাক্ষর করেছে

জাতিসংঘ ফোরামে ন্যায্য বৈশ্বিক আর্থিক কাঠামো ও টেকসই এলডিসি উত্তরণের আহ্বান বাংলাদেশের

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:১২:০৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬
  • ১৭২ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক: বৈশ্বিক এসডিজি অর্থায়ন ঘাটতি মোকাবিলা এবং ন্যায্য, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও কার্যকর আন্তর্জাতিক আর্থিক ব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্যে জরুরি ও সমন্বিত পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ।

গতকাল (বৃহস্পতিবার) জাতিসংঘ সদরদপ্তরে অনুষ্ঠিত ইকোসক ফাইন্যান্সিং ফর ডেভেলপমেন্ট ফোরাম ২০২৬-এর সাধারণ বিতর্কে জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী এ আহ্বান জানান।

খবর তথ্য বিবরণীর।

তিনি বলেন, ভূ-রাজনৈতিক সংঘাত, উন্নয়ন সহায়তা কমে যাওয়া, জলবায়ুজনিত অভিঘাত, বাণিজ্য প্রতিবন্ধকতা এবং জ্বালানি খাতের অনিশ্চয়তা উন্নয়নশীল দেশগুলোর নীতিগত পরিসর ক্রমেই সংকুচিত করছে।

এ প্রেক্ষাপটে টেকসই ও মসৃণ উত্তরণ নিশ্চিতে এলডিসি থেকে উত্তরণের প্রস্তুতিকাল বাড়ানোর অনুরোধ জানাচ্ছে বাংলাদেশ।

দেশের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারে সাম্প্রতিক অগ্রগতির কথাও তুলে ধরেন সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী।

তিনি বলেন, বর্তমান সরকার সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা, ব্যবসায়িক আস্থা পুনর্গঠন, ব্যাংকিং খাত শক্তিশালী করা, বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর জন্য সরাসরি সহায়তা সম্প্রসারণে অগ্রাধিকার দিচ্ছে।

জাতিসংঘে বাংলাদেশের এই স্থায়ী প্রতিনিধি আরও জানান, ঋণের ব্যয় হ্রাস, অকার্যকর অবকাঠামো-সম্পর্কিত ঋণ পরিহার এবং প্রযুক্তি স্থানান্তরের মাধ্যমে উৎপাদনশীল ও কর্মসংস্থানমুখী খাতে প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগ প্রবাহ নিশ্চিত করা সময়ের দাবি।

একই সঙ্গে একটি অধিক প্রতিনিধিত্বশীল বৈশ্বিক আর্থিক কাঠামো গড়ে তোলা, জলবায়ু ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা, ক্ষয়ক্ষতি মোকাবিলায় কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ এবং পাচার করা সম্পদ যথাযথ মালিকদের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার ওপরও তিনি গুরুত্বারোপ করেন।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

বঙ্গভবনের সিংহ পুকুরে মাছের পোনা অবমুক্ত করলেন রাষ্ট্রপতি

জাতিসংঘ ফোরামে ন্যায্য বৈশ্বিক আর্থিক কাঠামো ও টেকসই এলডিসি উত্তরণের আহ্বান বাংলাদেশের

আপডেট সময় : ০৮:১২:০৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক: বৈশ্বিক এসডিজি অর্থায়ন ঘাটতি মোকাবিলা এবং ন্যায্য, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও কার্যকর আন্তর্জাতিক আর্থিক ব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্যে জরুরি ও সমন্বিত পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ।

গতকাল (বৃহস্পতিবার) জাতিসংঘ সদরদপ্তরে অনুষ্ঠিত ইকোসক ফাইন্যান্সিং ফর ডেভেলপমেন্ট ফোরাম ২০২৬-এর সাধারণ বিতর্কে জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী এ আহ্বান জানান।

খবর তথ্য বিবরণীর।

তিনি বলেন, ভূ-রাজনৈতিক সংঘাত, উন্নয়ন সহায়তা কমে যাওয়া, জলবায়ুজনিত অভিঘাত, বাণিজ্য প্রতিবন্ধকতা এবং জ্বালানি খাতের অনিশ্চয়তা উন্নয়নশীল দেশগুলোর নীতিগত পরিসর ক্রমেই সংকুচিত করছে।

এ প্রেক্ষাপটে টেকসই ও মসৃণ উত্তরণ নিশ্চিতে এলডিসি থেকে উত্তরণের প্রস্তুতিকাল বাড়ানোর অনুরোধ জানাচ্ছে বাংলাদেশ।

দেশের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারে সাম্প্রতিক অগ্রগতির কথাও তুলে ধরেন সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী।

তিনি বলেন, বর্তমান সরকার সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা, ব্যবসায়িক আস্থা পুনর্গঠন, ব্যাংকিং খাত শক্তিশালী করা, বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর জন্য সরাসরি সহায়তা সম্প্রসারণে অগ্রাধিকার দিচ্ছে।

জাতিসংঘে বাংলাদেশের এই স্থায়ী প্রতিনিধি আরও জানান, ঋণের ব্যয় হ্রাস, অকার্যকর অবকাঠামো-সম্পর্কিত ঋণ পরিহার এবং প্রযুক্তি স্থানান্তরের মাধ্যমে উৎপাদনশীল ও কর্মসংস্থানমুখী খাতে প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগ প্রবাহ নিশ্চিত করা সময়ের দাবি।

একই সঙ্গে একটি অধিক প্রতিনিধিত্বশীল বৈশ্বিক আর্থিক কাঠামো গড়ে তোলা, জলবায়ু ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা, ক্ষয়ক্ষতি মোকাবিলায় কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ এবং পাচার করা সম্পদ যথাযথ মালিকদের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার ওপরও তিনি গুরুত্বারোপ করেন।