ঢাকা ১২:০৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
রোহিঙ্গা সংকটের স্থায়ী সমাধান মিয়ানমারেই নিহিত : প্রধানমন্ত্রী দেশে বিশ্বমানের চিকিৎসাসেবা ও রোগীবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিতের আহ্বান রাষ্ট্রপতির জাপানের প্রধানমন্ত্রীর মধ্যাহ্নভোজে অংশ নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে বন্ধ থাকবে ব্যাংক ১১ দিনেই ৭০০ কোটি, তামিল সিনেমায় শীর্ষে ‘জেলার ২’ ইরাকে এশিয়া কাপে দুই ফাইনালে বাংলাদেশ জাপানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইয়াসুও ফুকুদা মারা গেছেন উখিয়ায় ৬৪ বিজিবির দুই অভিযানে ১ লাখ ৮০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার যশোরের বেনাপোল-খড়িডাঙ্গা পাকা সড়কে সৃষ্টি হয়েছে স্থায়ী জলাবদ্ধতা, দুর্ভোগে ১০ গ্রামের মানুষ যশোরের শার্শায় চোর সন্দেহে আটক ৬

জাপানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইয়াসুও ফুকুদা মারা গেছেন

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:৩৭:০৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬
  • ২৫ বার পড়া হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: জাপানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইয়াসুও ফুকুদা মারা গেছেন। গত বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) ৯০ বছর বয়সে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। দেশটির সরকারি দল লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি) তার মৃত্যুর খবরটি নিশ্চিত করেছে। খবর এনএইচকের।

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবের স্থলাভিষিক্ত হয়ে ২০০৭ সালের সেপ্টেম্বর থেকে এক বছর জাপানের নেতৃত্ব দেন ফুকুদা। আবের প্রথম দফার প্রধানমন্ত্রিত্ব মাত্র ১২ মাস স্থায়ী হয়েছিল।

ক্ষমতায় থাকাকালে ফুকুদা চীনের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নের উদ্যোগ নেন এবং তৎকালীন চীনা প্রেসিডেন্ট হু চিনতাওকে জাপান সফরের আমন্ত্রণ জানান।

২০০৮ সালের মে মাসে হুর ওই সফরের মধ্য দিয়ে এক দশকের মধ্যে প্রথমবারের মতো চীনের কোনো রাষ্ট্রপ্রধান জাপান সফর করেন।

দুই নেতা এক যৌথ বিবৃতিতে ‘অভিন্ন কৌশলগত স্বার্থের ভিত্তিতে পারস্পরিক কল্যাণকর সম্পর্ক’ গড়ে তোলার অঙ্গীকার করেন।

জনসমর্থন কমে যাওয়ায় ফুকুদা ২০০৮ সালের সেপ্টেম্বরে পদত্যাগ করেন। ২০১২ সালে তিনি রাজনীতি থেকে অবসর নেন।

তবে বিতর্কিত দ্বীপপুঞ্জের মালিকানা ও ঐতিহাসিক বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে টোকিও ও বেইজিংয়ের সম্পর্কের অবনতি ঘটলে ফুকুদা ২০১৪ সালে চীন সফর করেন।

এ সময় তিনি প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠক করেন। তাঁর এই উদ্যোগ শির সঙ্গে জাপানের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী আবের দ্বিতীয় দফার শাসনামলে অনুষ্ঠিত একটি শীর্ষ বৈঠকের পথ সুগম করে।

বেইজিং তাকে ‘পুরোনো বন্ধু’ হিসেবে স্মরণ করেছে।
চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র গুও জিয়াকুন এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘মি. ইয়াসুও ফুকুদা চীনা জনগণের পুরোনো বন্ধু ছিলেন এবং চীন-জাপান সম্পর্কের উন্নতি ও বিকাশে ইতিবাচক অবদান রেখেছেন।’

