ঢাকা ০৮:৫১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
রাতের আঁধারে শিকল কেটে মহিন শেখের ভ্যানগাড়ি চুরি যশোরে শার্শা ও বেনাপোলে শারদীয় দুর্গোৎসবের প্রস্তুতি সম্পন্ন: ৩২ মণ্ডপে বইছে আনন্দের জোয়ার যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি বাড়িয়েছি, বাড়তি সহায়তা পাওয়া উচিত: অর্থমন্ত্রী সাবেক এমপি সালাহউদ্দিন আহমেদের জানাজায় অংশ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী বেনাপোল স্থলবন্দরের উন্নয়নে পরিবেশগত প্রভাব নিরূপণ ও জনমত যাচাই সভা উখিয়ায় ২ লাখ ২০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার, পিস্তল-গুলি ও ডুবন্ত নৌকা জব্দ; আটক ৩ ইউরোপের বাজারে বাংলাদেশের বাণিজ্যিক সুবিধা সম্প্রসারণে নেদারল্যান্ডসের সহযোগিতা চেয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী চীন-রাশিয়া ইরানকে সহায়তা করছে বলে বিশ্বাস করেন না ট্রাম্প ২০৩০ বিশ্বকাপের সম্প্রচার স্বত্ব পেল নেটফ্লিক্স দুর্যোগ মোকাবিলায় আগাম প্রস্তুতি ও বাস্তবভিত্তিক যথাযথ নগর পরিকল্পনার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

বাঙালি ৩৫ জন কাঠুরিয়া হত্যাকাণ্ডের ৩০ বছর পূর্ণ – বিচারের দাবিতে পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদের মানববন্ধন

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:১৮:৩০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ৩১৮ বার পড়া হয়েছে

খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি: রাঙামাটির পাকুয়াখালীতে ৩৫ জন বাঙালি মুসলিম কাঠুরিয়া,কে নির্মমভাবে হত্যাকাণ্ডের বিচারের দাবিতে মানববন্ধন, প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদ এর খাগড়াছড়ি জেলা শাখার নেতৃবৃন্দরা,১৯৯৬ সালের ৯ সেপ্টেম্বর রাঙামাটির লংগদু উপজেলার পাকুয়াখালীতে ৩৫ জন বাঙালি কাঠুরিয়ার হত্যাকাণ্ড দীর্ঘ তিন দশকেও বিচার হয়নি বলে তারা অভিযোগ করেন।

বিক্ষোভ মিছিল,টি খাগড়াছড়ি শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে শাপলা চত্বরে এসে এক প্রতিবাদ সমাবেশে মিলিত হন সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

নাগরিক পরিষদের জেলা সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার মোঃ লোকমান হোসেনের সভাপতিত্বে এসময় সমাবেশে প্রধান অতিথি উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় মহাসচিব মোঃ আলমগীর কবির।এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন নাগরিক পরিষদ এর খাগড়াছড়ি জেলা শাখার সিনিয়র সহ সভাপতি সাংবাদিক নিজাম উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক মো. এস. এম. মাসুদ রানা, সহ-সভাপতি জাহিদ হাসান, পার্বত্য চট্টগ্রাম ছাত্র পরিষদের জেলা সভাপতি মোঃ সোহেল রানা এবং কলেজ শাখার সাধারণ সম্পাদক মোঃশামীম আহমেদ।

সমাবেশে বক্তারা বলেন পাকুয়াখালী হত্যাকাণ্ড পার্বত্য অঞ্চলের ইতিহাসে এক ভয়াবহ অধ্যায় হলেও এ পর্যন্ত এর বিচার হয়নি। তারা দাবি করেন, ঘটনার সাথে জড়িত সন্তু লারমাসহ সকল দায়ীদের বিচারের আওতায় আনা হোক। পাশাপাশি ইউপিডিএফ, জেএসএস, কেএনএফসহ পার্বত্য অঞ্চলের সশস্ত্র সংগঠনগুলোর খুন, গুম, চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাস বন্ধের দাবি, গণমাধ্যম সংস্কার কমিশনের প্রতিবেদনে ‘আদিবাসী’ শব্দ ব্যবহারের তীব্র সমালোচনা করা হয়েছে। সংবিধান অনুযায়ী পার্বত্য চট্টগ্রামের জনগণ ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী হিসেবে স্বীকৃত। তারা উল্লেখ করেন, ‘আদিবাসী’ শব্দ ব্যবহার করে রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্র চালানো হচ্ছে, যা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।

