ঢাকা ১০:১৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬, ৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
যশোরে সরকারি মহিলা কলেজে শিক্ষক সংকট, অতিথি শিক্ষকে চলছে ব্যবসা শিক্ষা শাখা কক্সবাজারে ৫০ বোতল ফেনসিডিলসহ দুই মাদক কারবারি আটক বরুড়ার কৃতী চিকিৎসক এবার চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন, দায়িত্ব পেলেন ডা. সাজেদুর রহমান যশোর ২৫০ শয্যা হাসপাতালে অজ্ঞান পার্টি-চোর চক্রের ফাঁদে রোগী-স্বজন উখিয়ায় ৬ লাখ ৭২ হাজার ইয়াবা উদ্ধার, পালিয়ে গেল ৭-৮ চোরাকারবারি টেকনাফে হ্নীলার মগপাড়া থেকে ইয়াবার চালান উদ্ধার হলেও; প্রকৃত মালিক মাহাবু এখনো অধরা! ভালোবাসায় সিক্ত হয়ে বিদায়ী কুষ্টিয়ায় পুলিশ সুপার জসিম উদ্দিন ও পুনাক সভানেত্রী ভারতের ইছামতীর পানিতে প্লাবিত বেনাপোলে ১০০ পরিবার পেল বিজিবির ত্রাণ ভারতের ইছামতীর পানিতে প্লাবিত বেনাপোলে ১০০ পরিবার পেল বিজিবির ত্রাণ

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:১১:২৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬
  • ৩ বার পড়া হয়েছে

মোঃ জাহিদুর রহিম মোল্লা জেলা প্রতিনিধি :-রাজবাড়ী  ফরিদপুর সমরিতা হাসপাতালে সিজারিয়ান রোগীর পেটে দেড় কোজি গজ রেখে সেলাইয়ের এক মাস ২০ দিন পর মারা গেছে কবিকা মন্ডল (৩৫) নামে এক রোগী। তিনি রাজবাড়ী জেলার বালিয়াকান্দি উপজেলার বহরপুর ইউনিয়নের বাঘুটিয়া গ্রামের অশান্ত মন্ডলের স্ত্রী। বুধবার দিবাগত রাত সোয়া ২ টার দিকে ঢাকা কল্যাণপুর ইবনে সিনা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু বরণ করেছে।  নিহতের স্বামী অশান্ত মন্ডল বলেন, গত ২৯ জুন ফরিদপুর সমরিতা হাসপাতালে সিজারিয়ানের জন্য ভর্তি করা হয়। ওইদিন সন্ধ্যায় ডা. লক্ষী রানী দত্ত সিজারিয়ানের মাধ্যমে কন্যা সন্তান প্রসব করান। পরদিনই কনিকার পেট ফুলে যায়। সেখান থেকে ঢাকা ইবনে সিনা হাসপাতালে গত ৩ জুলাই ভর্তি করা হয়। গত ৭ জুলাই ডা. আব্দুল জলিলের তত্বাবধানে চিকিৎসাকালীন পরীক্ষা করে দেখতে পান তার পেটে প্রায় দেড় কেজি গজ রেখে সেলাই দেওয়া হয়েছে। ওইদিনই সেখানে অপারেশনের মাধ্যমে গজ বের করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বুধবার দিবাগত রাত সোয়া ২ টার সময় চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু বরণ করেছে। এখন আমি ২ মাসের সন্তান নিয়ে কিভাবে বাঁচবো। আরও ২ টি ছোট ছোট ছেলে নিয়ে অথৈই সাগরে পড়লাম। আমি বিচার দাবী করছি। তিনি আরও বলেন, চিকিৎসক লক্ষী রানী দত্ত আমার হোয়াইটঅ্যাপ ম্যাসেজ দিয়ে লেখেন, দাদা নমস্কার। ভালো থাকুন ঈশ্বরের কাছে সেই প্রার্থনা করি। সব কথার আগে করজোড়ে ক্ষমা প্রার্থী। ভুল মানুষেরই হয়, অনেক ঝামেলার ভিতর থেকে আমি ভুল করে ফেলেছি আমি বার বার ক্ষমা প্রার্থী আপনার কাছে। কিভাবে অনেক কষ্টে আছি। আবারও ক্ষমা চাচ্ছি দাদা। এ বিষয়ে ডা. লক্ষী রানী দত্তের মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমার খেয়াল নেই, একটু পরে ফোন দিচ্ছি বলে কেটে দেন। পরে আবারও যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

 

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

যশোরে সরকারি মহিলা কলেজে শিক্ষক সংকট, অতিথি শিক্ষকে চলছে ব্যবসা শিক্ষা শাখা

আপডেট সময় : ০৭:১১:২৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬

মোঃ জাহিদুর রহিম মোল্লা জেলা প্রতিনিধি :-রাজবাড়ী  ফরিদপুর সমরিতা হাসপাতালে সিজারিয়ান রোগীর পেটে দেড় কোজি গজ রেখে সেলাইয়ের এক মাস ২০ দিন পর মারা গেছে কবিকা মন্ডল (৩৫) নামে এক রোগী। তিনি রাজবাড়ী জেলার বালিয়াকান্দি উপজেলার বহরপুর ইউনিয়নের বাঘুটিয়া গ্রামের অশান্ত মন্ডলের স্ত্রী। বুধবার দিবাগত রাত সোয়া ২ টার দিকে ঢাকা কল্যাণপুর ইবনে সিনা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু বরণ করেছে।  নিহতের স্বামী অশান্ত মন্ডল বলেন, গত ২৯ জুন ফরিদপুর সমরিতা হাসপাতালে সিজারিয়ানের জন্য ভর্তি করা হয়। ওইদিন সন্ধ্যায় ডা. লক্ষী রানী দত্ত সিজারিয়ানের মাধ্যমে কন্যা সন্তান প্রসব করান। পরদিনই কনিকার পেট ফুলে যায়। সেখান থেকে ঢাকা ইবনে সিনা হাসপাতালে গত ৩ জুলাই ভর্তি করা হয়। গত ৭ জুলাই ডা. আব্দুল জলিলের তত্বাবধানে চিকিৎসাকালীন পরীক্ষা করে দেখতে পান তার পেটে প্রায় দেড় কেজি গজ রেখে সেলাই দেওয়া হয়েছে। ওইদিনই সেখানে অপারেশনের মাধ্যমে গজ বের করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বুধবার দিবাগত রাত সোয়া ২ টার সময় চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু বরণ করেছে। এখন আমি ২ মাসের সন্তান নিয়ে কিভাবে বাঁচবো। আরও ২ টি ছোট ছোট ছেলে নিয়ে অথৈই সাগরে পড়লাম। আমি বিচার দাবী করছি। তিনি আরও বলেন, চিকিৎসক লক্ষী রানী দত্ত আমার হোয়াইটঅ্যাপ ম্যাসেজ দিয়ে লেখেন, দাদা নমস্কার। ভালো থাকুন ঈশ্বরের কাছে সেই প্রার্থনা করি। সব কথার আগে করজোড়ে ক্ষমা প্রার্থী। ভুল মানুষেরই হয়, অনেক ঝামেলার ভিতর থেকে আমি ভুল করে ফেলেছি আমি বার বার ক্ষমা প্রার্থী আপনার কাছে। কিভাবে অনেক কষ্টে আছি। আবারও ক্ষমা চাচ্ছি দাদা। এ বিষয়ে ডা. লক্ষী রানী দত্তের মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমার খেয়াল নেই, একটু পরে ফোন দিচ্ছি বলে কেটে দেন। পরে আবারও যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।