চট্টগ্রাম প্রতিনিধি: চট্টগ্রামের চন্দনাইশ উপজেলার হাসিমপুর ইউনিয়নে ২ নম্বর ওয়ার্ডে উত্তর হাসিম পুর ছৈয়দাবাদ পদ্ম ডেবা প্রকাশ বার্মা পাড়া দিন দিন অপরাধ কর্মকাণ্ড বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে সাধারণ মানুষ সহ জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে। এর মধ্যে মাদক, ইয়াবা, অন্যর জমি দখল বেদখল সহ কক্সবাজার জেলার উখিয়া উপজেলার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে একটি সংঘবদ্ধ অপরাধী চক্রের দৌরাত্ম্যে বেড়ে যাওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
এ-সব প্রধান আশ্রয় দাতা হলেন মমতাজ উদ্দিন তার সেকেন্ড এন্ড কমান্ড মুহাম্মদ করিম। তাদের নেতৃত্বে বার্মা পাড়া এলাকায় রামরাজত্ব চলছে বলে এলাকার লোকজনের সাথে কথা বলে জানা গেছে। মমতাজ বিগত ২০ বছর আগে রোহিঙ্গা এনে তাদেরকে বিভিন্ন কুট কৌশল ভোটার করে অপরাধ কর্মকাণ্ড চালিয়ে সামাজিক অস্থিরতা বিরাজ করছে।
পুলিশ প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে নানান কৌশলে অপরাধের স্বর্গ রাজ্য পরিণত করলেও বার্মার পাড়ার স্থানীয় বাসিন্দারা তাদের সংঘবদ্ধ জাল-জালিয়াতি চক্রের ২০/ থেকে ২৫ জনের বিরুদ্ধে মুখ খুলার সাহস পাচ্ছে না। এমনকি করিম- মমতাজ নিজস্ব বাহিনী গড়ে তুলে এলাকার লোকজনকে এক প্রকার জিন্মি অবস্থায় দিনপাত করছেন বলে ভুক্তভোগী সিরাজুল ইসলাম, খোরশেদ আলম, রফিক, সাইফুল, তৈয়ব, সৈয়দ, হাসেম, গৃহবধু মুন্নি আকতার, শারমিন সুলতানা,
রুবি আকতার, কোহিনুর আকতার, স্কুল ছাএ সায়েম, মনির সহ অনেকের অভিযোগ তুলেন। এদের মধ্যে অনেকে তাদের নাম প্রকাশের অনিচ্ছুক সুএে জানান, করিম, মমতাজ নিজস্ব বাহিনী গড়ে তুলে পাহাড়ি মদ সহ নানা অপরাধ কর্মকাণ্ড চালিয়ে আসছে। এমনকি মানুষে জায়গা জমি দখল বেদখল করার ঘটনার প্রভাবিত করছে, দাঙ্গা হাঙ্গামার সহ চক্রটি মাদক পাচার, অপহরণ, চাঁদাবাজি, ভয়ভীতি প্রদর্শনসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত। এসব বিষয়ে প্রতিবাদ করলে অপহরণ, নির্যাতন কিংবা প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ করেন ভুক্তভোগীরা।
কয়েকজন নারী-পুরুষের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, অপরাধী চক্রের ভয়ে অনেক পরিবার সন্ধ্যার পর ঘরের বাইরে বের হতে সাহস পান না। বিশেষ করে নারী ও শিশুরা সবচেয়ে বেশি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। আতঙ্কের কারণে। থানা পুলিশ প্রশাসনের কাছে ভালো লোক সাজানোর জন্য বার্মা পাড়ার তাদের নিজস্ব লোকজন রয়েছে একাধিক ভুক্তভোগীরা জানান। পদ্ম ডেবার পাড়ে আর এক বাসিন্দা সলিমা খাতুন বলেন, “আমরা শান্তিতে বসবাস করতে চাই। কিন্তু প্রতি মাসে চাঁদা দিতে বাধ্য করা হয় গোপনে। টাকা দিতে না পারলে নানা ধরনের ভয়ভীতি দেখানো হয়। প্রশাসনের কাছে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক নারী বলেন, “মাঝেমধ্যে লোকজনকে ধরে নিয়ে যায়। পরে পরিবারের কাছে মোটা অঙ্কের মুক্তিপণ দাবি করা হয়। আমরা সবসময় আতঙ্কে থাকি। মুলতঃ তাঁরা জালিয়াতি চক্র ও মাদক ও ইয়াবা ব্যাবসায়ী।
করিম ও মমতাজ আওয়ামী লীগ সরকারে ফ্যাসিষ্ট, সরকার পরিবর্তন হয়ে নতুন সরকার গঠন করলেও করিম মমতাজ এর খুটির জোর কমেনি, সাধারণ জনগণের প্রশ্ন বার্মায়ে করিম, মমতাজ এর খুটির জোর কোথায়? অবিলম্বে তাদেরকে আইনের আওতায় এনে তদন্তপুর্বক শাস্তির দাবী জানান এলাকাবাসী। চলমান (১)। পর্যায়ে ক্রমে
ধারাবাহিক সংবাদ প্রকাশ হবে। সংবাদ দাতার তথ্য গোপন করা হবে আমাদের সাথে থাকুন।
প্রতিনিধির নাম 


















