ঢাকা ০৩:২১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
স্বামীর মৃত্যুর ১৫ মিনিট আগে সন্তানের জন্ম, বাবার মুখ দেখার আগেই এতিম নবজাতক কক্সবাজারে বাসে ১৮ কেজি গাঁজা, গ্রেপ্তার ৩ নিরাপদ পর্যটন নিশ্চিতে কক্সবাজারে হোটেল-মোটেল মালিকদের সঙ্গে মতবিনিময় মৌলভীবাজারে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে অপহরণ ও নির্যাতনের গুরুতর অভিযোগ ডিসি জাহিদের উদ্যোগ অনুসরণের আহ্বান জনপ্রশাসন বিষয়ক উপদেষ্টার মাধবপুরে পুলিশের উপর হামলার ঘটনায় যুবকের এক বছরের কারাদণ্ড নোয়াপাড়া চা বাগানে মজুরি পাননি, হতাশ চা শ্রমিকরা বিশেষ ট্রাভেল পারমিটের মাধ্যমে এক দম্পতি ও তাদের দুই বছর বয়সী সন্তান দেশে ফিরেছেন জামিয়া মিফতাহুল উলূম মহিলা মাদরাসায় সীরাতুন্নবী (সা:) আলোচনা সভা ও বার্ষিক পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান সম্পন্ন বেনাপোলের আবুল হোসেনের হেরোইনের মামলায় যাবজ্জীবন

টেকনাফে হ্নীলার মগপাড়া থেকে ইয়াবার চালান উদ্ধার হলেও; প্রকৃত মালিক মাহাবু এখনো অধরা!

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:৫৮:১৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬
  • ৮১ বার পড়া হয়েছে

ফরহাদ রহমান স্টাফ রিপোর্টার কক্সবাজার :-টেকনাফের হ্নীলার মগপাড়া থেকে পুলিশের অভিযানে ইয়াবাসহ ২ সহোদর গ্রেফতার হলেও প্রকৃত ইয়াবার চালানের মালিক মাহাবু এখনো অধরা রয়ে গেছেন। ইয়াবা গডফাদার মাহাবু নিজেকে বাঁচাতে বিভিন্ন জায়গায় দৌঁড়ঝাপ দিচ্ছেন বলে জানাগেছে। স্থানীয় সচেতন মহল ইয়াবা ডিলার হ্নীলার মাহাবু সওদাগরকে গ্রেফতারের দাবী জানিয়েছেন। গত ১৮ আগষ্ট টেকনাফ থানা পুলিশের একটি টীম হ্নীলার মগপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে মোহাম্মদ আলী (৩২) ও মোহাম্মদ আমিন (২৯) নামের দুই সহোদরকে ৭০ হাজার পিচ ইয়াবা ও নগদ ২লাখ ৮৫ হাজার ৫শ টাকা সহ গ্রেপ্তার করেছেন। এলাকাবাসী জানান, গ্রেফতারকৃতরা নিতান্ত সাধারণ পরিবারের ছেলে। তারা দিনে এনে দিনে খায়। পুলিশের অভিযানে উদ্ধার হওয়া ইয়াবার চালানের প্রকৃত মালিক হ্নীলার মাহাবু ওরফে মাহবুবুর রহমান বলে লোকজন জানিয়েছেন। মাহাবু একজন ইয়াবার ডিলার ও শীর্ষ কারবারী। তিনি পূর্ব সিকদারপাড়া এলাকার মৃত মৌলভী ইসহাকের ছেলে। লোকেমুখে ইয়াবার প্রকৃত চালানের মালিক ইয়াবা কিং মাহাবুবুর রহমানের নাম উচ্চারিত হলেও রহস্যজনক কারণে সে ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়ে গেছেন। স্থানীয় একটি সুত্র জানায়, মুহাম্মদ আমিন মাহাবুর দোকানের কর্মচারী। সে অনেক বছর ধরে মাহাবুর দোকানে চাকুরী করে আসছে। মুহাম্মদ আমিন ও তার ভাই মুহাম্মদ আলীকে দিয়েই মাহাবু মিয়ানমার থেকে ইয়াবার বড় বড় চালান আনেন এবং বাজারজাত করেন। এর আগেও মাহাবু সওদাগরের ৫০হাজার পিচ ইয়াবার একটি চালান আটক করেছিলো প্রশাসন। দীর্ঘ বছর ধরে মাহাবু কর্মচারীদের দিয়ে এভাবেই ইয়াবা ব্যবসা করে আসছেন। ১৮ আগষ্টও ওপার থেকে এসেছিলো ১৫ কার্ড বা দেড় লাখ পিচ ইয়াবার চালান। ৭ কার্ড বা ৭০হাজার পিচ ইয়াবা উদ্ধার করলেও বাকী ৮কার্ড বা ৮০হাজার পিচ ইয়াবা মাহবুবরা কৌশলে সরিয়ে নিয়েছেন। স্থানীয়দের প্রশ্ন থেকে যায় দিনমজুর কর্মচারী ও চাকরীজীবিরা ইয়াবা নিয়ে ধরা পড়ছে কিন্তু আমিনের পরিবার ভয়ে মুখ না খুললে তারা কিন্তু আসল জায়গায় ঠিকই সবকিছু খুলে বলেছেন। এদিকে মুহাম্মদ আমিন এবং তার ভাই মুহাম্মদ আলীকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে আসল রহস্য বেরিয়ে আসবে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা। অভিযুক্ত মাহাবুবের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ইয়াবার মালিক সাংবাদিকেরা। পরে তিনি সাংবাদিকদের কাছে সমঝোতার প্রস্তাব পাঠিয়েছেন। টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ সাইফুল ইসলাম বলেন, ইয়াবার মালিক কে? সেটা অবশ্যই বেরিয়ে আসবে। মাদক ব্যবসায়ী যতই বড় হোক না কেন? তাকে আইনের আওতায় আনা হবে। এদিকে ইয়াবাসহ আটক দুই সহোদরকে অধিকতর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রিমান্ড আবেদন করা হয়েছে। রিমান্ডে এনে ইয়াবার চালানের মালিক কে তা উন্মোচিত হবে।#