গুও ‘জাপানের প্রবীণ প্রজন্মের রাষ্ট্রনায়কদের সততা ও দায়িত্ববোধের’ কথা উল্লেখ করেন এবং ‘জাপানের বর্তমান নেতৃত্বকে’ গভীরভাবে আত্মসমালোচনার আহ্বান জানান।

চীনের নিজস্ব ভূখণ্ড বলে দাবি করা তাইওয়ানে হামলা হলে জাপান সামরিকভাবে হস্তক্ষেপ করতে পারে বলে গত বছর জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি ইঙ্গিত দেওয়ার পর দুই দেশের সম্পর্কে অবনতি ঘটে।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

রোহিঙ্গা সংকটের স্থায়ী সমাধান মিয়ানমারেই নিহিত : প্রধানমন্ত্রী

জাপানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইয়াসুও ফুকুদা মারা গেছেন

আপডেট সময় : ০৮:৩৭:০৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: জাপানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইয়াসুও ফুকুদা মারা গেছেন। গত বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) ৯০ বছর বয়সে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। দেশটির সরকারি দল লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি) তার মৃত্যুর খবরটি নিশ্চিত করেছে। খবর এনএইচকের।

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবের স্থলাভিষিক্ত হয়ে ২০০৭ সালের সেপ্টেম্বর থেকে এক বছর জাপানের নেতৃত্ব দেন ফুকুদা। আবের প্রথম দফার প্রধানমন্ত্রিত্ব মাত্র ১২ মাস স্থায়ী হয়েছিল।

ক্ষমতায় থাকাকালে ফুকুদা চীনের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নের উদ্যোগ নেন এবং তৎকালীন চীনা প্রেসিডেন্ট হু চিনতাওকে জাপান সফরের আমন্ত্রণ জানান।

২০০৮ সালের মে মাসে হুর ওই সফরের মধ্য দিয়ে এক দশকের মধ্যে প্রথমবারের মতো চীনের কোনো রাষ্ট্রপ্রধান জাপান সফর করেন।

দুই নেতা এক যৌথ বিবৃতিতে ‘অভিন্ন কৌশলগত স্বার্থের ভিত্তিতে পারস্পরিক কল্যাণকর সম্পর্ক’ গড়ে তোলার অঙ্গীকার করেন।

জনসমর্থন কমে যাওয়ায় ফুকুদা ২০০৮ সালের সেপ্টেম্বরে পদত্যাগ করেন। ২০১২ সালে তিনি রাজনীতি থেকে অবসর নেন।

তবে বিতর্কিত দ্বীপপুঞ্জের মালিকানা ও ঐতিহাসিক বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে টোকিও ও বেইজিংয়ের সম্পর্কের অবনতি ঘটলে ফুকুদা ২০১৪ সালে চীন সফর করেন।

এ সময় তিনি প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠক করেন। তাঁর এই উদ্যোগ শির সঙ্গে জাপানের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী আবের দ্বিতীয় দফার শাসনামলে অনুষ্ঠিত একটি শীর্ষ বৈঠকের পথ সুগম করে।

বেইজিং তাকে ‘পুরোনো বন্ধু’ হিসেবে স্মরণ করেছে।
চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র গুও জিয়াকুন এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘মি. ইয়াসুও ফুকুদা চীনা জনগণের পুরোনো বন্ধু ছিলেন এবং চীন-জাপান সম্পর্কের উন্নতি ও বিকাশে ইতিবাচক অবদান রেখেছেন।’

গুও ‘জাপানের প্রবীণ প্রজন্মের রাষ্ট্রনায়কদের সততা ও দায়িত্ববোধের’ কথা উল্লেখ করেন এবং ‘জাপানের বর্তমান নেতৃত্বকে’ গভীরভাবে আত্মসমালোচনার আহ্বান জানান।

চীনের নিজস্ব ভূখণ্ড বলে দাবি করা তাইওয়ানে হামলা হলে জাপান সামরিকভাবে হস্তক্ষেপ করতে পারে বলে গত বছর জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি ইঙ্গিত দেওয়ার পর দুই দেশের সম্পর্কে অবনতি ঘটে।