ঢাকা ০৯:০৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
রাতের আঁধারে শিকল কেটে মহিন শেখের ভ্যানগাড়ি চুরি যশোরে শার্শা ও বেনাপোলে শারদীয় দুর্গোৎসবের প্রস্তুতি সম্পন্ন: ৩২ মণ্ডপে বইছে আনন্দের জোয়ার যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি বাড়িয়েছি, বাড়তি সহায়তা পাওয়া উচিত: অর্থমন্ত্রী সাবেক এমপি সালাহউদ্দিন আহমেদের জানাজায় অংশ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী বেনাপোল স্থলবন্দরের উন্নয়নে পরিবেশগত প্রভাব নিরূপণ ও জনমত যাচাই সভা উখিয়ায় ২ লাখ ২০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার, পিস্তল-গুলি ও ডুবন্ত নৌকা জব্দ; আটক ৩ ইউরোপের বাজারে বাংলাদেশের বাণিজ্যিক সুবিধা সম্প্রসারণে নেদারল্যান্ডসের সহযোগিতা চেয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী চীন-রাশিয়া ইরানকে সহায়তা করছে বলে বিশ্বাস করেন না ট্রাম্প ২০৩০ বিশ্বকাপের সম্প্রচার স্বত্ব পেল নেটফ্লিক্স দুর্যোগ মোকাবিলায় আগাম প্রস্তুতি ও বাস্তবভিত্তিক যথাযথ নগর পরিকল্পনার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

ভোলায় আরিফ হত্যায় পুলিশের তদন্ত রিপোর্ট প্রত্যাখ্যান সুষ্ঠ তদন্ত দাবি পরিবারের

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:২৬:০৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ২৬৬ বার পড়া হয়েছে

ভোলা প্রতিনিধি : ভোলা সদর উপজেলার কালীবাড়ির রোড়ের আলোচিত  সাইফুল্লাহ আরিফ হত্যায় পুলিশের দেওয়া তদন্ত রিপোর্ট প্রত্যাখ্যান করে সূষ্ঠ তদন্ত ও বিচারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন নিহতের পরিবার।

সোমবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১ টায় ভোলা প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলন করে এ দাবি করেন নিহত আরিফের বাবা বশির উদ্দিন মাস্টার। সংবাদ সম্মেলনে তিনি অভিযোগ করে বলেন, পুলিশ ঘটনাটি ধামাচাপা দিয়ে দুর্ঘটনা হিসেবে চালিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে। গত ৩০ আগস্ট ভোরে ফজরের নামাজ পড়তে বের হওয়ার সময় বাড়ির সামনে আরিফের রক্তাক্ত মরদেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়। এসময় তার কপাল ভাঙা, মুখ ক্ষত-বিক্ষত ও হাতের কব্জি ভাঙ্গা অবস্থায় মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

তিনি আরো বলেন, ঘটনার দুই সপ্তাহ পার হলেও পরিবারের হাতে এজাহার কপি ও পোস্টমর্টেম রিপোর্ট দেওয়া হয়নি। বরং পুলিশের রিপোর্টে আরিফকে মাদকাসক্ত বলা হয়েছে, যা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও উদ্দেশ্যমূলক বলে দাবি করেন তিনি। নিহতের বাবা আরও বলেন, আমার ছেলে কখনো মাদকের সঙ্গে জড়িত ছিল না। পুলিশের তদন্তে অসঙ্গতি ও সত্য গোপনের চেষ্টা স্পষ্ট। তিনি মামলাটি পিবিআই বা সিআইডির কাছে হস্তান্তর করে দোষীদের দ্রুত গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির জন্য  প্রধান উপদেষ্টা, স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা ও পুলিশ সুপারের কাছে দাবি জানান।

উল্লেখ, গত ৩০ আগস্ট ভোর রাতে তার নিজ বাসার সামনে রক্তাক্ত অবস্থায় তার মৃত দেহ পড়ে থাকতে দেখে তার পরিবার। পরে পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য মর্গে পাঠায়। দির্ঘ ১৪ দিন পর পুলিশ তাদের তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করন। উক্ত তদন্ত প্রতিবেদনে পুলিশ দাবী করেন নিহত আরিফ তার বাসার ছাদ থেকে পরে মারা যায়।

অপরদিকে পুলিশের এই রিপোর্টকে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন দাবী করে নিহতের পরিবার বলছেন এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকান্ড।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

রাতের আঁধারে শিকল কেটে মহিন শেখের ভ্যানগাড়ি চুরি

ভোলায় আরিফ হত্যায় পুলিশের তদন্ত রিপোর্ট প্রত্যাখ্যান সুষ্ঠ তদন্ত দাবি পরিবারের

আপডেট সময় : ০৫:২৬:০৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫

ভোলা প্রতিনিধি : ভোলা সদর উপজেলার কালীবাড়ির রোড়ের আলোচিত  সাইফুল্লাহ আরিফ হত্যায় পুলিশের দেওয়া তদন্ত রিপোর্ট প্রত্যাখ্যান করে সূষ্ঠ তদন্ত ও বিচারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন নিহতের পরিবার।

সোমবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১ টায় ভোলা প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলন করে এ দাবি করেন নিহত আরিফের বাবা বশির উদ্দিন মাস্টার। সংবাদ সম্মেলনে তিনি অভিযোগ করে বলেন, পুলিশ ঘটনাটি ধামাচাপা দিয়ে দুর্ঘটনা হিসেবে চালিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে। গত ৩০ আগস্ট ভোরে ফজরের নামাজ পড়তে বের হওয়ার সময় বাড়ির সামনে আরিফের রক্তাক্ত মরদেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়। এসময় তার কপাল ভাঙা, মুখ ক্ষত-বিক্ষত ও হাতের কব্জি ভাঙ্গা অবস্থায় মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

তিনি আরো বলেন, ঘটনার দুই সপ্তাহ পার হলেও পরিবারের হাতে এজাহার কপি ও পোস্টমর্টেম রিপোর্ট দেওয়া হয়নি। বরং পুলিশের রিপোর্টে আরিফকে মাদকাসক্ত বলা হয়েছে, যা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও উদ্দেশ্যমূলক বলে দাবি করেন তিনি। নিহতের বাবা আরও বলেন, আমার ছেলে কখনো মাদকের সঙ্গে জড়িত ছিল না। পুলিশের তদন্তে অসঙ্গতি ও সত্য গোপনের চেষ্টা স্পষ্ট। তিনি মামলাটি পিবিআই বা সিআইডির কাছে হস্তান্তর করে দোষীদের দ্রুত গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির জন্য  প্রধান উপদেষ্টা, স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা ও পুলিশ সুপারের কাছে দাবি জানান।

উল্লেখ, গত ৩০ আগস্ট ভোর রাতে তার নিজ বাসার সামনে রক্তাক্ত অবস্থায় তার মৃত দেহ পড়ে থাকতে দেখে তার পরিবার। পরে পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য মর্গে পাঠায়। দির্ঘ ১৪ দিন পর পুলিশ তাদের তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করন। উক্ত তদন্ত প্রতিবেদনে পুলিশ দাবী করেন নিহত আরিফ তার বাসার ছাদ থেকে পরে মারা যায়।

অপরদিকে পুলিশের এই রিপোর্টকে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন দাবী করে নিহতের পরিবার বলছেন এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকান্ড।