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

স্বামীর মৃত্যুর ১৫ মিনিট আগে সন্তানের জন্ম, বাবার মুখ দেখার আগেই এতিম নবজাতক

টেকনাফে হ্নীলার মগপাড়া থেকে ইয়াবার চালান উদ্ধার হলেও; প্রকৃত মালিক মাহাবু এখনো অধরা!

আপডেট সময় : ০৬:৫৮:১৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬

ফরহাদ রহমান স্টাফ রিপোর্টার কক্সবাজার :-টেকনাফের হ্নীলার মগপাড়া থেকে পুলিশের অভিযানে ইয়াবাসহ ২ সহোদর গ্রেফতার হলেও প্রকৃত ইয়াবার চালানের মালিক মাহাবু এখনো অধরা রয়ে গেছেন। ইয়াবা গডফাদার মাহাবু নিজেকে বাঁচাতে বিভিন্ন জায়গায় দৌঁড়ঝাপ দিচ্ছেন বলে জানাগেছে। স্থানীয় সচেতন মহল ইয়াবা ডিলার হ্নীলার মাহাবু সওদাগরকে গ্রেফতারের দাবী জানিয়েছেন। গত ১৮ আগষ্ট টেকনাফ থানা পুলিশের একটি টীম হ্নীলার মগপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে মোহাম্মদ আলী (৩২) ও মোহাম্মদ আমিন (২৯) নামের দুই সহোদরকে ৭০ হাজার পিচ ইয়াবা ও নগদ ২লাখ ৮৫ হাজার ৫শ টাকা সহ গ্রেপ্তার করেছেন। এলাকাবাসী জানান, গ্রেফতারকৃতরা নিতান্ত সাধারণ পরিবারের ছেলে। তারা দিনে এনে দিনে খায়। পুলিশের অভিযানে উদ্ধার হওয়া ইয়াবার চালানের প্রকৃত মালিক হ্নীলার মাহাবু ওরফে মাহবুবুর রহমান বলে লোকজন জানিয়েছেন। মাহাবু একজন ইয়াবার ডিলার ও শীর্ষ কারবারী। তিনি পূর্ব সিকদারপাড়া এলাকার মৃত মৌলভী ইসহাকের ছেলে। লোকেমুখে ইয়াবার প্রকৃত চালানের মালিক ইয়াবা কিং মাহাবুবুর রহমানের নাম উচ্চারিত হলেও রহস্যজনক কারণে সে ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়ে গেছেন। স্থানীয় একটি সুত্র জানায়, মুহাম্মদ আমিন মাহাবুর দোকানের কর্মচারী। সে অনেক বছর ধরে মাহাবুর দোকানে চাকুরী করে আসছে। মুহাম্মদ আমিন ও তার ভাই মুহাম্মদ আলীকে দিয়েই মাহাবু মিয়ানমার থেকে ইয়াবার বড় বড় চালান আনেন এবং বাজারজাত করেন। এর আগেও মাহাবু সওদাগরের ৫০হাজার পিচ ইয়াবার একটি চালান আটক করেছিলো প্রশাসন। দীর্ঘ বছর ধরে মাহাবু কর্মচারীদের দিয়ে এভাবেই ইয়াবা ব্যবসা করে আসছেন। ১৮ আগষ্টও ওপার থেকে এসেছিলো ১৫ কার্ড বা দেড় লাখ পিচ ইয়াবার চালান। ৭ কার্ড বা ৭০হাজার পিচ ইয়াবা উদ্ধার করলেও বাকী ৮কার্ড বা ৮০হাজার পিচ ইয়াবা মাহবুবরা কৌশলে সরিয়ে নিয়েছেন। স্থানীয়দের প্রশ্ন থেকে যায় দিনমজুর কর্মচারী ও চাকরীজীবিরা ইয়াবা নিয়ে ধরা পড়ছে কিন্তু আমিনের পরিবার ভয়ে মুখ না খুললে তারা কিন্তু আসল জায়গায় ঠিকই সবকিছু খুলে বলেছেন। এদিকে মুহাম্মদ আমিন এবং তার ভাই মুহাম্মদ আলীকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে আসল রহস্য বেরিয়ে আসবে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা। অভিযুক্ত মাহাবুবের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ইয়াবার মালিক সাংবাদিকেরা। পরে তিনি সাংবাদিকদের কাছে সমঝোতার প্রস্তাব পাঠিয়েছেন। টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ সাইফুল ইসলাম বলেন, ইয়াবার মালিক কে? সেটা অবশ্যই বেরিয়ে আসবে। মাদক ব্যবসায়ী যতই বড় হোক না কেন? তাকে আইনের আওতায় আনা হবে। এদিকে ইয়াবাসহ আটক দুই সহোদরকে অধিকতর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রিমান্ড আবেদন করা হয়েছে। রিমান্ডে এনে ইয়াবার চালানের মালিক কে তা উন্মোচিত হবে।#