সমাবেশে অংশগ্রহণকারীরা আরো জানান বিচারহীনতার কারণে পার্বত্য চট্টগ্রামের মানুষ এখনও আতঙ্ক ও অসহায়তার মধ্যে রয়েছে। নিহত পরিবারগুলো দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য বিচার পাওয়ার জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে।

সমাবেশ শেষে নাগরিক পরিষদের বিক্ষোভকারীরা শাপলা চত্বরে কমিশনের প্রধান ও সদস্যদের কুশপুত্তলিকা দাহ করে তাদের প্রতিবাদ জানান। বিক্ষোভ শেষে শান্তিপূর্ণভাবে কর্মসূচি সমাপ্ত হয়।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

রাতের আঁধারে শিকল কেটে মহিন শেখের ভ্যানগাড়ি চুরি

বাঙালি ৩৫ জন কাঠুরিয়া হত্যাকাণ্ডের ৩০ বছর পূর্ণ – বিচারের দাবিতে পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদের মানববন্ধন

আপডেট সময় : ১১:১৮:৩০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫

খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি: রাঙামাটির পাকুয়াখালীতে ৩৫ জন বাঙালি মুসলিম কাঠুরিয়া,কে নির্মমভাবে হত্যাকাণ্ডের বিচারের দাবিতে মানববন্ধন, প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদ এর খাগড়াছড়ি জেলা শাখার নেতৃবৃন্দরা,১৯৯৬ সালের ৯ সেপ্টেম্বর রাঙামাটির লংগদু উপজেলার পাকুয়াখালীতে ৩৫ জন বাঙালি কাঠুরিয়ার হত্যাকাণ্ড দীর্ঘ তিন দশকেও বিচার হয়নি বলে তারা অভিযোগ করেন।

বিক্ষোভ মিছিল,টি খাগড়াছড়ি শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে শাপলা চত্বরে এসে এক প্রতিবাদ সমাবেশে মিলিত হন সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

নাগরিক পরিষদের জেলা সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার মোঃ লোকমান হোসেনের সভাপতিত্বে এসময় সমাবেশে প্রধান অতিথি উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় মহাসচিব মোঃ আলমগীর কবির।এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন নাগরিক পরিষদ এর খাগড়াছড়ি জেলা শাখার সিনিয়র সহ সভাপতি সাংবাদিক নিজাম উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক মো. এস. এম. মাসুদ রানা, সহ-সভাপতি জাহিদ হাসান, পার্বত্য চট্টগ্রাম ছাত্র পরিষদের জেলা সভাপতি মোঃ সোহেল রানা এবং কলেজ শাখার সাধারণ সম্পাদক মোঃশামীম আহমেদ।

সমাবেশে বক্তারা বলেন পাকুয়াখালী হত্যাকাণ্ড পার্বত্য অঞ্চলের ইতিহাসে এক ভয়াবহ অধ্যায় হলেও এ পর্যন্ত এর বিচার হয়নি। তারা দাবি করেন, ঘটনার সাথে জড়িত সন্তু লারমাসহ সকল দায়ীদের বিচারের আওতায় আনা হোক। পাশাপাশি ইউপিডিএফ, জেএসএস, কেএনএফসহ পার্বত্য অঞ্চলের সশস্ত্র সংগঠনগুলোর খুন, গুম, চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাস বন্ধের দাবি, গণমাধ্যম সংস্কার কমিশনের প্রতিবেদনে ‘আদিবাসী’ শব্দ ব্যবহারের তীব্র সমালোচনা করা হয়েছে। সংবিধান অনুযায়ী পার্বত্য চট্টগ্রামের জনগণ ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী হিসেবে স্বীকৃত। তারা উল্লেখ করেন, ‘আদিবাসী’ শব্দ ব্যবহার করে রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্র চালানো হচ্ছে, যা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।

সমাবেশে অংশগ্রহণকারীরা আরো জানান বিচারহীনতার কারণে পার্বত্য চট্টগ্রামের মানুষ এখনও আতঙ্ক ও অসহায়তার মধ্যে রয়েছে। নিহত পরিবারগুলো দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য বিচার পাওয়ার জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে।

সমাবেশ শেষে নাগরিক পরিষদের বিক্ষোভকারীরা শাপলা চত্বরে কমিশনের প্রধান ও সদস্যদের কুশপুত্তলিকা দাহ করে তাদের প্রতিবাদ জানান। বিক্ষোভ শেষে শান্তিপূর্ণভাবে কর্মসূচি সমাপ্ত হয়।