ঢাকা ০৮:৪৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬, ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
রামিসার রক্তে লেখা প্রশ্ন? (১) কুতুপালং ক্যাম্পে র‌্যাবের অভিযান: ৩ বছরের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক রোহিঙ্গা গ্রেফতার নারায়ণগঞ্জে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনকে ফায়ার সেফটি সরঞ্জাম দিল সদর উপজেলা প্রশাসন রূপগঞ্জের বিভিন্ন সরকারি দপ্তর পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক মো. রায়হান কবির টেকনাফে হোয়াইক্যং চেকপোস্টে ১৬ হাজার ইয়াবা জব্দ, আটক ১ আইবিপি মাঠে রাতভর জুয়া-মাদকের আসর, আতঙ্কে স্থানীয়রা অস্ট্রেলিয়ার আদালতে ইলন মাস্কের এক্সকে জরিমানা বহাল গ্রামের উন্নয়ন না করলে বাংলাদেশের উন্নয়ন হবে না : ড. মঈন খান অন্তর্বর্তী সরকারের কর্মকাণ্ডের তদন্ত চেয়ে করা রিট খারিজ যশোর ঝিকরগাছায় বাঁশবাগান থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার

দক্ষিণ এশিয়ার শান্তি-স্থিতিশীলতায় সহযোগিতা ও কৌশলগত সংলাপ জরুরি : স্পিকার

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:৩৪:৩৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬
  • ১৩ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক: পরিবর্তিত বৈশ্বিক বাস্তবতায় দক্ষিণ এশিয়ায় শান্তি, স্থিতিশীলতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আঞ্চলিক সহযোগিতা এবং গবেষণাভিত্তিক জ্ঞানচর্চার কোনো বিকল্প নেই বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। তিনি এই অঞ্চলের নিরাপত্তা নিশ্চিতে কৌশলগত সংলাপ আরো জোরদার করার আহ্বান জানান।

বুধবার (২০ মে) বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালস-এ (বিইউপি) ‘নতুন বিশ্বব্যবস্থার প্রেক্ষাপটে দক্ষিণ এশিয়ার জাতীয় নিরাপত্তা’ শীর্ষক দুই দিনব্যাপী প্রথম সিএফএস আন্তর্জাতিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাধীনতা অডিটোরিয়ামে দুই দিনব্যাপী ‘১ম সিএফএস আন্তর্জাতিক সম্মেলন’ আজ সমাপ্ত হয়। ‘নতুন বিশ্বব্যবস্থার প্রেক্ষাপটে দক্ষিণ এশিয়ার জাতীয় নিরাপত্তা’ শীর্ষক এই সম্মেলনে দেশ-বিদেশের খ্যাতিমান শিক্ষাবিদ, গবেষক, নীতিনির্ধারক ও নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা অংশগ্রহণ করেন।

সম্মেলনে আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ নিয়ে মতবিনিময় ও গবেষণাভিত্তিক গঠনমূলক আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। এতে মূল বক্তা ছিলেন নেপালের ড. প্রমোদ জয়সওয়াল, শ্রীলঙ্কার সুভাশিনি আবেয়াসিংহে, পাকিস্তানের ড. সালমা মালিক এবং সুইডেনের ড. গ্রেগ সিমন্স। এছাড়াও বাংলাদেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের বিশিষ্ট অধ্যাপক ও সংশ্লিষ্ট গবেষকগণ সম্মেলনে অংশগ্রহণ করেন।

সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য মেজর জেনারেল মো. মাহবুব-উল আলম, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, শিক্ষক, গবেষক, শিক্ষার্থী এবং আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ। দুই দিনব্যাপী এই সম্মেলনে শিক্ষাবিষয়ক একাধিক অধিবেশন, প্যানেল আলোচনা এবং গবেষণাপত্র উপস্থাপন করার মাধ্যমে জ্ঞানচর্চা ও নীতিনির্ভর আলোচনায় প্রাণবন্ত পরিবেশের সৃষ্টি হয়।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

রামিসার রক্তে লেখা প্রশ্ন? (১)

দক্ষিণ এশিয়ার শান্তি-স্থিতিশীলতায় সহযোগিতা ও কৌশলগত সংলাপ জরুরি : স্পিকার

আপডেট সময় : ০৬:৩৪:৩৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক: পরিবর্তিত বৈশ্বিক বাস্তবতায় দক্ষিণ এশিয়ায় শান্তি, স্থিতিশীলতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আঞ্চলিক সহযোগিতা এবং গবেষণাভিত্তিক জ্ঞানচর্চার কোনো বিকল্প নেই বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। তিনি এই অঞ্চলের নিরাপত্তা নিশ্চিতে কৌশলগত সংলাপ আরো জোরদার করার আহ্বান জানান।

বুধবার (২০ মে) বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালস-এ (বিইউপি) ‘নতুন বিশ্বব্যবস্থার প্রেক্ষাপটে দক্ষিণ এশিয়ার জাতীয় নিরাপত্তা’ শীর্ষক দুই দিনব্যাপী প্রথম সিএফএস আন্তর্জাতিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাধীনতা অডিটোরিয়ামে দুই দিনব্যাপী ‘১ম সিএফএস আন্তর্জাতিক সম্মেলন’ আজ সমাপ্ত হয়। ‘নতুন বিশ্বব্যবস্থার প্রেক্ষাপটে দক্ষিণ এশিয়ার জাতীয় নিরাপত্তা’ শীর্ষক এই সম্মেলনে দেশ-বিদেশের খ্যাতিমান শিক্ষাবিদ, গবেষক, নীতিনির্ধারক ও নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা অংশগ্রহণ করেন।

সম্মেলনে আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ নিয়ে মতবিনিময় ও গবেষণাভিত্তিক গঠনমূলক আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। এতে মূল বক্তা ছিলেন নেপালের ড. প্রমোদ জয়সওয়াল, শ্রীলঙ্কার সুভাশিনি আবেয়াসিংহে, পাকিস্তানের ড. সালমা মালিক এবং সুইডেনের ড. গ্রেগ সিমন্স। এছাড়াও বাংলাদেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের বিশিষ্ট অধ্যাপক ও সংশ্লিষ্ট গবেষকগণ সম্মেলনে অংশগ্রহণ করেন।

সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য মেজর জেনারেল মো. মাহবুব-উল আলম, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, শিক্ষক, গবেষক, শিক্ষার্থী এবং আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ। দুই দিনব্যাপী এই সম্মেলনে শিক্ষাবিষয়ক একাধিক অধিবেশন, প্যানেল আলোচনা এবং গবেষণাপত্র উপস্থাপন করার মাধ্যমে জ্ঞানচর্চা ও নীতিনির্ভর আলোচনায় প্রাণবন্ত পরিবেশের সৃষ্টি হয়।