সিদ্ধিরগঞ্জ প্রতিনিধি: সিদ্ধিরগঞ্জের সাইনবোর্ড এলাকায় ভূমিদস্যুতাসহ বিভিন্ন অপকর্ম করছে বহুরূপী কাজী আব্দুস সাত্তার। বিগত আওয়ামী লীগ সরকার আমলে তার মামা সিদ্ধিরগঞ্জ থানা আওয়াামী লীগের সাাধারণ সম্পাদক ইয়াাছিন মিয়ার শেল্টারে বর্তমানে সেনাবাহীতে কর্মরত তার মেয়ের জামাই মেজর আনাছের নাম ভাঙিয়ে ভূমিদস্যুতা করছে আব্দুস সাত্তার।
স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচার চালিয়ে বিতর্কিত ও সামাজিকভাবে হেয় করে সুবিধা আদায়ের আপচেষ্টায় লিপ্ত হয়েছে ধুর্থ সাত্তার। ভূমিদস্যুতাসহ তার এসব অপকর্মের প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার (৪ মে) বিকেল ৫ টায় সাইনবোর্ড এলাকায় মিতালি মার্কেটের সামনে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে মানববন্ধন করেছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ফোরাম নামে একটি সংগঠনের নেতাকর্মীরা।
মানববন্ধনে জাতীয়তাবাদী তরুণ দলের নারায়ণগঞ্জ জেলার যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক কাজী মো. লিটন মোল্লা বলেন, যারা সাইনবোর্ড এলাকায় ভূমিদস্যুতা, চাঁদাবাজি, মাদক ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ করে তারা আবার সক্রিয় হয়ে উঠেছে। চৌরঙ্গী ফিলিং ষ্টেশনের মালিক কাজী আব্দুস সাত্তার দীর্ঘদিন ধরে সাইনবোার্ড এলাকায় সন্ত্রাসী কর্মকা- করছে। বর্তমানে তিনি যে জমি দখলের চেষ্টা করছেন, সে জমিতে নাসিক ২ নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর ইকবাল হোসেনের কোন অংশ নাই এবং তিনি এ জমি নিয়ে মাথা ঘামান না। অথচ ভূমিদসু্যু সাত্তার ইকবাল হোসেনকে জড়িয়ে বিভ্রান্তিকর মিথ্যা অপপ্রচার চালাচ্ছেন।
এ মানববন্ধনের মাধ্যমে আমরা সাত্তারের এসব অন্যায় অপকর্মের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।
যুবদলের সাবেক কেন্দ্রীয় নেতা, জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলন ও মিতালি মার্কেট ব্যবসায়ি সমিতির সভাপতি আমির হোসেন বাদশা বলেন, ভয়ঙ্কর সন্ত্রাসী ভূুমিদস্যু সাত্তার মসজিদ নির্মাণের সময় বাধা ও হামলা লুটপাট করেছিল। মসজিদের জমিটি নিজের দাবি করে নারায়ণগঞ্জ আদালতে পিটিশন মামলা করেছিল। কিন্তু আদালতে মালিকানা কাগজপত্র দেখাতে পারেনি। এখন তিনি আবার ওই জমি নিজের দাবি করে এলাকার সাবেক জনপ্রতিনিধি ইকবাল হোসেনসহ বিভিন্ন সম্মানি লোকজনের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে। আওয়ামী লীগের দোসর আব্দুস সাত্তারের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য প্রশাসনের প্রদি বাবি জানান তিনি।
মানববন্ধনে আংশ নেওয়া স্থানীয় একাধিক ব্যক্তি বলেন, সিদ্ধিরগঞ্জ থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হাজী ইয়াছিন মিয়ার শেল্টার আব্দুস সাত্তার সাইনবোর্ড এলাকায় সন্ত্রাসী কর্মকা- চালাত। আওয়ামী লীগ নেতা ইয়াছিন মিয়ার ভাগিনা হওয়ায় সাত্তার হয়ে পড়েছিল বেপরোয়া। ইয়াছিন মিয়ার শেল্টারে অন্যের জমি দখল করে সাত্তার। ইয়াছিন মিয়াকে মাসোহারা দিয়ে সাত্তার সাইনোর্ড এলাকার স্বঘোষিত গডফাদার বনে গিয়েছিল। তার নিজের একটি জাহাজ রয়েছে। সে জাহাজে মাঝে মাঝে মাদক সেবন ও সুন্দরী যুবতী নারী নিয়ে ফুর্তি করার আসর বসায়। তার এ আসরে প্রশানের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাও অংশ নেয়। ফলে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ করলেও প্রশাসনিকভাবে কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়না। দেশের পটপরিবর্তনের পর আওয়ামী লীগ নেতা ইয়াছিন মিয়া আত্মগোপন করলে আব্দুস সাত্তার সেনাবাহীতে কর্মরত তার নিজের মেয়ের জাামাই মেজর আনাছকে ব্যবহার করেন। মেজর আনাছকে দিয়ে প্রতিপক্ষকে গায়েল করার হুমকি দেন। তাই সাত্তারের অপকর্ম ও অন্যায় জুলম থেকে রক্ষা পেতে মানববন্ধনের মাধ্যমে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীসহ সরকার ও প্রশাসনের উর্ধ্বতন মহলের হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়।
মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন, মিতালি মার্কেটের ব্যবসায়ি সমিতির সিনিয়র সহ-সভাপতি আবুল হোসেন, সহ-সভাপতি জয়নাল আবেদিন জুয়েল, সাধারণ সম্পাদক আবু সাঈদ ভূইয়া, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাফর ইকবাল বকুল প্রমুখ।
প্রতিনিধির নাম 


















